Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@camrbsn: for NO reason #fyp #relatable #family #viral #trending
camrbsn
Open In TikTok:
Region: US
Monday 01 June 2026 22:21:31 GMT
58365
6093
23
744
Music
Download
No Watermark .mp4 (
5.41MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
2.9MB
)
Watermark .mp4 (
4.97MB
)
Music .mp3
Comments
。˚꒰ঌ 𝑙𝑖𝑙𝑦 ໒꒱˚。 :
then they ask why i don’t tell them anything
2026-06-02 00:11:15
45
Micherrr :
“Why don’t they tell us anything”
2026-06-03 20:27:55
3
lo :
FIRSTTT
2026-06-01 22:23:30
6
Your best friendd❤️🍩 :
FIRST
2026-06-01 22:24:37
0
𝓑𝓾𝓫𝓫𝓪 :
Wsp
2026-06-02 00:37:58
0
Isa_E :
Uh
2026-06-02 20:53:42
0
Juliett🍒; :
I love your videos
2026-06-01 22:26:20
0
thedefualt :
first
2026-06-01 22:24:24
0
samuelll :
She not wrong tho
2026-06-04 18:35:46
0
FyodorDostoevskysplanecrashing :
@Itz_k@m
2026-06-03 20:56:30
1
TH4LÍ4🥷🏿🐐 :
@lareyyna
2026-06-03 04:50:36
0
sxar :
@ashley_routineskin
2026-06-03 05:42:13
1
kyrie🐰😂 :
@Brikaaa
2026-06-04 00:57:55
0
✰𝓶𝓲𝓷𝔁✰ :
@Heather
2026-06-03 04:11:20
0
To see more videos from user @camrbsn, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
la mémoire enferme une personne dans un passé disparu, l’empêchant de quitter un lieu, une époque ou une relation qui n’existent plus que dans ses souvenirs.#pourtoii #citation #triste
mana nih yang katanya king indo belum pernah ngalahin Oman😹🤭🔥 #indonesiateam #indowin🇮🇩 #xmlpreset🎟️ #footballtiktok #fypage
#viral #recette #fyp #pourtoi #وصفات
জানিনা কতটা ভালবাসি তোমাকে নীলক্ষেতের পুরোনো বইয়ের দোকানগুলোর সামনে তখন উপচে পড়া ভিড়। গুড়িগুড়ি বৃষ্টি নেমেছে মাত্র। আবির একটা ছাউনির নিচে দাঁড়িয়ে ছাতাটা খোলার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই হুড়মুড় করে এসে তার পাশে দাঁড়াল অবনী। অবনীর পরনে ছিল একটা হালকা নীল রঙের শাড়ি, যা বৃষ্টির ছাঁটে একপাশে কিছুটা ভিজে গেছে। সে তখন হাত দিয়ে মুখের ওপর চলে আসা ভেজা চুলগুলো সরাচ্ছিল আর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে নিজের ভাগ্যকে দোষ দিচ্ছিল। আবির নিজের ছাতাটা মেলতে গিয়েও থমকে গেল। অবনীকে সে চেনে। একই ইউনিভার্সিটির অন্য ডিপার্টমেন্টের মেয়ে। মুখোমুখি দেখা হয়েছে বহুবার, কিন্তু কখনো কথা হয়নি। আবির একটু ইতস্তত করে বলল, "আপনার কাছে কি ছাতা নেই? চাইলে এটা নিতে পারেন।" অবনী চমকে তাকিয়েছিল। তারপর একটু হেসে বলেছিল, "তাহলে আপনি কীসে যাবেন?" "আমি? আমার বৃষ্টিতে ভিজতে ভালোই লাগে," আবির মিথ্যা বলেছিল। সেদিন থেকেই শুরু। অবনীকে একটু ভালো রাখার জন্য, তার মুখে একটুখানি হাসি দেখার জন্য আবির প্রতিনিয়ত এমন ছোটখাটো কত শত মিথ্যা যে বলতে শুরু করল, তার কোনো হিসাব নেই। নীরবতার দিনগুলো দিন চলো যেতে লাগল। তাদের বন্ধুত্বটা জমে উঠল ক্যাফেটেরিয়ার আড্ডায়, রিকশার হুড ফেলে ঢাকা শহরের জ্যামে আটকে থাকায়, আর মাঝরাতে টেক্সট মেসেজের আদান-প্রদানে। আবির মানুষটা একটু চুপচাপ, গুটিয়ে থাকা স্বভাবের। আর অবনী ঠিক তার উল্টো—ঝড়ো হাওয়ার মতো চঞ্চল, সারাক্ষণ কথা বলতে ভালোবাসে। আবিরের ডায়েরির পাতাগুলো আস্তে আস্তে অবনীর নামে ভরে উঠতে লাগল। কিন্তু আবির কখনো মুখে কিছু বলেনি। তার ভয় হতো, যদি ভালোবাসার কথা বলে এই সুন্দর বন্ধুত্বটাই হারিয়ে যায়? যদি অবনী দূরে চলে যায়? একদিন সন্ধ্যায় রবীন্দ্র সরোবরের লেকের পাড়ে বসে অবনী হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, "আচ্ছা আবির, তুই কখনো কারো প্রেমে পড়িসনি? কাউকে ভালোবাসিসনি?" আবির লেকের পানির দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মনে মনে বলল, ‘আমার প্রতিটা দীর্ঘশ্বাসে, প্রতিটা প্রার্থনায় তো কেবল তুই-ই আছিস।’ কিন্তু মুখে বলল, "না রে, ওসব আমার দ্বারা হবে না। তুই বল, তোর মনের মানুষটি কেমন?" অবনী একটুখানি উদাস হয়ে গেল। বলল, "আমি এমন একজনকে চাই, যে আমার পাগলামিগুলো সহ্য করবে। আমি না বললেও আমার মন খারাপ বুঝে নেবে। কিন্তু জানি না, তেমন কাউকে কোনোদিন পাব কি না।" আবির হাসল। সে তো প্রতিদিন, প্রতিটা ক্ষণ অবনীর না বলা কথাগুলোই পড়ে আসছে। কিন্তু সে কথা অবনীকে বোঝার সুযোগ দিল না। ঝড়ের রাত এবং একটি উপলব্ধি সম্পর্কের টানাপোড়েন বা পরীক্ষা তখনই আসে, যখন দূরত্ব তৈরি হয়। ইউনিভার্সিটি শেষ হওয়ার পর অবনীর পরিবার থেকে তার বিয়ের জন্য পাত্র দেখা শুরু হলো। অবনী একদিন রাতে কাঁদতে কাঁদতে আবিরকে ফোন করল। "আবির, ওরা আমার বিয়ে ঠিক করছে। আমি কী করব? আমি তো কাউকে চিনি না, জানি না..." আবিরের পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে গেল। বুকের ভেতরটা তীব্র ব্যথায় মুচড়ে উঠল। সে বুঝতে পারল, অবনীকে ছাড়া তার জীবনটা একটা মরুভূমি ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু সে তো কোনোদিন অবনীকে নিজের অধিকারের দাবি জানায়নি। সেদিন রাতে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছিল। আবির আর ঘরে টিকতে পারল না। সে ছাতা ছাড়াই ছিটকে বেরিয়ে গেল রাস্তার মাঝে। বৃষ্টির পানি আর চোখের পানি একাকার হয়ে যাচ্ছিল তার। সে অবনীর বাড়ির সামনের রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াল। জানালার পাশে আবছা আলোয় অবনীর অবয়ব দেখা যাচ্ছিল। আবির পকেট থেকে ফোনটা বের করে ভেজা হাতে অবনীকে ডায়াল করল। অবনী ফোন ধরতেই আবির ভাঙা গলায় বলল: "অবনী, তুই জানতে চেয়েছিলি না আমি কখনো কারো প্রেমে পড়েছি কি না? আজ তোকে একটা সত্যি কথা বলি। আমি জানি না তোকে কতটা ভালোবাসি। ভালোবাসার কোনো পরিমাপ বা সংজ্ঞা আমার জানা নেই। শুধু এইটুকু জানি, সকালের প্রথম আলোয় তোকে মনে পড়ে, রাতের শেষ প্রার্থনায় তোর নাম থাকে। তুই অন্য কারো হয়ে যাবি—এই চিন্তাটা আমার নিঃশ্বাস বন্ধ করে দেয়। আমি সত্যিই জানি না কতটা ভালবাসি তোমাকে, কিন্তু এইটুকু জানি—তোমাকে ছাড়া আমার এই জীবনের কোনো অর্থ নেই।" শেষ অধ্যায়: ভালোবাসার জয় ফোনের ওপাশে দীর্ঘ নীরবতা। শুধু বৃষ্টির শব্দ আর অবনীর হালকা কান্নার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল। হঠাৎ অবনী বলল, "তুই এখন কোথায় আবির?" "আমি তোর বাড়ির নিচে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি।" কথাটা শুনেই অবনী ফোনটা কেটে দিল। এক মিনিটের মাথায় বাড়ির মেইন গেট খুলে ছাতা ছাড়াই ছুটে বেরিয়ে এলো অবনী। রাস্তায় ল্যাম্পপোস্টের আবছা আলোয় সে আবিরের সামনে এসে দাঁড়াল। অবনীর চোখ দুটো কান্নায় লাল হয়ে আছে, কিন্তু ঠোঁটের কোণে এক অদ্ভুত চিলতে হাসি। সে আবিরের খুব কাছে এসে তার শার্টের কলারটা চেপে ধরে বলল, "এতদিন ধরে এই কথাটা বুকে লুকিয়ে রেখেছিলি? তুই এত বড় একটা গাধা কেন আবির? একটা মেয়ে তোর জন্য অপেক্ষা করে করে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে, আর তোর আজ সুমতি হলো?" আবির অবাক হয়ে তাকাল, "তার মানে? তু
#شمس_الفارس #fyp #explore #اكسبلور
Что осталось за кадром 🤍
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy