@srmd_52i: #هواجيس #بدر_عبدالمحسن #explore #اكسبلور #fyp

سّـديـم
سّـديـم
Open In TikTok:
Region: SA
Tuesday 16 June 2026 19:42:11 GMT
2019
85
0
7

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @srmd_52i, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

​আরশ দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে হাত দুটো পকেটে পুরে বলল,
​আরশ দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে হাত দুটো পকেটে পুরে বলল, "কী হেল্প লাগবে বলো?" লামিসা বলল, "তুই যে কত সুন্দর মেহেদি দিতে পারিস, তা তো আমি ছোটবেলা থেকেই জানি। আজ একটু মাহিরাকে দিয়ে দে না!" ​আরশ চরম বিরক্তি নিয়ে বলল, "আপু! এই ফালতু কাজের জন্য তুমি আমাকে ডেকে এনেছ? আমি এই সমস্ত হাবিজাবি কাজ বহু বছর আগেই ছেড়ে দিয়েছি। আই অ্যাম নট অ্যান আর্টিস্ট!" ​লামিসা এবার একটু আবদারের সুরে বলল, "প্লিজ ভাই, আমার কথাটা রাখ। তোকে তো আর সবার হাতে দিতে বলছি না, তুই শুধু মাহিরাকে একটু সুন্দর করে পরিয়ে দে।" ​লামিসার মুখ থেকে মাহিরার নামটা শোনা মাত্রই ঘরের বাকি কাজিনরা চিৎকার করে প্রতিবাদ শুরু করে দিল। তারা আরশকে ঘিরে ধরে বলতে লাগল, "না না আরশ ভাইয়া! তুমি মাহিরাকে কেন দেবে? আগে আমাকে দাও! না, আমাকে দাও!"—এই বলে তারা নিজেদের মধ্যে রীতিমতো মারামারি আর চুলোচুলি শুরু করে দিল। ​তাদের এই পাগলামি দেখে মাহিরা আর নিজের হাসি চেপে রাখতে পারল না। সে খিলখিল করে হেসে উঠে আরশের দিকে তাকিয়ে বলল, "ভাইয়া! তুমি বরং এদেরকেই আগে দিয়ে দাও। দেখো কেমন ইঁদুরের বাচ্চার মতো নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি শুরু করেছে! এদের মুখেও একটু মেহেদি মাখিয়ে দাও!" ​লামিসা এবার ধমক দিয়ে বলল, "এই তোরা সব চুপ কর! তোদের কাউকে ও মেহেদি দেবে না। এখন আর একটাও কথা বলবি না কেউ!" খালার ধমক খেয়ে সব কাজিনরা মুখ চুন করে চুপ হয়ে গেল। ​লামিসা আরশের দিকে তাকিয়ে বলল, "নে ভাই, তোকে আর কেউ জ্বালাবে না। তুই শুধু মাহিরাকে ডিজাইনটা করে দে।" ​আরশ আর কোনো উপায় না দেখে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সে ধীরপায়ে এগিয়ে গিয়ে মাহিরার সামনের চেয়ারটায় বসল। লামিসার হাত থেকে মেহেদির কোণটা নিয়ে সে মাহিরার নরম হাতটা নিজের বাম হাতের ওপর রাখল। আরশের হাতের স্পর্শ পাওয়া মাত্রই মাহিরার সারা শরীরে এক অদ্ভুত শিহরণ বয়ে গেল। আরশ অত্যন্ত নিখুঁত ও শান্ত মনে মাহিরার ফর্সা হাতে মেহেদির এক অপূর্ব নকশা আঁকতে লাগল। ​মাহিরা অপলক দৃষ্টিতে আরশের সেই তীব্র, সুন্দর ফেসকাটিং আর গভীর চোখের দিকে তাকিয়ে রইল। আরশের পুরো মনোযোগ তখন শুধুই মেহেদির ডিজাইনের দিকে। মাহিরা মনে মনে বলতে লাগল—'এই মানুষটা যখন এত শান্ত থাকে, তখন ওকে কত মায়াবী দেখায়! ও যদি সবসময় এমন শান্ত আর নরম স্বভাবের হতো, তবে হয়তো এতদিনে আমি ওকে নিজের ভালোবাসার জালে পুরোপুরি ফাসিয়ে ফেলতে পারতাম। ওকে আমার নিজের ধর্মে এনে একজন খাঁটি মুসলমান বানাতে পারতাম। কিন্তু ও তো একটা জলজ্যান্ত খাড়ুস! সারাদিন শুধু রেগেই থাকে।' ​মাহিরা যখন আরশের চোখের দিকে তাকিয়ে এই সমস্ত গভীর ভাবনায় পুরো হারিয়ে গেছে, তখন আরশের মেহেদি দেওয়া শেষ হয়ে গেছে। সে মাহিরার হাতটা ছেড়ে দিয়ে দেখল মেয়েটা তখনো হা করে তার দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখছে। ​আরশ মাহিরার চোখের সামনে তুড়ি বাজিয়ে গম্ভীর গলায় ডাকল, "মাহিরা... মাহিরা... মাহিরা!" তারপর আলতো করে মাহিরার কপালে একটা টোকা দিল। কপালে টোকা খামাত্রই মাহিরা যেন এক ঝটকায় নিজের কল্পনার দুনিয়া থেকে বাস্তবে ফিরে এলো। মাহিরাকে ওভাবে অপ্রস্তুত হতে দেখে পাশে দাঁড়িয়ে লামিসা আপু মুখ চেপে হাসতে লাগল। ​আরশ মাহিরার দিকে তাকিয়ে বাঁকা হেসে বলল, "তা... এতক্ষণে কি ম্যাডামের জ্ঞানে হুশ ফিরল?" মাহিরা লজ্জায় লাল হয়ে মাথা নিচু করে বলল, "হ্যাঁ ভাইয়া... সরি!" আরশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলল, "নো প্রবলেম। হাতটা ভালো করে শুকিয়ে নিবি, যাতে ধোয়ার আগে পানি না লাগে, ওকে? কালারটা তবে দারুণ আসবে। এখন আমি যাই।" এই বলে আরশ আর এক মুহূর্তও না দাঁড়িয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। ​লামিসা পুরো কাণ্ডটা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিল। সে কিছু না বললেও মনে মনে ভাবল—'হুম, ডাল মে কুছ কালা হ্যায়! এরা দুজন দুজনকে মুখে স্বীকার না করলেও মনে মনে ঠিকই পছন্দ করে। তবে এটা হলে তো খুবই ভালো হয়! আমিও চাই আরশ আমাদের মাহিরাকে নিজের লাইফ পার্টনার করুক। মাহিরার মতো এমন লক্ষ্মী আর গুণবতী মেয়ে তো খুঁজলেও পাওয়া যাবে না।' ​লামিসা যখন নিজের মনে মনে এই বিয়ের ছক কষছিল, ঠিক তখন মাহিরা তাকে ডাকল, "আপু... ও আপু!" কিন্তু লামিসার কোনো হুশ নেই। মাহিরা এবার জোরে বলল, "আপু!" লামিসা চমকে উঠে বলল, "হ্যাঁ হ্যাঁ! কী বলছিস বল?" মাহিরা হেসে বলল, "তুমি আবার কোন দুনিয়ায় হারিয়ে গিয়েছিলে?" লামিসা বলল, "কই, কিছু না তো! তোরা যার যার মতো কাজ কর।" গল্পের নাম হারকিউলিস এটা আমার টিকটক এর বায়ুতে পাবেন ফেসবুক পেজে আছে আশা করি ভালো লাগবে

About