@sminkkk.30: Tefal LightMix on the Go Personal Blender #tefal

Mink Minkkk
Mink Minkkk
Open In TikTok:
Region: SG
Thursday 16 April 2026 03:54:20 GMT
175
3
0
12

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @sminkkk.30, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ইয়াবা নামক মরণনেশার বিরুদ্ধে এক জ্বালাময়ী প্রতিবাদ ​উপস্থিত সুধিমণ্ডলী, ভাই ও বোনেরা, ​আজ আমাদের সামনে এমন এক ভয়াবহ শত্রু এসে দাঁড়িয়েছে, যা কোনো অস্ত্র ছাড়াই আমাদের পুরো একটা প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। সেই নীরব ঘাতকের নাম—ইয়াবা। এটি কোনো সাধারণ মাদক নয়, এটি একটি জীবন্ত বিষ, যা তরুণ সমাজের শিরায় শিরায় ঢুকে তাদের মেধা, বিবেক এবং জীবনকে পিষে ছারখার করে দিচ্ছে। আজ সময় এসেছে এই মরণনেশার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার। আমাদের এখনই জাগতে হবে, কথা বলতে হবে এবং এই সমাজকে মুক্ত করতে হবে। ​ইয়াবা গ্রহণের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া: এক ক্ষণস্থায়ী মিথ্যা মায়া ​অনেকেই কৌতুহল থেকে বা বন্ধুদের প্ররোচনায় পড়ে এই বিষ মুখে তুলে নেয়। খাওয়ার পরপরই মানবদেহে কিছু কৃত্রিম পরিবর্তন ঘটে: ​মিথ্যা শক্তির অনুভূতি: ইয়াবা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে তীব্রভাবে উত্তেজিত করে। ফলে সাময়িকভাবে ক্লান্তি চলে যায় এবং মনে হয় শরীরে অফুরন্ত শক্তি এসেছে। ​অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও উত্তেজনা: হরমোনের অস্বাভাবিক ক্ষরণের কারণে মানুষ নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং এক ধরনের মিথ্যা ও উগ্র আত্মবিশ্বাসে ভুগতে শুরু করে। ​ঘুম ও ক্ষুধা উধাও: এটি গ্রহণের পর টানা কয়েকদিন পর্যন্ত মানুষের ঘুম ও ক্ষুধা সম্পূর্ণ হারাম হয়ে যায়। শরীর তার স্বাভাবিক বিশ্রাম থেকে বঞ্চিত হয়। ​মানুষের শরীরে ইয়াবার মারাত্মক ক্ষতিকারক দিক ​এই সাময়িক উত্তেজনার আড়ালে শরীর ভেতরে ভেতরে কীভাবে ক্ষয়ে যায়, তা শুনলে শিউরে উঠতে হয়: ​হার্ট অ্যাটাকের চরম ঝুঁকি: ইয়াবা সেবনের সাথে সাথে রক্তচাপ এবং হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এর ফলে যেকোনো মুহূর্তে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়ে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ​অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হওয়া: লিভার, কিডনি এবং ফুসফুস এই বিষাক্ত রাসায়নিকের তীব্রতা সহ্য করতে পারে না। ধীরে ধীরে শরীরের এই প্রধান অঙ্গগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। ​অকাল বার্ধক্য ও ক্ষয়: ইয়াবাসেবী মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। চুল পড়ে যায়, চামড়া কুঁচকে যায় এবং দাঁত ক্ষয় হয়ে ভেঙে পড়ে। ​মানুষের ব্রেনে ইয়াবার ধ্বংসাত্মক প্রভাব ও পাগল হওয়ার প্রক্রিয়া ​ইয়াবা সবচেয়ে বড় আঘাতটি হানে মানুষের মগজে। এটি কীভাবে একজন সুস্থ মানুষকে জীবন্ত লাশে বা পাগলে পরিণত করে, তা নিচে তুলে ধরা হলো: ​১. ডোপামিন হরমোনের চিরতরে ধ্বংস ​আমাদের মস্তিষ্কে ‘ডোপামিন’ নামক একটি হরমোন থাকে, যা আমাদের সুখ ও আনন্দের অনুভূতি দেয়। ইয়াবা ব্রেনকে বাধ্য করে একসাথে প্রচুর ডোপামিন নিঃসৃত করতে। ফলে কিছুদিন পর ব্রেনের নিজস্ব ডোপামিন তৈরির ক্ষমতা চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। তখন ইয়াবা ছাড়া ওই মানুষটি আর কখনোই কোনো কিছুতে আনন্দ পায় না, তীব্র বিষণ্ণতায় ডুবে যায়। ​২. প্যারানয়া বা চরম হ্যালুসিনেশন ​ইয়াবা সেবনের ফলে মানুষের মস্তিষ্কের কোষগুলো (নিউরণ) পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তখন শুরু হয় প্যারানয়া। আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করে: ​সবাই তাকে মেরে ফেলার জন্য তাড়া করছে। ​তার খুব আপন মানুষেরা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ​সে দেয়ালে বা শূন্যে এমন কিছু দেখতে বা শুনতে পায়, যা বাস্তবে নেই। ​৩. যেভাবে মানুষ সম্পূর্ণ পাগল হয়ে যায় ​ধীরে ধীরে সে নিজের আবেগ ও বিবেকের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সামান্য কারণে পরিবারের সদস্যদের ওপর হিংস্র আচরণ করে, এমনকি খুন করতেও দ্বিধা করে না। রাতের পর রাত না ঘুমানোর ফলে এবং মস্তিষ্কের কোষ মরে যাওয়ার কারণে একপর্যায়ে তার চিন্তাভাবনা ও বাস্তবতার মধ্যকার সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সে কাপড়-চোপড়ের জ্ঞান হারিয়ে ফেলে, একা একা কথা বলে এবং সমাজ তাকে ‘পাগল’ হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হয়। ​আমাদের শপথ: মাদকের ঠাঁই নাই ​মনে রাখবেন: ইয়াবা কোনো ফ্যাশন নয়, এটি আত্মহত্যার এক ধীরগতির ফাঁদ। যে হাত আজ ইয়াবা ছোঁয়ার জন্য বাড়ছে, কাল সেই হাত নিজের মা-বাবা বা সন্তানের গলায় ছুরি বসাতে পারে। ​আসুন, আজ এই মঞ্চ থেকে আমরা একযোগে আওয়াজ তুলি। আপনার সন্তান, আপনার ভাই, আপনার বন্ধু কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে—খোঁজ নিন। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকসেবীদের সামাজিকভাবে বয়কট করুন। এই বিষাক্ত ছোবল থেকে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করতেই হবে। ​ধন্যবাদ।
ইয়াবা নামক মরণনেশার বিরুদ্ধে এক জ্বালাময়ী প্রতিবাদ ​উপস্থিত সুধিমণ্ডলী, ভাই ও বোনেরা, ​আজ আমাদের সামনে এমন এক ভয়াবহ শত্রু এসে দাঁড়িয়েছে, যা কোনো অস্ত্র ছাড়াই আমাদের পুরো একটা প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। সেই নীরব ঘাতকের নাম—ইয়াবা। এটি কোনো সাধারণ মাদক নয়, এটি একটি জীবন্ত বিষ, যা তরুণ সমাজের শিরায় শিরায় ঢুকে তাদের মেধা, বিবেক এবং জীবনকে পিষে ছারখার করে দিচ্ছে। আজ সময় এসেছে এই মরণনেশার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার। আমাদের এখনই জাগতে হবে, কথা বলতে হবে এবং এই সমাজকে মুক্ত করতে হবে। ​ইয়াবা গ্রহণের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া: এক ক্ষণস্থায়ী মিথ্যা মায়া ​অনেকেই কৌতুহল থেকে বা বন্ধুদের প্ররোচনায় পড়ে এই বিষ মুখে তুলে নেয়। খাওয়ার পরপরই মানবদেহে কিছু কৃত্রিম পরিবর্তন ঘটে: ​মিথ্যা শক্তির অনুভূতি: ইয়াবা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে তীব্রভাবে উত্তেজিত করে। ফলে সাময়িকভাবে ক্লান্তি চলে যায় এবং মনে হয় শরীরে অফুরন্ত শক্তি এসেছে। ​অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও উত্তেজনা: হরমোনের অস্বাভাবিক ক্ষরণের কারণে মানুষ নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং এক ধরনের মিথ্যা ও উগ্র আত্মবিশ্বাসে ভুগতে শুরু করে। ​ঘুম ও ক্ষুধা উধাও: এটি গ্রহণের পর টানা কয়েকদিন পর্যন্ত মানুষের ঘুম ও ক্ষুধা সম্পূর্ণ হারাম হয়ে যায়। শরীর তার স্বাভাবিক বিশ্রাম থেকে বঞ্চিত হয়। ​মানুষের শরীরে ইয়াবার মারাত্মক ক্ষতিকারক দিক ​এই সাময়িক উত্তেজনার আড়ালে শরীর ভেতরে ভেতরে কীভাবে ক্ষয়ে যায়, তা শুনলে শিউরে উঠতে হয়: ​হার্ট অ্যাটাকের চরম ঝুঁকি: ইয়াবা সেবনের সাথে সাথে রক্তচাপ এবং হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এর ফলে যেকোনো মুহূর্তে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়ে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ​অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হওয়া: লিভার, কিডনি এবং ফুসফুস এই বিষাক্ত রাসায়নিকের তীব্রতা সহ্য করতে পারে না। ধীরে ধীরে শরীরের এই প্রধান অঙ্গগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। ​অকাল বার্ধক্য ও ক্ষয়: ইয়াবাসেবী মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। চুল পড়ে যায়, চামড়া কুঁচকে যায় এবং দাঁত ক্ষয় হয়ে ভেঙে পড়ে। ​মানুষের ব্রেনে ইয়াবার ধ্বংসাত্মক প্রভাব ও পাগল হওয়ার প্রক্রিয়া ​ইয়াবা সবচেয়ে বড় আঘাতটি হানে মানুষের মগজে। এটি কীভাবে একজন সুস্থ মানুষকে জীবন্ত লাশে বা পাগলে পরিণত করে, তা নিচে তুলে ধরা হলো: ​১. ডোপামিন হরমোনের চিরতরে ধ্বংস ​আমাদের মস্তিষ্কে ‘ডোপামিন’ নামক একটি হরমোন থাকে, যা আমাদের সুখ ও আনন্দের অনুভূতি দেয়। ইয়াবা ব্রেনকে বাধ্য করে একসাথে প্রচুর ডোপামিন নিঃসৃত করতে। ফলে কিছুদিন পর ব্রেনের নিজস্ব ডোপামিন তৈরির ক্ষমতা চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। তখন ইয়াবা ছাড়া ওই মানুষটি আর কখনোই কোনো কিছুতে আনন্দ পায় না, তীব্র বিষণ্ণতায় ডুবে যায়। ​২. প্যারানয়া বা চরম হ্যালুসিনেশন ​ইয়াবা সেবনের ফলে মানুষের মস্তিষ্কের কোষগুলো (নিউরণ) পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তখন শুরু হয় প্যারানয়া। আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করে: ​সবাই তাকে মেরে ফেলার জন্য তাড়া করছে। ​তার খুব আপন মানুষেরা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ​সে দেয়ালে বা শূন্যে এমন কিছু দেখতে বা শুনতে পায়, যা বাস্তবে নেই। ​৩. যেভাবে মানুষ সম্পূর্ণ পাগল হয়ে যায় ​ধীরে ধীরে সে নিজের আবেগ ও বিবেকের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সামান্য কারণে পরিবারের সদস্যদের ওপর হিংস্র আচরণ করে, এমনকি খুন করতেও দ্বিধা করে না। রাতের পর রাত না ঘুমানোর ফলে এবং মস্তিষ্কের কোষ মরে যাওয়ার কারণে একপর্যায়ে তার চিন্তাভাবনা ও বাস্তবতার মধ্যকার সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সে কাপড়-চোপড়ের জ্ঞান হারিয়ে ফেলে, একা একা কথা বলে এবং সমাজ তাকে ‘পাগল’ হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হয়। ​আমাদের শপথ: মাদকের ঠাঁই নাই ​মনে রাখবেন: ইয়াবা কোনো ফ্যাশন নয়, এটি আত্মহত্যার এক ধীরগতির ফাঁদ। যে হাত আজ ইয়াবা ছোঁয়ার জন্য বাড়ছে, কাল সেই হাত নিজের মা-বাবা বা সন্তানের গলায় ছুরি বসাতে পারে। ​আসুন, আজ এই মঞ্চ থেকে আমরা একযোগে আওয়াজ তুলি। আপনার সন্তান, আপনার ভাই, আপনার বন্ধু কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে—খোঁজ নিন। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকসেবীদের সামাজিকভাবে বয়কট করুন। এই বিষাক্ত ছোবল থেকে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করতেই হবে। ​ধন্যবাদ।

About