@wowthefcuk: สถานการณ์ ปลาหมอคางดำ ระบาดในพื้นที่บางปู จ.สมุทรปราการ กำลังเผชิญกับวิกฤตอย่างหนัก โดยเฉพาะบริเวณ คลองใหม่บางปู และสถานีสูบน้ำตำหรุ ซึ่งพบฝูงปลาหมอคางดำขนาดมหึมารวมตัวกันจนแน่นคลอง ส่งผลกระทบอย่างรุนแรงต่อระบบนิเวศในพื้นที่และสร้างความกังวลใจให้แก่ชาวบ้านและชาวประมงเป็นอย่างมาก #เตือนภัย #ปลาหมอคางดํา #บางปู #บางปูสมุทรปราการ #สมุทรปราการ

อย่างเหวอ
อย่างเหวอ
Open In TikTok:
Region: TH
Tuesday 02 June 2026 11:16:51 GMT
425
32
8
0

Music

Download

Comments

user1314884548771
คณิน ส่องแสง :
ผมเชื่อว่าเขาทำลายไปหมดแล้ว จริงงงจริ๊งงงงจ้าแต่เชื่อก็เบ้อะะ
2026-06-02 12:55:03
0
user6951045599412
user6951045599412 :
เดี๋ยวก็เงียบอีกเชื่อกูเหอะเดี๋ยวก็มีข่าวอื่นมากลบ
2026-06-02 12:53:17
0
user1534538180775
คมกริช ส่องแสง :
รอดจากการทำเป็นปลากระป๋องมาได้ทอึดกว่าแมลงสาบก็มันนี่แหละ
2026-06-02 12:52:34
0
user5873949924607
อิธุอร นามเทพ :
มันไม่เคยหายไป มีแต่จะเพิ่มขึ้น ยิ่งจับยิ่งเยอะ
2026-06-02 12:52:03
0
user2208748871305
user2208748871305 :
บางปูมันก็ปากอ่าวแล้ว เดี๋ยวลงไปกินปลาทะเลแน่ บรรลัยแน่
2026-06-02 12:51:03
0
user1922545236672
สุดา ทองคำ :
เดี๋ยวก็ไล่จับทำปลากระป๋องแล้วก็วนลูปกลับมาใหม่
2026-06-02 12:49:54
0
user616162135431
สุรัตน์ สุราดี :
รู้ๆกันอยู่ว่าใครปล่อยแต่ไม่มีใครกล้าพูดชื่อ
2026-06-02 12:49:23
0
sanittaekhanmark1
คนค้นคน :
ต้องคิดเมนูด่วนคือทางแก้ไข
2026-06-03 04:43:10
0
To see more videos from user @wowthefcuk, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সত্যি ঘটনা- ১৯৮৯ সাল। শীতের শেষ দিক। ঢাকার পাশের ছোট্ট এলাকা নবীন নগরে ছিল এক পুরোনো হাসপাতাল— “নবীন নগর হাসপাতাল”। লোকজন বলত, হাসপাতালটা দিনে যতটা শান্ত, রাতে ততটাই ভয়ংকর। রাত ১২টার পর নাকি তিন তলার করিডোরে কারো কান্নার শব্দ শোনা যেত। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো— ওই তিন তলা বহু বছর আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় নতুন এক নার্স যোগ দিল। তার নাম ছিল শিউলি। প্রথম দিনেই এক বৃদ্ধ দারোয়ান তাকে সাবধান করে বলল— “রাতে যদি ৩০৭ নম্বর কেবিন থেকে বেল বাজে… কখনো দরজা খুলবেন না।” শিউলি হেসে উড়িয়ে দিল। সে ভাবল, পুরোনো লোকদের কুসংস্কার। সেই রাতেই ডিউটি ছিল তার। রাত ঠিক ১:১৭ মিনিটে— টিং… টিং… টিং… হাসপাতালের নীরবতা ভেঙে বেজে উঠল কলিং বেল। বোর্ডে দেখা গেল— কেবিন ৩০৭ শিউলির বুক ধড়ফড় করতে লাগল। কারণ হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী ৩০৭ নম্বর কেবিন বহু বছর ধরে বন্ধ। তবু সাহস করে সে তিন তলায় উঠল। উপরে ওঠার সাথে সাথে বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেল। লাইটগুলো বারবার জ্বলছিল আর নিভছিল। করিডোরের শেষে মরিচা ধরা দরজায় লেখা— ৩০৭ ভেতর থেকে আসছিল কারো ফিসফিস শব্দ। শিউলি দরজায় কান রাখতেই শুনল— “আমাকে বাঁচাও…” তার হাত কাঁপতে লাগল। হঠাৎ দরজাটা নিজে থেকেই ধীরে ধীরে খুলে গেল। ভেতরে একটা পুরোনো বেড। চারপাশে শুকনো রক্তের দাগ। আর বেডের উপর বসে আছে এক মেয়ে। সাদা রোগীর পোশাক। চুল মুখ ঢেকে রেখেছে। শিউলি কাঁপা গলায় বলল— “কে… কে আপনি?” মেয়েটা ধীরে ধীরে মুখ তুলল। আর তখনই শিউলি চিৎকার করে উঠল। কারণ মেয়েটার চোখ ছিল না। শুধু অন্ধকার গর্ত… আর মুখজুড়ে সেলাই। হঠাৎ পুরো রুমের লাইট নিভে গেল। অন্ধকারের মধ্যে শুধু শোনা গেল— “তারা আমাকে ভুল অপারেশন করেছিল…” তারপর ঠান্ডা একটা হাত শিউলির গলা চেপে ধরল। পরদিন সকালে হাসপাতালের স্টাফরা তিন তলায় শিউলির জুতো খুঁজে পেল। কিন্তু শিউলিকে আর কখনো পাওয়া যায়নি। এরপর থেকে প্রতি রাত ১:১৭ মিনিটে— ৩০৭ নম্বর কেবিনের বেল এখনও বাজে। আর কেউ যদি ভুল করে দরজা খোলে… সে আর ফিরে আসে না।
সত্যি ঘটনা- ১৯৮৯ সাল। শীতের শেষ দিক। ঢাকার পাশের ছোট্ট এলাকা নবীন নগরে ছিল এক পুরোনো হাসপাতাল— “নবীন নগর হাসপাতাল”। লোকজন বলত, হাসপাতালটা দিনে যতটা শান্ত, রাতে ততটাই ভয়ংকর। রাত ১২টার পর নাকি তিন তলার করিডোরে কারো কান্নার শব্দ শোনা যেত। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো— ওই তিন তলা বহু বছর আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় নতুন এক নার্স যোগ দিল। তার নাম ছিল শিউলি। প্রথম দিনেই এক বৃদ্ধ দারোয়ান তাকে সাবধান করে বলল— “রাতে যদি ৩০৭ নম্বর কেবিন থেকে বেল বাজে… কখনো দরজা খুলবেন না।” শিউলি হেসে উড়িয়ে দিল। সে ভাবল, পুরোনো লোকদের কুসংস্কার। সেই রাতেই ডিউটি ছিল তার। রাত ঠিক ১:১৭ মিনিটে— টিং… টিং… টিং… হাসপাতালের নীরবতা ভেঙে বেজে উঠল কলিং বেল। বোর্ডে দেখা গেল— কেবিন ৩০৭ শিউলির বুক ধড়ফড় করতে লাগল। কারণ হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী ৩০৭ নম্বর কেবিন বহু বছর ধরে বন্ধ। তবু সাহস করে সে তিন তলায় উঠল। উপরে ওঠার সাথে সাথে বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেল। লাইটগুলো বারবার জ্বলছিল আর নিভছিল। করিডোরের শেষে মরিচা ধরা দরজায় লেখা— ৩০৭ ভেতর থেকে আসছিল কারো ফিসফিস শব্দ। শিউলি দরজায় কান রাখতেই শুনল— “আমাকে বাঁচাও…” তার হাত কাঁপতে লাগল। হঠাৎ দরজাটা নিজে থেকেই ধীরে ধীরে খুলে গেল। ভেতরে একটা পুরোনো বেড। চারপাশে শুকনো রক্তের দাগ। আর বেডের উপর বসে আছে এক মেয়ে। সাদা রোগীর পোশাক। চুল মুখ ঢেকে রেখেছে। শিউলি কাঁপা গলায় বলল— “কে… কে আপনি?” মেয়েটা ধীরে ধীরে মুখ তুলল। আর তখনই শিউলি চিৎকার করে উঠল। কারণ মেয়েটার চোখ ছিল না। শুধু অন্ধকার গর্ত… আর মুখজুড়ে সেলাই। হঠাৎ পুরো রুমের লাইট নিভে গেল। অন্ধকারের মধ্যে শুধু শোনা গেল— “তারা আমাকে ভুল অপারেশন করেছিল…” তারপর ঠান্ডা একটা হাত শিউলির গলা চেপে ধরল। পরদিন সকালে হাসপাতালের স্টাফরা তিন তলায় শিউলির জুতো খুঁজে পেল। কিন্তু শিউলিকে আর কখনো পাওয়া যায়নি। এরপর থেকে প্রতি রাত ১:১৭ মিনিটে— ৩০৭ নম্বর কেবিনের বেল এখনও বাজে। আর কেউ যদি ভুল করে দরজা খোলে… সে আর ফিরে আসে না।

About