রহস্যময় আলোর আসল কারণ জানা গেল
সম্প্রতি কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে দেখা যায় এক রহস্যময় উজ্জ্বল আলো, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা। অনেকেই এটিকে ইউএফও বা অজানা কোনো মহাকাশীয় ঘটনা বলে ধারণা করলেও, পরে এর প্রকৃত কারণ সামনে আসে।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (PIB) এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (DRDO) জানিয়েছে, ৭ ও ৮ মে ওড়িশার উপকূল থেকে তারা ‘টারা’ (TARA - Tactical Advanced Range Augmentation) নামের একটি দেশীয় গ্লাইড ওয়েপন সিস্টেমের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে।
এ সময় বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় একটি NOTAM (Notice to Airmen) জারি করা হয়েছিল, যা সাধারণত দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা হাইপারসোনিক অস্ত্র পরীক্ষার সময় দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি যখন প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায়, তখন রকেটের জ্বালানি বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে আকাশে উজ্জ্বল ‘জেলিফিশ’ আকৃতির আলো তৈরি করে। সন্ধ্যার পর ভূপৃষ্ঠ অন্ধকার থাকলেও উচ্চ আকাশে সূর্যের আলো থাকার কারণে এ দৃশ্য বহু দূর থেকে স্পষ্ট দেখা যায়।
শুধু কক্সবাজার নয়, ঢাকা, খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও মানুষ একই দৃশ্য দেখতে পান।
বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, এটি কোনো এলিয়েন বা ইউএফও নয়; বরং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের একটি সামরিক পরীক্ষার ফলেই এই বিরল আলোকচ্ছটা দেখা গেছে।
রহস্যময় আলোর আসল কারণ জানা গেল
সম্প্রতি কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে দেখা যায় এক রহস্যময় উজ্জ্বল আলো, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা। অনেকেই এটিকে ইউএফও বা অজানা কোনো মহাকাশীয় ঘটনা বলে ধারণা করলেও, পরে এর প্রকৃত কারণ সামনে আসে।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (PIB) এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (DRDO) জানিয়েছে, ৭ ও ৮ মে ওড়িশার উপকূল থেকে তারা ‘টারা’ (TARA - Tactical Advanced Range Augmentation) নামের একটি দেশীয় গ্লাইড ওয়েপন সিস্টেমের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে।
এ সময় বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় একটি NOTAM (Notice to Airmen) জারি করা হয়েছিল, যা সাধারণত দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা হাইপারসোনিক অস্ত্র পরীক্ষার সময় দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি যখন প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায়, তখন রকেটের জ্বালানি বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে আকাশে উজ্জ্বল ‘জেলিফিশ’ আকৃতির আলো তৈরি করে। সন্ধ্যার পর ভূপৃষ্ঠ অন্ধকার থাকলেও উচ্চ আকাশে সূর্যের আলো থাকার কারণে এ দৃশ্য বহু দূর থেকে স্পষ্ট দেখা যায়।
শুধু কক্সবাজার নয়, ঢাকা, খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও মানুষ একই দৃশ্য দেখতে পান।
বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, এটি কোনো এলিয়েন বা ইউএফও নয়; বরং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের একটি সামরিক পরীক্ষার ফলেই এই বিরল আলোকচ্ছটা দেখা গেছে।