@david.iza.david.i4:

Dávid Iza Dávid Iza ❤️❤️🥰🥰
Dávid Iza Dávid Iza ❤️❤️🥰🥰
Open In TikTok:
Region: UA
Wednesday 10 June 2026 14:45:20 GMT
482
75
15
0

Music

Download

Comments

szedrina.malvin
Szedrina Malvin :
de cuki ,😍😻
2026-06-11 20:47:55
0
jakitonte231
jakitonte231 :
🥰🥰🥰
2026-06-10 14:53:54
1
jakitonte231
jakitonte231 :
😎😎😎
2026-06-10 14:53:57
1
farkas.jaki
Farkas Jaki :
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
2026-06-10 17:26:34
1
tonte.rozika
Tonte Rozika :
🥰🥰🥰🥰🥰
2026-06-10 22:14:49
1
vargaalexevelin2
Alex varga :
❤️❤️❤️
2026-06-10 15:10:13
1
lakatos.tundi
Kegyetlen🖤Tundi😎❤️ :
🥰🥰🥰
2026-06-12 14:59:08
1
ildiko.balazs8
Ildiko Balazs :
🥰🥰🥰
2026-06-11 04:40:44
1
vi.lakatos
Évi Lakatos :
🥰🥰🥰
2026-06-11 22:19:22
1
dorina.doi2
❤️‍🩹. D. 😍 :
🥰🥰🥰
2026-06-10 23:27:06
1
titkos.titkos391
Titkos Titkos :
🥰🥰🥰
2026-06-11 08:29:11
1
denisz.farkas3
😘ákmed❤️denisz😘 :
🥰🥰🥰🥰❤️❤️❤️
2026-06-10 21:02:32
1
szabomargo
Szabó margo :
🥰🥰🥰🥰
2026-06-12 15:06:02
1
araka.tonte0
márkusz mafija😎😎 :
😎😎😎🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰
2026-06-10 14:56:53
1
ira.baolg
zita balogh :
🥰🥰🥰
2026-06-12 16:12:40
1
To see more videos from user @david.iza.david.i4, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা যে ঘটনাটি আজ ও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এএই গল্প পড়ার পর হয়তো আপনি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকবেন, আর নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ আঁতকে উঠবেন। সল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে... ১৯৫০ সাল, আমেরিকা বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরকে রাখলেন একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায়। খাঁচার ভেতরে বসানো হলো একটি লাল বোতাম। ব্যবস্থা এমন ইঁদুরটি যখনই বোতামটি চাপবে, তার মস্তিস্কে পৌঁছে যাবে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল। আর সঙ্গে সঙ্গে নিঃসৃত হবে প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন অর্থাৎ, প্রবল সুখের অনুভূতি সহজ ভাষায় বললে, বোতাম চাপলেই ইঁদুরটির ভীষণ ভালো লাগবে-যেমনটা আমাদের প্রিয় কোনো কাজ করলে হয়। শুরু হলো সেই মরণনেশা শুরুতে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একদিন ভুল করে তার পা পড়ে গেল লাল বোতামের ওপর। মুহূর্তেই তার শরীর ভরে গেল এক অদ্ভুত সুখে। ইঁদুরটি থমকে গেল
১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা যে ঘটনাটি আজ ও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এএই গল্প পড়ার পর হয়তো আপনি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকবেন, আর নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ আঁতকে উঠবেন। সল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে... ১৯৫০ সাল, আমেরিকা বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরকে রাখলেন একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায়। খাঁচার ভেতরে বসানো হলো একটি লাল বোতাম। ব্যবস্থা এমন ইঁদুরটি যখনই বোতামটি চাপবে, তার মস্তিস্কে পৌঁছে যাবে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল। আর সঙ্গে সঙ্গে নিঃসৃত হবে প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন অর্থাৎ, প্রবল সুখের অনুভূতি সহজ ভাষায় বললে, বোতাম চাপলেই ইঁদুরটির ভীষণ ভালো লাগবে-যেমনটা আমাদের প্রিয় কোনো কাজ করলে হয়। শুরু হলো সেই মরণনেশা শুরুতে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একদিন ভুল করে তার পা পড়ে গেল লাল বোতামের ওপর। মুহূর্তেই তার শরীর ভরে গেল এক অদ্ভুত সুখে। ইঁদুরটি থমকে গেল "এই সুখ এলো কোথা থেকে?" সে আবার বোতাম চাপল। আবারও সেই অনুভূতি। এবার সে বুঝে গেল এই লাল বোতামই আনন্দের উৎস। তারপর? তারপর শুরু হলো এক ভয়ংকর পাগলামি। ইঁদুরটি বারবার... শুধু বোতামহ চাপতে লাগল। যখন সুখ জীবনের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায় বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাকে আরও কঠিন করলেন। খাঁচায় রাখা হলো দামী খাবার। ইঁদুরটির নিঃসঙ্গতা দূর করতে ছাড়ানো হলো একটি স্ত্রী ইঁদুর। এখন আপনার কী মনে হয়? সে কি খাবার ফেলর নাকি সঙ্গিনীর কাছে গেল? না। সে কিছুই করল না। খাবার পড়ে রইল যে তাকাল না। সঙ্গিনী ডাকল সে সাড়া দিল না। দিন-রাত, নাওয়া-খাওয়া ভুলে যে শুধু একটাই কাজ করতে লাগল লাল বোতাম চাপা। কারণ, খাবার বা সঙ্গ থেকে যে আনন্দ পাওয়া যায়, তার চেয়েও হাজার গুণ বেশি আনন্দ এই কৃত্রিম সুখে। শেষ পরিণতি এক দিন... দুই দিন... তিন দিন... ইঁদুরটির শরীর শুকিয়ে গেল। শক্তি ফুরিয়ে এলো। কিন্তু বোতাম চাপা থামল না। শেষ পর্যন্ত ইঁদুরটি মারা গেল। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার জানেন? মৃত্যুর সময়ও তার হাতটি ছিল লাল বোতামের ওপর। মরার আগের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সে ওই কৃত্রিম সুখটাই চেয়েছিল। ? এই পরীক্ষা কি সত্যিহ শেষ? আপনি ভাবতে পারেন ১৯৫০ সালের সেই পরীক্ষা তো অনেক আগেই শেষ! বিন্তু ভয়ংকর সত্য হলো পরীক্ষাটি আজও চলছে। শুধু ইঁদুর বদলেছে। __আজ সেই খাঁচার ইঁদুর আপনি... আর আমি। লাল বোতাম বদলে গেছে ১৯৫০ সালের সেই লাল বোতাম ২০২৬ সালে এসে নিয়েছে একটি চারকোনা আয়তাকার স্ক্রিনের রূপ। একটু ভেবে দেখুন আমরা কি খাবারের টেবিলেও ওই স্ক্রিনে সুখ খুঁজি আপনার পাশের মানুষটিকে উপেক্ষা করে কি স্ক্রিনেই ডুবে থাকি না? ◆ ঘুম নেই, শান্তি নেই তবু কি মাঝরাতে স্ক্রল খামে..? ইঁদুরটি যেমন সুখের নেশায় জীবন দিয়েছিল, আমরাও কি প্রতিদিন আমাদের সময়, আবেগ আর মূল্যবান জীবন এই চারকোনা যন্ত্রটার কাছে তুলেদিচ্ছি না..? আমরা আনন্দের পেছনে ছুটতে গিয়ে জীবনকে উপভোগ করতেই ভুলে গেছি এবং প্রযুক্তির খাঁচায় এক একজন আধুনিক ইঁদুর হিসেবে বন্দি হয়ে পড়েছি। ° যদি চান আপনার সন্তানকে এই মরণ নেশা থেকে বাঁচাতে দূরে রাখুন ফোন। সিদ্ধান্ত আপনার ° ° ° ° ° caption help by @mizanurrohman06° ° ° ° ° #foryou #tz_raqib #Psychological

About