@delightfulwares: Atelier Vase Arrangement — Fully Styled Floral Centerpiece Fully Styled Removable Glass Insert Included Part of the D&W Sculptural Vessel Collection — a series of architectural designs created to style modern spaces with ease. The Atelier Vase Arrangement is a ready-to-display modern floral centerpiece built upon our sculptural Atelier vessel. Designed to complete a space the moment it arrives — no arranging, no styling, no guesswork required. Simply place it, and the surface feels finished. Each piece is composed in-house using a curated blend of premium soft-touch and high-quality lifelike florals, arranged to create natural height, movement, and balance. Created as a permanent décor object rather than a temporary bouquet, it ships fully styled and secured in protective packaging. Unlike our decorative-only vessels, the Atelier includes a removable glass insert — allowing you to transition to fresh flowers at any time while preserving its sculptural exterior. Choose Your Vessel Finish Bone WhiteOnyx ShimmerWarm Bronze Each finish is developed to complement both modern and traditional interiors. Choosing Your Scale Duchess — Accent ScaleIdeal for shelves, nightstands, and smaller styling moments. Glass Insert: Approx. 3.35″ diameter 6″ HVessel: Approx. 7.5″ H 6″ W Queen — Statement ScaleDesigned to anchor entryways and larger surfaces. Glass Insert: Approx. 3.35″ diameter 10″ HVessel: Approx. 10.625″ H 6″ W Measurements are approximate and taken at the widest points. At a Glance • Arrives fully styled — no arranging required• Designed & made in-house (small-batch production)• Removable glass insert included (fresh-flower compatible)• Permanent floral composition — no watering or upkeep• Protective feet for stability and surface protection• Lightweight yet stable base The Piece The Atelier Vase features a stacked architectural silhouette that balances strong geometry with soft interior curves. Its sculptural form provides visual depth and structure while maintaining a compact footprint suited ...#homedecor #floralarrangement #interiordecor #centerpiece #vasedecor #luxurydecor #modernhome #softtouchflorals #permanentflorals #giftideas #decorinspo #delightfulwares

delightfulwares
delightfulwares
Open In TikTok:
Region: US
Thursday 07 May 2026 06:20:18 GMT
305
5
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @delightfulwares, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে? বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান? ব্রিটিশদের প্রায় ২০০ বছরের শাসনামলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সেটির প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নানা বিরোধিতা ছিল। ব্রিটিশরা এত দীর্ঘ সময় শাসন করেও পূর্ব বাংলায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেনি। যদি কোনো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়াও হতো, সেগুলোর পথেও বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার প্রভাবশালী দাদা বাবুরা। কলকাতাকেই তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় পাকিস্তান ২৪ বছর পূর্ব বাংলাকে শোষণ করেছে। অথচ বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল। পাকিস্তান আমলে মোট ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেগুলো হলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮), এবং পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বর্তমান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬১)। পাকিস্তান আমলে মোট ৪টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সালে, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সালে, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সালে এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫টি, যার মধ্যে ৪টিই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে মাত্র ১টি। পাকিস্তান আমলে মোট ৮৭টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯), সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯), বাঙলা কলেজ (১৯৬২), ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ। উল্লেখ্য, বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯টি কলেজ আছে। এর মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১টি পাকিস্তান আমলে, আর স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মাত্র ১০টি। পাকিস্তান আমলে ৮টি সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেগুলো হলো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮), ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২), সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২), স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩), স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬), শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮), এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)। উল্লেখ্য, ইংরেজ শাসনের ২০০ বছরে মাত্র ১টি মেডিকেল কলেজ তৈরি হয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ। যদিও ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত, পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়। পাকিস্তান আমলে ১৭টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে ৪৯টি। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭টি, আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি। পাকিস্তান আমলে ৪টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেগুলো হলো ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (১৯৫৮), মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৩), ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৩), এবং রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১২টি ক্যাডেট কলেজ আছে, যার মধ্যে ৪টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমি ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়, নৌ অফিসার ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে। বর্তমানে এর নাম বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)। এছাড়াও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট (১৯৫০), যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। এরকম আরও বহু বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়। অনেকেই বলেন পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় পিছিয়ে ছিল, কারণ পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। কিন্তু এটাও লক্ষ্য করা দরকার ব্রিটিশ আমলে পূর্ব বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১টি, বিপরীতে পাকিস্তান অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮টি। অর্থাৎ পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির আগেই আমরা উচ্চশিক্ষার দিক থেকে পাকিস্তানের তুলনায় বহু গুণ পিছিয়ে ছিলাম। তাই ইতিহাসকে শুধু একপাক্ষিকভাবে দেখলে পুরো সত্যটা ধরা পড়ে না। পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলায় যে বহু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রকৌশল ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল, আজকের বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোর বড় অংশই সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে? বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান? ব্রিটিশদের প্রায় ২০০ বছরের শাসনামলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সেটির প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নানা বিরোধিতা ছিল। ব্রিটিশরা এত দীর্ঘ সময় শাসন করেও পূর্ব বাংলায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেনি। যদি কোনো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়াও হতো, সেগুলোর পথেও বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার প্রভাবশালী দাদা বাবুরা। কলকাতাকেই তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় পাকিস্তান ২৪ বছর পূর্ব বাংলাকে শোষণ করেছে। অথচ বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল। পাকিস্তান আমলে মোট ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেগুলো হলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮), এবং পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বর্তমান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬১)। পাকিস্তান আমলে মোট ৪টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সালে, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সালে, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সালে এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫টি, যার মধ্যে ৪টিই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে মাত্র ১টি। পাকিস্তান আমলে মোট ৮৭টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯), সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯), বাঙলা কলেজ (১৯৬২), ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ। উল্লেখ্য, বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯টি কলেজ আছে। এর মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১টি পাকিস্তান আমলে, আর স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মাত্র ১০টি। পাকিস্তান আমলে ৮টি সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেগুলো হলো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮), ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২), সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২), স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩), স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬), শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮), এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)। উল্লেখ্য, ইংরেজ শাসনের ২০০ বছরে মাত্র ১টি মেডিকেল কলেজ তৈরি হয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ। যদিও ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত, পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়। পাকিস্তান আমলে ১৭টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে ৪৯টি। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭টি, আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি। পাকিস্তান আমলে ৪টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেগুলো হলো ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (১৯৫৮), মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৩), ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৩), এবং রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১২টি ক্যাডেট কলেজ আছে, যার মধ্যে ৪টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমি ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়, নৌ অফিসার ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে। বর্তমানে এর নাম বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)। এছাড়াও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট (১৯৫০), যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। এরকম আরও বহু বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়। অনেকেই বলেন পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় পিছিয়ে ছিল, কারণ পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। কিন্তু এটাও লক্ষ্য করা দরকার ব্রিটিশ আমলে পূর্ব বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১টি, বিপরীতে পাকিস্তান অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮টি। অর্থাৎ পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির আগেই আমরা উচ্চশিক্ষার দিক থেকে পাকিস্তানের তুলনায় বহু গুণ পিছিয়ে ছিলাম। তাই ইতিহাসকে শুধু একপাক্ষিকভাবে দেখলে পুরো সত্যটা ধরা পড়ে না। পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলায় যে বহু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রকৌশল ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল, আজকের বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোর বড় অংশই সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

About