@mdarianchoudhuri00: আমার বোন "সন্তান প্রসবের সময় মারা গেছে" বলে তার স্বামী সূর্যাস্তের আগেই তার লাশ দাফন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। কোনো জানাজা নেই, শেষ দেখা নেই, এমনকি আমার মাকেও তার মুখ দেখতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু যখন তারা লাশবাহী কালো ব্যাগটা কবরস্থানের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছিল, তখনই ব্যাগের ভেতর থেকে আমার সদ্যজাত ভাগ্নের হাসপাতালের মনিটর ব্যান্ডের বিপ বিপ আওয়াজ ভেসে এল। আর আমার দুলাভাই চিৎকার করে উঠল, "ওটাকে এখনই দাপন করে ফেলো (শেষ করে দাও)!" 🥶 ​ ​আওয়াজটা আসছিল সেই কালো বডি ব্যাগের ভেতর থেকেই। ​একটা বিপ শব্দ। ​তারপর আরেকটা। ​এরপর তৃতীয় শব্দটা এল—আরও জোরালো, আরও তীক্ষ্ণ। যেন একটা সদ্যজাত শিশু এমন এক জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছে, যেখানে কারও বেঁচে থাকার কথা নয়। ​আমার দুলাভাই, রাশেদ, চিৎকার করে উঠল, "ভেতরে ঢুকিয়ে দাও! এটা হাসপাতালের কোনো মেশিনের ভুল!" ​কিন্তু আমি ততক্ষণে চেইনের ওপর লাগানো আঠালো টেপের গায়ে তাজা রক্তের দাগ দেখে ফেলেছি। ​আমার নাম মিরা সুলতানা। ​সেদিনের আগ পর্যন্ত আমি ভাবতাম, জীবনে বোনের চেয়ে আপন কাউকে হারানোর মতো বড় কষ্ট আর নেই। ​কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। ​সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো তখন, যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে কেউ একজন আপনার খুব কাছের মানুষকে পৃথিবী থেকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য তাড়াহুড়ো করছে। ​আমার ছোট বোন, কাভিয়া, ভোর ৩টা ১২ মিনিটে ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ​ব্যথায় সে ভেঙে পড়ছিল, এক হাত দিয়ে তার ফুলে থাকা পেটটা চেপে ধরেছিল, আর কপালে ঘামের সাথে চুলগুলো লেপ্টে ছিল। ​আমার মা তখন থেকেই তসবিহ গুনছিলেন আর বিড়বিড় করছিলেন, "হে আল্লাহ, আমার বাচ্চাটাকে রক্ষা করো।" ​কিন্তু রাশেদ সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল। ​হাসপাতালের ফর্ম, ডাক্তার, কেবিনের দরজা, ফোন কল, এমনকি সবার নীরবতা—সবকিছু। ​সে মাকে ওর্য়াডের ভেতর ঢুকতে দেয়নি। ​আমাকে কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ দেয়নি। ​এমনকি বাড়ি থেকে কাভিয়া যে ছোট বাদামী ব্যাগটা সাথে এনেছিল, সেটাও সে কাউকে ছুঁতে দেয়নি। ​সে বারবার বলছিল, "ওর শরীর খুব নাজুক। ওকে বিরক্ত কোরো না।" ​কিন্তু কাভিয়া আমাকে একবার দেখেছিল। ​শুধু একবার। ​যখন তারা ওকে ইমার্জেন্সি লেবার রুমের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন আচমকা ওর আঙুলগুলো আমার কবজি চেপে ধরেছিল। ​ওর হাতটা ছিল বরফের মতো ঠান্ডা। ​ঠোঁট দুটো ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। ​আর ওর চোখ দুটো… ​ওর চোখ দেখে মনে হচ্ছিল না যে সে সন্তান প্রসবের ব্যথায় ভীত। ​তাকে দেখে মনে হচ্ছিল, সে তার স্বামীর ভয়ে আতঙ্কিত। ​"মিরা," ও ফিসফিস করে বলল, "রাশেদ যদি বলে আমার বাচ্চা মৃত জন্ম নিয়েছে, তবে ভুলেও বিশ্বাস করিস না।" ​ঠিক তখনই অপারেশন থিয়েটারের দরজা দুটো বন্ধ হয়ে গেল। ​আর আমি সেখানে দাঁড়িয়ে রইলাম, ওর কথাগুলো আমার বুকের ভেতর ভাঙা কাঁচের মতো খচখচ করতে লাগল। ​ভোর ৬টা ২০ মিনিটে রাশেদ বাইরে এল। ​তার পাঞ্জাবির হাতায় রক্তের দাগ। ​কিন্তু তার চোখ দুটো ছিল শুকনো। ​অস্বাভাবিক রকমের শুকনো। ​মা প্লাস্টিকের বেঞ্চ ছেড়ে এক ঝটকায় উঠে দাঁড়ালেন। ​"আমার মেয়ে?" ​রাশেদ আধ-সেকেন্ডের জন্য মাথা নিচু করল। ​"দুজনের কেউই বেঁচে নেই।" ​মা দেয়ালের ওপর ভেঙে পড়লেন, যেন কেউ তার পায়ের নিচ থেকে মাটি কেড়ে নিয়েছে। ​আমি কাঁদিনি। ​আমি শক্ত মনের ছিলাম বলে নয়। ​বরং রাশেদকে দেখে মনে হচ্ছিল না যে সে তার স্ত্রী আর সদ্যজাত সন্তানকে হারিয়ে শোকগ্রস্ত। ​তাকে দেখে মনে হচ্ছিল, সে একটা কাজ শেষ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। ​"কাভিয়া কোনো ঝামেলা চায়নি," সে তাড়াহুড়ো করে বলল। "কোনো শেষ দেখা হবে না। লাশ বাড়িতে নেওয়ার দরকার নেই। আত্মীয়-স্বজন কাউকেও জানানোর প্রয়োজন নেই। ওর চেহারা… খুব খারাপ হয়ে গেছে। আজই আমাদের দাফনের ব্যবস্থা করতে হবে।" ​আজই। ​এই শব্দটা আমার বুকে চড়ের মতো লাগল। ​"আমার ভাগ্নে কোথায়?" আমি জিজ্ঞেস করলাম। ​রাশেদ প্রথমবার আমার দিকে তাকাল। ​চোখে বরফশীতল চাহনি। ​"মারা গেছে।" ​"আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলতে চাই।" ​"আমি ওর স্বামী, মিরা। সিদ্ধান্ত আমি নেব।" ​মা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলেন, তার হাতের তসবিহটা আঙুলের মাঝে পেঁচিয়ে গিয়েছিল। ​কিন্তু আমি চারপাশটা লক্ষ্য করতে শুরু করলাম। ​কারণ ছোটবেলায় কাভিয়া আমাকে একটা কথা শিখিয়েছিল—যখন কেউ খুব বেশি কথা বলে বা তাড়াহুড়ো করে, তখন সে প্রতিটা শব্দের আড়ালে কিছু একটা লুকানোর চেষ্টা করে। ​কালো বডি ব্যাগটা খুব দ্রুত বাইরে নিয়ে আসা হলো। ​কোনো নার্স আমাদের কিছু বুঝিয়ে বলতে এল না। ​কোনো শিশুকে কাপড়ে জড়িয়ে আনা হলো না। ​এমনকি ডেথ সার্টিফিকেটও (মৃত্যুর সনদ) ঠিকমতো দেখানো হলো না। ​শুধু দুজন ওয়ার্ড বয়, হাতে একটা ভাঁজ করা কাগজ, আর রাশেদ স্ট্রেচারের পেছনে পেছনে ফোন কানে দিয়ে হাঁটছে। ​আমি তাকে ফিসফিস করে বলতে শুনলাম, "আজকের মধ্যেই। চলবে #সবাই_একটু_সাপোর্ট_করবেন_প্লিজ #emprendimiento #marriageandlove #freedomtoself #ফরইউতে_দেখতে_চাই_প্লিজ

🖋️আজ সব স্মৃতি 🖋️
🖋️আজ সব স্মৃতি 🖋️
Open In TikTok:
Region: BD
Sunday 31 May 2026 10:34:45 GMT
41541
542
22
10

Music

Download

Comments

fariyaislam8152
🖤নিস্তব্ধ দীর্ঘশ্বাস 🖤🥀 :
plz next part🥰
2026-06-17 03:17:01
2
tomi4832
Toma4832 :
নেক্সট
2026-05-31 18:53:04
1
abir.u6
A BI R :
next
2026-06-01 14:24:12
1
tithirahman775
tithirahman775 :
next
2026-05-31 20:17:25
1
hredoy932
Hredoy :
plz next part
2026-06-02 08:32:09
1
anishaimonarohi
Anisha ImoN Arohi :
next
2026-06-01 12:27:11
1
tasnimafiya0
user152447141445 :
next
2026-06-01 01:18:50
1
mstjotimoon0
vaggo boti :
next
2026-06-02 06:08:22
1
sumaiya.akter.028
...❤️ S ❤️... :
next
2026-06-01 17:31:45
1
mdfarjana868
তানিয়া তাপসী :
next
2026-05-31 19:44:43
1
tazim.jarir
Maria khanam :
নেক্সট পাট
2026-06-04 04:11:36
1
user8185861526
আরফিন আফরানের আম্মু ❤️❤️❤️❤️ :
নেক্সট
2026-06-01 03:34:08
1
tumi.khob.misti
tumi khob misti :
next part plz taratari
2026-06-01 01:51:27
1
sathi.akter1392
আয়াশের আম্মু🤱 :
Next plzz
2026-06-01 01:03:34
1
md.simmam
Mohammad Asim :
@পরেরপাট
2026-06-24 02:27:32
1
rumi.aktar508
rumi aktar :
next
2026-06-01 17:05:08
1
mdnbil0
রাগ,,,করলা🙃🙃 :
nest pls
2026-06-18 10:57:16
0
mdzahirulislam3165
zahirul Islam :
next part den
2026-05-31 17:59:29
1
user1817108795033
user1817108795033 :
nxt
2026-06-24 02:02:37
1
sabina.akter5975
SABINA Akter :
nxt
2026-06-24 05:25:05
1
anikatahsin635
♥️মহারাজের মহারানী ♥️ :
next
2026-06-25 16:26:37
1
mrmiazy0
mrmiazy0 :
😭😭😭
2026-06-01 14:20:01
1
To see more videos from user @mdarianchoudhuri00, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos


About