@gabipowel: This Drive Felt Too Easy

Gabi Powel
Gabi Powel
Open In TikTok:
Region: ZA
Thursday 23 April 2026 22:11:42 GMT
31116
375
8
35

Music

Download

Comments

jaygontor
jaygontor :
So much torque in that swing 😍🔥
2026-04-23 22:46:57
10
pinkopallino002
Pinko pallino :
This is a rocket
2026-06-11 05:45:55
0
steve.gildea1
Steve Gildea :
badass rite there!
2026-04-23 22:35:34
7
user5880114069082
mask :
😉 Sweet
2026-04-25 02:47:09
7
bar.s.ranch
David Stroup :
John Daley backswing.
2026-05-01 14:25:01
3
ron.hawkins0
Ron Hawkins 🇨🇦 :
Always looking good beautiful ❤️
2026-04-24 01:41:01
6
mr.golf7895
Chris Pietersen :
Nich to watch you, great entertainment
2026-05-01 19:27:57
1
austin19776
austin19776 :
😳😳😳
2026-05-03 05:16:02
2
To see more videos from user @gabipowel, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

একটি মন্দির, একটি মসজিদ, একটি গির্জা কিংবা একটি প্যাগোডা ভাঙা খুব সহজ; কিন্তু মানুষের হৃদয়ে গড়ে ওঠা বিশ্বাস, সম্প্রীতি ও আস্থার বন্ধন ভেঙে গেলে তা পুনর্গঠন করতে বছরের পর বছর লেগে যায়। সভ্যতার পরিচয় শক্তির অহংকারে নয়, বরং শক্তিকে সংযত রাখার মধ্যেই নিহিত। দুর্বলকে আঘাত করা, সংখ্যার জোরে ভয় দেখানো, ভাঙচুর, হামলা কিংবা বিদ্বেষ ছড়ানো কখনো বীরত্ব নয়; বরং এটি মানবিক মূল্যবোধের পরাজয় এবং নৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রকাশ। আমরা ভুলে যাই, এই বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে নানা ধর্ম, সংস্কৃতি ও সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত ত্যাগ, শ্রম ও অবদানে। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সবাই এ দেশের সমান নাগরিক, সমান মর্যাদার মানুষ। একজন চিকিৎসক রোগীর ধর্ম দেখে চিকিৎসা করেন না, একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীর বিশ্বাস দেখে শিক্ষা দেন না, একজন রক্তদাতা রক্ত দেওয়ার আগে ধর্ম জানতে চান না। মানবতার কাছে সব বিভাজনই ক্ষুদ্র হয়ে যায়। ইসলাম আমাকে শিখিয়েছে দয়া, ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা এবং অন্যের অধিকার রক্ষার শিক্ষা। একজন মুসলমানের প্রকৃত শক্তি তার চরিত্রে, তার ধৈর্যে, তার ন্যায়পরায়ণতায়। কারও উপাসনালয় ভাঙা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা কিংবা দুর্বলকে শক্তি দিয়ে পরাজিত করা ইসলামের শিক্ষা হতে পারে না। অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি আমাদের আচরণ হওয়া উচিত সম্মান, সৌজন্য ও সহানুভূতির। মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, বিশ্বাসের পার্থক্য থাকতে পারে; কিন্তু ঘৃণা, প্রতিহিংসা ও সহিংসতা কখনো কোনো সমস্যার সমাধান নয়। বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায়বিচারই একটি শান্তিপূর্ণ সমাজের ভিত্তি। আজ আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ধর্মের নামে বিভেদ নয়, বরং মানবিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সংস্কৃতি। এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে কেউ তার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে আতঙ্কে থাকবে না; যেখানে শক্তিশালী দুর্বলকে রক্ষা করবে, নির্যাতন করবে না; যেখানে ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু বিদ্বেষ থাকবে না। আসুন, আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ি যেখানে মসজিদের আজান, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি, গির্জার প্রার্থনা এবং প্যাগোডার শান্ত বাণী—সবই সম্প্রীতি, সম্মান ও সহমর্মিতার আবহে উচ্চারিত হবে। কারণ মানবতাই সকল মহান মূল্যবোধের ভিত্তি, আর ন্যায়, সহনশীলতা ও সহমর্মিতাই একটি সভ্য জাতির প্রকৃত শক্তি। ✍️ জামাল উদ্দিন ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, দৈনিক দেশেরপত্র জয়পুরহাট  #মানবতা #ধর্মীয়সম্প্রীতি #সামাজিকমূল্যবোধ #সহমর্মিতা #ভ্রাতৃত্ব
একটি মন্দির, একটি মসজিদ, একটি গির্জা কিংবা একটি প্যাগোডা ভাঙা খুব সহজ; কিন্তু মানুষের হৃদয়ে গড়ে ওঠা বিশ্বাস, সম্প্রীতি ও আস্থার বন্ধন ভেঙে গেলে তা পুনর্গঠন করতে বছরের পর বছর লেগে যায়। সভ্যতার পরিচয় শক্তির অহংকারে নয়, বরং শক্তিকে সংযত রাখার মধ্যেই নিহিত। দুর্বলকে আঘাত করা, সংখ্যার জোরে ভয় দেখানো, ভাঙচুর, হামলা কিংবা বিদ্বেষ ছড়ানো কখনো বীরত্ব নয়; বরং এটি মানবিক মূল্যবোধের পরাজয় এবং নৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রকাশ। আমরা ভুলে যাই, এই বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে নানা ধর্ম, সংস্কৃতি ও সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত ত্যাগ, শ্রম ও অবদানে। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সবাই এ দেশের সমান নাগরিক, সমান মর্যাদার মানুষ। একজন চিকিৎসক রোগীর ধর্ম দেখে চিকিৎসা করেন না, একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীর বিশ্বাস দেখে শিক্ষা দেন না, একজন রক্তদাতা রক্ত দেওয়ার আগে ধর্ম জানতে চান না। মানবতার কাছে সব বিভাজনই ক্ষুদ্র হয়ে যায়। ইসলাম আমাকে শিখিয়েছে দয়া, ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা এবং অন্যের অধিকার রক্ষার শিক্ষা। একজন মুসলমানের প্রকৃত শক্তি তার চরিত্রে, তার ধৈর্যে, তার ন্যায়পরায়ণতায়। কারও উপাসনালয় ভাঙা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা কিংবা দুর্বলকে শক্তি দিয়ে পরাজিত করা ইসলামের শিক্ষা হতে পারে না। অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি আমাদের আচরণ হওয়া উচিত সম্মান, সৌজন্য ও সহানুভূতির। মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, বিশ্বাসের পার্থক্য থাকতে পারে; কিন্তু ঘৃণা, প্রতিহিংসা ও সহিংসতা কখনো কোনো সমস্যার সমাধান নয়। বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায়বিচারই একটি শান্তিপূর্ণ সমাজের ভিত্তি। আজ আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ধর্মের নামে বিভেদ নয়, বরং মানবিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সংস্কৃতি। এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে কেউ তার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে আতঙ্কে থাকবে না; যেখানে শক্তিশালী দুর্বলকে রক্ষা করবে, নির্যাতন করবে না; যেখানে ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু বিদ্বেষ থাকবে না। আসুন, আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ি যেখানে মসজিদের আজান, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি, গির্জার প্রার্থনা এবং প্যাগোডার শান্ত বাণী—সবই সম্প্রীতি, সম্মান ও সহমর্মিতার আবহে উচ্চারিত হবে। কারণ মানবতাই সকল মহান মূল্যবোধের ভিত্তি, আর ন্যায়, সহনশীলতা ও সহমর্মিতাই একটি সভ্য জাতির প্রকৃত শক্তি। ✍️ জামাল উদ্দিন ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, দৈনিক দেশেরপত্র জয়পুরহাট #মানবতা #ধর্মীয়সম্প্রীতি #সামাজিকমূল্যবোধ #সহমর্মিতা #ভ্রাতৃত্ব

About