@md.nerve.khan: গত ৩-৪ দিন ধরে অসুস্থ মানুষটা। রুমের সবাই ডিউটিতে… পুরো রুমে একা। হঠাৎ প্রেসার বেড়ে মাথা ঘুরতে শুরু করলো। পাশে কেউ নেই মাথায় একটু পানি ঢেলে দেওয়ার মতোও… তাই নিজেই কষ্ট করে বিছানার পাশ থেকে বালতি টেনে নিয়ে নিজের মাথায় পানি ঢালছেন। এই মানুষগুলোই মাস শেষে হাসিমুখে বলে — “আমি ভালো আছি।” কারণ তারা জানে, তাদের কষ্টের কথা বললে পরিবার চিন্তা করবে… প্রবাসীরা আসলে টাকার মেশিন না। তাদেরও শরীর খারাপ হয়, তাদেরও মন খারাপ হয়, তাদেরও ইচ্ছে করে কেউ একটু জিজ্ঞেস করুক — “খেয়েছেন?” “ঔষধ খেয়েছেন?” “কেমন আছেন?” কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো — অনেক পরিবার শুধু আবদারের তালিকাই বাড়ায়। নতুন ফোন, নতুন গয়না, নতুন আসবাব… কিন্তু মানুষটার শরীরটা কেমন আছে, সেটা জিজ্ঞেস করার সময় হয় না। আজকে ডিউটি থেকে এসে রফিক চাচার এই দৃশ্যটা দেখে বুকটা কেঁপে উঠলো… আল্লাহ যেন এই চাচার মতো হাজারও বয়স্ক প্রবাসীদের হেফাজতে রাখেন🤲