@thuongtongg: Nước giặt Dnee dành cho trẻ sơ sinh #nuocgiatxadnee

Thương 🦔.Bán đủ thứ.
Thương 🦔.Bán đủ thứ.
Open In TikTok:
Region: VN
Monday 01 June 2026 01:17:23 GMT
261
2
1
2

Music

Download

Comments

annho_umt_hcmcity
An Nhỏ🍀 Sale :
Thơm hương phấn rất dễ chịu
2026-06-01 03:13:05
1
To see more videos from user @thuongtongg, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

পর্ব :৩ নিঃশব্দ অভিমান  সিজন ;-২ লেখিকা : আমি  🚫 কপি করা নিষিদ্ধ  🚫 . আরুর গাড়ি হাসপাতালের সামনে এসে থামল। মেহা গাড়ি থেকে নেমে চারদিকে তাকিয়ে দেখছে  —
পর্ব :৩ নিঃশব্দ অভিমান সিজন ;-২ লেখিকা : আমি 🚫 কপি করা নিষিদ্ধ 🚫 . আরুর গাড়ি হাসপাতালের সামনে এসে থামল। মেহা গাড়ি থেকে নেমে চারদিকে তাকিয়ে দেখছে — "ওয়াও! বেশ সুন্দর হাসপাতাল।" আরু হেসে বলল, — "ধন্যবাদ। এখানে চাকরি করতে করতে এটাকেই দ্বিতীয় বাড়ি মনে হয়।" দুজন ভেতরে ঢুকতেই কয়েকজন নার্স আর জুনিয়র ডাক্তার আরুকে সালাম দিল। — "আসসালামু আলাইকুম, ম্যাম।" — "ওয়ালাইকুম আসসালাম।" মেহা মুচকি হেসে বলল, — "ডাক্তার ম্যাডামের তো বেশ সম্মান!" আরু ভ্রু নাচিয়ে বলল, — "এখন বুঝলি?" — "না, এখনো ভাবছি তুই আগের মতোই পাগলি।" দুজন আবার হেসে উঠল। --- হঠাৎ... একজন নার্স দৌড়ে এসে বলল, — "ম্যাম, ডা. রায়ান আপনাকে খুঁজছেন।" আরু মাথা নেড়ে বলল, — "আচ্ছা, আমি আসছি।" মেহার দিকে তাকিয়ে বলল, — "তুই পাঁচ মিনিট বস। আমি এসে তোকে নিয়ে ক্যান্টিনে যাব।" — "ঠিক আছে।" --- মেহা হাসপাতালের করিডোর দিয়ে হাঁটতে লাগল। চারদিকে রোগী, ডাক্তার, নার্স... কিকি তার কাঁধে বসে সবকিছু কৌতূহল নিয়ে দেখছে। হঠাৎ কিকি বলল— — "গাজর!" 🦜 মেহা হেসে বলল, — "এই হাসপাতালে গাজর কোথায় পাবি? --- ঠিক তখনই... করিডোরের অন্য পাশ দিয়ে একজন লম্বা যুবক দ্রুত হেঁটে আসছিল। তার হাতে কিছু ফাইল। চোখ নিচের দিকে। ঠিক সেই সময়... ধাক্কা লেগে মেহার হাতে থাকা মোবাইল মাটিতে পড়ে গেল। লোকটার হাতের ফাইলও ছড়িয়ে পড়ল। দুজন একসঙ্গে নিচু হয়ে জিনিসগুলো তুলতে গেল। একই সঙ্গে দুজনের হাত মোবাইলের ওপর পড়ল। মেহা মুখ তুলে তাকাল। লোকটিও তাকাল। কয়েক সেকেন্ড... দুজনের চোখ একে অপরের চোখে আটকে রইল। তারপর লোকটা শান্ত গলায় বলল, — "সরি।" মেহা হাসল। — "ইটস ওকে।" লোকটা আর কিছু না বলে ফাইল তুলে চলে গেল। মেহা অবাক হয়ে তার চলে যাওয়া দেখল। — "লোকটা এমন রোবটের মতো কেন?" --- ঠিক তখনই পাশ দিয়ে যাওয়া দুই নার্স ফিসফিস করে বলল, — "উনিই তো ডা. রায়ান মির্জা।" — "হুম। খুব ভালো ডাক্তার, কিন্তু খুব কম কথা বলেন।" মেহা শুনে নিজের মনে বলল, — "আচ্ছা! এটাই সেই রায়ান?" --- এদিকে... রায়ান হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ থেমে গেল। সে পেছন ফিরে একবার তাকাল। দেখল মেয়েটা এখনো দাঁড়িয়ে আছে। রায়ান মনে মনে বলল, — "অদ্ভুত মেয়ে..." তারপর আবার নিজের কাজে চলে গেল। --- কিছুক্ষণ পর আরু ফিরে এল। — "চল, ক্যান্টিনে যাই।" মেহা হাঁটতে হাঁটতে জিজ্ঞেস করল, — "এই রায়ান কে?" আরু একটু অবাক হলো। — "কোথায় দেখলি?" — "এই তো একটু আগে ধাক্কা খেলাম।" আরু হেসে বলল, — "ও আমাদের হাসপাতালের অন্যতম সেরা ডাক্তার।" মেহা দুষ্টু হেসে বলল, — "কিন্তু হাসতে জানে না মনে হয়!" আরু হেসে ফেলল। — "ওর মুখে হাসি দেখা সূর্যগ্রহণ দেখার মতো বিরল।" দুজনের হাসির মাঝেই কিকি বলে উঠল— — "রাগী! রাগী!" 🦜 আরু অবাক হয়ে বলল, — "এটা আবার কোথা থেকে শিখল?" মেহা কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল — "হয়তো মানুষ দেখে নিজেই শিখে ফেলেছে।" --- হাসপাতালের অন্য প্রান্তে... রায়ান জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। তার হাতে কফির কাপ। অজান্তেই তার মনে ভেসে উঠল সেই দুষ্টু হাসির মেয়েটার মুখ। সে মাথা ঝাঁকিয়ে নিজের মনে বলল, — মেয়েটা খুব অদ্ভুত। মনে হয় অনেক চঞ্চল। .. হাসপাতালের পার্কিং লটে দাঁড়িয়ে আছে আরুর গাড়ি। মেহা গাড়িতে উঠতেই আরু একবার ভালো করে তার দিকে তাকাল। তারপর হঠাৎ দুই হাত গুটিয়ে বলল, — "একটা কথা বলবি?" মেহা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল, — "বল।" — "তুই আগের চেয়ে আরও সুন্দর হয়ে গেছিস।" মেহা ভ্রু তুলে বলল, — "ধন্যবাদ। কিন্তু তুইও কম যাস না, ডাক্তার ম্যাডাম।" দুজনেই হেসে ফেলল। --- গাড়ি চলতে শুরু করল। আরু জিজ্ঞেস করল, — "এখন কোথায় যাবি?" মেহা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, — "আগে একটা ছোট্ট কাজ আছে।" — "কী কাজ?" — "মাকে দেখতে যাব।" আরু আর কিছু বলল না। সে শুধু মাথা নেড়ে গাড়ির দিক বদলে দিল। --- কিছুক্ষণ পর... দুজন একটি কবরস্থানে এসে দাঁড়াল। চারপাশ একদম শান্ত। পাখির ডাক ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। মেহা ধীরে ধীরে মেহরীনের কবরের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। তার চোখে পানি চলে এল। সে হাঁটু গেড়ে বসে কবরের ওপর আলতো করে হাত রাখল। — "মা..." তারপর আর কোনো কথা বের হলো না। চোখের পানি গড়িয়ে পড়তে লাগল। আরু দূরে দাঁড়িয়ে শুধু তাকিয়ে আছে। সে জানে... এই মুহূর্তে মেহার পাশে থেকেও কিছু বলা উচিত নয়। কয়েক মিনিট পরে মেহা আস্তে করে বলল, — "আমি ফিরে এসেছি, মা।" — "তুমি বলেছিলে, মানুষ হয়ে ফিরতে..." — "আমি চেষ্টা করেছি।" — "এখন আর কাঁদব না। তোমার জন্য লড়ব।" সে চোখের পানি মুছে দাঁড়িয়ে গেল। কবরস্থান থেকে বের হওয়ার সময় কিকি উড়ে এসে মেহার কাঁধে বসল। — "মেহা..." 🦜 মেহা হেসে বলল, — "আমি ঠিক আছি।" চলবে.... . . #নিঃশব্দঅভিমানসিজনটু #ভাইরাল_করে_দাও #ফরইউতে_দেখতে_চাই #নিঃশব্দঅভিমানসিজনটু #উপন্যাস

About