@larajucah:

Lara jucá
Lara jucá
Open In TikTok:
Region: ES
Sunday 31 May 2026 18:02:52 GMT
100880
8786
115
824

Music

Download

Comments

_ellenn7
_ellenn7 :
como é que pode o orochi perder essa deusa 🤦🏻‍♀️
2026-05-31 18:05:52
498
naciraaleixo
Nacira Aleixo :
A verdadeira superação não é publicar mais fotos, receber mais elogios ou despertar mais atenção. A verdadeira superação é chegar a um ponto em que já não existe necessidade de provar nada a ninguém. Porque quem conhece o seu valor não o anuncia. Simplesmente vive-o. Então , não precisas🥺
2026-06-01 00:23:46
93
2sdafe
🗽 :
imagina o chá
2026-06-01 18:02:35
48
isloveyou04
Samsung 09 :
faz isso Lara Juca
2026-05-31 18:07:19
0
miiverdelli
𝓂 :
facilmente uma das mulheres mais bonitas do mundo
2026-06-05 02:06:50
15
ygor7.vx
ygor🇷🇴 :
e o carro
2026-06-01 21:46:11
7
yohannaalves18
Yohanna :
crlhh, perfeita..pqp🤍
2026-06-05 00:29:10
3
mckimoficiall
MC Kim :
Orochi mn olha novamente aqui ‼️
2026-05-31 18:57:27
4
giselle_santos3
Giselle.Santos :
mami mais perfeita
2026-05-31 18:11:45
4
isaafernanddes
isa :
DELICIA
2026-05-31 18:04:48
1
instintodescorpiana
// 🎞️ :
Ai cheguei cedo
2026-05-31 18:06:15
1
its.olve
larinha :
😍😍😍😍😍😍 notaaaaa
2026-05-31 18:03:52
0
instintodescorpiana
// 🎞️ :
Praia nasceu para você, você nasceu para praia
2026-05-31 18:06:31
1
sampaioruu
Ruthyellen 🎀 :
igual um anjo bem na minha frente, diferente de tudo que eu vi antes 🥹
2026-05-31 19:25:51
8
clarazzxz
Maria Clara :
minha musa
2026-05-31 19:52:57
1
cleiton_ceueterno
Cleiton_31Bh :
Só eu e você 😍💯💯💯💯
2026-06-06 10:38:18
0
evolutivo.com.br
🗿 evolutivo.com 💭 :
gasolina so lá no posto Ipiranga 😅
2026-06-06 21:22:46
0
cleiton_ceueterno
Cleiton_31Bh :
Uma chanceeee
2026-06-06 20:33:13
0
To see more videos from user @larajucah, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

একটা আপুর  লাব স্টোরি..!! 🫶🏻🖤🫰🏻 যখন আমার বয়স সাত বছর, জয়পুরের আমাদের পাড়ায় সবাই জানত আমি ছিলাম সবচেয়ে... একগুঁয়ে মেয়ে। একগুঁয়ে কারণ একদিন বিকেলে আমি উঠানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে, মুখ ভরা কান্না আর নাকের পানি নিয়ে, সোজা আমার প্রতিবেশীর দিকে আঙুল তুলে যে আমার থেকে দশ বছর বড় ছিল সবার সামনে চিৎকার করে বলেছিলাম-
একটা আপুর লাব স্টোরি..!! 🫶🏻🖤🫰🏻 যখন আমার বয়স সাত বছর, জয়পুরের আমাদের পাড়ায় সবাই জানত আমি ছিলাম সবচেয়ে... একগুঁয়ে মেয়ে। একগুঁয়ে কারণ একদিন বিকেলে আমি উঠানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে, মুখ ভরা কান্না আর নাকের পানি নিয়ে, সোজা আমার প্রতিবেশীর দিকে আঙুল তুলে যে আমার থেকে দশ বছর বড় ছিল সবার সামনে চিৎকার করে বলেছিলাম- "আমি বড় হয়ে অর্জুনকেই বিয়ে করব! আমি আর কাউকে বিয়ে করব না!" পুরো পাড়া হেসে উঠেছিল। আমার মা লজ্জায় আর রাগে আমাকে কান ধরে টেনে ঘরের ভেতর নিয়ে গেলেন। আর অর্জুন দাঁড়িয়ে ছিল লজ্জায় লাল হয়ে, কী করবে বুঝতে পারছিল না। বড়রা হাসতে হাসতে বলছিল- "বোকা মেয়ে, এসব ব্যাপার তুমি কী বোঝ?" কিন্তু আমি স্পষ্ট মনে করতে পারি, সেদিন অর্জুন একটু ঝুঁকে আমার মাথায় হাত রেখে নরম গলায় বলেছিল- "এই কথা আবার বলবে যখন বড় হবে। এখন... ভালো করে পড়াশোনা করো।" আমি সঙ্গে সঙ্গে মাথা নেড়েছিলাম। সেদিন থেকেই আমার মনে একটা পরিষ্কার লক্ষ্য তৈরি হয়ে গেল-বড় হব, ভালো করে পড়াশোনা করব... আর অর্জুনকে বিয়ে করব। আমার প্রতিবেশী অর্জুন ছিল এমন একজন মানুষ, যাকে পাড়ার সবাই ভালোবাসত। লম্বা, বুদ্ধিমান, ভদ্র। তার বাবা-মা ছোটবেলাতেই মারা গিয়েছিলেন। সে পাশের বাড়িতে তার দাদীর সাথে থাকত। আমি যখন প্রথম শ্রেণিতে পড়ি, তখন সে ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রতিদিন বিকেলে সে তার বাড়ির সিঁড়িতে বসে বই পড়ত, আর মাঝে মাঝে উঠানে খেলতে থাকা আমাকে লক্ষ্য রাখত। আমি যদি সাইকেল থেকে পড়ে যেতাম, সে আমার ক্ষত পরিষ্কার করে দিত। আমি যদি খারাপ নম্বর পেতাম, সে আমাকে পড়তে সাহায্য করত। ক্লাসের কেউ আমাকে ঠাট্টা করলে, সে আমাকে নিয়ে গিয়ে কুলফি কিনে দিত। আমার ছোট্ট পৃথিবীতে, অর্জুন ছিল একদম সুপারহিরোর মতো। যখন সে চলে গেল আমি যখন বারো বছর বয়সী, তখন সে চলে গেল। কোনো বিদায় ছিল না। এক সকালে দেখি তাদের বাড়িতে তালা। তার দাদী মারা গিয়েছিলেন। আর সে পাড়া ছেড়ে চলে গেছে। আমি স্কুলব্যাগ বুকে জড়িয়ে তাদের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলাম... যেন আমার শৈশবের একটা অংশ হারিয়ে গেছে। সেদিনের পর থেকে আমি তাকে আর কখনো দেখিনি। পনেরো বছর পরে আমি বড় হলাম। আমি আর সেই সাত বছরের কাঁদতে থাকা মেয়েটি নই। আমি খুব কঠোর পরিশ্রম করে পড়াশোনা করলাম। দিল্লির একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম, সেখান থেকে সম্মানের সাথে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করলাম। সবাই বলত আমার ভবিষ্যৎ খুব উজ্জ্বল। কিন্তু আমার হৃদয়ের একটা ছোট্ট কোণ সবসময়... অর্জুনের জন্য রেখে দিয়েছিলাম। আমি জানতাম না সে কেমন আছে। কোথায় থাকে। অথবা সে আদৌ আমাকে মনে রেখেছে কি না। কিন্তু যখনই আমি ক্লান্ত হয়ে পড়তাম, আমি তার সেই কথাটা মনে করতাম- "ভালো করে পড়াশোনা করো।" আর আমি আবার সামনে এগিয়ে যেতাম। যে ইন্টারভিউ সবকিছু বদলে দিল যেদিন আমি ভারতের অন্যতম বড় কোম্পানি Sunrise Group-এর সদর দপ্তরে ঢুকলাম, হাতে আমার নথিপত্রের ফাইল, আমি নিজেকে বলেছিলাম- "আমাকে শুধু এই চাকরিটা পেতে হবে। এর বেশি কিছু চাই না।" ইন্টারভিউ রুমটা ছিল বড়, উজ্জ্বল... আর এত ঠান্ডা যে আমার হাত ঘেমে যাচ্ছিল। আমি সোজা হয়ে বসে ইন্টারভিউ বোর্ডের সব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল... হঠাৎ পেছনের দরজা খুলে গেল। একজন মানুষ ভেতরে ঢুকলেন। ঘরের সবাই সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে গেল। "CEOI" আমার বুক ধক করে উঠল। সে আমার মনে থাকার চেয়েও লম্বা। পরিপাটি স্যুট পরা। তার দৃষ্টি দৃঢ়, কিন্তু ঠান্ডা নয়। আর তার মুখ... অদ্ভুতভাবে পরিচিত। সে একবার ইন্টারভিউ বোর্ডের দিকে তাকাল, তারপর তার চোখ এসে থামল আমার উপর। একটু বেশি সময়ের জন্য। এতটাই বেশি... যে আমি অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করলাম। হঠাৎ সে হাসল। সেই হাসি আমার বুক কাঁপিয়ে দিল। তারপর সে একটু মজা করে গভীর কণ্ঠে বলল- "তুমি কি এখানে এসেছ... CEO-র স্ত্রী হওয়ার জন্য আবেদন করতে..??" . . . #viralvideo #potyou #poryoupage #fyppppppppppppppppppppppppppppppppppppppppp #anfeezemyaccont @TikTok Bangladesh @TikTok @TikTokCreators_ID @TikTok Tips

About