@callmekechinu6: #አንተ ገነት አትገባም Please copy link @Lij Dawud⚡️ @call me ባቡጂ👀 #ethiopian_tik_tok🇪🇹🇪🇹🇪🇹🇪🇹 #foryou #viral

Call me Kechinu ቀጭኑ
Call me Kechinu ቀጭኑ
Open In TikTok:
Region: ET
Wednesday 10 June 2026 16:20:10 GMT
9269
869
9
235

Music

Download

Comments

abelman133
lil devani👊 :
እኔ አልሳኩም
2026-06-10 18:53:23
1
dintech5
JESUS is GOD :
ariif
2026-06-30 18:28:15
1
user1816610258530
leula :
yekr beleye 🤭hom beya ayedelem
2026-06-10 19:15:16
1
endashawhailu
Endashaw Hail 💪💪 :
😂😂😂
2026-08-11 13:34:26
0
djsnake5735
Gat Nyadeng :
🥰🥰🥰
2026-06-11 10:59:09
0
abdala.sayid
ፃይሙ ልጅ❤️‍🔥 ዋሎ🇪🇹🛫✈️🇸🇦🇸🇦 :
😳😳😳
2026-06-10 17:39:27
1
humed.mohammed22
Humed Mohammed :
😁😁😁
2026-07-16 08:37:57
1
To see more videos from user @callmekechinu6, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বিয়ের হানিমুন যখন মক্কা-মদিনা…! 🥺🕋❤️ রায়হান ছিল মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। ছোটবেলা থেকেই তার একটাই স্বপ্ন—একদিন বিয়ে করবে, স্ত্রীকে নিয়ে সুন্দর একটা সংসার গড়বে। কিন্তু বিয়ের কথা উঠতেই চারপাশ থেকে শুরু হলো নানা হিসাব। কার কত দামী পোশাক হবে, কতজন মানুষ দাওয়াত পাবে, স্টেজ কেমন হবে, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান কোথায় হবে—সবকিছু নিয়ে যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল। রায়হান চুপচাপ সব শুনত। একদিন সে বাবাকে বলল, —“আব্বু, এত টাকা খরচ করে বিয়ে করার কি সত্যিই দরকার?” বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, —“বাবা, সমাজের মানুষ কী বলবে?” রায়হান মৃদু হেসে বলল, —“আব্বু, সমাজ কি আমাদের কবর পর্যন্ত যাবে? শেষ বিচারের দিন তো আমাকে একাই আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে।” বাবা কোনো উত্তর দিতে পারলেন না। রায়হান সিদ্ধান্ত নিল—বিয়ে হবে, কিন্তু অপচয় হবে না। লোক দেখানো হবে না। হারাম কোনো আয়োজন হবে না। যতটুকু সামর্থ্য, ততটুকুই। কিছু আত্মীয় তাকে উপহাস করল। কেউ বলল, —“এমন সাদামাটা বিয়ে! মানুষ কী বলবে?” রায়হান শুধু বলল, —“মানুষের প্রশংসার জন্য বিয়ে করছি না। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সংসার শুরু করছি।” অবশেষে তার বিয়ে হলো মারিয়ামের সঙ্গে। মারিয়ামও ছিল দ্বীনদার ও শান্ত স্বভাবের মেয়ে। বিয়ের রাতে রায়হান তাকে বলল, —“মারিয়াম, তোমার একটা ইচ্ছা বলো। আমি সাধ্যের মধ্যে পূরণ করার চেষ্টা করব।” মারিয়ামের চোখে পানি চলে এলো। সে বলল, —“আমার একটা স্বপ্ন আছে… যদি আল্লাহ কবুল করেন।” —“কী স্বপ্ন?” —“তোমার হাত ধরে একদিন কাবা শরিফের সামনে দাঁড়াতে চাই। মদিনায় গিয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর শহর দেখতে চাই।” রায়হান কিছুক্ষণ নীরব হয়ে রইল। তারপর চোখের পানি মুছে বলল, —“তাহলে আমাদের হানিমুন অন্য কোথাও নয়। ইনশাআল্লাহ, আমরা যাব মক্কা-মদিনায়।” কয়েকদিন পর তারা হিসাব করল—বিয়েতে অযথা খরচ না করায় তাদের হাতে বেশ কিছু টাকা বেঁচে গেছে। সেই টাকা দিয়ে তারা পবিত্র সফরের প্রস্তুতি নিল। যেদিন তারা প্রথম কাবা শরিফ দেখল, রায়হান থমকে দাঁড়িয়ে গেল। তার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়তে লাগল। মারিয়াম বলল, —“কাঁদছ কেন?” রায়হান কাঁদতে কাঁদতে বলল, —“জীবনে কত কিছু চেয়েছি… কত দামী জিনিসের স্বপ্ন দেখেছি। অথচ আজ বুঝলাম, পৃথিবীর সবকিছু পাওয়ার পরও যদি আল্লাহকে না পাই, তাহলে আমি আসলে কিছুই পাইনি।” সে কাবার দিকে তাকিয়ে বলল, —“হে আল্লাহ! আমরা তোমার ঘরের মেহমান হওয়ার যোগ্য ছিলাম না। তবুও তুমি আমাদের ডেকেছ। আমাদের ভুলগুলো ক্ষমা করে দাও।” মারিয়ামও কাঁদতে কাঁদতে দোয়া করল। সেই রাতে তারা বুঝতে পারল—সুখ মানে দামি হোটেল নয়, সুখ মানে আল্লাহর নৈকট্য। ভালোবাসা মানে শুধু একে অপরের হাত ধরা নয়; ভালোবাসা হলো দুজন মিলে আল্লাহর দিকে হাঁটা। কয়েক বছর পর তাদের জীবনে অনেক কষ্ট এলো। কখনো অর্থের অভাব, কখনো অসুস্থতা, কখনো পারিবারিক সমস্যা। কিন্তু তারা একে অপরকে বলত, —“আমরা তো সেই ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে বলেছিলাম—জীবনের শেষ পর্যন্ত তোমার পথে থাকব। এখন কষ্ট এসেছে বলে কি আমরা সেই কথা ভুলে যাব?” তাদের সংসার নিখুঁত ছিল না। কিন্তু তাদের সংসারে নামাজ ছিল, কুরআন ছিল, দোয়া ছিল, ক্ষমা ছিল এবং আল্লাহর ওপর ভরসা ছিল। একদিন রায়হান তার ছোট ভাইকে বলল, —“ভাই, বিয়েতে মানুষের দেখানোর জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করিস না। সামর্থ্য অনুযায়ী সহজভাবে বিয়ে কর। আর যদি পারিস, সেই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে আল্লাহর ঘরে চলে যাস।” তার চোখে তখন মক্কার স্মৃতি। সে বলল, **“ওয়াল্লাহি, বিল্লাহি, তাল্লাহি—মানুষের বানানো আনন্দ কয়েকদিনের। কিন্তু আল্লাহর ঘরের সফর হৃদয়ে এমন আলো জ্বালায়, যার কথা চোখের পানি দিয়েও প্রকাশ করা যায় না।”** হে যুবক! তোমার বিয়ে যেন লোক দেখানোর উৎসব না হয়। তোমার নতুন জীবন যেন ঋণের বোঝা দিয়ে শুরু না হয়। বিয়ের খরচ কমাও। অপচয় থেকে বাঁচো। হারাম থেকে দূরে থাকো। আর সামর্থ্য থাকলে সেই টাকা দিয়ে তোমার জীবনসঙ্গীকে নিয়ে আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে যাও। হয়তো সেদিন কাবা শরিফের সামনে দাঁড়িয়ে তোমার স্ত্রী তোমার হাত ধরে কাঁদবে, আর তুমি মনে মনে বলবে— **“আলহামদুলিল্লাহ… জীবনে এত কিছু হারিয়েও যদি তোমাকে পেয়েছি, হে আল্লাহ, তাহলে আমি আসলে কিছুই হারাইনি।”** কারণ দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর হানিমুন কোনো সমুদ্রের পাড়ে নয়… সবচেয়ে সুন্দর সফর হলো—যে সফরে দুজন মানুষ একসঙ্গে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে। 🕋❤️‍🩹 আল্লাহ আমাদের বিয়েগুলোকে সহজ, পবিত্র ও বরকতময় করুন। আমাদের জীবনসঙ্গীকে আমাদের জন্য দুনিয়ায় শান্তি এবং আখিরাতে জান্নাতের সঙ্গী বানিয়ে দিন। আমিন। 🤲🥺 #fyp #fypシ #foryou #foryoupag #fypシ゚viral @TikTok @TikTok Bangladesh
বিয়ের হানিমুন যখন মক্কা-মদিনা…! 🥺🕋❤️ রায়হান ছিল মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। ছোটবেলা থেকেই তার একটাই স্বপ্ন—একদিন বিয়ে করবে, স্ত্রীকে নিয়ে সুন্দর একটা সংসার গড়বে। কিন্তু বিয়ের কথা উঠতেই চারপাশ থেকে শুরু হলো নানা হিসাব। কার কত দামী পোশাক হবে, কতজন মানুষ দাওয়াত পাবে, স্টেজ কেমন হবে, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান কোথায় হবে—সবকিছু নিয়ে যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল। রায়হান চুপচাপ সব শুনত। একদিন সে বাবাকে বলল, —“আব্বু, এত টাকা খরচ করে বিয়ে করার কি সত্যিই দরকার?” বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, —“বাবা, সমাজের মানুষ কী বলবে?” রায়হান মৃদু হেসে বলল, —“আব্বু, সমাজ কি আমাদের কবর পর্যন্ত যাবে? শেষ বিচারের দিন তো আমাকে একাই আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে।” বাবা কোনো উত্তর দিতে পারলেন না। রায়হান সিদ্ধান্ত নিল—বিয়ে হবে, কিন্তু অপচয় হবে না। লোক দেখানো হবে না। হারাম কোনো আয়োজন হবে না। যতটুকু সামর্থ্য, ততটুকুই। কিছু আত্মীয় তাকে উপহাস করল। কেউ বলল, —“এমন সাদামাটা বিয়ে! মানুষ কী বলবে?” রায়হান শুধু বলল, —“মানুষের প্রশংসার জন্য বিয়ে করছি না। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সংসার শুরু করছি।” অবশেষে তার বিয়ে হলো মারিয়ামের সঙ্গে। মারিয়ামও ছিল দ্বীনদার ও শান্ত স্বভাবের মেয়ে। বিয়ের রাতে রায়হান তাকে বলল, —“মারিয়াম, তোমার একটা ইচ্ছা বলো। আমি সাধ্যের মধ্যে পূরণ করার চেষ্টা করব।” মারিয়ামের চোখে পানি চলে এলো। সে বলল, —“আমার একটা স্বপ্ন আছে… যদি আল্লাহ কবুল করেন।” —“কী স্বপ্ন?” —“তোমার হাত ধরে একদিন কাবা শরিফের সামনে দাঁড়াতে চাই। মদিনায় গিয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর শহর দেখতে চাই।” রায়হান কিছুক্ষণ নীরব হয়ে রইল। তারপর চোখের পানি মুছে বলল, —“তাহলে আমাদের হানিমুন অন্য কোথাও নয়। ইনশাআল্লাহ, আমরা যাব মক্কা-মদিনায়।” কয়েকদিন পর তারা হিসাব করল—বিয়েতে অযথা খরচ না করায় তাদের হাতে বেশ কিছু টাকা বেঁচে গেছে। সেই টাকা দিয়ে তারা পবিত্র সফরের প্রস্তুতি নিল। যেদিন তারা প্রথম কাবা শরিফ দেখল, রায়হান থমকে দাঁড়িয়ে গেল। তার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়তে লাগল। মারিয়াম বলল, —“কাঁদছ কেন?” রায়হান কাঁদতে কাঁদতে বলল, —“জীবনে কত কিছু চেয়েছি… কত দামী জিনিসের স্বপ্ন দেখেছি। অথচ আজ বুঝলাম, পৃথিবীর সবকিছু পাওয়ার পরও যদি আল্লাহকে না পাই, তাহলে আমি আসলে কিছুই পাইনি।” সে কাবার দিকে তাকিয়ে বলল, —“হে আল্লাহ! আমরা তোমার ঘরের মেহমান হওয়ার যোগ্য ছিলাম না। তবুও তুমি আমাদের ডেকেছ। আমাদের ভুলগুলো ক্ষমা করে দাও।” মারিয়ামও কাঁদতে কাঁদতে দোয়া করল। সেই রাতে তারা বুঝতে পারল—সুখ মানে দামি হোটেল নয়, সুখ মানে আল্লাহর নৈকট্য। ভালোবাসা মানে শুধু একে অপরের হাত ধরা নয়; ভালোবাসা হলো দুজন মিলে আল্লাহর দিকে হাঁটা। কয়েক বছর পর তাদের জীবনে অনেক কষ্ট এলো। কখনো অর্থের অভাব, কখনো অসুস্থতা, কখনো পারিবারিক সমস্যা। কিন্তু তারা একে অপরকে বলত, —“আমরা তো সেই ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে বলেছিলাম—জীবনের শেষ পর্যন্ত তোমার পথে থাকব। এখন কষ্ট এসেছে বলে কি আমরা সেই কথা ভুলে যাব?” তাদের সংসার নিখুঁত ছিল না। কিন্তু তাদের সংসারে নামাজ ছিল, কুরআন ছিল, দোয়া ছিল, ক্ষমা ছিল এবং আল্লাহর ওপর ভরসা ছিল। একদিন রায়হান তার ছোট ভাইকে বলল, —“ভাই, বিয়েতে মানুষের দেখানোর জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করিস না। সামর্থ্য অনুযায়ী সহজভাবে বিয়ে কর। আর যদি পারিস, সেই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে আল্লাহর ঘরে চলে যাস।” তার চোখে তখন মক্কার স্মৃতি। সে বলল, **“ওয়াল্লাহি, বিল্লাহি, তাল্লাহি—মানুষের বানানো আনন্দ কয়েকদিনের। কিন্তু আল্লাহর ঘরের সফর হৃদয়ে এমন আলো জ্বালায়, যার কথা চোখের পানি দিয়েও প্রকাশ করা যায় না।”** হে যুবক! তোমার বিয়ে যেন লোক দেখানোর উৎসব না হয়। তোমার নতুন জীবন যেন ঋণের বোঝা দিয়ে শুরু না হয়। বিয়ের খরচ কমাও। অপচয় থেকে বাঁচো। হারাম থেকে দূরে থাকো। আর সামর্থ্য থাকলে সেই টাকা দিয়ে তোমার জীবনসঙ্গীকে নিয়ে আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে যাও। হয়তো সেদিন কাবা শরিফের সামনে দাঁড়িয়ে তোমার স্ত্রী তোমার হাত ধরে কাঁদবে, আর তুমি মনে মনে বলবে— **“আলহামদুলিল্লাহ… জীবনে এত কিছু হারিয়েও যদি তোমাকে পেয়েছি, হে আল্লাহ, তাহলে আমি আসলে কিছুই হারাইনি।”** কারণ দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর হানিমুন কোনো সমুদ্রের পাড়ে নয়… সবচেয়ে সুন্দর সফর হলো—যে সফরে দুজন মানুষ একসঙ্গে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে। 🕋❤️‍🩹 আল্লাহ আমাদের বিয়েগুলোকে সহজ, পবিত্র ও বরকতময় করুন। আমাদের জীবনসঙ্গীকে আমাদের জন্য দুনিয়ায় শান্তি এবং আখিরাতে জান্নাতের সঙ্গী বানিয়ে দিন। আমিন। 🤲🥺 #fyp #fypシ #foryou #foryoupag #fypシ゚viral @TikTok @TikTok Bangladesh

About