@sabidoodl:

mike
mike
Open In TikTok:
Region: CA
Saturday 16 May 2026 08:39:40 GMT
8251
340
8
1

Music

Download

Comments

fugazi321
Perrytheplaytupus :
Dude did you go to iceman land or sum?
2026-05-16 08:49:24
4
billiamoof
billiam :
that's the only way I date
2026-05-16 09:23:00
1
therizzler9299
TheRizzler :
2026-05-16 08:41:40
1
leehean123
LeeHean123 :
2026-05-16 23:39:15
0
anddrizzle
anddrizzle :
❤️❤️❤️❤️
2026-05-16 17:58:29
0
chicofuego604
Chicofuego604 :
yes, only 1 time. I almost married said person. Unfortunately, I found out literally right when I was gonna get a ring that they had been cheating on me. I got to witness said act. As well, the person also comitted theft and battery against me. The trail went back months , with a friend of mine...it took years to dig myself out of the hole that created in my soul, and fix the mess that it put my life into. Clinical therapy and recovery from other self harming coping mechanisms,was a long battle and for a time, I was a shell of a man..I don't wish that level of emotional pain on anyone. Now, I don't date for personal / faith driven reasons and ...that word, faith...I mean don't have a lot of faith in the opposite gender anymore, and I see it socially. People are fractured in society and everyone has ridiculous ego, expections, women hating men, men hating women, people fooling around, etc its a lot...however, in the last few years I have had hope one day, something may change. I'm trying to be more positive every day, small actions of kindness to strangers, hoping to see the good in humanity. I think maybe soulmates , or the idea of someone being genuinely honest with me could happen, but I don't waste my finite time dating around trying to manifest it into existence. Marriage should be about love and commitment, but people treat dating like a contract based on a list of things...the love and connection left the conversation a long time ago and as much as I try to have hope, I'm smart enough to know most people are lost.
2026-05-16 18:00:52
1
To see more videos from user @sabidoodl, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#✾মন_মাঝি_রে✾ |৮০| ❝সোনারও পালঙ্কের ঘরে লিখে রেখে ছিলেম দ্বারে যাও পাখি বলো তারে সে যেন ভোলে না মোরে সুখে থেক, ভালো থেক মনে রেখ এ আমারে...❞ কী সুন্দর দাদীর কন্ঠস্বর! গানের প্রতিটা শব্দই তোমার ঠোঁটে হাসি ফুটিয়ে তুলছে! একসময় তুমিও আবেগে আপ্লুত হয়ে মৃদু স্বরে গেয়ে উঠলে...‘যাও পাখি বলো তারে...সে যেনো ভোলে না মোরে!’ মুহুর্মুহু আকাশে দমকা হাওয়া বয়ে চলেছে,  সেই আকাশের নিকট গভীর নেএপল্লব নিবদ্ধ করে তুমি তারই কথা ভেবে চললে এক লাজভরা হাসি দিয়ে! প্রণয়ে পড়লে বুঝি এমনি অনুভূতির শিকার হয় সকলে? আজ প্রায়সই নিজের অনুভূতি নিয়ে আতঙ্কিত হয় মেয়েটি!জংকুক ভাই তো ঘাড়ত্যাড়া, রাগী চোখেচোখে যদিও বলে দিয়েছে সে যে Ynকে কতটা চায়, তবে এ অব্দি তো মুখে শিকার করেনি! বলেনি, 'ভালোবাসি!’ অন্যসব প্রেমিক পুরুষদের মত তো জংকুক ভাইয়ের আচরণ নয়! সে নিতান্তই এক গুরুগম্ভীর মানুষ। দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে শুঁকনো কন্ঠে আপনমনেই বিড়বিড়িয়ে উঠলে তুমি, ‘আপনি খুব অদ্ভুৎ, জিওন জংকুক! এই অব্দি তো কখনোই দেখলাম না, আমার সাথে সুন্দর করে কথা বলতে কিংবা...মন খুলে হাসতে!’ অথচ মেয়েটা দেখলোই না, অদূরে ভাইয়ের সাথেই বোসে জংকুল তার দিক কেমন সুগভীর চোখে তাকিয়ে রয়েছে! হাতে পানির গ্লাস অথচ বিন্দুসম ধ্যান নেই তাতে! আস্মিৎ Ynএর চোখ পড়লো জংকুকের দিক।  জংকুক তা দেখেও চোখ সরালো না, একধ্যানে তাকিয়ে রইলো! Yn বোধহয় জংকুক কে দেখে কিছুটা চমকেছে... কেমন নিষ্পাপ চোখে পিটপিট করে তাকিয়ে আছে সে। দু'জন ব্যক্তি সংগোপনে দূর থেকেই চাওয়াচাওয়িতে একে অপরকে যেনো জানিয়ে দিলো বহু অভিমানী, প্রেমময় বাক্য! আচমকা নামজুন ঠাস করে জংকুকের কাঁধে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিল, তবুও জংকুক নির্বিকার। কেবল গম্ভীর কণ্ঠে গ্লাসটা ঠোঁট থেকে সরিয়ে বলল, -শরীর আমার অসীম বলিষ্ঠ, ইঁদুরের ছোঁয়া গায়ে লাগেনা। -বেয়াদব! শেমলেস ম্যান! ভাইয়ের সামনে এভাবে তাকিয়ে আছিস কার দিকে, হ্যাঁ? -আপনার বোনের দিকে! ওকে ভাল্লাগে, বিয়ে দিবেন?  জংকুক এবার সোজা নামজুনের চোখে তাকাল। পরক্ষণেই দু'ভাই একসাথে নিঃশব্দে হেসে উঠল। নামজুন রসিকভাবে বলল, -আমার বোনকে ভদ্র ও সাবলীল একটা ছেলের সাথে বিয়ে দেবো, তোর মত অমানুষ কে বিয়ে করলে ও বাঁচবে?  -অ*মানুষ কেনো, কী করেছি আমি! ওর জন্য আমার চাইতে ভালো ছেলে পাবেন? নামজুন প্রত্যুওর না করে, উল্টো প্রশ্ন ছুড়লো, -এই নিয়ে ক'জন কে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিস? -কাউন্ট করে দেখিনি, তবে দেশে আসার পরে কাউকে টাচ করিনি। -তোর কী মনেহয়, আমার কানে কিছু আসেনা? ক'দিন আগেই তো একটারে মেরে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছিস! আবার বলছিস কাউকে টাচ করিনি! -ওই ব*জ্জাতের দলেরা মানুষের লিস্টে পরে না। তাই আমি কাউকেই ধরিনি। -হেয়ালি করিস না জংকুক! -ওদের ওই চিপ দলের মেম্বার গুলো... এক একটা শা*লাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলাম জাস্ট.. যদিও এখন অনেকটা সুস্থ, বেশী মার খায়নি তো তাই। -ফল্ট কী ছিলো? - ড্রাগ অ্যা*ডি*কটেড, মেয়েদের ব্লাক*মেইল, ইভটিজিং বলতে গেলে মেয়েলোকদের সব ধরনের মামলায় তারা জড়িত।  পুলিশের কাছে মা*মলা করেছে অনেকে তবে এতে বেশ লাভ হয়নি। -পরে তুই ওদের ধরে মে*রেছিস? জংকুক জিভের ডগায় অধর ভিজিয়ে রাশভারী কন্ঠে বললো,  --আমি কেনো মা*রতে যাবো? আমি তো কেবল ওদের হাসপাতালে পাঠিয়েছিলাম। পরপরই জংকুকের মুখে খেলে গেলো এক বাঁকা হাসি। সে রহস্যময় দৃষ্টিতে একপল নামজুনের দিক তাকিয়ে চোখ সরিয়ে ফের তার প্রিয়সীর নিকট তাকাতে নিলো, কিন্তু পরক্ষণেই চোখমুখ আঁধার হয়ে এলো তার, একটু আগে চেহারার মধ্যে Ynকে দেখেই তার মুখে উজ্জ্বলতা এসেছিল তার মুহুর্তের মধ্যেই গায়ের হয়ে গেলো! চোখের পলকে কোথায় গেলো পিচ্চি মেয়েটা? নামজুন উৎসুকভাবে ফের জানতে চাইলো, -কে করেছে তাহলে? জংকুক নামজুনের কথায় বিরক্তি হলো, সে দাঁত কিড়মিড়িয়ে গম্ভীর স্বরে বললো, -মিস্টার নামজুন খান্ডাকার, কাইন্ডলি নিজ থেকে বুঝে নিন। তোমার বাইক্কা কথার জবাব দিতে গিয়ে নিজের চক্ষুদ্বয়ের শান্তিটাকে আর দেখতে পারবো না! -জংকুক একটু কষ্ট করে নিচে যাও! কেউ একজন অপেক্ষা করছে তো টেবিলে বোসে! আকস্মিকভাবে ভাবীর আগমন ও তার বাক্যে ভ্রু কুঁচকালো জংকুক, পরক্ষণেই চোখ উঠিয়ে একপল Yn যেদিকটায় বসা ছিলো সেখানেই তাকাল, দেখলো ওখানে বাকিরা থাকলেও মিস Yn নেই। জংকুক তার শার্টের কলার ঠিকঠাক করতে করতে উঠে দাঁড়িয়ে বললো,  - কথা বলুন, আমি তাহলে আসি! বলেই জংকুক দ্রুত কদমে ছাঁদ হতে বেড়িয়ে যেতে উদ্যোত হলো। Yn2 পেছনে তাকিয়ে মিটিমিটি হেসে উঠতেই নামজুন তাকে নিজের শক্ত হাত দ্বারা টেনে এনে ধপ করে নিজের পাশে বসালো। -কী করছো?! -এই জংকুক কে কী বললে তুমি? ওর জন্য কে রেঁধেছে?! আম্মু? -উফফ কতশত প্রশ্ন! (সবাই কপিলিংক ও কমেন্ট  করতে পারো।🤍) #fypage #jeon_taibu #fyp
#✾মন_মাঝি_রে✾ |৮০| ❝সোনারও পালঙ্কের ঘরে লিখে রেখে ছিলেম দ্বারে যাও পাখি বলো তারে সে যেন ভোলে না মোরে সুখে থেক, ভালো থেক মনে রেখ এ আমারে...❞ কী সুন্দর দাদীর কন্ঠস্বর! গানের প্রতিটা শব্দই তোমার ঠোঁটে হাসি ফুটিয়ে তুলছে! একসময় তুমিও আবেগে আপ্লুত হয়ে মৃদু স্বরে গেয়ে উঠলে...‘যাও পাখি বলো তারে...সে যেনো ভোলে না মোরে!’ মুহুর্মুহু আকাশে দমকা হাওয়া বয়ে চলেছে, সেই আকাশের নিকট গভীর নেএপল্লব নিবদ্ধ করে তুমি তারই কথা ভেবে চললে এক লাজভরা হাসি দিয়ে! প্রণয়ে পড়লে বুঝি এমনি অনুভূতির শিকার হয় সকলে? আজ প্রায়সই নিজের অনুভূতি নিয়ে আতঙ্কিত হয় মেয়েটি!জংকুক ভাই তো ঘাড়ত্যাড়া, রাগী চোখেচোখে যদিও বলে দিয়েছে সে যে Ynকে কতটা চায়, তবে এ অব্দি তো মুখে শিকার করেনি! বলেনি, 'ভালোবাসি!’ অন্যসব প্রেমিক পুরুষদের মত তো জংকুক ভাইয়ের আচরণ নয়! সে নিতান্তই এক গুরুগম্ভীর মানুষ। দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে শুঁকনো কন্ঠে আপনমনেই বিড়বিড়িয়ে উঠলে তুমি, ‘আপনি খুব অদ্ভুৎ, জিওন জংকুক! এই অব্দি তো কখনোই দেখলাম না, আমার সাথে সুন্দর করে কথা বলতে কিংবা...মন খুলে হাসতে!’ অথচ মেয়েটা দেখলোই না, অদূরে ভাইয়ের সাথেই বোসে জংকুল তার দিক কেমন সুগভীর চোখে তাকিয়ে রয়েছে! হাতে পানির গ্লাস অথচ বিন্দুসম ধ্যান নেই তাতে! আস্মিৎ Ynএর চোখ পড়লো জংকুকের দিক। জংকুক তা দেখেও চোখ সরালো না, একধ্যানে তাকিয়ে রইলো! Yn বোধহয় জংকুক কে দেখে কিছুটা চমকেছে... কেমন নিষ্পাপ চোখে পিটপিট করে তাকিয়ে আছে সে। দু'জন ব্যক্তি সংগোপনে দূর থেকেই চাওয়াচাওয়িতে একে অপরকে যেনো জানিয়ে দিলো বহু অভিমানী, প্রেমময় বাক্য! আচমকা নামজুন ঠাস করে জংকুকের কাঁধে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিল, তবুও জংকুক নির্বিকার। কেবল গম্ভীর কণ্ঠে গ্লাসটা ঠোঁট থেকে সরিয়ে বলল, -শরীর আমার অসীম বলিষ্ঠ, ইঁদুরের ছোঁয়া গায়ে লাগেনা। -বেয়াদব! শেমলেস ম্যান! ভাইয়ের সামনে এভাবে তাকিয়ে আছিস কার দিকে, হ্যাঁ? -আপনার বোনের দিকে! ওকে ভাল্লাগে, বিয়ে দিবেন? জংকুক এবার সোজা নামজুনের চোখে তাকাল। পরক্ষণেই দু'ভাই একসাথে নিঃশব্দে হেসে উঠল। নামজুন রসিকভাবে বলল, -আমার বোনকে ভদ্র ও সাবলীল একটা ছেলের সাথে বিয়ে দেবো, তোর মত অমানুষ কে বিয়ে করলে ও বাঁচবে? -অ*মানুষ কেনো, কী করেছি আমি! ওর জন্য আমার চাইতে ভালো ছেলে পাবেন? নামজুন প্রত্যুওর না করে, উল্টো প্রশ্ন ছুড়লো, -এই নিয়ে ক'জন কে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিস? -কাউন্ট করে দেখিনি, তবে দেশে আসার পরে কাউকে টাচ করিনি। -তোর কী মনেহয়, আমার কানে কিছু আসেনা? ক'দিন আগেই তো একটারে মেরে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছিস! আবার বলছিস কাউকে টাচ করিনি! -ওই ব*জ্জাতের দলেরা মানুষের লিস্টে পরে না। তাই আমি কাউকেই ধরিনি। -হেয়ালি করিস না জংকুক! -ওদের ওই চিপ দলের মেম্বার গুলো... এক একটা শা*লাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলাম জাস্ট.. যদিও এখন অনেকটা সুস্থ, বেশী মার খায়নি তো তাই। -ফল্ট কী ছিলো? - ড্রাগ অ্যা*ডি*কটেড, মেয়েদের ব্লাক*মেইল, ইভটিজিং বলতে গেলে মেয়েলোকদের সব ধরনের মামলায় তারা জড়িত। পুলিশের কাছে মা*মলা করেছে অনেকে তবে এতে বেশ লাভ হয়নি। -পরে তুই ওদের ধরে মে*রেছিস? জংকুক জিভের ডগায় অধর ভিজিয়ে রাশভারী কন্ঠে বললো, --আমি কেনো মা*রতে যাবো? আমি তো কেবল ওদের হাসপাতালে পাঠিয়েছিলাম। পরপরই জংকুকের মুখে খেলে গেলো এক বাঁকা হাসি। সে রহস্যময় দৃষ্টিতে একপল নামজুনের দিক তাকিয়ে চোখ সরিয়ে ফের তার প্রিয়সীর নিকট তাকাতে নিলো, কিন্তু পরক্ষণেই চোখমুখ আঁধার হয়ে এলো তার, একটু আগে চেহারার মধ্যে Ynকে দেখেই তার মুখে উজ্জ্বলতা এসেছিল তার মুহুর্তের মধ্যেই গায়ের হয়ে গেলো! চোখের পলকে কোথায় গেলো পিচ্চি মেয়েটা? নামজুন উৎসুকভাবে ফের জানতে চাইলো, -কে করেছে তাহলে? জংকুক নামজুনের কথায় বিরক্তি হলো, সে দাঁত কিড়মিড়িয়ে গম্ভীর স্বরে বললো, -মিস্টার নামজুন খান্ডাকার, কাইন্ডলি নিজ থেকে বুঝে নিন। তোমার বাইক্কা কথার জবাব দিতে গিয়ে নিজের চক্ষুদ্বয়ের শান্তিটাকে আর দেখতে পারবো না! -জংকুক একটু কষ্ট করে নিচে যাও! কেউ একজন অপেক্ষা করছে তো টেবিলে বোসে! আকস্মিকভাবে ভাবীর আগমন ও তার বাক্যে ভ্রু কুঁচকালো জংকুক, পরক্ষণেই চোখ উঠিয়ে একপল Yn যেদিকটায় বসা ছিলো সেখানেই তাকাল, দেখলো ওখানে বাকিরা থাকলেও মিস Yn নেই। জংকুক তার শার্টের কলার ঠিকঠাক করতে করতে উঠে দাঁড়িয়ে বললো, - কথা বলুন, আমি তাহলে আসি! বলেই জংকুক দ্রুত কদমে ছাঁদ হতে বেড়িয়ে যেতে উদ্যোত হলো। Yn2 পেছনে তাকিয়ে মিটিমিটি হেসে উঠতেই নামজুন তাকে নিজের শক্ত হাত দ্বারা টেনে এনে ধপ করে নিজের পাশে বসালো। -কী করছো?! -এই জংকুক কে কী বললে তুমি? ওর জন্য কে রেঁধেছে?! আম্মু? -উফফ কতশত প্রশ্ন! (সবাই কপিলিংক ও কমেন্ট করতে পারো।🤍) #fypage #jeon_taibu #fyp

About