@neduhimself: #viral #everybody #blowthisup #fyp #neduhimself

CHINEDU
CHINEDU
Open In TikTok:
Region: NG
Wednesday 10 June 2026 10:23:51 GMT
10466
980
36
14

Music

Download

Comments

brymevibez
BRYME MON$Y💰 :
is he mentally ill or just broke? please how can i locate this man, i will really like to help
2026-06-11 21:54:55
6
muskyjr1
✨₱Ř̶€̶Ť̶Í̶Č̶̣ 🌬🇩🇪 ₱̶Ř̶€̶✨ :
To the next generation 🤍 If you see this, just know we tried our best. Life wasn’t easy, things were hard, expensive, and sometimes all we did was survive. No help, just us 🥺😓 But we still dreamed, still smiled, and kept going. If life gets better for you, cherish it. If it doesn’t, don’t give up. You’re stronger than you think ❤️Be kind, choose yourself, and never stay where you’re not valued. From a generation that refused to give up 🥹💔😭 05/07/2026 1:17pm
2026-07-05 11:49:22
2
charlesxtra
cxtra :
wetin nedu do una 😅😅 chai!!! God
2026-06-10 22:17:12
2
kelly__0011
Këlly💐🇺🇸💐 :
Nd dem still Dey pretend oooo
2026-06-10 11:52:18
4
mickeyworld09
PAIN💊🧃🌍 MADEME💔😔☦️ :
pain 💔😭
2026-07-05 12:41:52
0
alinco_cws
CWS :
Omoh the way I take dey guidebthe little I get with my whole life. Who I wan fall back to??
2026-06-10 11:17:46
3
lowkeybadman0
P . R . A . Y . E . R 🪐🧃 :
Na why I just Dey mind my business act def and dumb even if e concern me 💔😔
2026-06-10 11:20:56
4
fundsbaby87
the boy on black 🖤🐈‍⬛ :
omo 😩 I no get oo
2026-06-10 10:57:22
2
osaidea
OSA :
you will go viral soon keep the ball rolling
2026-06-12 08:54:22
1
khalifa.supreme.re
KHALIFA SUPREME REGENT :
I’ll find him one of these days, I want to change his clothes, and give him a pair of shoe with small pocket money… I feel so touched
2026-06-13 22:24:30
2
pampamnazi
Pampamnazi :
Nigeria 🇳🇬 don fail many ppl ooh, even me self, I non no watin to do again! Any advice for me 26 yrs old boy ???????
2026-06-10 19:54:10
3
jolomifx
jolomi :
Me I nor Dey wear cloth waka again!! He guide pass me
2026-06-12 16:25:47
0
xioxin49
successful soul, ✨💫🤞🩸🤞 :
💔💔💔🥹🥹🥹nah this condition I dey, but as I dey bomb hope dey
2026-06-12 13:31:54
0
uppercut_fingerprint
(UPPERCUT_FINGERPRINT)💈 :
🙏🥀
2026-06-10 15:00:35
1
prosperoliver94
P. O PHOTOGRAPHY :
😔😔😔
2026-06-13 09:45:43
0
chefcharlez
chef of Lagos 🇳🇬 :
🥰
2026-06-11 18:31:51
0
just1_tunchi
Why_tunchi🦅❣️ :
💔😞🫂
2026-06-14 07:30:52
0
To see more videos from user @neduhimself, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

একটা দল ৩৯ বছরের এক মানুষের কাঁধে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ জিততে চায়। ভাবুন একবার। আর্জেন্টিনা ৩-২ তে জিতেছে, হ্যাঁ। কেপ ভার্দে বিদায় নিয়েছে, হ্যাঁ। কিন্তু যে দৃশ্য মাঠে দেখা গেল সেটা জয়ের আনন্দের চেয়ে একটা গভীর প্রশ্ন রেখে গেল বুকের ভেতর। মেসি গোল করলেন। লিসান্দ্রো করলেন। শেষে রোমেরো এসে আত্মঘাতী গোলের সুবাদে রক্ষা পেল দলটা। এক্সট্রা টাইম পর্যন্ত গড়াল ম্যাচ। আলভারেজ ফর্মে নেই। মার্টিনেজ ফর্মে নেই। ফরোয়ার্ডরা ছায়ার মতো ঘুরছেন মাঠে, গোল নেই। রাউন্ড অফ ৩২ শেষ হলো, মেসি বাদে আর কোনো আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার এখনো নেটে বল পাঠাননি। এটা মেসির মহানতার প্রমাণ, হয়তো। কিন্তু এটা একই সাথে এই দলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতার দলিল। ট্রানজিশনে ঢিলেমি। ফিজিক্যাল লড়াইয়ে স্ট্রাগল। ডিফেন্ডাররা গোল করে দল বাঁচাচ্ছেন, এটা কতদিন চলবে? স্কালোনির সামনে এখন একটাই প্রশ্ন, আর সেটা সহজ না। রাউন্ড অব ১৬ থেকে দলগুলো আরও ফিজিক্যাল, আরও স্মার্ট হবে। ট্রানজিশনে আজকের মতো এত স্লো থাকলে ওই ম্যাচগুলো ভিন্নভাবে শেষ হতে পারে। স্কালোনির হাতে সময় কম। সমাধান করার তালিকা লম্বা। মেসি অলৌকিক, কিন্তু একটি পুরো বিশ্বকাপ একার পক্ষে বহন করা অলৌকিকতারও বাইরে।স্ক্যালোনির বেঞ্চে বসে ছিল তিনটা অস্ত্র, যেগুলো ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারতো। তিনি সেগুলো ছুঁয়েও দেখলেন না। বেঞ্চে আগুন পুষে রেখে মাঠে বরফ ঢালার নাম কি কৌশল? মিয়ামির মাঠে আর্জেন্টিনা আজ প্রায় বিদায় নিয়ে ফেলেছিল। কেপ ভার্দের মতো দল, যারা কখনো বিশ্বকাপের নকআউটে পা রাখেনি, তারা মেসিদের নিয়ে গেলো অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত।  ৩-২ গোলে জিতে মাঠ ছাড়লো আর্জেন্টিনা, কিন্তু জয়ের চেয়ে বেশি আলোচনায় রইলো একটা প্রশ্ন, স্ক্যালোনি কেন বদল আনলেন না। মেসি প্রথমার্ধে গোল করলেন, নিজের ২০তম বিশ্বকাপ গোল। তারপর চললো ধুন্দুমার লড়াই। কেপ ভার্দে সমতা ফেরালো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ অতিরিক্ত সময়ে আবার এগিয়ে দিলেন, কেপ ভার্দে আবার সমতায় ফিরলো এক অবিশ্বাস্য গোলে।  শেষ পর্যন্ত মেসির কর্ণার থেকে কেপ ভার্দের আত্মঘাতী গোলে বাঁচলো আর্জেন্টিনা। খেলা শেষ হওয়ার পরেও মাঠের বাইরে একটা অস্বস্তি রয়েই গেলো।।  আর মাঠে খেলল কে? মন্টিয়েল, মলিনা, আলমাদা।  পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার উইং ছিলো নিষ্প্রাণ। থিয়াগো আলমাদা ছিলেন ফ্লপ, তার পায়ে বুদ্ধি আছে, কিন্তু শারীরিক লড়াইয়ে টাচলাইন দখল করার মতো শক্তি নেই। অথচ বেঞ্চে বসে ছিলেন জিউলিয়ানো সিমিওনে, নব্বই মিনিট দৌড়ানোর মতো ফুসফুস যার। বসে ছিলেন নিকো পাজ, যিনি ক্লাবে পুরো মৌসুম জুড়ে রক্ষণ চিরে ড্রিবল করেছেন। বসে ছিলেন ভ্যালেন্তিন বার্কো, তরুণ প্রতিভা যাকে নিয়ে গোটা ইউরোপ কথা বলছে। বসে ছিলেন লো সেলসো, যার পায়ে সৃজনশীলতা মেসির ধাঁচের কাছাকাছি। কাউকেই নামানো হলো না। ২০২২ বিশ্বকাপে স্ক্যালোনি সাহস দেখিয়েছিলেন। সৌদি আরবের কাছে হারের পর নিজের বিশ্বস্ত কোর প্লেয়ারদের জায়গা কেড়ে নিয়েছিলেন, পারেদেসের বদলে এনজো, লাউতারোর জায়গায় আলভারেজকে গুরুত্ব বাড়িয়েছিলেন, সেই সিদ্ধান্তের ভরসাতেই বিশ্বকাপ জিতেছিলো আর্জেন্টিনা।  আজ প্রশ্ন একটাই, সেই সাহস কি এখনো বেঁচে আছে, নাকি চ্যাম্পিয়নের মুকুট মানুষকে ভীতু করে তোলে। আজকের ম্যাচ সেই ধাক্কা দিয়েছে কি? নাকি ৩-২ মানেই সব ঠিক আছে? জেতাটা দরকার ছিল। কিন্তু পরের ম্যাচে মিশর আসছে। তার পরে আসবে আরো কঠিন পরীক্ষা।  স্কালোনি একবার গাটস দেখাতে পেরেছিলেন। প্রশ্ন হলো, আবার পারবেন কিনা। সিনিয়রিটি আর ভরসার হিসেবে একাদশ সাজিয়ে বিশ্বকাপ যতদূর নেওয়া যায়, স্ক্যালোনি সেই সীমানা এবার নিজের চোখে দেখে ফেললেন। পরের ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে যদি একই ভুল হয়, ইতিহাস হয়তো আর ক্ষমা করবে না।
একটা দল ৩৯ বছরের এক মানুষের কাঁধে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ জিততে চায়। ভাবুন একবার। আর্জেন্টিনা ৩-২ তে জিতেছে, হ্যাঁ। কেপ ভার্দে বিদায় নিয়েছে, হ্যাঁ। কিন্তু যে দৃশ্য মাঠে দেখা গেল সেটা জয়ের আনন্দের চেয়ে একটা গভীর প্রশ্ন রেখে গেল বুকের ভেতর। মেসি গোল করলেন। লিসান্দ্রো করলেন। শেষে রোমেরো এসে আত্মঘাতী গোলের সুবাদে রক্ষা পেল দলটা। এক্সট্রা টাইম পর্যন্ত গড়াল ম্যাচ। আলভারেজ ফর্মে নেই। মার্টিনেজ ফর্মে নেই। ফরোয়ার্ডরা ছায়ার মতো ঘুরছেন মাঠে, গোল নেই। রাউন্ড অফ ৩২ শেষ হলো, মেসি বাদে আর কোনো আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার এখনো নেটে বল পাঠাননি। এটা মেসির মহানতার প্রমাণ, হয়তো। কিন্তু এটা একই সাথে এই দলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতার দলিল। ট্রানজিশনে ঢিলেমি। ফিজিক্যাল লড়াইয়ে স্ট্রাগল। ডিফেন্ডাররা গোল করে দল বাঁচাচ্ছেন, এটা কতদিন চলবে? স্কালোনির সামনে এখন একটাই প্রশ্ন, আর সেটা সহজ না। রাউন্ড অব ১৬ থেকে দলগুলো আরও ফিজিক্যাল, আরও স্মার্ট হবে। ট্রানজিশনে আজকের মতো এত স্লো থাকলে ওই ম্যাচগুলো ভিন্নভাবে শেষ হতে পারে। স্কালোনির হাতে সময় কম। সমাধান করার তালিকা লম্বা। মেসি অলৌকিক, কিন্তু একটি পুরো বিশ্বকাপ একার পক্ষে বহন করা অলৌকিকতারও বাইরে।স্ক্যালোনির বেঞ্চে বসে ছিল তিনটা অস্ত্র, যেগুলো ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারতো। তিনি সেগুলো ছুঁয়েও দেখলেন না। বেঞ্চে আগুন পুষে রেখে মাঠে বরফ ঢালার নাম কি কৌশল? মিয়ামির মাঠে আর্জেন্টিনা আজ প্রায় বিদায় নিয়ে ফেলেছিল। কেপ ভার্দের মতো দল, যারা কখনো বিশ্বকাপের নকআউটে পা রাখেনি, তারা মেসিদের নিয়ে গেলো অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত। ৩-২ গোলে জিতে মাঠ ছাড়লো আর্জেন্টিনা, কিন্তু জয়ের চেয়ে বেশি আলোচনায় রইলো একটা প্রশ্ন, স্ক্যালোনি কেন বদল আনলেন না। মেসি প্রথমার্ধে গোল করলেন, নিজের ২০তম বিশ্বকাপ গোল। তারপর চললো ধুন্দুমার লড়াই। কেপ ভার্দে সমতা ফেরালো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ অতিরিক্ত সময়ে আবার এগিয়ে দিলেন, কেপ ভার্দে আবার সমতায় ফিরলো এক অবিশ্বাস্য গোলে। শেষ পর্যন্ত মেসির কর্ণার থেকে কেপ ভার্দের আত্মঘাতী গোলে বাঁচলো আর্জেন্টিনা। খেলা শেষ হওয়ার পরেও মাঠের বাইরে একটা অস্বস্তি রয়েই গেলো।। আর মাঠে খেলল কে? মন্টিয়েল, মলিনা, আলমাদা। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার উইং ছিলো নিষ্প্রাণ। থিয়াগো আলমাদা ছিলেন ফ্লপ, তার পায়ে বুদ্ধি আছে, কিন্তু শারীরিক লড়াইয়ে টাচলাইন দখল করার মতো শক্তি নেই। অথচ বেঞ্চে বসে ছিলেন জিউলিয়ানো সিমিওনে, নব্বই মিনিট দৌড়ানোর মতো ফুসফুস যার। বসে ছিলেন নিকো পাজ, যিনি ক্লাবে পুরো মৌসুম জুড়ে রক্ষণ চিরে ড্রিবল করেছেন। বসে ছিলেন ভ্যালেন্তিন বার্কো, তরুণ প্রতিভা যাকে নিয়ে গোটা ইউরোপ কথা বলছে। বসে ছিলেন লো সেলসো, যার পায়ে সৃজনশীলতা মেসির ধাঁচের কাছাকাছি। কাউকেই নামানো হলো না। ২০২২ বিশ্বকাপে স্ক্যালোনি সাহস দেখিয়েছিলেন। সৌদি আরবের কাছে হারের পর নিজের বিশ্বস্ত কোর প্লেয়ারদের জায়গা কেড়ে নিয়েছিলেন, পারেদেসের বদলে এনজো, লাউতারোর জায়গায় আলভারেজকে গুরুত্ব বাড়িয়েছিলেন, সেই সিদ্ধান্তের ভরসাতেই বিশ্বকাপ জিতেছিলো আর্জেন্টিনা। আজ প্রশ্ন একটাই, সেই সাহস কি এখনো বেঁচে আছে, নাকি চ্যাম্পিয়নের মুকুট মানুষকে ভীতু করে তোলে। আজকের ম্যাচ সেই ধাক্কা দিয়েছে কি? নাকি ৩-২ মানেই সব ঠিক আছে? জেতাটা দরকার ছিল। কিন্তু পরের ম্যাচে মিশর আসছে। তার পরে আসবে আরো কঠিন পরীক্ষা। স্কালোনি একবার গাটস দেখাতে পেরেছিলেন। প্রশ্ন হলো, আবার পারবেন কিনা। সিনিয়রিটি আর ভরসার হিসেবে একাদশ সাজিয়ে বিশ্বকাপ যতদূর নেওয়া যায়, স্ক্যালোনি সেই সীমানা এবার নিজের চোখে দেখে ফেললেন। পরের ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে যদি একই ভুল হয়, ইতিহাস হয়তো আর ক্ষমা করবে না।

About