🐔বয়লার🐔স্ট্যাটাস🐔খামার🐔🌿 :
তারিখ: ২১ জুন ২০২৬
বরাবর,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার,
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা।
বিষয়: পোল্ট্রি ফিডের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ অথবা ব্রয়লার মুরগির পাইকারি দাম ২৫০ টাকা নির্ধারণপূর্বক প্রান্তিক খামারিদের বাঁচানোর আবেদন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা বাংলাদেশের হাজার হাজার প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র পোল্ট্রি খামারি, যারা কঠোর পরিশ্রম করে দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ করে আসছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বর্তমানে ফিড সিন্ডিকেট এবং করপোরেট কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া ব্যবসার কারণে আমরা আজ ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়েছি।
আপনার সদয় অবগতির জন্য ২০১৪ সাল এবং ২০২৬ সালের একটি বাস্তব তুলনামূলক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ২০১৪ সালে ৫০ কেজির এক বস্তা ফিডের দাম ছিল ১৮০০ টাকা, তখন আমরা প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি পাইকারি বিক্রি করেছি ১৩০ টাকায়।
২. বর্তমানে ২০২৬ সালে সেই ফিডের বস্তা কিনতে হচ্ছে ৩৫০০ টাকা দিয়ে, অথচ পাইকারি বাজারে আমাদের মুরগি বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে।
বিগত ১২ বছরে ফিডের দাম বেড়েছে প্রায় ৯৪%, কিন্তু মুরগির দাম বেড়েছে মাত্র ৭%। এর সাথে বাচ্চা, বিদ্যুৎ, ওষুধ ও শ্রমিকের খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। প্রতিটি মুরগি উৎপাদনে আমাদের যেখানে খরচ হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০০ টাকার ওপরে, সেখানে ১৪০ টাকায় বিক্রি করে আমরা প্রতি কেজিতে বিশাল লোকসান গুনছি। অনেক খামারি ঋণের দায়ে খামার বন্ধ করে দিয়েছেন।
আমাদের আকুল আবেদন:
হয় অবিলম্বে ফিড এবং বাচ্চার দাম কমিয়ে খামারিদের উৎপাদন খরচ কমিয়ে দেওয়া হোক, না হয় করপোরেট ও আড়তদারদের সিন্ডিকেট ভেঙে ব্রয়লার মুরগির সর্বনিম্ন পাইকারি দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হোক।
অতএব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল প্রার্থনা, দেশের লক্ষ লক্ষ প্রান্তিক খামারি এবং পোল্ট্রি শিল্পকে বাঁচাতে আপনি জরুরি হস্তক্ষেপ করবেন এবং আমাদের এই ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করবেন।
বিনীত,
বাংলাদেশের প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিবৃন্দের পক্ষে—
(আপনার নাম/স্বাক্ষর এবং এলাকার খামারিদের নাম ও স্বাক্ষর)
🥰
2026-06-21 11:05:11