@obpmiarv: THE ENERGY WAS UNMATCHED THE MOMENT JUSTIN HIT THE STAGE ⚡🎤 #JustinBieberLive #ConcertMoments #TrendingNow #Belieber #FYP

RetorPop FM
RetorPop FM
Open In TikTok:
Region: US
Monday 15 June 2026 10:21:44 GMT
104391
3209
12
36

Music

Download

Comments

maria_blood_suckr
v4mp!re :
fake reactions
2026-06-30 15:30:28
0
kiyoh.vibez
KIYOH VIBEZ :
💯💖💖💖jb👑
2026-06-20 01:36:24
0
user3828536203272
צילום מיקצועי ועין לעולם 🫨😉 :
זה קשה מתי שהוא מופיע שיש את פיפי דידי בקהל
2026-06-24 21:17:31
0
tra77952
LENG :
😳😳😳
2026-07-05 18:58:02
0
phi.tun.sn
🔒1000🦍LÝ🦍DoOo🔒 :
🥰🥰🥰
2026-07-05 13:01:34
0
bewdo52
Harouna. Sow :
🥰🥰🥰
2026-06-26 00:15:00
0
nssa1516
JUL PAUiLNE :
🙃🙃😉😉😉😉
2026-06-22 08:11:42
0
nssa1516
JUL PAUiLNE :
😅😅😅😅😅😅😅😁😁😁😁😁😁😁😁😁
2026-06-22 08:11:36
1
ousamaabdo101gmail.com
uosa :
🥰🥰🥰🥰🥰🥰
2026-06-21 21:42:55
0
kanaanbunn5
Kanaan Bunn :
🥰🥰🥰
2026-06-15 21:02:00
0
roman25theboi
THEBOIROMAN@25 :
🥰🥰🥰
2026-07-17 20:42:14
0
To see more videos from user @obpmiarv, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অপ্রত্যাশিত বন্ধন পার্ট–২৬ আয়রার চোখে আবার জল চলে এলো। কারণ এই মানুষটা আর সেই মানুষটা নেই— যে বিয়ের রাতে তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। এই মানুষটা অন্য কেউ। অনেক বেশি সত্যি। অনেক বেশি নিজের। রাতের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ ছিল। দূরে বাতাস বইছিল। আর দুইটা মানুষ নতুন করে তাদের গল্পের শুরু লিখছিল। ভালোবাসার গল্প। বিশ্বাসের গল্প। অপেক্ষার গল্প। আরহাম রহমানের হৃদয়ের দরজা অবশেষে খুলে গেছে। এবার শুধু সময়ের অপেক্ষা— আয়রা কি তার হৃদয়ের দরজাটাও খুলে দেবে? ——  ভালোবাসা বলা যায়। কিন্তু বিশ্বাস? বিশ্বাস তৈরি করতে সময় লাগে। ধৈর্য লাগে। আর সবচেয়ে বেশি লাগে— অপেক্ষা। আরহাম রহমান সেটা জানত। তাই সে সেদিনের পর আর আয়রার কাছে কোনো উত্তর চায়নি। কোনো চাপ দেয়নি। শুধু নীরবে পাশে থেকেছে। সকালের আলো রহমান ভিলার বাগানে ছড়িয়ে পড়েছে। আয়রা গাছগুলোর যত্ন নিচ্ছিল। হঠাৎ তার পাশে এসে দাঁড়াল আরহাম।
অপ্রত্যাশিত বন্ধন পার্ট–২৬ আয়রার চোখে আবার জল চলে এলো। কারণ এই মানুষটা আর সেই মানুষটা নেই— যে বিয়ের রাতে তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। এই মানুষটা অন্য কেউ। অনেক বেশি সত্যি। অনেক বেশি নিজের। রাতের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ ছিল। দূরে বাতাস বইছিল। আর দুইটা মানুষ নতুন করে তাদের গল্পের শুরু লিখছিল। ভালোবাসার গল্প। বিশ্বাসের গল্প। অপেক্ষার গল্প। আরহাম রহমানের হৃদয়ের দরজা অবশেষে খুলে গেছে। এবার শুধু সময়ের অপেক্ষা— আয়রা কি তার হৃদয়ের দরজাটাও খুলে দেবে? —— ভালোবাসা বলা যায়। কিন্তু বিশ্বাস? বিশ্বাস তৈরি করতে সময় লাগে। ধৈর্য লাগে। আর সবচেয়ে বেশি লাগে— অপেক্ষা। আরহাম রহমান সেটা জানত। তাই সে সেদিনের পর আর আয়রার কাছে কোনো উত্তর চায়নি। কোনো চাপ দেয়নি। শুধু নীরবে পাশে থেকেছে। সকালের আলো রহমান ভিলার বাগানে ছড়িয়ে পড়েছে। আয়রা গাছগুলোর যত্ন নিচ্ছিল। হঠাৎ তার পাশে এসে দাঁড়াল আরহাম। "সুপ্রভাত।" আয়রা তাকিয়ে হালকা হাসল। "সুপ্রভাত।" দুজনের মাঝখানে হালকা অস্বস্তি ছিল। কিন্তু সেই অস্বস্তিটাও অদ্ভুতভাবে সুন্দর। "আজ বিকেলে আমার একটা মিটিং আছে। ফিরতে একটু দেরি হবে।" আয়রা মাথা নেড়ে বলল, "ঠিক আছে।" আরহাম মুচকি হেসে বলল, "এবার কিন্তু অপেক্ষা না করলেও চলবে।" আয়রা কিছু বলল না। শুধু তার চোখের কোণে ছোট্ট একটা হাসি ফুটে উঠল। সন্ধ্যায় মিটিং শেষ হতে সত্যিই দেরি হয়ে গেল। বাড়ি ফিরতে প্রায় রাত হয়ে গেছে। কিন্তু বাড়িতে ঢুকেই আরহাম থেমে গেল। ডাইনিং টেবিলে খাবার সাজানো। আর আয়রা বসে আছে। "তুমি এখনও খাওনি?" আয়রা স্বাভাবিক গলায় বলল, "না।" "কেন?" "এমনিই।" আরহাম মৃদু হেসে বলল, "আমার জন্য অপেক্ষা করছিলে?" আয়রা উত্তর দিল না। কিন্তু তার নীরবতাই উত্তর হয়ে গেল। খাওয়ার সময় হঠাৎ নাজিয়া রহমান হেসে বললেন, "তোমরা দুজনকে দেখে এখন সত্যিই স্বামী-স্ত্রীর মতো লাগে।" আয়রা লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলল। আরহামও অনেকদিন পর অস্বস্তি নিয়ে হেসে ফেলল। রাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আয়রা। আকাশে অসংখ্য তারা। কিছুক্ষণ পর পাশে এসে দাঁড়াল আরহাম। "একটা প্রশ্ন করব?" "জি।" "তুমি কি এখনও আমাকে ভয় পাও?" প্রশ্নটা শুনে আয়রা অবাক হয়ে তার দিকে তাকাল। অনেকক্ষণ চুপ থাকার পর বলল, "ভয় পাই না।" আরহামের বুকটা হালকা হয়ে গেল। --- "তাহলে?" আয়রা ধীরে বলল, "আমি শুধু ভয় পাই, যদি আবার সবকিছু বদলে যায়।" শব্দগুলো শুনে আরহাম কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর শান্ত গলায় বলল, "আমি অতীত বদলাতে পারব না।" "কিন্তু ভবিষ্যৎটা বদলানোর জন্য আমি আমার সবটুকু চেষ্টা করব।" হালকা বাতাস বইছিল। আয়রা আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, "জানেন, আমি ছোটবেলায় ভাবতাম বিশ্বাসটা কাঁচের মতো।" "একবার ভেঙে গেলে আর জোড়া লাগে না।" --- আরহাম ধীরে বলল, "আর এখন?" আয়রা মৃদু হেসে বলল, "এখন মনে হয় জোড়া লাগে।" "তবে সেই দাগগুলো থেকে যায়।" আরহাম তার দিকে তাকিয়ে রইল। "আমি সেই দাগগুলো মুছে দিতে পারব না।" "কিন্তু আমি প্রতিশ্রুতি দিতে পারি, নতুন কোনো দাগ আর পড়তে দেব না।" আয়রার চোখ ভিজে উঠল। কারণ এই কথাগুলোতে কোনো নাটকীয়তা নেই। কোনো বড় বড় প্রতিশ্রুতি নেই। আছে শুধু সত্যি। রাতে নিজের ঘরে ফিরে আয়রা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে রইল। তার হৃদয় আজ অদ্ভুত শান্ত। হয়তো সে এখনও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারেনি। কিন্তু সে চেষ্টা করছে। খুব চেষ্টা করছে। অন্যদিকে নিজের ঘরে বসে ছিল আরহাম। তার মুখে ছোট্ট একটা হাসি। কারণ আজ সে বুঝতে পেরেছে ভালোবাসা মানে শুধু কাউকে পাওয়া নয়। ভালোবাসা মানে কখনো কখনো অপেক্ষা করাও। জানালার বাইরে চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়েছে। আরহাম ধীরে চোখ বন্ধ করল। সে জানে— আয়রার হৃদয়ের দরজাটা এখনও পুরোপুরি খোলেনি। কিন্তু আজ সে এটাও জানে— দরজাটা আর বন্ধও নেই। শুধু একটু সময়ের অপেক্ষা। দূরে রাতের বাতাস বইছিল। আর সেই নীরব রাতের মাঝেই, অজান্তেই, আয়রা রহমান নিজের হৃদয়ের ভেতর একটা সত্য স্বীকার করল। সে এখনও আরহামকে ভালোবাসে। হয়তো অনেকদিন ধরেই ভালোবাসে। শুধু এবার সে ভালোবাসার আগে বিশ্বাস করতে শিখছে। চলবে...#CapCut

About