@nhunghy29: Quạt nhỏ gió siêu to #xunghuong #nhunghy29

Nhung Hý
Nhung Hý
Open In TikTok:
Region: VN
Friday 05 June 2026 13:55:32 GMT
43112
500
6
20

Music

Download

Comments

daohung67
Đào Hùng :
Vú đẹp
2026-06-05 17:52:31
1
dy5ko4wt6rep
ปูน้อย 🦀 หนุ่มบ้านไกล🇹🇭🛬 :
😉😉😉
2026-06-06 20:24:34
0
To see more videos from user @nhunghy29, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বাবার বাড়ী থেকে নাস্তা কম দেওয়ায় অন্তঃস’ত্ত্বা গৃহবধুকে পি’টি’’য়ে মা’র’’লো শ্বশুরবাড়ীর লোকজন #potiya #chittagong #পটিয়া #গৃহবধু #সিফাতুন_নুর একটি মেয়ে কারও বোঝা নয়, সে একজন বাবা-মায়ের কলিজার টুকরা।  একবার ভাবুন তো, একটি মেয়েকে তার বাবা-মা কত আদর, যত্ন আর কষ্ট দিয়ে বড় করেন! নিজের সাধ্যের মধ্যে তার সব আবদার পূরণ করার চেষ্টা করেন, অসুস্থ হলে রাত জেগে পাশে বসে থাকেন, একটু কষ্ট পেলে নিজেরা কষ্ট পান। যে মেয়েটি বাবার বাড়িতে এত আদর-যত্নে বড় হয়, একসময় সেই মেয়েটিই নিজের চেনা পরিবেশ, শৈশবের ঘর, মা-বাবার মায়া আর পরিচিত মানুষগুলোকে পেছনে ফেলে একজন মানুষের হাত ধরে নতুন একটি সংসারে আসে। সে আসে নতুন করে একটি পরিবার গড়তে, ভালোবাসা দিতে এবং নিজের সর্বস্ব দিয়ে একটি সম্পর্ককে আপন করে নিতে। তারও স্বপ্ন থাকে, অভিমান থাকে, ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকে। সে চায়, নতুন বাড়ির মানুষগুলো তাকে পর মনে না করে, তার অনুভূতিগুলো বুঝুক, তার ভুল হলে ভালোবেসে শুধরে দিক। তাহলে বিয়ের সময় মেয়ের পরিবারের কাছে বাড়ি, গাড়ি, টাকা কিংবা নানা উপহার দাবি করতে হবে কেন? যে বাবা-মা এত কষ্ট করে মেয়েকে বড় করেছেন, বিয়ের সময় তাঁদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে সেই আনন্দের মুহূর্তটিকে দুশ্চিন্তায় পরিণত করার কী প্রয়োজন? ইসলাম তো আমাদের কাউকে কষ্ট দিতে নয়, বরং মানুষের অধিকার রক্ষা করতে এবং সুন্দর আচরণ করতে শিক্ষা দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ “আর তোমরা তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো।” — সূরা আন-নিসা, ৪:১৯ রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম।” — জামে আত-তিরমিজি, হাদিস ৩৮৯৫ একজন শাশুড়ির কাছে আমার ছোট্ট একটি কথা আপনার ছেলের স্ত্রীকে যদি নিজের মেয়ের মতো মনে করতে পারেন, তাহলে তার অনুভূতিগুলোও নিজের মেয়ের অনুভূতির মতো করে দেখুন। আপনার মেয়ে অন্যের বাড়িতে গেলে আপনি যেমন চান, সে যেন ভালোবাসা পায়, সম্মান পায়, কেউ যেন তার চোখে পানি না আনে—আপনার ঘরে আসা মেয়েটিও তো অন্য কারও আদরের সন্তান। তার বাবা-মায়ের বুকেও একই রকম মায়া, একই রকম দুশ্চিন্তা। আপনি যদি তার ভুলগুলোকে শুধরে দেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখেন, প্রতিযোগিতার কারণ হিসেবে না দেখেন; যদি তাকে আপন করে নেন, পর করে না রাখেন—তাহলে একটি সংসারে ভালোবাসার পরিবেশ তৈরি হওয়া অনেক সহজ হয়। তবে ভালোবাসা ও সম্মান শুধু শাশুড়ির দায়িত্ব নয়; পুত্রবধূরও উচিত শ্বশুর-শাশুড়িকে সম্মান করা, তাঁদের অনুভূতি বোঝা এবং পরিবারের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা। সংসার সুন্দর হয় যখন উভয় পক্ষই একে অপরের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করে। মনে রাখবেন, মেয়েকে নিজের ঘরে আনা মানে তার বাবা-মায়ের ভালোবাসা থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করা নয়; বরং তার জীবনে আরেকটি ভালোবাসার পরিবার যোগ করা। যে সংসারে যৌতুকের দাবি নেই, একে অপরকে ছোট করার মানসিকতা নেই, আছে আল্লাহভীতি, সম্মান, ধৈর্য ও আন্তরিকতা—সেই সংসারেই শান্তি প্রতিষ্ঠার সুন্দর ভিত্তি তৈরি হয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের এমন পরিবার গড়ার তাওফিক দিন, যেখানে কোনো মেয়েকে বাবার বাড়ির আরাম ছেড়ে এসে নিজের নতুন ঘরে পর মনে না হয়; যেখানে কোনো বাবা-মাকে মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে সামর্থ্যের বাইরে ঋণের বোঝা বহন করতে না হয়; আর যেখানে সম্পর্কের মূল্য নির্ধারিত হয় না টাকা-পয়সায়, বরং নির্ধারিত হয় ভালোবাসা, তাকওয়া ও উত্তম চরিত্রে। আল্লাহ আমাদের সবার ঘরকে ভালোবাসা, রহমত ও বরকতে পূর্ণ করে দিন। আমিন। 🤲🏻❤️
বাবার বাড়ী থেকে নাস্তা কম দেওয়ায় অন্তঃস’ত্ত্বা গৃহবধুকে পি’টি’’য়ে মা’র’’লো শ্বশুরবাড়ীর লোকজন #potiya #chittagong #পটিয়া #গৃহবধু #সিফাতুন_নুর একটি মেয়ে কারও বোঝা নয়, সে একজন বাবা-মায়ের কলিজার টুকরা। একবার ভাবুন তো, একটি মেয়েকে তার বাবা-মা কত আদর, যত্ন আর কষ্ট দিয়ে বড় করেন! নিজের সাধ্যের মধ্যে তার সব আবদার পূরণ করার চেষ্টা করেন, অসুস্থ হলে রাত জেগে পাশে বসে থাকেন, একটু কষ্ট পেলে নিজেরা কষ্ট পান। যে মেয়েটি বাবার বাড়িতে এত আদর-যত্নে বড় হয়, একসময় সেই মেয়েটিই নিজের চেনা পরিবেশ, শৈশবের ঘর, মা-বাবার মায়া আর পরিচিত মানুষগুলোকে পেছনে ফেলে একজন মানুষের হাত ধরে নতুন একটি সংসারে আসে। সে আসে নতুন করে একটি পরিবার গড়তে, ভালোবাসা দিতে এবং নিজের সর্বস্ব দিয়ে একটি সম্পর্ককে আপন করে নিতে। তারও স্বপ্ন থাকে, অভিমান থাকে, ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকে। সে চায়, নতুন বাড়ির মানুষগুলো তাকে পর মনে না করে, তার অনুভূতিগুলো বুঝুক, তার ভুল হলে ভালোবেসে শুধরে দিক। তাহলে বিয়ের সময় মেয়ের পরিবারের কাছে বাড়ি, গাড়ি, টাকা কিংবা নানা উপহার দাবি করতে হবে কেন? যে বাবা-মা এত কষ্ট করে মেয়েকে বড় করেছেন, বিয়ের সময় তাঁদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে সেই আনন্দের মুহূর্তটিকে দুশ্চিন্তায় পরিণত করার কী প্রয়োজন? ইসলাম তো আমাদের কাউকে কষ্ট দিতে নয়, বরং মানুষের অধিকার রক্ষা করতে এবং সুন্দর আচরণ করতে শিক্ষা দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ “আর তোমরা তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো।” — সূরা আন-নিসা, ৪:১৯ রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম।” — জামে আত-তিরমিজি, হাদিস ৩৮৯৫ একজন শাশুড়ির কাছে আমার ছোট্ট একটি কথা আপনার ছেলের স্ত্রীকে যদি নিজের মেয়ের মতো মনে করতে পারেন, তাহলে তার অনুভূতিগুলোও নিজের মেয়ের অনুভূতির মতো করে দেখুন। আপনার মেয়ে অন্যের বাড়িতে গেলে আপনি যেমন চান, সে যেন ভালোবাসা পায়, সম্মান পায়, কেউ যেন তার চোখে পানি না আনে—আপনার ঘরে আসা মেয়েটিও তো অন্য কারও আদরের সন্তান। তার বাবা-মায়ের বুকেও একই রকম মায়া, একই রকম দুশ্চিন্তা। আপনি যদি তার ভুলগুলোকে শুধরে দেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখেন, প্রতিযোগিতার কারণ হিসেবে না দেখেন; যদি তাকে আপন করে নেন, পর করে না রাখেন—তাহলে একটি সংসারে ভালোবাসার পরিবেশ তৈরি হওয়া অনেক সহজ হয়। তবে ভালোবাসা ও সম্মান শুধু শাশুড়ির দায়িত্ব নয়; পুত্রবধূরও উচিত শ্বশুর-শাশুড়িকে সম্মান করা, তাঁদের অনুভূতি বোঝা এবং পরিবারের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা। সংসার সুন্দর হয় যখন উভয় পক্ষই একে অপরের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করে। মনে রাখবেন, মেয়েকে নিজের ঘরে আনা মানে তার বাবা-মায়ের ভালোবাসা থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করা নয়; বরং তার জীবনে আরেকটি ভালোবাসার পরিবার যোগ করা। যে সংসারে যৌতুকের দাবি নেই, একে অপরকে ছোট করার মানসিকতা নেই, আছে আল্লাহভীতি, সম্মান, ধৈর্য ও আন্তরিকতা—সেই সংসারেই শান্তি প্রতিষ্ঠার সুন্দর ভিত্তি তৈরি হয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের এমন পরিবার গড়ার তাওফিক দিন, যেখানে কোনো মেয়েকে বাবার বাড়ির আরাম ছেড়ে এসে নিজের নতুন ঘরে পর মনে না হয়; যেখানে কোনো বাবা-মাকে মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে সামর্থ্যের বাইরে ঋণের বোঝা বহন করতে না হয়; আর যেখানে সম্পর্কের মূল্য নির্ধারিত হয় না টাকা-পয়সায়, বরং নির্ধারিত হয় ভালোবাসা, তাকওয়া ও উত্তম চরিত্রে। আল্লাহ আমাদের সবার ঘরকে ভালোবাসা, রহমত ও বরকতে পূর্ণ করে দিন। আমিন। 🤲🏻❤️

About