@galerimisaliyorum0: Bu genç kim #aradığınvideo

Galerimisaliyorum
Galerimisaliyorum
Open In TikTok:
Region: TR
Thursday 16 April 2026 09:56:56 GMT
4533
42
2
82

Music

Download

Comments

To see more videos from user @galerimisaliyorum0, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে চার মাস বয়সী ছেলে জুনউকে নিয়ে সিউল থেকে সান ফ্রান্সিসকোগামী প্রায় ১০ ঘণ্টার ফ্লাইটে উঠেছিলেন এক মা।  এটি ছিল জুনউর জীবনের প্রথম বিমানযাত্রা। তাই ছেলে যদি কাঁদে এবং অন্য যাত্রীরা বি'রক্ত হন, তা নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন মা। সেই উ'দ্বেগ থেকেই তিনি এমন এক প্রস্তুতি নেন, যা কেউই আশা করেননি। বিমানে থাকা ২০০ জনের বেশি যাত্রীর হাতে তিনি ছোট ছোট উপহারের ব্যাগ তুলে দেন। প্রতিটি ব্যাগে ছিল কোরিয়ান মিষ্টি, এক জোড়া ইয়ারপ্লাগ এবং ছোট্ট একটি চিরকুট। চিরকুটটি লেখা হয়েছিল এমনভাবে, যেন কথাগুলো ছোট্ট জুনউ নিজেই বলছে। সেখানে জানানো হয়, সে চার মাস বয়সী একটি শিশু। মা ও নানির সঙ্গে খালার কাছে বেড়াতে যাচ্ছে। এটি তার প্রথম বিমানযাত্রা। তাই সে ভয় পেতে পারে, কাঁদতে পারে কিংবা কিছুটা শব্দ করতে পারে। সে কারণেই তার মা সঙ্গে ইয়ারপ্লাগ দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে যেন যাত্রীরা তা ব্যবহার করতে পারেন। যাত্রী ডেভ ক*রো*না ওই উপহারের ব্যাগের ছবি তুলে ফেসবুকে শেয়ার করেন। পুরো ঘটনাটি তিনি খুবই হৃদয়ছোঁয়া বলে বর্ণনা করেন। তবে এত আয়োজনের পর ঘটে মজার এক ঘটনা। যে শিশুর কান্নার আশঙ্কায় এত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, পুরো যাত্রায় সেই জুনউ প্রায় কোনো শব্দই করেনি। পরে ডেভ পুরো যাত্রার অভিজ্ঞতা কয়েকটি শব্দে তুলে ধরেন,
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে চার মাস বয়সী ছেলে জুনউকে নিয়ে সিউল থেকে সান ফ্রান্সিসকোগামী প্রায় ১০ ঘণ্টার ফ্লাইটে উঠেছিলেন এক মা। এটি ছিল জুনউর জীবনের প্রথম বিমানযাত্রা। তাই ছেলে যদি কাঁদে এবং অন্য যাত্রীরা বি'রক্ত হন, তা নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন মা। সেই উ'দ্বেগ থেকেই তিনি এমন এক প্রস্তুতি নেন, যা কেউই আশা করেননি। বিমানে থাকা ২০০ জনের বেশি যাত্রীর হাতে তিনি ছোট ছোট উপহারের ব্যাগ তুলে দেন। প্রতিটি ব্যাগে ছিল কোরিয়ান মিষ্টি, এক জোড়া ইয়ারপ্লাগ এবং ছোট্ট একটি চিরকুট। চিরকুটটি লেখা হয়েছিল এমনভাবে, যেন কথাগুলো ছোট্ট জুনউ নিজেই বলছে। সেখানে জানানো হয়, সে চার মাস বয়সী একটি শিশু। মা ও নানির সঙ্গে খালার কাছে বেড়াতে যাচ্ছে। এটি তার প্রথম বিমানযাত্রা। তাই সে ভয় পেতে পারে, কাঁদতে পারে কিংবা কিছুটা শব্দ করতে পারে। সে কারণেই তার মা সঙ্গে ইয়ারপ্লাগ দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে যেন যাত্রীরা তা ব্যবহার করতে পারেন। যাত্রী ডেভ ক*রো*না ওই উপহারের ব্যাগের ছবি তুলে ফেসবুকে শেয়ার করেন। পুরো ঘটনাটি তিনি খুবই হৃদয়ছোঁয়া বলে বর্ণনা করেন। তবে এত আয়োজনের পর ঘটে মজার এক ঘটনা। যে শিশুর কান্নার আশঙ্কায় এত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, পুরো যাত্রায় সেই জুনউ প্রায় কোনো শব্দই করেনি। পরে ডেভ পুরো যাত্রার অভিজ্ঞতা কয়েকটি শব্দে তুলে ধরেন, "বাচ্চাটার মুখ থেকে টুঁ শব্দও শোনা যায়নি!"

About