@kanju.brand8:

Kanju Brand
Kanju Brand
Open In TikTok:
Region: PK
Tuesday 28 April 2026 15:00:44 GMT
223
66
10
1

Music

Download

Comments

khashfbreeng0
Kashif Bhai 💖💖🤙 :
🥰🥰🥰
2026-04-28 16:25:19
1
dilawar.mazhar
dilawar mazhar 💝 :
🥰🥰🥰
2026-04-28 15:49:57
1
user9702339613671
imran :
🥰🥰🥰
2026-04-28 16:36:57
1
shahzadwaheed02
Shahzad Waheed 02 :
😭😭😭😭😭
2026-04-29 03:37:27
1
sb_meer0
𝙎𝙃𝘼𝙃𝙈𝙀𝙀𝙍 🍃 :
❤️❤️❤️
2026-04-28 19:50:35
1
mhr_hni
🦁(Mahar Sunny Maitla)⚜️🔥 :
🥰🥰🥰
2026-05-05 10:38:48
0
faisal.iqbal03268865098
FaisalIqbal🫴📱03268865098🦅🦅 :
🥰🥰🥰
2026-05-01 09:29:59
1
faisal.iqbal03268865098
FaisalIqbal🫴📱03268865098🦅🦅 :
🥰🥰🥰
2026-04-29 15:48:45
1
muzammillove56
ladla302 :
🥰🥰🥰
2026-04-28 15:06:30
1
rizwan.takkar.vlog
Rizwan Takkar vlog :
❤️❤️❤️
2026-05-08 01:03:23
0
To see more videos from user @kanju.brand8, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

২০০৬ সালে কেরলের কোঝিকোড় থেকে পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন আবদুল রহিম। আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের হাল ধরতেই তাঁর এই বিদেশযাত্রা। কিন্তু কেউ জানত না, সেই যাত্রাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ ও কঠিন পরীক্ষার সূচনা করবে। সৌদি আরবে একটি পরিবারের সঙ্গে কাজ করার সময় বিশেষভাবে সক্ষম এক কিশোরের দেখাশোনার দায়িত্বও ছিল তাঁর ওপর। ২০০৬ সালের একদিন যাত্রাপথে হঠাৎ ওই কিশোরের লাইফ সাপোর্ট যন্ত্র খুলে যায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু ঘটে। এরপর রহিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে যন্ত্রটি সরিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং শুরু হয় দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া। পরবর্তীতে আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। বিদেশের মাটিতে, ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্ন পরিবেশে, এক কঠিন অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটতে থাকে তাঁর জীবন। আর দূরে কেরলে তাঁর বৃদ্ধা মা প্রতিদিন অপেক্ষা করতে থাকেন ছেলের ফিরে আসার আশায়। পরে সামনে আসে সৌদির “দিয়াহ” বা ব্লাড মানির বিধান। নিহতের পরিবার নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে ক্ষমা করলে মৃত্যুদণ্ড মওকুফ হতে পারে। সেই অর্থের পরিমাণ ছিল ১৫ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল— যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৪ কোটি টাকার সমান। এত বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা একটি সাধারণ পরিবারের পক্ষে অসম্ভব ছিল। তখন শুরু হয় “সেভ আবদুল রহিম” প্রচারাভিযান। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা মালয়ালি প্রবাসী ও সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসেন। কেউ সামান্য সঞ্চয় থেকে, কেউ মাসিক আয়ের অংশ থেকে, আবার কেউ নিজের সাধ্য অনুযায়ী অনুদান দেন। হাজারো মানুষের ছোট ছোট অবদানে একসময় সংগ্রহ হয়ে যায় পুরো অর্থ। ২০২৪ সালে নিহত কিশোরের পরিবার সেই অর্থ গ্রহণ করে ক্ষমা প্রদর্শন করলে রহিমের মৃত্যুদণ্ড বাতিল হয়। তবে তখনও তাঁর মুক্তি আসেনি। সৌদি আইনের অধীনে বাকি সাজা ভোগ করতে হয় তাঁকে। অবশেষে ২০২৬ সালের ১৯ মে তাঁর কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি মুক্তি পান। প্রায় ২০ বছর পর যখন আবদুল রহিম নিজের দেশে ফিরে আসেন, তখন বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিল তাঁর পরিবার। মায়ের সামনে দাঁড়ানোর সেই মুহূর্তে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি কেউ। কান্না, আলিঙ্গন আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানে ভরে ওঠে চারপাশ। একজন মানুষ পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছেড়েছিলেন। ফিরে এলেন জীবনের দুই দশক হারিয়ে। আর এক মা ফিরে পেলেন তাঁর সেই ছেলেকে, যার জন্য তিনি প্রতিদিন অপেক্ষা করেছেন বছরের পর বছর। কিছু অপেক্ষা শুধু সময়ের নয়, একটি মায়ের হৃদয়েরও গল্প হয়ে থাকে। ❤️
২০০৬ সালে কেরলের কোঝিকোড় থেকে পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন আবদুল রহিম। আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের হাল ধরতেই তাঁর এই বিদেশযাত্রা। কিন্তু কেউ জানত না, সেই যাত্রাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ ও কঠিন পরীক্ষার সূচনা করবে। সৌদি আরবে একটি পরিবারের সঙ্গে কাজ করার সময় বিশেষভাবে সক্ষম এক কিশোরের দেখাশোনার দায়িত্বও ছিল তাঁর ওপর। ২০০৬ সালের একদিন যাত্রাপথে হঠাৎ ওই কিশোরের লাইফ সাপোর্ট যন্ত্র খুলে যায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু ঘটে। এরপর রহিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে যন্ত্রটি সরিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং শুরু হয় দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া। পরবর্তীতে আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। বিদেশের মাটিতে, ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্ন পরিবেশে, এক কঠিন অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটতে থাকে তাঁর জীবন। আর দূরে কেরলে তাঁর বৃদ্ধা মা প্রতিদিন অপেক্ষা করতে থাকেন ছেলের ফিরে আসার আশায়। পরে সামনে আসে সৌদির “দিয়াহ” বা ব্লাড মানির বিধান। নিহতের পরিবার নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে ক্ষমা করলে মৃত্যুদণ্ড মওকুফ হতে পারে। সেই অর্থের পরিমাণ ছিল ১৫ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল— যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৪ কোটি টাকার সমান। এত বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা একটি সাধারণ পরিবারের পক্ষে অসম্ভব ছিল। তখন শুরু হয় “সেভ আবদুল রহিম” প্রচারাভিযান। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা মালয়ালি প্রবাসী ও সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসেন। কেউ সামান্য সঞ্চয় থেকে, কেউ মাসিক আয়ের অংশ থেকে, আবার কেউ নিজের সাধ্য অনুযায়ী অনুদান দেন। হাজারো মানুষের ছোট ছোট অবদানে একসময় সংগ্রহ হয়ে যায় পুরো অর্থ। ২০২৪ সালে নিহত কিশোরের পরিবার সেই অর্থ গ্রহণ করে ক্ষমা প্রদর্শন করলে রহিমের মৃত্যুদণ্ড বাতিল হয়। তবে তখনও তাঁর মুক্তি আসেনি। সৌদি আইনের অধীনে বাকি সাজা ভোগ করতে হয় তাঁকে। অবশেষে ২০২৬ সালের ১৯ মে তাঁর কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি মুক্তি পান। প্রায় ২০ বছর পর যখন আবদুল রহিম নিজের দেশে ফিরে আসেন, তখন বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিল তাঁর পরিবার। মায়ের সামনে দাঁড়ানোর সেই মুহূর্তে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি কেউ। কান্না, আলিঙ্গন আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানে ভরে ওঠে চারপাশ। একজন মানুষ পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছেড়েছিলেন। ফিরে এলেন জীবনের দুই দশক হারিয়ে। আর এক মা ফিরে পেলেন তাঁর সেই ছেলেকে, যার জন্য তিনি প্রতিদিন অপেক্ষা করেছেন বছরের পর বছর। কিছু অপেক্ষা শুধু সময়ের নয়, একটি মায়ের হৃদয়েরও গল্প হয়ে থাকে। ❤️

About