@moradmohmde0: #الشعب_الصيني_ماله_حل😂😂

MORAD NEYMAR 🎖️
MORAD NEYMAR 🎖️
Open In TikTok:
Region: MR
Wednesday 03 June 2026 14:23:10 GMT
1947
160
30
4

Music

Download

Comments

ahme48352
Ahme🥰🥰 :
أنت أمالك واحد من أهل زويرات
2026-06-03 15:38:29
1
user730829386584
Bowba 🦌 :
5u..💪❤️‍🩹
2026-06-05 14:08:32
1
hizoka.histoire.el
سالك :
وخيرت كلاص
2026-06-03 22:52:21
0
lemene..07
𝐋𝐘𝐑𝐈𝐂𝐒 🦎🇪🇺 :
موراد 🔥
2026-06-14 09:16:03
1
max2026hhhhhhhhhhhhh
MAX,;”99🇲🇷🇪🇦🇨🇦 :
وي
2026-06-16 08:25:32
0
user9630224561634
266884 :
wni😁
2026-06-06 21:40:43
0
07lkpir
𝐋𝐘𝐑𝐈𝐂𝐒 🦎🇪🇺 :
كلاص رد فولو
2026-06-14 17:48:48
0
sallibalebest
Salliba2❤️‍🔥 :
😂🔥
2026-06-03 17:05:04
1
naji5453
NAJI🧠🖤 :
🥰🥰🥰❤️❤️❤️
2026-06-03 14:23:58
2
booux32
SOLO—🎭 :
🔥🔥🔥
2026-06-03 15:01:13
2
wintonjjmjwjw
🫦Sisi❤️ :
❤️😎
2026-06-05 20:12:32
0
tti2475
ذكر فإنا ذكرا تنفعه مؤمنين :
😁😁😁
2026-06-13 21:04:01
0
moradsy495
🔞مور🚭 :
❤️❤️❤️
2026-06-14 13:58:50
0
dahmoud13
ROBEN DI🤙 :
🔥
2026-06-07 20:07:30
0
dahmoud13
ROBEN DI🤙 :
🔥🔥🔥
2026-06-07 20:10:22
0
brah2332
Brahim sahrawi :
🥰🥰🥰
2026-06-06 20:41:44
0
user9645879039511
djibyi baba jallo :
🥰🥰🥰🥰🥰
2026-06-03 14:44:06
0
.7015579
𝐋 ح 𝐂𝐄𝐍 🔱🔱 :
❤️❤️❤️
2026-06-05 14:26:13
0
medali0099
MED ALI :
❤️❤️❤️
2026-06-03 23:25:30
0
ahme48352
Ahme🥰🥰 :
🥰🥰🥰
2026-06-03 15:02:54
0
user81693509593453
stif bone :
🥰🥰🥰
2026-06-13 18:04:11
0
user3799708681637
فاطمة :
☺️☺️
2026-06-18 16:40:43
0
To see more videos from user @moradmohmde0, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

কারো মৃত্যুর সংবাদ শুনলে আমাদের খুব কষ্ট হয়, খুব আফসোস হয়। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখি, আমার-আপনারও একদিন মৃত্যু হবে? আমরা হয়তো জানি, কিন্তু তা নিয়ে ভাবতে চাই না, পরোয়াও করি না। তাহলে শুনুন, শাস্ত্রে মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ, মৃত্যুযন্ত্রণা এবং মৃত্যুর পর জীবের অবস্থার বিষয়ে কী বলা হয়েছে। 🕉️ মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ ও মৃত্যুযন্ত্রণা পাখিদের রাজা গরুড় ভগবান বিষ্ণুকে প্রশ্ন করলেহে কেশব! মৃত্যুর সময় জীব কী ধরনের লক্ষণ দেখতে পায়? মৃত্যুর ঠিক আগে এবং সেই মুহূর্তে জীবের কী অবস্থা হয়? দয়া করে আমাকে বলুন।” তখন শ্রীভগবান বিষ্ণু বললেন— “হে তাক্ষর্য (গরুড়), শোনো। মৃত্যুকাল উপস্থিত হলে মানুষের শরীরে ও স্বপ্নে কিছু অশুভ লক্ষণ দেখা দেয়। আয়ু শেষ হয়ে এলে দেহ ও ইন্দ্রিয়গুলো বিকল হতে শুরু করে।”  মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ (অরিষ্ট লক্ষণ) ভগবান বিষ্ণু বলেন, মৃত্যুর কিছুদিন আগে মানুষ নিজের শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন দেখতে পায় যা সাধারণ অবস্থায় ঘটে না। শ্লোকঃ বিপরীতং ভবেদ্ যত্র দৃষ্টং শ্রুতমথাপি বা। তদা মৃত্যুবশং যাতি দিষ্টান্তমনুশাশতঃ।। অর্থাৎ, যখন পরিচিত জিনিসগুলো বিপরীত মনে হয়, দেখা বা শোনা বিষয় বিকৃত মনে হয়, তখন বুঝতে হবে মৃত্যু তার বশবর্তী করেছে। দেহের সংকেত মৃত্যু আসন্ন হলে— - মানুষ নিজের নাকের ডগা দেখতে পায় না। - দুই কানে আঙুল দিয়ে বন্ধ করলে যে ‘ঘোঁ-ঘোঁ’ শব্দ (অনাহত নাদ) শোনা যায়, মুমূর্ষু ব্যক্তি তা শুনতে পায় না। শ্লোকঃ ন পশ্যেচ্চ তথা নাসাম্ ন শৃণোতি তথৈব চ। অর্থাৎ, সে নিজের নাক দেখতে পায় না এবং সেই শব্দও শুনতে পায় না।  ছায়ার বিকৃতি - যদি কেউ নিজের ছায়াকে মস্তকহীন বা বিকৃত দেখতে পায়, - অথবা আয়না বা জলে নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে না পায়, তবে বুঝতে হবে তার আয়ু প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। স্বপ্নযোগ যদি স্বপ্নে কেউ দেখে— - সে গাধা বা উটের পিঠে চড়ে দক্ষিণ দিকে (যমলোকের দিক) যাচ্ছে, - অথবা কালো পোশাক পরিহিত কেউ তাকে আলিঙ্গন করছে, তবে তা মৃত্যুর ইঙ্গিত বলে বিবেচিত হয়।  মৃত্যু প্রক্রিয়া ও যমদূতের আগমন লক্ষণ প্রকাশের পর যখন প্রকৃত মৃত্যুর সময় আসে, তখন জীবের অবস্থা অত্যন্ত করুণ হয়ে ওঠে। এই অবস্থাকে বলা হয় ‘উৎক্রান্তি’। ভগবান বিষ্ণু বলেন— “হে গরুড়, শেষ সময়ে মানুষের শরীরে পঞ্চভূত (মাটি, জল, আগুন, বায়ু ও আকাশ) একে অপরের সঙ্গে মিশতে শুরু করে। শরীর অবশ হয়ে যায়। আত্মীয়-স্বজন কান্নাকাটি করে, কিন্তু জীব তখন আর কথা বলতে পারে না। যমদূতদের দর্শন পাপী ব্যক্তিদের মৃত্যুর ঠিক আগে দিব্যদৃষ্টি খুলে যায় এবং তারা যমরাজার ভয়ঙ্কর দূতদের দেখতে পায়। শ্লোকঃ পাশদণ্ডধরাঃ ক্রুড়াঃ উগ্রা বিকটলোচনাঃ। আগতা যমদূতাশ্চ দৃশ্যান্তে পাশহস্তকাঃ।। অর্থাৎ— - হাতে দড়ি ও দণ্ড, - অত্যন্ত ক্রুর, - উগ্র স্বভাবের, - ভয়ঙ্কর চক্ষুবিশিষ্ট, যমদূতেরা উপস্থিত হয়। তাদের দেখে ভয়ে মুমূর্ষু ব্যক্তি— - মল-মূত্র ত্যাগ করে ফেলে, - মুখ দিয়ে লালা ঝরতে থাকে, - চোখ বড় বড় হয়ে যায়, - কথা বলতে চাইলেও কণ্ঠ শুকিয়ে যাওয়ায় কেবল ‘ঘড়-ঘড়’ শব্দ বের হয়।  প্রাণবায়ু নির্গমন ও মৃত্যুযন্ত্রণা মৃত্যুর মুহূর্তে শরীর থেকে প্রাণ কীভাবে বের হয়, তা বর্ণনা করতে গিয়ে ভগবান বিষ্ণু বলে শ্লোকঃ একৈকং রোমকূপেষু দহমানেষু মৰ্মসু। যদ দুঃখং ম্রিয়মাণস্য তদ্ বক্তব্যং কিমুত্তরম্।। অর্থাৎ— শরীরের প্রতিটি রোমকূপ ও মর্মস্থান যেন আগুনে পুড়ে যাচ্ছে। মৃত্যুপথযাত্রীর কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বলা হয়, একসঙ্গে হাজার বিছে কামড়ালে যে যন্ত্রণা হয়, পাপী ব্যক্তির মৃত্যুকালে তেমনই কষ্ট অনুভূত হয়। জীবাত্মার নির্গমন যমদূতেরা তখন জীবের অঙ্গুষ্ঠমাত্র (বুড়ো আঙুলের সমান) লিঙ্গদেহ বা সূক্ষ্ম শরীরকে জোরপূর্বক টেনে বের করে।  পুণ্যবানদের মৃত্যু যারা জীবনে ধর্ম পালন করেছে— - তাদের প্রাণবায়ু মুখ, নাক বা ব্রহ্মতালু দিয়ে সহজে বের হয়। - তারা শান্তিপূর্ণভাবে দেহত্যাগ করে। - যমদূতেরা তাদের সম্মান করে নিয়ে যায় অথবা বিষ্ণুদূতেরা স্বর্গলোকে নিয়ে যান।  পাপীদের মৃত্যু পাপীদের ক্ষেত্রে— - প্রাণবায়ু ঊর্ধ্বমুখী না হয়ে গুহ্যদ্বার (মলদ্বার) দিয়ে বের হয়। - যমদূতেরা তাদের বায়ুশরীর বা আত্মাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে।  যমমার্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা দেহত্যাগের পর স্থূল শরীরটি মাটিতে পড়ে থাকে, যাকে আমরা মৃতদেহ বা শব বলি। কিন্তু আত্মা তখন যমদূতদের অধীনে চলে যায়। ভগবান বিষ্ণু গরুড়কে বলেন— হে খগেশ্বর! দেহ ত্যাগের পর সেই জীবাত্মা নিজের মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং পুনরায় তাতে প্রবেশ করতে চায়। কিন্তু যমদূতেরা তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যায়। তখন সে নিজের কর্মের জন্য অনুশোচনা করতে করতে বলতে থাকে—‘হায়! আমি কেন পাপ করলাম!’ কিন্তু তখন আর কোনো উপায় থাকে না। এভাবেই জীবের ইহলোকের সমাপ্তি ঘটে এবং পরলোকের দীর্ঘ যাত্রা শুরু হয়।  হরে কৃষ্ণ। হরে কৃষ্ণ। কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম। হরে রাম। রাম রাম হরে হরে।
কারো মৃত্যুর সংবাদ শুনলে আমাদের খুব কষ্ট হয়, খুব আফসোস হয়। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখি, আমার-আপনারও একদিন মৃত্যু হবে? আমরা হয়তো জানি, কিন্তু তা নিয়ে ভাবতে চাই না, পরোয়াও করি না। তাহলে শুনুন, শাস্ত্রে মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ, মৃত্যুযন্ত্রণা এবং মৃত্যুর পর জীবের অবস্থার বিষয়ে কী বলা হয়েছে। 🕉️ মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ ও মৃত্যুযন্ত্রণা পাখিদের রাজা গরুড় ভগবান বিষ্ণুকে প্রশ্ন করলেহে কেশব! মৃত্যুর সময় জীব কী ধরনের লক্ষণ দেখতে পায়? মৃত্যুর ঠিক আগে এবং সেই মুহূর্তে জীবের কী অবস্থা হয়? দয়া করে আমাকে বলুন।” তখন শ্রীভগবান বিষ্ণু বললেন— “হে তাক্ষর্য (গরুড়), শোনো। মৃত্যুকাল উপস্থিত হলে মানুষের শরীরে ও স্বপ্নে কিছু অশুভ লক্ষণ দেখা দেয়। আয়ু শেষ হয়ে এলে দেহ ও ইন্দ্রিয়গুলো বিকল হতে শুরু করে।” মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ (অরিষ্ট লক্ষণ) ভগবান বিষ্ণু বলেন, মৃত্যুর কিছুদিন আগে মানুষ নিজের শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন দেখতে পায় যা সাধারণ অবস্থায় ঘটে না। শ্লোকঃ বিপরীতং ভবেদ্ যত্র দৃষ্টং শ্রুতমথাপি বা। তদা মৃত্যুবশং যাতি দিষ্টান্তমনুশাশতঃ।। অর্থাৎ, যখন পরিচিত জিনিসগুলো বিপরীত মনে হয়, দেখা বা শোনা বিষয় বিকৃত মনে হয়, তখন বুঝতে হবে মৃত্যু তার বশবর্তী করেছে। দেহের সংকেত মৃত্যু আসন্ন হলে— - মানুষ নিজের নাকের ডগা দেখতে পায় না। - দুই কানে আঙুল দিয়ে বন্ধ করলে যে ‘ঘোঁ-ঘোঁ’ শব্দ (অনাহত নাদ) শোনা যায়, মুমূর্ষু ব্যক্তি তা শুনতে পায় না। শ্লোকঃ ন পশ্যেচ্চ তথা নাসাম্ ন শৃণোতি তথৈব চ। অর্থাৎ, সে নিজের নাক দেখতে পায় না এবং সেই শব্দও শুনতে পায় না। ছায়ার বিকৃতি - যদি কেউ নিজের ছায়াকে মস্তকহীন বা বিকৃত দেখতে পায়, - অথবা আয়না বা জলে নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে না পায়, তবে বুঝতে হবে তার আয়ু প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। স্বপ্নযোগ যদি স্বপ্নে কেউ দেখে— - সে গাধা বা উটের পিঠে চড়ে দক্ষিণ দিকে (যমলোকের দিক) যাচ্ছে, - অথবা কালো পোশাক পরিহিত কেউ তাকে আলিঙ্গন করছে, তবে তা মৃত্যুর ইঙ্গিত বলে বিবেচিত হয়। মৃত্যু প্রক্রিয়া ও যমদূতের আগমন লক্ষণ প্রকাশের পর যখন প্রকৃত মৃত্যুর সময় আসে, তখন জীবের অবস্থা অত্যন্ত করুণ হয়ে ওঠে। এই অবস্থাকে বলা হয় ‘উৎক্রান্তি’। ভগবান বিষ্ণু বলেন— “হে গরুড়, শেষ সময়ে মানুষের শরীরে পঞ্চভূত (মাটি, জল, আগুন, বায়ু ও আকাশ) একে অপরের সঙ্গে মিশতে শুরু করে। শরীর অবশ হয়ে যায়। আত্মীয়-স্বজন কান্নাকাটি করে, কিন্তু জীব তখন আর কথা বলতে পারে না। যমদূতদের দর্শন পাপী ব্যক্তিদের মৃত্যুর ঠিক আগে দিব্যদৃষ্টি খুলে যায় এবং তারা যমরাজার ভয়ঙ্কর দূতদের দেখতে পায়। শ্লোকঃ পাশদণ্ডধরাঃ ক্রুড়াঃ উগ্রা বিকটলোচনাঃ। আগতা যমদূতাশ্চ দৃশ্যান্তে পাশহস্তকাঃ।। অর্থাৎ— - হাতে দড়ি ও দণ্ড, - অত্যন্ত ক্রুর, - উগ্র স্বভাবের, - ভয়ঙ্কর চক্ষুবিশিষ্ট, যমদূতেরা উপস্থিত হয়। তাদের দেখে ভয়ে মুমূর্ষু ব্যক্তি— - মল-মূত্র ত্যাগ করে ফেলে, - মুখ দিয়ে লালা ঝরতে থাকে, - চোখ বড় বড় হয়ে যায়, - কথা বলতে চাইলেও কণ্ঠ শুকিয়ে যাওয়ায় কেবল ‘ঘড়-ঘড়’ শব্দ বের হয়। প্রাণবায়ু নির্গমন ও মৃত্যুযন্ত্রণা মৃত্যুর মুহূর্তে শরীর থেকে প্রাণ কীভাবে বের হয়, তা বর্ণনা করতে গিয়ে ভগবান বিষ্ণু বলে শ্লোকঃ একৈকং রোমকূপেষু দহমানেষু মৰ্মসু। যদ দুঃখং ম্রিয়মাণস্য তদ্ বক্তব্যং কিমুত্তরম্।। অর্থাৎ— শরীরের প্রতিটি রোমকূপ ও মর্মস্থান যেন আগুনে পুড়ে যাচ্ছে। মৃত্যুপথযাত্রীর কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বলা হয়, একসঙ্গে হাজার বিছে কামড়ালে যে যন্ত্রণা হয়, পাপী ব্যক্তির মৃত্যুকালে তেমনই কষ্ট অনুভূত হয়। জীবাত্মার নির্গমন যমদূতেরা তখন জীবের অঙ্গুষ্ঠমাত্র (বুড়ো আঙুলের সমান) লিঙ্গদেহ বা সূক্ষ্ম শরীরকে জোরপূর্বক টেনে বের করে। পুণ্যবানদের মৃত্যু যারা জীবনে ধর্ম পালন করেছে— - তাদের প্রাণবায়ু মুখ, নাক বা ব্রহ্মতালু দিয়ে সহজে বের হয়। - তারা শান্তিপূর্ণভাবে দেহত্যাগ করে। - যমদূতেরা তাদের সম্মান করে নিয়ে যায় অথবা বিষ্ণুদূতেরা স্বর্গলোকে নিয়ে যান। পাপীদের মৃত্যু পাপীদের ক্ষেত্রে— - প্রাণবায়ু ঊর্ধ্বমুখী না হয়ে গুহ্যদ্বার (মলদ্বার) দিয়ে বের হয়। - যমদূতেরা তাদের বায়ুশরীর বা আত্মাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে। যমমার্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা দেহত্যাগের পর স্থূল শরীরটি মাটিতে পড়ে থাকে, যাকে আমরা মৃতদেহ বা শব বলি। কিন্তু আত্মা তখন যমদূতদের অধীনে চলে যায়। ভগবান বিষ্ণু গরুড়কে বলেন— হে খগেশ্বর! দেহ ত্যাগের পর সেই জীবাত্মা নিজের মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং পুনরায় তাতে প্রবেশ করতে চায়। কিন্তু যমদূতেরা তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যায়। তখন সে নিজের কর্মের জন্য অনুশোচনা করতে করতে বলতে থাকে—‘হায়! আমি কেন পাপ করলাম!’ কিন্তু তখন আর কোনো উপায় থাকে না। এভাবেই জীবের ইহলোকের সমাপ্তি ঘটে এবং পরলোকের দীর্ঘ যাত্রা শুরু হয়। হরে কৃষ্ণ। হরে কৃষ্ণ। কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম। হরে রাম। রাম রাম হরে হরে।

About