@14_oxo: #كامري2014🔥🔥🖤 #ترند_تيك_توك #الاحساء_الهفوف_الشرقيه #ذكر_الله

ملوححح🖤🙇🏻‍♂️
ملوححح🖤🙇🏻‍♂️
Open In TikTok:
Region: SA
Sunday 07 June 2026 17:27:36 GMT
10413
590
23
237

Music

Download

Comments

501r.n
R :
لو تغير الشبك من فيراني إلى اسود بتطلع فخمه
2026-06-09 23:15:33
0
aboood0500
عبوود :
مشاءالله الاول🤍☝🏻
2026-06-08 06:53:50
2
9h_o
𝟳𝟳🪡 :
الاول بعد عمري 😙🤍🤍🤍.
2026-06-07 20:19:24
1
a7.z_22
a7.z_22 :
تتبارك في حلالك حبي ♥️🌹
2026-06-07 18:38:13
1
.g8z2
S. :
😜
2026-06-09 01:18:26
0
fna_ii3
𝓗𝓪𝓶𝓸𝓾𝓭🥀 :
الاول ملوحح🎖️
2026-06-07 18:21:33
1
_r4rax
مهديي 🤍☹️ :
الأول مابعدك احد 🤍👋🏻
2026-06-08 10:28:05
1
k_j1h
¹⁷✘🥀𝒎 :
ملك الوكات 👑🥇."
2026-06-07 17:59:30
1
.lx_c148
حہمہ♕ؤد* :
شفتك عند جبل القاره قبل 3 ايام
2026-06-07 23:37:38
0
user6201923750838
يمكن جهودي🍦🤍 :
اطلق كامري في الاحساء وربي 🤩♥️
2026-06-09 05:18:26
1
t5z_q
قسووم🩶🩶🩶🪽. :
@W🤍🤍🏹. وسام اجل🫣🫣
2026-06-07 23:13:43
0
To see more videos from user @14_oxo, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ইস্তিগফার: যে আমল জীবনের সব বন্ধ দরজাগুলো খুলে দেয়। আপনার কখনো কি এমন হয়েছে— সব চেষ্টা করেও জীবনের সমস্যাগুলোর কোনো সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না? কারো সংসারে টাকার অভাব লেগেই আছে। কারো ঘরে শান্তি নেই—ছোট ছোট বিষয় নিয়ে প্রতিদিন ঝগড়া। কেউ বছরের পর বছর চেষ্টা করেও সন্তান লাভ করতে পারছেন না। আবার কেউ কঠোর পরিশ্রম করেও জীবনে তেমন কোনো বরকত দেখতে পাচ্ছেন না। এমন সময় মানুষ সাধারণত নতুন পথ খোঁজে—নতুন পরিকল্পনা করে, নতুন উপায় খোঁজে, মানুষের কাছে সাহায্য চায়। কিন্তু ইসলামের ইতিহাসে এমন এক ঘটনা আছে, যেখানে মানুষের এত ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার জন্য একজন আলেম মাত্র একটি সমাধান দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন তাবেয়ী যুগের মহান আলেম— Hasan al-Basri (রহ.)। একদিন তাঁর কাছে কয়েকজন মানুষ তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা নিয়ে এলেন। প্রথম ব্যক্তি এসে বললেন, “হুজুর, আমাদের এলাকায় অনেকদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে না। জমি শুকিয়ে যাচ্ছে, মানুষ কষ্টে আছে।” হাসান বসরী (রহ.) বললেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। বেশি বেশি ইস্তিগফার করো। এরপর দ্বিতীয় ব্যক্তি এসে বললেন, আমার সংসারে খুব অভাব। যতই চেষ্টা করি, রিযিকে কোনো বরকত দেখি না। তাকেও তিনি একই কথা বললেন—“ইস্তিগফার করো। এরপর তৃতীয় একজন এলেন। তিনি বললেন, আমার বাগানের গাছগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও ফসল ভালো হচ্ছে না। হাসান বসরী (রহ.) তাকেও বললেন—ইস্তিগফার করো। এরপর চতুর্থ একজন ব্যক্তি এলেন। তিনি কিছুটা কষ্টের সাথে বললেন, আমি অনেক বছর ধরে সন্তান চাইছি। আল্লাহ যেন আমাকে একটি সন্তান দান করেন, এই দোয়া করুন। তাকেও তিনি একই কথা বললেন—ইস্তিগফার করো। সেখানে উপস্থিত লোকজন তখন সত্যিই অবাক হয়ে গেলেন। তারা ভাবতে লাগলেন— এত ভিন্ন ভিন্ন সমস্যা, অথচ সমাধান একটাই! তাদের একজন অবশেষে জিজ্ঞেস করলেন, হুজুর, কেউ খরার কথা বলছে, কেউ অভাবের কথা বলছে, কেউ আবার সন্তানের জন্য দোয়া চাইছে। অথচ আপনি সবাইকে একই কথা বললেন—ইস্তিগফার করো! এর কারণ কী? হাসান বসরী (রহ.) তখন অত্যন্ত সুন্দর একটি উত্তর দিলেন। তিনি বললেন, আমি আমার নিজের পক্ষ থেকে কিছু বলিনি। আমি শুধু পবিত্র কুরআনের সেই আয়াতের ওপর আমল করতে বলেছি, যেখানে Nuh (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন— তারপর তিনি কুরআনের সেই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন, যা আছে সূরা নুহ-এ: আমি বললাম, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দেবেন, এবং তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা ও নদী-নালা সৃষ্টি করবেন। (সূরা নূহ: ১০–১২) এই আয়াতগুলোতে আল্লাহ যেন আমাদের একটি গভীর সত্য শিখিয়ে দিয়েছেন— মানুষের অনেক দুঃখ, অভাব এবং বিপদের পেছনে কখনো কখনো আমাদের নিজের গুনাহও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর যখন মানুষ সত্যিকার অর্থে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, তখন আল্লাহ তার জন্য এমন দরজা খুলে দেন—যা সে কল্পনাও করেনি। তাই ইস্তিগফার শুধু গুনাহ মাফের আমল নয়। এটি মানুষের জীবনে বরকত নিয়ে আসে, রিযিক বৃদ্ধি করে, সমস্যা সহজ করে, এবং আল্লাহর রহমতকে মানুষের জীবনের দিকে টেনে আনে। আজ যদি আপনার জীবনে কোনো সমস্যা থাকে—রিযিকের কষ্ট, মানসিক অশান্তি, পারিবারিক সমস্যা, কিংবা কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা— তাহলে আজ থেকেই একটি ছোট অভ্যাস শুরু করুন। দিনে যতবার পারেন বলুন— আস্তাগফিরুল্লাহ। হয়তো আপনি সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন দেখবেন না। কিন্তু ধীরে ধীরে দেখবেন— আল্লাহ এমনভাবে আপনার জীবনের জটিলতাগুলো খুলে দিচ্ছেন, যেভাবে আপনি কখনো ভাবেননি। কারণ সত্যিই— ইস্তিগফার এমন একটি চাবি, যা জীবনের অনেক বন্ধ দরজা খুলে দিতে পারে।
ইস্তিগফার: যে আমল জীবনের সব বন্ধ দরজাগুলো খুলে দেয়। আপনার কখনো কি এমন হয়েছে— সব চেষ্টা করেও জীবনের সমস্যাগুলোর কোনো সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না? কারো সংসারে টাকার অভাব লেগেই আছে। কারো ঘরে শান্তি নেই—ছোট ছোট বিষয় নিয়ে প্রতিদিন ঝগড়া। কেউ বছরের পর বছর চেষ্টা করেও সন্তান লাভ করতে পারছেন না। আবার কেউ কঠোর পরিশ্রম করেও জীবনে তেমন কোনো বরকত দেখতে পাচ্ছেন না। এমন সময় মানুষ সাধারণত নতুন পথ খোঁজে—নতুন পরিকল্পনা করে, নতুন উপায় খোঁজে, মানুষের কাছে সাহায্য চায়। কিন্তু ইসলামের ইতিহাসে এমন এক ঘটনা আছে, যেখানে মানুষের এত ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার জন্য একজন আলেম মাত্র একটি সমাধান দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন তাবেয়ী যুগের মহান আলেম— Hasan al-Basri (রহ.)। একদিন তাঁর কাছে কয়েকজন মানুষ তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা নিয়ে এলেন। প্রথম ব্যক্তি এসে বললেন, “হুজুর, আমাদের এলাকায় অনেকদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে না। জমি শুকিয়ে যাচ্ছে, মানুষ কষ্টে আছে।” হাসান বসরী (রহ.) বললেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। বেশি বেশি ইস্তিগফার করো। এরপর দ্বিতীয় ব্যক্তি এসে বললেন, আমার সংসারে খুব অভাব। যতই চেষ্টা করি, রিযিকে কোনো বরকত দেখি না। তাকেও তিনি একই কথা বললেন—“ইস্তিগফার করো। এরপর তৃতীয় একজন এলেন। তিনি বললেন, আমার বাগানের গাছগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও ফসল ভালো হচ্ছে না। হাসান বসরী (রহ.) তাকেও বললেন—ইস্তিগফার করো। এরপর চতুর্থ একজন ব্যক্তি এলেন। তিনি কিছুটা কষ্টের সাথে বললেন, আমি অনেক বছর ধরে সন্তান চাইছি। আল্লাহ যেন আমাকে একটি সন্তান দান করেন, এই দোয়া করুন। তাকেও তিনি একই কথা বললেন—ইস্তিগফার করো। সেখানে উপস্থিত লোকজন তখন সত্যিই অবাক হয়ে গেলেন। তারা ভাবতে লাগলেন— এত ভিন্ন ভিন্ন সমস্যা, অথচ সমাধান একটাই! তাদের একজন অবশেষে জিজ্ঞেস করলেন, হুজুর, কেউ খরার কথা বলছে, কেউ অভাবের কথা বলছে, কেউ আবার সন্তানের জন্য দোয়া চাইছে। অথচ আপনি সবাইকে একই কথা বললেন—ইস্তিগফার করো! এর কারণ কী? হাসান বসরী (রহ.) তখন অত্যন্ত সুন্দর একটি উত্তর দিলেন। তিনি বললেন, আমি আমার নিজের পক্ষ থেকে কিছু বলিনি। আমি শুধু পবিত্র কুরআনের সেই আয়াতের ওপর আমল করতে বলেছি, যেখানে Nuh (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন— তারপর তিনি কুরআনের সেই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন, যা আছে সূরা নুহ-এ: আমি বললাম, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দেবেন, এবং তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা ও নদী-নালা সৃষ্টি করবেন। (সূরা নূহ: ১০–১২) এই আয়াতগুলোতে আল্লাহ যেন আমাদের একটি গভীর সত্য শিখিয়ে দিয়েছেন— মানুষের অনেক দুঃখ, অভাব এবং বিপদের পেছনে কখনো কখনো আমাদের নিজের গুনাহও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর যখন মানুষ সত্যিকার অর্থে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, তখন আল্লাহ তার জন্য এমন দরজা খুলে দেন—যা সে কল্পনাও করেনি। তাই ইস্তিগফার শুধু গুনাহ মাফের আমল নয়। এটি মানুষের জীবনে বরকত নিয়ে আসে, রিযিক বৃদ্ধি করে, সমস্যা সহজ করে, এবং আল্লাহর রহমতকে মানুষের জীবনের দিকে টেনে আনে। আজ যদি আপনার জীবনে কোনো সমস্যা থাকে—রিযিকের কষ্ট, মানসিক অশান্তি, পারিবারিক সমস্যা, কিংবা কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা— তাহলে আজ থেকেই একটি ছোট অভ্যাস শুরু করুন। দিনে যতবার পারেন বলুন— আস্তাগফিরুল্লাহ। হয়তো আপনি সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন দেখবেন না। কিন্তু ধীরে ধীরে দেখবেন— আল্লাহ এমনভাবে আপনার জীবনের জটিলতাগুলো খুলে দিচ্ছেন, যেভাবে আপনি কখনো ভাবেননি। কারণ সত্যিই— ইস্তিগফার এমন একটি চাবি, যা জীবনের অনেক বন্ধ দরজা খুলে দিতে পারে।

About