@shanfeng.xu: Creative Giant Cheese Squishy Toy - Aesthetic Soft Squishy Cheese Block for Birthday Gifts, Party Favors, Stress Relief | Home & Festive Party Supplies #squishytoyfinds #kitschsuperbrandday #squeezetoys #creativegifts #creativegiftsforkids #handmadesquishyrecommendation #jellycatkeychains #gagifts #noveltygiftideas #squishmallowfinds

shanfeng
shanfeng
Open In TikTok:
Region: US
Monday 01 June 2026 20:15:56 GMT
371
4
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @shanfeng.xu, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অধ্যাপক ইউনুস চট্টগ্রামেরই সন্তান।  দেশজুড়ে এই মুহূর্তে বন্যা কোথাও শুরু আবার কোথাও প্রায় শেষের দিকে, বিশেষত চট্টগ্রামে।  স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে,-চট্টগ্রামের বন্যাপ্লাবিত অঞ্চলে ওঁর কর্মযজ্ঞের কথা শুনে— চক্ষু রীতিমতো চড়কগাছ হয়েছে।  নিজের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বন্যার্তদের জন্য মানুষটা ইউএসএ, ফ্রান্স, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ের কাছে হাত পেতে দশ হাজার কোটি টাকা নিয়ে এসেছেন; খরচ করে চলছেন বানভাসী মানুষের কল্যাণে। ইতালি, পোল্যান্ড এবং ডেনমার্ক থেকে আনবেন আরও তিন হাজার কোটি। গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে তিনি নামিয়ে দিয়েছেন বন্যার্তদের জন্য রান্নার কাজে। এঁদের কেউ রান্না করছেন, কেউ খাবার নিয়ে বন্যার্তদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন, কেউ বা বিতরণ করছেন ঔষধপত্র। বন্যাকবলিত নারীদের স্বাস্থ্যসেবায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের নেতৃত্বে।  আরও আছে,-ইউনুস সেন্টারের একঝাঁক চৌকস কর্মকর্তা, ইউরোপ থেকে আসা চিকিৎসকদের নিয়ে বন্যাপ্লাবিত অঞ্চলে দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছেন ডা. তাসনিম জারা। আর বন্যার্তদের জন্য আরও বড় তহবিল যোগাড়ে আন্তর্জাতিক মহলে অবিরাম তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন ইউনুস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ।  মুহাম্মদ ইউনুস নিজে এই মুহূর্তে সার্বক্ষণিক চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন, নিজ উপজেলা হাটহাজারিতে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে সমন্বয় করে চলছেন ‘ইউনুস সেন্টার’-এর সুবিশাল বন্যা-মোকাবেলা কার্যক্রম। ছিয়াশি বছর বয়সেও চব্বিশ ঘণ্টায় ঘুমুচ্ছেন মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা। আর বাংলাদেশের হলুদ গণমাধ্যম ওঁর এই কার্যক্রম সম্পর্কে একটা খবরও প্রকাশ করছে না। নিভৃতচারী ইউনুসও ফেসবুক পেজে এসব পোস্ট করে বাহবা কুড়োতে চাইছেন না। তার কার্যক্রম ফেসবুকে দিতে মানা করে দিয়েছেন অন্যদেরকেও। আর ডঃ জারা তো আরও একডিগ্রী উপ্রে। সেও ড ইউনুসের মত তার কার্যক্রম অন্যেদের জানাতে ইচ্ছুক নন। ড ইউনুস আসলে অন্ধদেশে চশমা বিক্রি করতে এসেছেন। এসে ভুল করেছেন,লামিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকা ঘুরে-ঘুরে বাকিটা জীবন পার করে দিলেই পারতেন। 'মুহাম্মদ ইউনুস’ নামক এই দেশপ্রেমিক মহাকায় মানুষটা নিজ এলাকার বানভাসী মানুষদের জন্য যা করে চলছেন, তা রীতিমতো গায়ে কাটা দেওয়ার মতো।  আমাদের প্রজন্ম, বর্তমান প্রজন্ম আমরা এখন সবাই বুঝতে পেরেছি বিশ্ব বরেণ্যেরা কেন শান্তিতে নোবেল দিয়েছিলেন এই মহাজাগতিক মানুষ টাকে। লেখা: Shariar Najim লেখক #DrYounus #TasnimZara
অধ্যাপক ইউনুস চট্টগ্রামেরই সন্তান। দেশজুড়ে এই মুহূর্তে বন্যা কোথাও শুরু আবার কোথাও প্রায় শেষের দিকে, বিশেষত চট্টগ্রামে। স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে,-চট্টগ্রামের বন্যাপ্লাবিত অঞ্চলে ওঁর কর্মযজ্ঞের কথা শুনে— চক্ষু রীতিমতো চড়কগাছ হয়েছে। নিজের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বন্যার্তদের জন্য মানুষটা ইউএসএ, ফ্রান্স, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ের কাছে হাত পেতে দশ হাজার কোটি টাকা নিয়ে এসেছেন; খরচ করে চলছেন বানভাসী মানুষের কল্যাণে। ইতালি, পোল্যান্ড এবং ডেনমার্ক থেকে আনবেন আরও তিন হাজার কোটি। গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে তিনি নামিয়ে দিয়েছেন বন্যার্তদের জন্য রান্নার কাজে। এঁদের কেউ রান্না করছেন, কেউ খাবার নিয়ে বন্যার্তদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন, কেউ বা বিতরণ করছেন ঔষধপত্র। বন্যাকবলিত নারীদের স্বাস্থ্যসেবায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের নেতৃত্বে। আরও আছে,-ইউনুস সেন্টারের একঝাঁক চৌকস কর্মকর্তা, ইউরোপ থেকে আসা চিকিৎসকদের নিয়ে বন্যাপ্লাবিত অঞ্চলে দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছেন ডা. তাসনিম জারা। আর বন্যার্তদের জন্য আরও বড় তহবিল যোগাড়ে আন্তর্জাতিক মহলে অবিরাম তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন ইউনুস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ। মুহাম্মদ ইউনুস নিজে এই মুহূর্তে সার্বক্ষণিক চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন, নিজ উপজেলা হাটহাজারিতে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে সমন্বয় করে চলছেন ‘ইউনুস সেন্টার’-এর সুবিশাল বন্যা-মোকাবেলা কার্যক্রম। ছিয়াশি বছর বয়সেও চব্বিশ ঘণ্টায় ঘুমুচ্ছেন মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা। আর বাংলাদেশের হলুদ গণমাধ্যম ওঁর এই কার্যক্রম সম্পর্কে একটা খবরও প্রকাশ করছে না। নিভৃতচারী ইউনুসও ফেসবুক পেজে এসব পোস্ট করে বাহবা কুড়োতে চাইছেন না। তার কার্যক্রম ফেসবুকে দিতে মানা করে দিয়েছেন অন্যদেরকেও। আর ডঃ জারা তো আরও একডিগ্রী উপ্রে। সেও ড ইউনুসের মত তার কার্যক্রম অন্যেদের জানাতে ইচ্ছুক নন। ড ইউনুস আসলে অন্ধদেশে চশমা বিক্রি করতে এসেছেন। এসে ভুল করেছেন,লামিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকা ঘুরে-ঘুরে বাকিটা জীবন পার করে দিলেই পারতেন। 'মুহাম্মদ ইউনুস’ নামক এই দেশপ্রেমিক মহাকায় মানুষটা নিজ এলাকার বানভাসী মানুষদের জন্য যা করে চলছেন, তা রীতিমতো গায়ে কাটা দেওয়ার মতো। আমাদের প্রজন্ম, বর্তমান প্রজন্ম আমরা এখন সবাই বুঝতে পেরেছি বিশ্ব বরেণ্যেরা কেন শান্তিতে নোবেল দিয়েছিলেন এই মহাজাগতিক মানুষ টাকে। লেখা: Shariar Najim লেখক #DrYounus #TasnimZara

About