@unileverpersonalcareph: Hard launching Closeup Red Hot! Stay fresh for up to 24H with regular use, ready for any #CloseEncounters #CloseupPH

Unilever Personal Care PH
Unilever Personal Care PH
Open In TikTok:
Region: PH
Sunday 19 April 2026 06:46:52 GMT
11580
22
1
5

Music

Download

Comments

katherinegomez2817
KatPom :
wala na po ung donbelle ang box?
2026-05-25 07:26:04
0
To see more videos from user @unileverpersonalcareph, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১. বাবা-মার তাৎক্ষণিক করণীয়। 1.জরুরি সহায়তা: যেকোনো মারধর বা জরুরি মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ (999) নম্বরে কল করে পুলিশের সাহায্য নিন। 2.চিকিৎসা ও সনদ: সন্তান মারধর করলে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিন এবং ডাক্তারী সনদ (Medical Certificate) সংগ্রহ করুন। এটি আদালতে প্রমাণ হিসেবে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। 3.নিরাপত্তা: জীবন রক্ষার্থে প্রয়োজনে নিকটস্থ আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীদের ডেকে রাখুন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে বিষয়টি জানিয়ে রাখুন। ২. কোথায় এবং কীভাবে মামলা করবেন. বাবা-মা দুইভাবে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন: 1.থানায় মামলা (FIR): নিকটস্থ থানায় গিয়ে সরাসরি সন্তানদের বিরুদ্ধে এজাহার বা মামলা দায়ের করতে পারেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে আসামিকে গ্রেফতার করতে পারে। 2.আদালতে মামলা (C-R Case): থানা যদি কোনো কারণে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে সরাসরি বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা করা যায়। ৩. সংশ্লিষ্ট আইন, ধারা এবং শাস্তির মেয়াদ. এই ধরনের অপরাধের জন্য প্রধানত দুটি আইনে মামলা করা যায়: ক) পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ কোনো সন্তান বাবা-মাকে মারধর করলে, মানসিক নির্যাতন করলে বা বাধ্য করে সম্পত্তি লিখে নিতে চাইলে এই আইনে মামলা করা যাবে। 1.ধারা: ৫(১) ও ৫(২) ধারা। 2.শাস্তি: অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) লাখ টাকা জরিমানা; অনাদায়ে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস সশ্রম কারাদণ্ড। 3.বিশেষ নোট: সন্তানের স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়ি বা অন্য কেউ যদি সন্তানকে এই নির্যাতনে উস্কানি দেয়, তবে তারাও সমান শাস্তির মুখোমুখি হবেন। খ) দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code) শারীরিক আঘাত, গুরুতর জখম বা সম্পত্তি জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার চেষ্টার জন্য দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করা যায়। 1.ধারা ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করা): সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা। 2.ধারা ৩২৫ (গুরুতর জখম/হাড় ভাঙা): সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। 3.ধারা ৩৮৪/৩৮৫ (জোরপূর্বক সম্পত্তি লিখে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ভয়ভীতি দেখানো): সর্বোচ্চ ৩ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে (পরিস্থিতি ও তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে)
১. বাবা-মার তাৎক্ষণিক করণীয়। 1.জরুরি সহায়তা: যেকোনো মারধর বা জরুরি মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ (999) নম্বরে কল করে পুলিশের সাহায্য নিন। 2.চিকিৎসা ও সনদ: সন্তান মারধর করলে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিন এবং ডাক্তারী সনদ (Medical Certificate) সংগ্রহ করুন। এটি আদালতে প্রমাণ হিসেবে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। 3.নিরাপত্তা: জীবন রক্ষার্থে প্রয়োজনে নিকটস্থ আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীদের ডেকে রাখুন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে বিষয়টি জানিয়ে রাখুন। ২. কোথায় এবং কীভাবে মামলা করবেন. বাবা-মা দুইভাবে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন: 1.থানায় মামলা (FIR): নিকটস্থ থানায় গিয়ে সরাসরি সন্তানদের বিরুদ্ধে এজাহার বা মামলা দায়ের করতে পারেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে আসামিকে গ্রেফতার করতে পারে। 2.আদালতে মামলা (C-R Case): থানা যদি কোনো কারণে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে সরাসরি বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা করা যায়। ৩. সংশ্লিষ্ট আইন, ধারা এবং শাস্তির মেয়াদ. এই ধরনের অপরাধের জন্য প্রধানত দুটি আইনে মামলা করা যায়: ক) পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ কোনো সন্তান বাবা-মাকে মারধর করলে, মানসিক নির্যাতন করলে বা বাধ্য করে সম্পত্তি লিখে নিতে চাইলে এই আইনে মামলা করা যাবে। 1.ধারা: ৫(১) ও ৫(২) ধারা। 2.শাস্তি: অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) লাখ টাকা জরিমানা; অনাদায়ে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস সশ্রম কারাদণ্ড। 3.বিশেষ নোট: সন্তানের স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়ি বা অন্য কেউ যদি সন্তানকে এই নির্যাতনে উস্কানি দেয়, তবে তারাও সমান শাস্তির মুখোমুখি হবেন। খ) দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code) শারীরিক আঘাত, গুরুতর জখম বা সম্পত্তি জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার চেষ্টার জন্য দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করা যায়। 1.ধারা ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করা): সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা। 2.ধারা ৩২৫ (গুরুতর জখম/হাড় ভাঙা): সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। 3.ধারা ৩৮৪/৩৮৫ (জোরপূর্বক সম্পত্তি লিখে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ভয়ভীতি দেখানো): সর্বোচ্চ ৩ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে (পরিস্থিতি ও তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে)

About