@momchadijayt: momchadija.rs #momchadija

Momchadija
Momchadija
Open In TikTok:
Region: RS
Monday 04 May 2026 10:37:54 GMT
716035
71098
606
8196

Music

Download

Comments

niki52021
Nikolina🇷🇸 :
Gde su Đoksa I Dario?
2026-05-04 10:58:56
1951
xxiioommaarraa
Victoria Xiomara :
my two favorite shows together
2026-06-13 22:05:43
0
yknnnb.0990
kslalallakpl :
Moja omeiljena serija!
2026-05-04 10:56:47
1723
piclija
janja :
daje mi ovaj vibe
2026-05-04 11:05:46
671
bogdan_milovic
Bogi🇲🇪 :
2026-05-04 11:38:49
214
ummihana_hadzibegicc
hani :
Javi te kad bude prešlo 1000 lajkova
2026-05-04 10:43:14
175
nnnikollic
🪐 :
Bolju reklamu za merch u 21. veku nisam videla.
2026-05-04 14:09:17
213
miljenko921
MILJENKO MIHICIC :
to je to MOMCHADIJA × FRIENDS OVO JE FIRE
2026-05-04 11:06:22
52
nadja20_9
Nadja20_9 :
novi intro
2026-05-04 18:42:58
17
lenna_gardic
__Lena__🤪 :
👦Ovo je Bob, 👕 Svaki put kad like-aš 👖 On stari. Koliko je star Bob?
2026-05-04 15:15:16
23
nadja.zivanovic4
Nadja :
Kad bi postojala serija o njima kao friends
2026-05-04 16:12:18
20
dunja.r38
dunja.r3 :
i dalje niko ne zaboravlja djoksu, daria i stefana🥹🥹🥹
2026-05-04 12:32:55
150
To see more videos from user @momchadijayt, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

“আমার মেয়ে বলেছিল, তার বড় ভাই তাকে স্পর্শ করেছে। আমি এক মুহূর্ত দেরি না করে তাকে বিশ্বাস করেছিলাম। আর সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমি আমার স্বামীকে রাজি করালাম—আমাদের ছেলেকে ঘর থেকে বের করে দিতে। সে ঘর ছেড়ে চলে গেল, আর আমরা তাকে যেন আর কোনোদিন ফিরতে না দিই সেই সিদ্ধান্তই নিলাম। কিন্তু দুই বছর পর আমাদের মেয়ে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে। ডাক্তার জানালেন, তাকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় হলো তার বড় ভাইয়ের কিডনি প্রতিস্থাপন। আমরা বহু খুঁজে তাকে পেলাম। সে হাসপাতালে এলো। তার বোনের কান্নাভেজা স্বীকারোক্তি শুনল। তারপর কোনো কথা না বলে ঘুরে চলে গেল। যাওয়ার আগে শুধু বলল— ‘আমার কাছ থেকে আর কিছু আশা করবেন না।’ হতাশ হয়ে আমি তার নাম ও পরিচয় সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে দিলাম। আর মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই এমন একটি ভিডিও সামনে এলো, যা আমাদের পুরো পৃথিবী উল্টে দিল। মুহূর্তেই আমি হয়ে গেলাম সবচেয়ে ঘৃণিত একজন মানুষ। আর আমার মেয়ের হৃদস্পন্দন মনিটরের শব্দ ধীরে ধীরে কমে আসছিল আমার চোখের সামনে।“ আমার নাম মাশফিয়া। যখন আমাদের পরিবার ভেঙে পড়ল, তখন আমার বয়স ছিল আটত্রিশ। আমার স্বামী হায়দার তখন ঊনচল্লিশের দিকে। আমাদের দুই সন্তান—ছেলে আরিফ, তখন তার বয়স আঠারো, আর মেয়ে জোহরা, নয় বছর। তাদের মধ্যে ছিল দশ বছরের ব্যবধান। আমি সবসময় ভাবতাম, এই দুই ভাইবোনের সম্পর্ক স্বাভাবিক। তারা একে অপরকে ভালোবাসে, যেভাবে যেকোনো ভাইবোন ভালোবাসে। আরিফ ছিল খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে। বই পড়তে ভালোবাসত। বেশিরভাগ সময় নিজের ঘরে চুপচাপ পড়াশোনা করেই কাটাত। সে কখনোই ঝামেলা করত না, কখনোই বিদ্রোহী আচরণ করত না। তার আচরণে কখনোই এমন কিছু ছিল না যা আমাকে সন্দেহ করতে বাধ্য করবে। আর জোহরা ছিল ঠিক তার উল্টো। খুব প্রাণবন্ত, হাসিখুশি, সব সময় কথা বলত, দৌড়াদৌড়ি করত। যেন তার ভেতরে সব সময় একটা অস্থিরতা কাজ করত। আমি সকালে কাজে যেতাম, আর হায়দার প্রায়ই শহরের বাইরে কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকত। তাই অনেক সময় জোহরার দেখাশোনার দায়িত্ব পড়ত আরিফের ওপর। স্কুল থেকে ফিরে সে তার ছোট বোনকে সামলাত। সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল। খুব স্বাভাবিক। যতক্ষণ না সেই দিনটা আসে। সন্ধ্যায় আমরা সবাই একসাথে খাবার টেবিলে বসেছিলাম। আমি ভাত আর তরকারি রান্না করেছিলাম। আমার ননদ মিষ্টি নিয়ে এসেছিল। বাসার পরিবেশ ছিল একেবারে শান্ত, ঘরোয়া। বাচ্চারা পাশের ঘরে খেলছিল। সবকিছুই ছিল একদম সাধারণ দিনের মতো। হঠাৎ করেই জোহরা কথা বলল। “আম্মু…” আমরা সবাই তার দিকে তাকালাম। সে কোনো কাঁদাকাটি না করে, খুব স্বাভাবিক গলায় বলল— “আরিফ আমাকে এখানে স্পর্শ করেছে।” তারপর সে শরীরের একটি জায়গার দিকে ইশারা করল। ঘরের ভেতর মুহূর্তেই নীরবতা নেমে এলো। এমন নীরবতা, যেন সময় থেমে গেছে। আমার হাত থেকে চামচ পড়ে গেল। আমার স্বামী হায়দারের মুখ কঠিন হয়ে উঠল। আমি স্তব্ধ হয়ে শুধু তাকিয়ে রইলাম আমার মেয়ের দিকে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কাঁপা গলায়— “তুমি কী বললে, জোহরা?” সে আবার বলল— “দুইবার করেছে।” সেই মুহূর্তে আমার মাথার ভেতর সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল। আমি কিছু ভাবতে পারছিলাম না। শুধু একটা অনুভূতি—ভয়। আমার মেয়ের জন্য ভয়। আর যদি এটা সত্যি হয়? আমরা আরিফকে ফোন করলাম। সে তখন শহরের বাইরে তার পড়াশোনার জায়গায় ছিল। প্রায় বিশ মিনিট পর সে বাড়ি এলো। কিন্তু তাকে কিছু বোঝানোর সুযোগও দেওয়া হলো না। সে ঘরে ঢুকতেই তার বাবা হায়দার এগিয়ে গিয়ে তাকে জোরে থাপ্পড় মারলেন। আরিফ মেঝেতে পড়ে গেল। তার মুখে ছিল সম্পূর্ণ বিস্ময়। “এটা কী হচ্ছে?!” সে চিৎকার করে বলল। হায়দার চিৎকার করে বললেন— “তুই কি তোর বোনকে স্পর্শ করেছিস?!” আরিফ কাঁপা গলায় বলল— “না! আমি কিছুই করিনি!” কিন্তু কেউ তাকে শুনল না। আবারও আঘাত নামল তার উপর। সে বারবার বলছিল, “আমি নির্দোষ।” কিন্তু আমরা শুনছিলাম না। সেই রাতেই আমরা তাকে ঘর থেকে বের করে দিলাম। তার জিনিসপত্র দরজার বাইরে ফেলে দিলাম। তার পড়াশোনার খরচ বন্ধ করে দিলাম। আর হায়দার বললেন— “আমাদের কাছে তুই আর নেই। তুই মারা গেছিস আমাদের জন্য।” আরিফ কাঁদছিল। বারবার বলছিল— “আম্মু… আমি কিছু করিনি… বিশ্বাস করো…” কিন্তু আমি চুপ ছিলাম। একটা কথাও বলিনি। সেই রাতেই সে আমাদের জীবন থেকে চলে গেল। এরপর দিনগুলো চলে গেল, কিন্তু আমাদের ভেতরের একটা অংশ ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছিল। আমরা নিজেদেরকে বোঝাতাম—আমরা সঠিক কাজ করেছি। মেয়েকে রক্ষা করেছি। কিন্তু সেই সান্ত্বনা বেশিদিন টেকেনি। রাতে ঘুমাতে গেলে আমি তাকে দেখতাম। আরিফকে। তার মুখে যন্ত্রণা, চোখে প্রশ্ন। আর সে শুধু একটাই কথা জিজ্ঞেস করত— “আম্মু… কেন?” চলবে… #শব্দহীন_কান্না  #fypシ゚viral #ফ্যপシ゚viral🖤video🤗foryou #ফরইউতে_দেখতে_চাই #কোমায়_থাকা_রোগী
“আমার মেয়ে বলেছিল, তার বড় ভাই তাকে স্পর্শ করেছে। আমি এক মুহূর্ত দেরি না করে তাকে বিশ্বাস করেছিলাম। আর সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমি আমার স্বামীকে রাজি করালাম—আমাদের ছেলেকে ঘর থেকে বের করে দিতে। সে ঘর ছেড়ে চলে গেল, আর আমরা তাকে যেন আর কোনোদিন ফিরতে না দিই সেই সিদ্ধান্তই নিলাম। কিন্তু দুই বছর পর আমাদের মেয়ে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে। ডাক্তার জানালেন, তাকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় হলো তার বড় ভাইয়ের কিডনি প্রতিস্থাপন। আমরা বহু খুঁজে তাকে পেলাম। সে হাসপাতালে এলো। তার বোনের কান্নাভেজা স্বীকারোক্তি শুনল। তারপর কোনো কথা না বলে ঘুরে চলে গেল। যাওয়ার আগে শুধু বলল— ‘আমার কাছ থেকে আর কিছু আশা করবেন না।’ হতাশ হয়ে আমি তার নাম ও পরিচয় সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে দিলাম। আর মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই এমন একটি ভিডিও সামনে এলো, যা আমাদের পুরো পৃথিবী উল্টে দিল। মুহূর্তেই আমি হয়ে গেলাম সবচেয়ে ঘৃণিত একজন মানুষ। আর আমার মেয়ের হৃদস্পন্দন মনিটরের শব্দ ধীরে ধীরে কমে আসছিল আমার চোখের সামনে।“ আমার নাম মাশফিয়া। যখন আমাদের পরিবার ভেঙে পড়ল, তখন আমার বয়স ছিল আটত্রিশ। আমার স্বামী হায়দার তখন ঊনচল্লিশের দিকে। আমাদের দুই সন্তান—ছেলে আরিফ, তখন তার বয়স আঠারো, আর মেয়ে জোহরা, নয় বছর। তাদের মধ্যে ছিল দশ বছরের ব্যবধান। আমি সবসময় ভাবতাম, এই দুই ভাইবোনের সম্পর্ক স্বাভাবিক। তারা একে অপরকে ভালোবাসে, যেভাবে যেকোনো ভাইবোন ভালোবাসে। আরিফ ছিল খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে। বই পড়তে ভালোবাসত। বেশিরভাগ সময় নিজের ঘরে চুপচাপ পড়াশোনা করেই কাটাত। সে কখনোই ঝামেলা করত না, কখনোই বিদ্রোহী আচরণ করত না। তার আচরণে কখনোই এমন কিছু ছিল না যা আমাকে সন্দেহ করতে বাধ্য করবে। আর জোহরা ছিল ঠিক তার উল্টো। খুব প্রাণবন্ত, হাসিখুশি, সব সময় কথা বলত, দৌড়াদৌড়ি করত। যেন তার ভেতরে সব সময় একটা অস্থিরতা কাজ করত। আমি সকালে কাজে যেতাম, আর হায়দার প্রায়ই শহরের বাইরে কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকত। তাই অনেক সময় জোহরার দেখাশোনার দায়িত্ব পড়ত আরিফের ওপর। স্কুল থেকে ফিরে সে তার ছোট বোনকে সামলাত। সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল। খুব স্বাভাবিক। যতক্ষণ না সেই দিনটা আসে। সন্ধ্যায় আমরা সবাই একসাথে খাবার টেবিলে বসেছিলাম। আমি ভাত আর তরকারি রান্না করেছিলাম। আমার ননদ মিষ্টি নিয়ে এসেছিল। বাসার পরিবেশ ছিল একেবারে শান্ত, ঘরোয়া। বাচ্চারা পাশের ঘরে খেলছিল। সবকিছুই ছিল একদম সাধারণ দিনের মতো। হঠাৎ করেই জোহরা কথা বলল। “আম্মু…” আমরা সবাই তার দিকে তাকালাম। সে কোনো কাঁদাকাটি না করে, খুব স্বাভাবিক গলায় বলল— “আরিফ আমাকে এখানে স্পর্শ করেছে।” তারপর সে শরীরের একটি জায়গার দিকে ইশারা করল। ঘরের ভেতর মুহূর্তেই নীরবতা নেমে এলো। এমন নীরবতা, যেন সময় থেমে গেছে। আমার হাত থেকে চামচ পড়ে গেল। আমার স্বামী হায়দারের মুখ কঠিন হয়ে উঠল। আমি স্তব্ধ হয়ে শুধু তাকিয়ে রইলাম আমার মেয়ের দিকে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কাঁপা গলায়— “তুমি কী বললে, জোহরা?” সে আবার বলল— “দুইবার করেছে।” সেই মুহূর্তে আমার মাথার ভেতর সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল। আমি কিছু ভাবতে পারছিলাম না। শুধু একটা অনুভূতি—ভয়। আমার মেয়ের জন্য ভয়। আর যদি এটা সত্যি হয়? আমরা আরিফকে ফোন করলাম। সে তখন শহরের বাইরে তার পড়াশোনার জায়গায় ছিল। প্রায় বিশ মিনিট পর সে বাড়ি এলো। কিন্তু তাকে কিছু বোঝানোর সুযোগও দেওয়া হলো না। সে ঘরে ঢুকতেই তার বাবা হায়দার এগিয়ে গিয়ে তাকে জোরে থাপ্পড় মারলেন। আরিফ মেঝেতে পড়ে গেল। তার মুখে ছিল সম্পূর্ণ বিস্ময়। “এটা কী হচ্ছে?!” সে চিৎকার করে বলল। হায়দার চিৎকার করে বললেন— “তুই কি তোর বোনকে স্পর্শ করেছিস?!” আরিফ কাঁপা গলায় বলল— “না! আমি কিছুই করিনি!” কিন্তু কেউ তাকে শুনল না। আবারও আঘাত নামল তার উপর। সে বারবার বলছিল, “আমি নির্দোষ।” কিন্তু আমরা শুনছিলাম না। সেই রাতেই আমরা তাকে ঘর থেকে বের করে দিলাম। তার জিনিসপত্র দরজার বাইরে ফেলে দিলাম। তার পড়াশোনার খরচ বন্ধ করে দিলাম। আর হায়দার বললেন— “আমাদের কাছে তুই আর নেই। তুই মারা গেছিস আমাদের জন্য।” আরিফ কাঁদছিল। বারবার বলছিল— “আম্মু… আমি কিছু করিনি… বিশ্বাস করো…” কিন্তু আমি চুপ ছিলাম। একটা কথাও বলিনি। সেই রাতেই সে আমাদের জীবন থেকে চলে গেল। এরপর দিনগুলো চলে গেল, কিন্তু আমাদের ভেতরের একটা অংশ ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছিল। আমরা নিজেদেরকে বোঝাতাম—আমরা সঠিক কাজ করেছি। মেয়েকে রক্ষা করেছি। কিন্তু সেই সান্ত্বনা বেশিদিন টেকেনি। রাতে ঘুমাতে গেলে আমি তাকে দেখতাম। আরিফকে। তার মুখে যন্ত্রণা, চোখে প্রশ্ন। আর সে শুধু একটাই কথা জিজ্ঞেস করত— “আম্মু… কেন?” চলবে… #শব্দহীন_কান্না #fypシ゚viral #ফ্যপシ゚viral🖤video🤗foryou #ফরইউতে_দেখতে_চাই #কোমায়_থাকা_রোগী

About