@happyshopping3rduk: 6 Pcs Tattoo Ice Sleeves Set, Floral Arm Tattoo Design, Seamless Breathable Sun Protection, Essential for Outdoor Cycling #sunprotection #summerfinds #tshirts #menscare #temporarytattoo #mensoutfitideas #workoutfits #watchbands #bestworkoutshorts #coolgifts

Happy Shopping 3rd
Happy Shopping 3rd
Open In TikTok:
Region: US
Saturday 23 May 2026 01:45:30 GMT
1785
7
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @happyshopping3rduk, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ম্যাচের আগে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছে। আমার মন বলছে সেখানে ফিফা সরাসরি জড়িত। জন্মের পর থেকে, ফুটবল খেলা বুঝার পর থেকে আর্জেন্টিনার খেলা দেখি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কখনো এমন খেলা দেখিনি তাদের। বুকে হাত রেখে বলতে পারি, এইখানে কিছু একটা অবশ্যই হইছে। খেলার আগে কিছু একটা অবশ্যই অবশ্যই ঘটছে।  ১) মেসির পরিবার মাঠে আসেনি। ২) আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আসবে বলেও আসেনি। ৩) বাকি প্রায় প্রত্যেকটা ম্যাচেই গ্যালারিতে সিমিওনে ছিলো, কিন্তু ফাইনালে তাকেও দেখা যায়নি। ৪) লাউতারো মার্তিনেজকে ১ মিনিটের জন্যেও স্ক্রিনে দেখা যায়নি, খেলাতো দূরে থাক। ৫) হাফ টাইমেই এঞ্জোর ডাবল ইউলো=লাল কার্ড। ৬) লিসান্দ্রোর ইঞ্জুরি। যে প্লেয়ার সামান্য ম্যাচেও রক্ত পড়া অবস্থায় ব্যান্ডেজ নিয়ে খেলে, অথচ সে ফাইনালের মতো ম্যাচে অন্য কোন প্লেয়ারের স্পর্শ ছাড়াই ইঞ্জুরড হয়ে যায়। ৭) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ইঞ্জুরি। ৮) স্কালোনির উল্টা-পাল্টা বদলি। ৯) পুরো ৯০ মিনিটে কোন শট অন গোল নাই। এমনকি ১২০মিনিটেও গোলে শট ছিলো মাত্র ২টা ১০) যেখানে স্পেনের পাস ছিলো প্রায় ৮০০, সেখানে মেসিরা করেছে তিনশরও কম। যাস্ট ভাবা যায় না। ১১) প্রায় প্রত্যেকটা বলই লুজ করা, বাকি কিছু উইন করতে পারলেও সেকেন্ড চান্সে যেন স্পেনের কাছেই তারা পাস দিচ্ছিলো। ডি-বক্স থেকে বল এনে সোজা মিডে গিয়ে স্পেনের পায়ে বল দিয়ে দেওয়া।  ১২) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ট্রাম্পের সাথে হাত না মিলোনা। ১৩) এখন পর্যন্ত মেসি, আলভারেজ, ডি পল, লাউতারো, এনজো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এরা কেউই আর্জেন্টিনায় ফিরেনি।  ১৪) সবশেষ মেসিকে গোল্ডেন বল না দেওয়া। যেখানে রদ্রি কোনভাবেই এটার দাবিদার না, সেখানে গোল্ডেন বল তাকেই দেওয়া হলো কোন পরিসংখ্যানে? সবকিছু মিলে অবশ্যই বলতে হচ্ছে এখানে কিছু একটা হয়েছে। যেমনটা হয়েছিলো ১৯৯০ এর ম্যারাডোনার যুগে। তখনকার ব্রাজিলিয়ান ফিফা প্রেসিডেন্ট ম্যারাডোনার থেকে বিশ্বকাপটা যাস্ট ছিনিয়ে নিয়েছিলো । ম্যারাডোনা তখন কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলো এভেলেঞ্জ(তৎকালীন ফিফা সভাপতি) আমার থেকে বিশ্বকাপ কেড়ে নিয়েছে। আজও ঠিক একই কাজটা হয়তো ইনফান্তিনো করেছে। যেহেতু পুরোটা বিশ্বকাপ জুড়ে মেসি, ফিফা বয়, রিগড এসব চাউর উঠছিলো। তাই হয়তো এমনটা করেছে। যাতে ফিফার ইমেজ নষ্ট না হয়, ইউরোপজুড়ে বিলিয়ন ডলারের বিজনেজ নষ্ট না হয়। জানিনা সত্য কি এখানে? তবে আজ না হয় কাল প্রকাশ পাবেই। ততোদিনের অপেক্ষায়।  একটা বিষয়, এখন আর এগুলো নিয়ে কোন পর্তুজিল বলবেনা, ফিফা রিগড, ম্যাচ ফিক্সড, আগে থেকে স্ক্রিপ্টেড। কারন এরা টক্সিক ফ্যান। তাই আমৃত্যু এন্টি মেসিদের প্রতি ঘৃনা।#messi
ম্যাচের আগে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছে। আমার মন বলছে সেখানে ফিফা সরাসরি জড়িত। জন্মের পর থেকে, ফুটবল খেলা বুঝার পর থেকে আর্জেন্টিনার খেলা দেখি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কখনো এমন খেলা দেখিনি তাদের। বুকে হাত রেখে বলতে পারি, এইখানে কিছু একটা অবশ্যই হইছে। খেলার আগে কিছু একটা অবশ্যই অবশ্যই ঘটছে। ১) মেসির পরিবার মাঠে আসেনি। ২) আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আসবে বলেও আসেনি। ৩) বাকি প্রায় প্রত্যেকটা ম্যাচেই গ্যালারিতে সিমিওনে ছিলো, কিন্তু ফাইনালে তাকেও দেখা যায়নি। ৪) লাউতারো মার্তিনেজকে ১ মিনিটের জন্যেও স্ক্রিনে দেখা যায়নি, খেলাতো দূরে থাক। ৫) হাফ টাইমেই এঞ্জোর ডাবল ইউলো=লাল কার্ড। ৬) লিসান্দ্রোর ইঞ্জুরি। যে প্লেয়ার সামান্য ম্যাচেও রক্ত পড়া অবস্থায় ব্যান্ডেজ নিয়ে খেলে, অথচ সে ফাইনালের মতো ম্যাচে অন্য কোন প্লেয়ারের স্পর্শ ছাড়াই ইঞ্জুরড হয়ে যায়। ৭) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ইঞ্জুরি। ৮) স্কালোনির উল্টা-পাল্টা বদলি। ৯) পুরো ৯০ মিনিটে কোন শট অন গোল নাই। এমনকি ১২০মিনিটেও গোলে শট ছিলো মাত্র ২টা ১০) যেখানে স্পেনের পাস ছিলো প্রায় ৮০০, সেখানে মেসিরা করেছে তিনশরও কম। যাস্ট ভাবা যায় না। ১১) প্রায় প্রত্যেকটা বলই লুজ করা, বাকি কিছু উইন করতে পারলেও সেকেন্ড চান্সে যেন স্পেনের কাছেই তারা পাস দিচ্ছিলো। ডি-বক্স থেকে বল এনে সোজা মিডে গিয়ে স্পেনের পায়ে বল দিয়ে দেওয়া। ১২) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ট্রাম্পের সাথে হাত না মিলোনা। ১৩) এখন পর্যন্ত মেসি, আলভারেজ, ডি পল, লাউতারো, এনজো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এরা কেউই আর্জেন্টিনায় ফিরেনি। ১৪) সবশেষ মেসিকে গোল্ডেন বল না দেওয়া। যেখানে রদ্রি কোনভাবেই এটার দাবিদার না, সেখানে গোল্ডেন বল তাকেই দেওয়া হলো কোন পরিসংখ্যানে? সবকিছু মিলে অবশ্যই বলতে হচ্ছে এখানে কিছু একটা হয়েছে। যেমনটা হয়েছিলো ১৯৯০ এর ম্যারাডোনার যুগে। তখনকার ব্রাজিলিয়ান ফিফা প্রেসিডেন্ট ম্যারাডোনার থেকে বিশ্বকাপটা যাস্ট ছিনিয়ে নিয়েছিলো । ম্যারাডোনা তখন কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলো এভেলেঞ্জ(তৎকালীন ফিফা সভাপতি) আমার থেকে বিশ্বকাপ কেড়ে নিয়েছে। আজও ঠিক একই কাজটা হয়তো ইনফান্তিনো করেছে। যেহেতু পুরোটা বিশ্বকাপ জুড়ে মেসি, ফিফা বয়, রিগড এসব চাউর উঠছিলো। তাই হয়তো এমনটা করেছে। যাতে ফিফার ইমেজ নষ্ট না হয়, ইউরোপজুড়ে বিলিয়ন ডলারের বিজনেজ নষ্ট না হয়। জানিনা সত্য কি এখানে? তবে আজ না হয় কাল প্রকাশ পাবেই। ততোদিনের অপেক্ষায়। একটা বিষয়, এখন আর এগুলো নিয়ে কোন পর্তুজিল বলবেনা, ফিফা রিগড, ম্যাচ ফিক্সড, আগে থেকে স্ক্রিপ্টেড। কারন এরা টক্সিক ফ্যান। তাই আমৃত্যু এন্টি মেসিদের প্রতি ঘৃনা।#messi

About