@banknattha_43: สลกบาตรเมืองคนเก๋😂 #ตูนเอลี่ #เป้ยไปเรื่อย #โยอรุณี #ฝนมอนสเตอร์ฝน #เปิดการมองเห็น

อยากมีผู้ติดตาม1000คน
อยากมีผู้ติดตาม1000คน
Open In TikTok:
Region: TH
Wednesday 20 May 2026 02:34:20 GMT
6852
226
1
16

Music

Download

Comments

44337710p
จิ้งหรีด :
กูอยากมีเพื่อนงี้5555
2026-06-05 22:17:21
0
To see more videos from user @banknattha_43, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

@Md Shawan:৯৪ বছর বয়সী ক্লারা গ্যান্ট দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে অপেক্ষা করেছেন স্বামীর ঘরে ফেরার জন্য। তিনি আর কখনো বিয়ে করেননি, বিশ্বাস করতেন- একদিন হয়তো স্বামী ঠিকই ফিরে আসবেন। ২০১৩ সালে অবশেষে তার স্বামী- ইউ.এস. আর্মি সার্জেন্ট জোসেফ গ্যান্টের দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায় এবং দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। কফিন পৌঁছালে হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে স্বামীকে গ্রহণ করতে দেখা যায় ক্লারাকে। জোসেফ গ্যান্ট ১৯৫০ সালে কোরিয়ান যুদ্ধে নিখোঁজ হন। যুদ্ধের আগে তিনি ক্লারাকে বলেছিলেন, যদি আর ফিরতে না পারেন, তবে যেন তিনি আবারও বিয়ে করে নেন। কিন্তু ক্লারা সেই কথা শোনেননি। তিনি কখনো আশা ছাড়েননি, এবং আর বিয়েও করেননি। ক্লারা বলেন, “আমি শুধু প্রার্থনা করতাম, যেন প্রভু আমাকে জীবিত রাখেন যতদিন না তার খোঁজ মেলে, যাতে আমি নিজ হাতে তাকে শেষ বিদায় জানাতে পারি।” প্রতিবেশীরা ৬৩ বছর ধরে ভেবেছিলেন ক্লারার জীবনে হয়তো অন্য কেউ আসবে। কিন্তু কেউ তাকে কখনো অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখেনি। এয়ারপোর্টে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি ওর জন্য ভীষণ গর্বিত। ও ছিল অসাধারণ একজন স্বামী, দারুণ বুঝদার মানুষ। আমি সবসময়ই ওকে ভালোবেসেছি। আমরা দুজন ছিলাম একরকম—একজন আরেকজনকে ভালোবাসতাম, আর সেটাই আমাদের বিবাহিত জীবনকে পূর্ণ
@Md Shawan:৯৪ বছর বয়সী ক্লারা গ্যান্ট দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে অপেক্ষা করেছেন স্বামীর ঘরে ফেরার জন্য। তিনি আর কখনো বিয়ে করেননি, বিশ্বাস করতেন- একদিন হয়তো স্বামী ঠিকই ফিরে আসবেন। ২০১৩ সালে অবশেষে তার স্বামী- ইউ.এস. আর্মি সার্জেন্ট জোসেফ গ্যান্টের দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায় এবং দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। কফিন পৌঁছালে হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে স্বামীকে গ্রহণ করতে দেখা যায় ক্লারাকে। জোসেফ গ্যান্ট ১৯৫০ সালে কোরিয়ান যুদ্ধে নিখোঁজ হন। যুদ্ধের আগে তিনি ক্লারাকে বলেছিলেন, যদি আর ফিরতে না পারেন, তবে যেন তিনি আবারও বিয়ে করে নেন। কিন্তু ক্লারা সেই কথা শোনেননি। তিনি কখনো আশা ছাড়েননি, এবং আর বিয়েও করেননি। ক্লারা বলেন, “আমি শুধু প্রার্থনা করতাম, যেন প্রভু আমাকে জীবিত রাখেন যতদিন না তার খোঁজ মেলে, যাতে আমি নিজ হাতে তাকে শেষ বিদায় জানাতে পারি।” প্রতিবেশীরা ৬৩ বছর ধরে ভেবেছিলেন ক্লারার জীবনে হয়তো অন্য কেউ আসবে। কিন্তু কেউ তাকে কখনো অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখেনি। এয়ারপোর্টে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি ওর জন্য ভীষণ গর্বিত। ও ছিল অসাধারণ একজন স্বামী, দারুণ বুঝদার মানুষ। আমি সবসময়ই ওকে ভালোবেসেছি। আমরা দুজন ছিলাম একরকম—একজন আরেকজনকে ভালোবাসতাম, আর সেটাই আমাদের বিবাহিত জীবনকে পূর্ণ

About