@cleaningwithakurd: no bacteria and skin cells here #youngho #CleanTok #foryoupage #sudsycleaning #suds

⚜️
⚜️
Open In TikTok:
Region: GB
Tuesday 12 May 2026 07:58:25 GMT
43180
1607
2
46

Music

Download

Comments

usrrr.ld2
usrrr.ld2 :
fr omg it disgust me so bad
2026-05-12 08:20:08
36
pledginique
Pledginique :
yessss
2026-05-31 19:29:08
1
To see more videos from user @cleaningwithakurd, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বিয়ের পর স্ত্রীকে যেসব শর্তগুলো দিবেন! ‎ ‎বিয়ে শুধু দুটি মানুষের সম্পর্ক নয়, এটি দায়িত্ব, ভালোবাসা, সম্মান ও বিশ্বাসের বন্ধন। তাই বিয়ের পর কিছু সুন্দর শর্ত বা নিয়ম থাকলে সংসার হয় শান্তিময় ও সুখের। তবে শর্ত যেন কখনো জুলুম বা নিয়ন্ত্রণের অস্ত্র না হয়, বরং সম্পর্ককে সুন্দর রাখার একটি মাধ্যম হয়। ‎ ‎১. নামাজ ও দ্বীনের প্রতি গুরুত্ব ‎ ‎সংসারের প্রথম শর্ত হওয়া উচিত—আল্লাহর আনুগত্য। ‎স্ত্রীকে বলুন: ‎ ‎▪️পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে। ‎▪️হারাম থেকে দূরে থাকতে হবে। ‎▪️ইসলামি আদর্শ মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে। ‎▪️ঘরে কুরআন তিলাওয়াত ও দ্বীনি পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। ‎ ‎কারণ, আল্লাহভীরু স্ত্রী সংসারের সবচেয়ে বড় নিয়ামত। ‎ ‎২. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্মান বজায় রাখা ‎ভালোবাসা কম হলেও সংসার টিকে যায়, কিন্তু সম্মান নষ্ট হলে সম্পর্ক ভেঙে যায়। ‎ ‎শর্ত দিন: ‎▪️রাগের মাথায় অপমান করা যাবে না। ‎▪️একে অপরের পরিবারকে অসম্মান করা যাবে না। ‎▪️ব্যক্তিগত বিষয় অন্যের কাছে বলা যাবে না। ‎ ‎৩. মিথ্যা ও প্রতারণা না করা ‎বিশ্বাস হলো সম্পর্কের ভিত্তি। ‎ ‎▪️কোনো বিষয় গোপন করে প্রতারণা করা যাবে না। ‎▪️ফোন, টাকা বা সম্পর্ক নিয়ে মিথ্যা বলা যাবে না। ‎▪️ভুল হলে স্বীকার করার মানসিকতা থাকতে হবে। ‎ ‎৪. পর্দা ও চরিত্র রক্ষা করা ‎একজন মুসলিম নারীর সৌন্দর্য তার লজ্জাশীলতা ও চরিত্রে। ‎ ‎▪️অপ্রয়োজনীয় পরপুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠতা নয়। ‎▪️সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমালঙ্ঘন নয়। ‎▪️নিজের সম্মান ও পরিবারের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ‎ ‎৫. রাগের সময় নীরব থাকার অভ্যাস ‎প্রতিটি সংসারেই ঝগড়া হবে। কিন্তু ঝগড়া সামলানোর কৌশলই সম্পর্ক বাঁচায়। ‎ ‎▪️রাগের সময় কটু কথা বলা যাবে না। ‎▪️সমস্যা হলে আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। ‎▪️“জিততেই হবে” মানসিকতা রাখা যাবে না। ‎ ‎৬. একে অপরের পরিবারকে আপন ভাবা ‎শুধু স্বামীকে ভালোবাসলেই হয় না, তার পরিবারকেও সম্মান করতে হয়। ‎ ‎▪️শ্বশুর-শাশুড়িকে সম্মান করতে হবে। ‎▪️আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট করা যাবে না। ‎▪️উভয় পরিবারের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ‎ ‎৭. অযথা তুলনা না করা ‎অন্যের স্বামী বা সংসারের সাথে তুলনা করলে শান্তি নষ্ট হয়। ‎ ‎▪️“অমুকের স্বামী এটা করে” — এ ধরনের কথা এড়াতে হবে। ‎▪️নিজের জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করতে হবে। ‎ ‎৮. অর্থের ব্যাপারে সচেতন হওয়া ‎সংসার শুধু আবেগে চলে না, বাস্তবতাও লাগে। ‎ ‎▪️অযথা অপচয় করা যাবে না। ‎▪️সামর্থ্যের বাইরে চাহিদা চাপিয়ে দেয়া যাবে না। ‎▪️সঞ্চয়ের মানসিকতা থাকতে হবে। ‎ ‎৯. ব্যক্তিগত সময় ও গোপনীয়তার সম্মান ‎স্বামী-স্ত্রী একে অপরের খুব কাছের মানুষ হলেও ব্যক্তিত্বের সম্মান জরুরি। ‎ ‎▪️অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বিষয় অন্যকে বলা যাবে না। ‎▪️একে অপরের দুর্বলতাকে অস্ত্র বানানো যাবে না। ‎ ‎১০. সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ‎সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত এটাই— ‎ ‎▪️কষ্টের সময় ছেড়ে যাওয়া যাবে না। ‎▪️খারাপ সময়ে একে অপরকে দোষারোপ না করে সাহস দিতে হবে। ‎▪️ সংসারকে “আমার” নয়, “আমাদের” ভাবতে হবে। ‎ ‎শেষ কথা ‎স্ত্রীকে শুধু শর্ত দিলেই হবে না, স্বামীকেও একইভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ‎ ‎কারণ সুন্দর সংসার একতরফাভাবে তৈরি হয় না। ভালোবাসা, সম্মান, ধৈর্য ও আল্লাহভীতি—এই চারটি জিনিস থাকলে সংসার জান্নাতের টুকরো হয়ে যায়।
বিয়ের পর স্ত্রীকে যেসব শর্তগুলো দিবেন! ‎ ‎বিয়ে শুধু দুটি মানুষের সম্পর্ক নয়, এটি দায়িত্ব, ভালোবাসা, সম্মান ও বিশ্বাসের বন্ধন। তাই বিয়ের পর কিছু সুন্দর শর্ত বা নিয়ম থাকলে সংসার হয় শান্তিময় ও সুখের। তবে শর্ত যেন কখনো জুলুম বা নিয়ন্ত্রণের অস্ত্র না হয়, বরং সম্পর্ককে সুন্দর রাখার একটি মাধ্যম হয়। ‎ ‎১. নামাজ ও দ্বীনের প্রতি গুরুত্ব ‎ ‎সংসারের প্রথম শর্ত হওয়া উচিত—আল্লাহর আনুগত্য। ‎স্ত্রীকে বলুন: ‎ ‎▪️পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে। ‎▪️হারাম থেকে দূরে থাকতে হবে। ‎▪️ইসলামি আদর্শ মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে। ‎▪️ঘরে কুরআন তিলাওয়াত ও দ্বীনি পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। ‎ ‎কারণ, আল্লাহভীরু স্ত্রী সংসারের সবচেয়ে বড় নিয়ামত। ‎ ‎২. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্মান বজায় রাখা ‎ভালোবাসা কম হলেও সংসার টিকে যায়, কিন্তু সম্মান নষ্ট হলে সম্পর্ক ভেঙে যায়। ‎ ‎শর্ত দিন: ‎▪️রাগের মাথায় অপমান করা যাবে না। ‎▪️একে অপরের পরিবারকে অসম্মান করা যাবে না। ‎▪️ব্যক্তিগত বিষয় অন্যের কাছে বলা যাবে না। ‎ ‎৩. মিথ্যা ও প্রতারণা না করা ‎বিশ্বাস হলো সম্পর্কের ভিত্তি। ‎ ‎▪️কোনো বিষয় গোপন করে প্রতারণা করা যাবে না। ‎▪️ফোন, টাকা বা সম্পর্ক নিয়ে মিথ্যা বলা যাবে না। ‎▪️ভুল হলে স্বীকার করার মানসিকতা থাকতে হবে। ‎ ‎৪. পর্দা ও চরিত্র রক্ষা করা ‎একজন মুসলিম নারীর সৌন্দর্য তার লজ্জাশীলতা ও চরিত্রে। ‎ ‎▪️অপ্রয়োজনীয় পরপুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠতা নয়। ‎▪️সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমালঙ্ঘন নয়। ‎▪️নিজের সম্মান ও পরিবারের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ‎ ‎৫. রাগের সময় নীরব থাকার অভ্যাস ‎প্রতিটি সংসারেই ঝগড়া হবে। কিন্তু ঝগড়া সামলানোর কৌশলই সম্পর্ক বাঁচায়। ‎ ‎▪️রাগের সময় কটু কথা বলা যাবে না। ‎▪️সমস্যা হলে আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। ‎▪️“জিততেই হবে” মানসিকতা রাখা যাবে না। ‎ ‎৬. একে অপরের পরিবারকে আপন ভাবা ‎শুধু স্বামীকে ভালোবাসলেই হয় না, তার পরিবারকেও সম্মান করতে হয়। ‎ ‎▪️শ্বশুর-শাশুড়িকে সম্মান করতে হবে। ‎▪️আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট করা যাবে না। ‎▪️উভয় পরিবারের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ‎ ‎৭. অযথা তুলনা না করা ‎অন্যের স্বামী বা সংসারের সাথে তুলনা করলে শান্তি নষ্ট হয়। ‎ ‎▪️“অমুকের স্বামী এটা করে” — এ ধরনের কথা এড়াতে হবে। ‎▪️নিজের জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করতে হবে। ‎ ‎৮. অর্থের ব্যাপারে সচেতন হওয়া ‎সংসার শুধু আবেগে চলে না, বাস্তবতাও লাগে। ‎ ‎▪️অযথা অপচয় করা যাবে না। ‎▪️সামর্থ্যের বাইরে চাহিদা চাপিয়ে দেয়া যাবে না। ‎▪️সঞ্চয়ের মানসিকতা থাকতে হবে। ‎ ‎৯. ব্যক্তিগত সময় ও গোপনীয়তার সম্মান ‎স্বামী-স্ত্রী একে অপরের খুব কাছের মানুষ হলেও ব্যক্তিত্বের সম্মান জরুরি। ‎ ‎▪️অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বিষয় অন্যকে বলা যাবে না। ‎▪️একে অপরের দুর্বলতাকে অস্ত্র বানানো যাবে না। ‎ ‎১০. সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ‎সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত এটাই— ‎ ‎▪️কষ্টের সময় ছেড়ে যাওয়া যাবে না। ‎▪️খারাপ সময়ে একে অপরকে দোষারোপ না করে সাহস দিতে হবে। ‎▪️ সংসারকে “আমার” নয়, “আমাদের” ভাবতে হবে। ‎ ‎শেষ কথা ‎স্ত্রীকে শুধু শর্ত দিলেই হবে না, স্বামীকেও একইভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ‎ ‎কারণ সুন্দর সংসার একতরফাভাবে তৈরি হয় না। ভালোবাসা, সম্মান, ধৈর্য ও আল্লাহভীতি—এই চারটি জিনিস থাকলে সংসার জান্নাতের টুকরো হয়ে যায়।

About