@user35509315222: กระเบื้องและกระจกห้องน้ำเต็มไปด้วยคราบขาวๆ เช็ดยังไงก็ไม่สว่าง?🚿✨ น้ำยาทำความสะอาดห้องน้ำ ฉีดทีเดียวละลายคราบหินปูนและคราบสบู่ เช็ดแล้วใสเงางามเหมือนใหม่ แรงน้อยลงเป็นสิบเท่า

PinoPick-TH
PinoPick-TH
Open In TikTok:
Region: PH
Sunday 14 June 2026 00:59:40 GMT
28748
244
2
16

Music

Download

Comments

uservsulrfgtlz
ทิพวรรณ :
🥰🥰🥰
2026-06-16 16:59:43
0
user1854440859743
พี่นาง :
🥰🥰🥰🥰🥰
2026-06-17 08:38:36
0
To see more videos from user @user35509315222, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বাঁনের এই কথাটি শব্দে পুরো মঞ্চ যেন বোমা ব্ল্যাস্ট হলো ,, হাসির সব্দ মুহূর্তেই মিলিয়ে গিয়ে এক স্তব্ধতা নেমে এলো। সবার চোখ ছানাবড়া, অবিশ্বাস আর বিস্ময়ে ছাএরীদের মুখ হাঁ হয়ে গেলো। বাঁধন রুপা কে আরো শক্ত করে ধরে দাঁতে দাঁত চেপে বলল। ,,, রুপা শি ইজ মাই ওয়াইফ, অথাৎ মিসেস বাঁধন রহমান,সে নিজের পরিচয় দিয়েছে। এখানে এই নাম নিয়ে হাসার মতো কি হলো। তোমরা হয় ত জানো না জানানোর দরকার ছিলো। কেনো সে নিজে কে মিসেস বলল, একটা অবিবাহিত মেয়ে  এমন টা দাবি করলো কেন। তা নিয়ে মজা করার আগে তোমাদের জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল? ,,বাঁধন এবার ডান হাতে লেকটানটা  সজরে চেপে দরল।তার গলার রগ ফুলে উঠে, সে আবার গর্জে  করে উঠল। ,, পড়াশোনা  করে এই শিক্ষা তোমরা? কার সাথে কি ভাবে আচারন করতে হয়, সেই সেন্স কি হারিয়ে ফেলেছ। যাক, সেটা আমার দেখার বিষয় নয়,দ্যাটস ইউর পার্সোনাল ম্যাটার। এখন আমার কথা সবাই  সরি বলবে ওকে। রাইট নাউ,,,। ,,,মুহূর্তেই মধ্যে  পুরো অডিটোরিয়াম  যেনো জমাট বেধে গেলো। কারোর সাহস হলো না মাথা তুলে তাকানোর।একে একে সবাই  অপরাধীর মত নিচু স্বরে  উচ্চারণ করতে লাগলো। ,, সরি রুপা,,,। ,বাঁধন রুপার দিকে তাকিয়ে শীতল এবং দৃঢ় কন্ঠে নির্দেশ দিলো। ,, চুপকরে না থেকে শুরু কর। ডোন্ট ওয়েস্ট মাই টাইম। ,, রুপা এক মুহূর্ত জন্য বাঁধনের দিকে তাকালো। লোকটার রাগী চেহারার আড়ালে  এক অদ্ভুত কতৃর্ত্ব। সে বাধ্য হয়েই আবার মাথা নিচু করল। এর পর  ডায়রির পাতার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসি দিয়ে কবিতা আবওি  শুরু করলো। বাঁধন দুই হাত পেন্টের পকেটে ঢুকিয়ে মৃর্তিবানের মত দাঁড়িয়ে রইলো।তার দৃষ্টি রুপার উপরে আটকে গেছে। সেই মিষ্টি হাসি ঠোঁট নরানোর ভঙ্গি  প্রতিটি  শব্দের আবেগ সবকিছু  বাঁধের বুকের ভিতরে এক অদৃশ্য আলোড়ন তুলে দিয়ে যাচ্ছে। ,,,,,, অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে বিকাল গরিয়ে  চারটা বেজে গেল। ,, আকাশ, আর বাঁধন প্রিন্সিপাল স্যারের থেকে কথা শেষ  করে বেরিয়ে এলো। এখন গেটের সামনে রুপা আর বৃষ্টি দারিয়ে,তাদের মুখমুখি বাঁধন আর আকাশ।আকাশ কিছুখন চুপচাপ বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে রইল। এর পর একটা চাতুর্যের হাসি হেসে , বাঁধনের দিকে তাকিয়ে বলল। ,, বাঁধন সারাদিন ত গুমট হয়ে কাটলো। চল কোথায় ও একটু ঘুরে আসি? ,,বাঁধন উত্তর দিল না।তার সান্ত চোখের দৃষ্টিতে হঠাৎ  একটা বিদ্যুৎ খেলে গেল। পরোনের কাল ব্লেজারটাএক ঝটকায় খুলে রুপার দিকে ছুড়ে মারল সে। রুপ চমকে উঠল ব্লেজারটা খামচে ধরে রাগী চোখে বাঁধনের দিকে তাকিয়ে ফুসে উঠে। ,,,এটা কি হলো? এভাবে ছুড়ে মারলেন কেন? বাঁধন তার কথার কোনো গুরুত্ব দিলনা।শার্টের হাতা গুলো কুনুই  পর্যন্ত গুটিয়ে  সে আকাশের দিকে তাকাল।তার চোখের চাহনিতে এখন অদ্ভুত ধাপট। ,,,চল,,কাছেই নদী টা আছে।  শুনেছি  বর্ষায় পানি অনেক বেড়ছে। ঝগড় হাওয়াটা উপভোগ  করা যাবে। চল সে খানে যাই। ,,,বাঁধন আর কথা বারাল না রুপা আর বৃষ্টির পাশ কাটিয়ে সজা হাটতে  শুরু করল। পিছনে না তাকিয়ে, আকাশ কে নির্দেশ দিলো। ,,, দুটোকেই  নিয়ে আয়,,,। আকাশ রুপার আর বৃষ্টির দিকে তাকাল তার পর গভীর  গলায় বলল। ,,দাঁড়িয়ে না থেকে চল। বৃষ্টি প্ররিস্থিতি বুঝে কুকরে গেলো। আকাশের দিকে তাকিয়ে করজোড়ে বলল। স্যার আপনারা যান আমি। সন্ধা হয়ে আসছে, আমি বাসাই চলে জাই। সে ধমকের শুরে বলল। ,, তোমার কাছে কি আমি জানতে চেয়েছি তুমি কোথায় জাবে? আমি বলছি যখন, তখন কোনো কথা না  বলে চুপচাপ আমাদের সাথে চল। বৃষ্টি আর টু শব্দ করার সাহস পেল না। রুপা আর বৃষ্টি আকাশের পিছনে হাটতে শুরু করল।কিছু খনের মধ্যেই তারা গাড়ি কাছে পৌঁছাল। রুপা বৃষ্টি গারির পিছনে গিয়ে উঠে বসল। বাঁধন ড্রাইভিং সিটে পাশে আকাশ। কিছুক্ষন পর নদীর পারে এসে গাড়ি থামল,,,,, গল্প :বাঁধন রুপরের অধিকারী  লেখিকা :সুমি চৌধুরী  #রিদ_মায়ার_প্রেমগাঁথা
বাঁনের এই কথাটি শব্দে পুরো মঞ্চ যেন বোমা ব্ল্যাস্ট হলো ,, হাসির সব্দ মুহূর্তেই মিলিয়ে গিয়ে এক স্তব্ধতা নেমে এলো। সবার চোখ ছানাবড়া, অবিশ্বাস আর বিস্ময়ে ছাএরীদের মুখ হাঁ হয়ে গেলো। বাঁধন রুপা কে আরো শক্ত করে ধরে দাঁতে দাঁত চেপে বলল। ,,, রুপা শি ইজ মাই ওয়াইফ, অথাৎ মিসেস বাঁধন রহমান,সে নিজের পরিচয় দিয়েছে। এখানে এই নাম নিয়ে হাসার মতো কি হলো। তোমরা হয় ত জানো না জানানোর দরকার ছিলো। কেনো সে নিজে কে মিসেস বলল, একটা অবিবাহিত মেয়ে এমন টা দাবি করলো কেন। তা নিয়ে মজা করার আগে তোমাদের জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল? ,,বাঁধন এবার ডান হাতে লেকটানটা সজরে চেপে দরল।তার গলার রগ ফুলে উঠে, সে আবার গর্জে করে উঠল। ,, পড়াশোনা করে এই শিক্ষা তোমরা? কার সাথে কি ভাবে আচারন করতে হয়, সেই সেন্স কি হারিয়ে ফেলেছ। যাক, সেটা আমার দেখার বিষয় নয়,দ্যাটস ইউর পার্সোনাল ম্যাটার। এখন আমার কথা সবাই সরি বলবে ওকে। রাইট নাউ,,,। ,,,মুহূর্তেই মধ্যে পুরো অডিটোরিয়াম যেনো জমাট বেধে গেলো। কারোর সাহস হলো না মাথা তুলে তাকানোর।একে একে সবাই অপরাধীর মত নিচু স্বরে উচ্চারণ করতে লাগলো। ,, সরি রুপা,,,। ,বাঁধন রুপার দিকে তাকিয়ে শীতল এবং দৃঢ় কন্ঠে নির্দেশ দিলো। ,, চুপকরে না থেকে শুরু কর। ডোন্ট ওয়েস্ট মাই টাইম। ,, রুপা এক মুহূর্ত জন্য বাঁধনের দিকে তাকালো। লোকটার রাগী চেহারার আড়ালে এক অদ্ভুত কতৃর্ত্ব। সে বাধ্য হয়েই আবার মাথা নিচু করল। এর পর ডায়রির পাতার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসি দিয়ে কবিতা আবওি শুরু করলো। বাঁধন দুই হাত পেন্টের পকেটে ঢুকিয়ে মৃর্তিবানের মত দাঁড়িয়ে রইলো।তার দৃষ্টি রুপার উপরে আটকে গেছে। সেই মিষ্টি হাসি ঠোঁট নরানোর ভঙ্গি প্রতিটি শব্দের আবেগ সবকিছু বাঁধের বুকের ভিতরে এক অদৃশ্য আলোড়ন তুলে দিয়ে যাচ্ছে। ,,,,,, অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে বিকাল গরিয়ে চারটা বেজে গেল। ,, আকাশ, আর বাঁধন প্রিন্সিপাল স্যারের থেকে কথা শেষ করে বেরিয়ে এলো। এখন গেটের সামনে রুপা আর বৃষ্টি দারিয়ে,তাদের মুখমুখি বাঁধন আর আকাশ।আকাশ কিছুখন চুপচাপ বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে রইল। এর পর একটা চাতুর্যের হাসি হেসে , বাঁধনের দিকে তাকিয়ে বলল। ,, বাঁধন সারাদিন ত গুমট হয়ে কাটলো। চল কোথায় ও একটু ঘুরে আসি? ,,বাঁধন উত্তর দিল না।তার সান্ত চোখের দৃষ্টিতে হঠাৎ একটা বিদ্যুৎ খেলে গেল। পরোনের কাল ব্লেজারটাএক ঝটকায় খুলে রুপার দিকে ছুড়ে মারল সে। রুপ চমকে উঠল ব্লেজারটা খামচে ধরে রাগী চোখে বাঁধনের দিকে তাকিয়ে ফুসে উঠে। ,,,এটা কি হলো? এভাবে ছুড়ে মারলেন কেন? বাঁধন তার কথার কোনো গুরুত্ব দিলনা।শার্টের হাতা গুলো কুনুই পর্যন্ত গুটিয়ে সে আকাশের দিকে তাকাল।তার চোখের চাহনিতে এখন অদ্ভুত ধাপট। ,,,চল,,কাছেই নদী টা আছে। শুনেছি বর্ষায় পানি অনেক বেড়ছে। ঝগড় হাওয়াটা উপভোগ করা যাবে। চল সে খানে যাই। ,,,বাঁধন আর কথা বারাল না রুপা আর বৃষ্টির পাশ কাটিয়ে সজা হাটতে শুরু করল। পিছনে না তাকিয়ে, আকাশ কে নির্দেশ দিলো। ,,, দুটোকেই নিয়ে আয়,,,। আকাশ রুপার আর বৃষ্টির দিকে তাকাল তার পর গভীর গলায় বলল। ,,দাঁড়িয়ে না থেকে চল। বৃষ্টি প্ররিস্থিতি বুঝে কুকরে গেলো। আকাশের দিকে তাকিয়ে করজোড়ে বলল। স্যার আপনারা যান আমি। সন্ধা হয়ে আসছে, আমি বাসাই চলে জাই। সে ধমকের শুরে বলল। ,, তোমার কাছে কি আমি জানতে চেয়েছি তুমি কোথায় জাবে? আমি বলছি যখন, তখন কোনো কথা না বলে চুপচাপ আমাদের সাথে চল। বৃষ্টি আর টু শব্দ করার সাহস পেল না। রুপা আর বৃষ্টি আকাশের পিছনে হাটতে শুরু করল।কিছু খনের মধ্যেই তারা গাড়ি কাছে পৌঁছাল। রুপা বৃষ্টি গারির পিছনে গিয়ে উঠে বসল। বাঁধন ড্রাইভিং সিটে পাশে আকাশ। কিছুক্ষন পর নদীর পারে এসে গাড়ি থামল,,,,, গল্প :বাঁধন রুপরের অধিকারী লেখিকা :সুমি চৌধুরী #রিদ_মায়ার_প্রেমগাঁথা

About