@user20226290353372:

めろっち💃🐟⛳️🍈🍈🍈🍄‍🟫
めろっち💃🐟⛳️🍈🍈🍈🍄‍🟫
Open In TikTok:
Region: JP
Sunday 14 June 2026 00:29:24 GMT
458
41
4
3

Music

Download

Comments

iiii0000iiii
IIII0000IIII :
결혼 하고 싶어요
2026-06-14 00:42:36
2
user4883194465845
user4883194465845 :
❤️❤️❤️
2026-06-14 02:21:50
1
To see more videos from user @user20226290353372, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ডিগ্রিধারী জাহেলিয়াত এবং আমাদের পঙ্গু মানসিকতা! ⚠️ ​আজকের তথাকথিত আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে তাকালে বুকটা ফেটে যায়। অদ্ভুত এক দ্বিচারিতা আর ভণ্ডামির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমাদের সমাজ। অনেক স্কুল-কলেজে দেখা যায়, জাতীয় সঙ্গীতের সময় পুরো ক্যাম্পাসকে একেবারে নিস্তব্ধ করে দেওয়া হয়; কেউ একটা কথা বলতে আসলেও তার মুখ চেপে ধরা হয়, যেন আকাশ ভেঙে পড়বে! অথচ, যখন মহান আল্লাহর ঘর থেকে হাইয়া আলাস-সালাহ (নামাজের দিকে এসো) বলে মধুর আযানের ধ্বনি ভেসে আসে, তখন সেই শিক্ষকদের কাছে ক্লাসের সিলেবাস আর দুনিয়াবি লেকচারটা সবচেয়ে বড় প্রায়োরিটি হয়ে দাঁড়ায়! আযানের প্রতি ন্যূনতম সম্মান দেখানোর কোনো তাগিদ তারা অনুভব করেন না। ​গানের সম্মানে যারা এভাবে মুখ চেপে ধরে চুপ থাকতে পারে, তারা স্রষ্টার আযানের সময় কোন যুক্তিতে ক্লাস সচল রাখে? সিলেবাস শেষ করার বাহানা দিয়ে আযানের আওয়াজকে অবজ্ঞা করা কি কোনো সুস্থ ঈমানদারের কাজ হতে পারে? ​এই ডিগ্রিধারী শিক্ষকেরা হয়তো ক্লাসরুমে বড় বড় নীতিবাক্য শেখান, কিন্তু তাদের নিজেদের ঈমানী মেরুদণ্ড বলতে কিচ্ছু নেই। এরা ডিগ্রির পাতায় শিক্ষিত হতে পেরেছে ঠিকই, কিন্তু হেদায়েত আর সাধারণ বোধশক্তি থেকে বহুদূরে রয়ে গেছে। একটা দেশের জাতীয় পতাকাকে বা জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান জানানোর চেয়ে সৃষ্টিকর্তার ডাকের সম্মান কি অনেক কম? ​সবচেয়ে বড় আফসোস আর লজ্জার বিষয় হলো, আমরা এগুলো দেখেও না দেখার ভান করে চুপচাপ বসে থাকি। আমাদের এই নীরবতাই প্রমাণ করে আমরা কতটা মেরুদণ্ডহীন হয়ে গেছি। ধিক্কার জানাই এই ভণ্ড, নীতিহীন শিক্ষক সমাজকে আর ঘুমিয়ে থাকা এই মূর্খ মুসলিম জাতিকে! ​আসুন, দুনিয়াবি শিক্ষার অন্ধ অনুকরণ ছেড়ে আগে নিজের ঈমান আর ইসলামকে সম্মান দিতে শিখি। স্রষ্টাকে ভুলে যে জাতি কেবল সৃষ্টির পেছনে ছোটে, তাদের পতন অনিবার্য। #TikTokBD #caption #foryou #foryoupage #WakeUpUmmah
ডিগ্রিধারী জাহেলিয়াত এবং আমাদের পঙ্গু মানসিকতা! ⚠️ ​আজকের তথাকথিত আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে তাকালে বুকটা ফেটে যায়। অদ্ভুত এক দ্বিচারিতা আর ভণ্ডামির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমাদের সমাজ। অনেক স্কুল-কলেজে দেখা যায়, জাতীয় সঙ্গীতের সময় পুরো ক্যাম্পাসকে একেবারে নিস্তব্ধ করে দেওয়া হয়; কেউ একটা কথা বলতে আসলেও তার মুখ চেপে ধরা হয়, যেন আকাশ ভেঙে পড়বে! অথচ, যখন মহান আল্লাহর ঘর থেকে হাইয়া আলাস-সালাহ (নামাজের দিকে এসো) বলে মধুর আযানের ধ্বনি ভেসে আসে, তখন সেই শিক্ষকদের কাছে ক্লাসের সিলেবাস আর দুনিয়াবি লেকচারটা সবচেয়ে বড় প্রায়োরিটি হয়ে দাঁড়ায়! আযানের প্রতি ন্যূনতম সম্মান দেখানোর কোনো তাগিদ তারা অনুভব করেন না। ​গানের সম্মানে যারা এভাবে মুখ চেপে ধরে চুপ থাকতে পারে, তারা স্রষ্টার আযানের সময় কোন যুক্তিতে ক্লাস সচল রাখে? সিলেবাস শেষ করার বাহানা দিয়ে আযানের আওয়াজকে অবজ্ঞা করা কি কোনো সুস্থ ঈমানদারের কাজ হতে পারে? ​এই ডিগ্রিধারী শিক্ষকেরা হয়তো ক্লাসরুমে বড় বড় নীতিবাক্য শেখান, কিন্তু তাদের নিজেদের ঈমানী মেরুদণ্ড বলতে কিচ্ছু নেই। এরা ডিগ্রির পাতায় শিক্ষিত হতে পেরেছে ঠিকই, কিন্তু হেদায়েত আর সাধারণ বোধশক্তি থেকে বহুদূরে রয়ে গেছে। একটা দেশের জাতীয় পতাকাকে বা জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান জানানোর চেয়ে সৃষ্টিকর্তার ডাকের সম্মান কি অনেক কম? ​সবচেয়ে বড় আফসোস আর লজ্জার বিষয় হলো, আমরা এগুলো দেখেও না দেখার ভান করে চুপচাপ বসে থাকি। আমাদের এই নীরবতাই প্রমাণ করে আমরা কতটা মেরুদণ্ডহীন হয়ে গেছি। ধিক্কার জানাই এই ভণ্ড, নীতিহীন শিক্ষক সমাজকে আর ঘুমিয়ে থাকা এই মূর্খ মুসলিম জাতিকে! ​আসুন, দুনিয়াবি শিক্ষার অন্ধ অনুকরণ ছেড়ে আগে নিজের ঈমান আর ইসলামকে সম্মান দিতে শিখি। স্রষ্টাকে ভুলে যে জাতি কেবল সৃষ্টির পেছনে ছোটে, তাদের পতন অনিবার্য। #TikTokBD #caption #foryou #foryoupage #WakeUpUmmah

About