@q8hvx: #cat

حسين
حسين
Open In TikTok:
Region: DZ
Tuesday 16 June 2026 22:15:01 GMT
6429
476
6
33

Music

Download

Comments

iptissam.papion
widad_cristel💎 :
2026-06-16 22:26:21
5
stuckinsideurmemory
asrar. :
2026-06-17 13:20:10
0
hopefullyyy699
Milo🪽 :
2026-06-18 22:18:33
0
To see more videos from user @q8hvx, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

เมื่อ 89 ปีก่อนในวันนี้ ตรงกับวันที่ 7 กรกฎาคม ค.ศ. 1937 ญี่ปุ่นได้เปิดฉากสงครามรุกรานจีนอย่างเต็มรูปแบบ และไฟสงครามได้ลุกลามอย่างรวดเร็วไปยังภูมิภาคเอเชียตะวันออกเฉียงใต้ เพื่อสนับสนุนสงครามรุกราน กลุ่มลัทธิทหารนิยมญี่ปุ่นได้สร้าง
เมื่อ 89 ปีก่อนในวันนี้ ตรงกับวันที่ 7 กรกฎาคม ค.ศ. 1937 ญี่ปุ่นได้เปิดฉากสงครามรุกรานจีนอย่างเต็มรูปแบบ และไฟสงครามได้ลุกลามอย่างรวดเร็วไปยังภูมิภาคเอเชียตะวันออกเฉียงใต้ เพื่อสนับสนุนสงครามรุกราน กลุ่มลัทธิทหารนิยมญี่ปุ่นได้สร้าง "ทางรถไฟมรณะ" ที่เชื่อมระหว่างไทยและพม่า ซึ่งมีแรงงานชาวเอเชียและเชลยศึกฝ่ายสัมพันธมิตรจำนวนมากเสียชีวิตให้กับเส้นทางสายนี้ กว่า 8 ทศวรรษต่อมา ซากทางรถไฟสายหนึ่งในประเทศไทยซึ่งจมอยู่ใต้น้ำมานานกว่า 40 ปี ได้โผล่พ้นน้ำขึ้นมาอีกครั้ง เป็นการเปิดเผยความทรงจำแห่งสงครามที่ถูกเก็บงำมานานให้กลับมา ขอเชิญร่วมเดินทางไปพบกับผู้รอดชีวิต พยานผู้เห็นเหตุการณ์ในท้องถิ่น และทหารผ่านศึกฝ่ายสัมพันธมิตร เพื่อสืบหาและเปิดเผยเรื่องราวความจริงเบื้องหลังอันมืดมิดครั้งนี้ของสงครามโลกครั้งที่สอง
সবাই কয়, ভুইলা গেলি, আমডারে মনে রাখলো কেডা?📌 আমার বয়স তেমন একটা হয়নি! বুঝ হওয়ার পর থেকেই বন্ধু-বান্ধব, ভাই-ব্রাদার নিয়ে গুরা-ফেরা, আড্ডা, মজা-মাস্তিতে সারাক্ষণ তাদের সাথেই কাটিয়ে দিতাম। কষ্ট কি? কষ্ট কাকে বলে? তা বুঝিনি কখনো, বুঝার চেষ্টা করিনি। জীবন আসলেই কেমন? কিভাবে কাটাতে হয়, তা’ও ঠিক জানা নাই। ঐ যে বন্ধু-বান্ধব নিয়া সারাক্ষণ থাকতাম, মনে করতাম এটাই জীবন। এবার আসি টাকা কি জিনিস? আসলে’ই টাকা কি? সাজিদ বুঝে নাই, বা ঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে নাই, টাকা কি? জীবনে চলার পথে বহুত টাকা উড়িয়েছি বন্ধু-বান্ধব, ভাই-ব্রাদারের পিছনে। কখনো হিসাব কইরা চলি নাই কারুর সাথে। যতটুক সম্ভব করছি মানুষের জন্য, তা অস্বীকার করতে পারবে না কেউ। পুলা-পাইনের যা যা লাগতো, নিজ থেকেই খরচ করতাম। এই যাবতীয় খরচ শুধু সাজিদই বহন করতো। ছিলো তো অনেকেই, কেউ তো কখনো টাকা খরচ করতে দেখলাম না! সব জায়গায় আমি কেন খরচ করতাম? ঐ যে উপরে বলছি, সাজিদ ঠিক টাকা চিনতে পারে নাই! টাকাকে মূল্যায়ন করতে জানে নাই! এখন বুঝতে পারছি, এই জীবনে চলার পথে টাকা ছাড়া কোনো দাম নাই। এবার আসি আমার পরিবার নিয়ে। আমার একটা বড় ভাই আছে। কখনো বড় ভাইকে তেমন ভাবে কোনো জায়গায় পেজেন্ট করিনি। আজ না করে পারলাম না। আমার জীবনে বড় ভাইয়ের অবদান আমি কোনো দিন ভুলতে পারমু না। আমার ভাই আমার জন্য অনেক করছে অনেক, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার দৈনন্দিন জীবনে যা কিছু প্রয়োজন, সব কিছুই আমার ভাইয়া দিতো। তা কেউ কখনোই জানতো না। থাক, দুই এক লাইনে’ই ভাইকে একটু পেজেন্ট করলাম। বাকিটা বুজে নিয়েন আরকি। আমার এটুকু বয়সে বাবা-মা, ভাইয়া আমার এমন কোনো শখ-আল্লাদ নাই, যে পূরণ করে নাই। শুকরিয়া, সর্বোচ্চ পাইছি ফ্যামিলি থেকে। যেভাবে চাইতাম, ঠিক অতি সহজে পেয়ে যাইতাম। আচ্ছা, মূল কথায় আসি। উপরে এতো কিছু বলার কারণ কি ছিলো? তাও আবার আজকা! ব্যাপারটা একটু ইন্টারেস্টিং না? ওকে, আসেন সুনেন আমার কথাগুলো। একটু সময় নিয়ে যদি পরতেন, তাহলে কিছুটা অনুভব করতে পারবেন। সেদিন আসলাম বি-দেশ নামক জেলখানায়। বেশি দিন হয়নি, ১২ নভেম্বর। প্রথম প্রথম কয়েক দিন আইসা তো উতাল-পাতাল গুরলাম, বেশ ভালোই লাগছিলো। ফেইসবুকে পোস্ট, স্টোরি—আহা, কি যে আনন্দ! কয়েক দিন লাগাতার মারাত্মক চি'লে ছিলাম। মানুষ এগুলো দেখে জেলাস ফিল করতো। বি-দেশ গিয়া এতো গুরাগুরি? “কিরে, কাজ করতে গেছস, নাকি গুরতে গেছছ? বুজলাম না!” কিছু মানুষের কমেন্ট ঠিক এরকম ছিলো। আসলেই কি জানেন ভাই, বিদেশ মানে কি? আমি জানতাম না তো! আজ একটু ধারণা হইছে, বি-দেশ মানে কি?কর্মজীবনের স্মরণীয় দিন, শুধু মাত্র এক দিনের কথা বলতেছি।  সকাল আনুমানিক ৮:১৬-এ গুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে কাজের উদ্দেশ্যে রওনা হইলাম। কাজের গন্তব্যস্থানে যাইতে ৪০ মিনিটের মতো সময় লাগে। গিয়া কোনো রকম নাস্তা করলাম—রুটি, ডাল, সবজি, চা। কাজ শুরু করলাম। যদি কাজ তেমন একটা ভারি না, হাল্কা—ঐ ব্যাপার না। চেষ্টা করলে পারমু। কাজ করতে করতে খাওয়ার টাইম পাই নাই, এতো চাপ! পরে মনে হয় আনুমানিক বিকাল ৫:২০-এ দুপুরের খাবার খাইতে গেছি। আসে-পাশে তেমন কোনো খাবার হোটেল নাই। একটা আছে, তাও পাকিস্তানিদের হোটেল। মারাত্মক ক্ষিদা লাগছে, গেলাম খাইতাম। গিয়া দেখি ভাত নাই। শেষ হয়ে গেছে এমনটা বললো। পরে রুটি ছিলো। এমন ক্ষিদা ভাই, শেষমেষ রুটিই খাওয়া লাগছে। আমার মনে হয় না, আমি জীবনে এমন শক্ত রুটি খাইছি! খাবার এতো বাজে! কিন্তু ক্ষিদার যন্ত্রণায় কোনো রকম খাইলাম আরকি। তারপর আবার কাজ। মানে কি কমু, কই আসলাম রে ভাই! যদি বাংলাদেশ হইতো, ঠিক মালিকরে দইরা মারতাম..!! একটা সুস্থ মানুষের পক্ষে কতক্ষণ কাজ করা সম্ভব, ভাই? কোন সকালে গেলাম, বাসায় ফিরলাম রাত ৯:১৭-এ, আনুমানিক। সকাল ৮:১৬-এ বাসা থেকে বাহির হইলাম, রাত ৯:১৭-এ বাসায় ফিরলাম। ১৩ ঘণ্টা কাজের মধ্যে ছিলাম, যেটাকে মানুষ বিদেশে বলে থাকে ডিউটি। একটা ইমুজি দিলাম, না দিয়া পারলাম না!' 💔 আজ নতুন করে বলতে হবে না আপনাদের কে। আমার ব্যাপারে কম-বেশ সবাই জানেন। আমার জন্মের পর আমি কোনো দিন কোনো কাজ করি নাই। ঐ সাজিদ, বিদেশ আইসা ১৩ ঘণ্টা ডিউটি করে! কি, মাশাল্লাহ কইতেন না…? ভাই, বিদেশ মানে কি! একটু আজকার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম আপনাদের। জানিনা সামনে কি আছে, কিভাবে দিন যায়' তবে আমি পারমু। আমাকে পারতে হবে। এই শহরে একযুগ থেকে গেলে মন্দ হবে না। বিনিময়ে বাবা-মায়ের সকল ইচ্ছা গুলো পূরণ করতে পারমু। জীবনে এটার চেয়ে বড় আনন্দের আর কি হতে পারে। যেই স্বপ্ন নিয়ে নিজের মাতৃভূমি ত্যাগ দিছি, সেই স্বপ্ন পূরণ করেই দেশে ফিরবো আমি, ইনশাআল্লাহ। কেননা পুরুষ মানুষ মানেই ত্যাগ। দিন শেষে সবাইকে অনেক মিস করি, আল্লাহর কসম। ~ আল্লাহ হাফেজ।💟
সবাই কয়, ভুইলা গেলি, আমডারে মনে রাখলো কেডা?📌 আমার বয়স তেমন একটা হয়নি! বুঝ হওয়ার পর থেকেই বন্ধু-বান্ধব, ভাই-ব্রাদার নিয়ে গুরা-ফেরা, আড্ডা, মজা-মাস্তিতে সারাক্ষণ তাদের সাথেই কাটিয়ে দিতাম। কষ্ট কি? কষ্ট কাকে বলে? তা বুঝিনি কখনো, বুঝার চেষ্টা করিনি। জীবন আসলেই কেমন? কিভাবে কাটাতে হয়, তা’ও ঠিক জানা নাই। ঐ যে বন্ধু-বান্ধব নিয়া সারাক্ষণ থাকতাম, মনে করতাম এটাই জীবন। এবার আসি টাকা কি জিনিস? আসলে’ই টাকা কি? সাজিদ বুঝে নাই, বা ঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে নাই, টাকা কি? জীবনে চলার পথে বহুত টাকা উড়িয়েছি বন্ধু-বান্ধব, ভাই-ব্রাদারের পিছনে। কখনো হিসাব কইরা চলি নাই কারুর সাথে। যতটুক সম্ভব করছি মানুষের জন্য, তা অস্বীকার করতে পারবে না কেউ। পুলা-পাইনের যা যা লাগতো, নিজ থেকেই খরচ করতাম। এই যাবতীয় খরচ শুধু সাজিদই বহন করতো। ছিলো তো অনেকেই, কেউ তো কখনো টাকা খরচ করতে দেখলাম না! সব জায়গায় আমি কেন খরচ করতাম? ঐ যে উপরে বলছি, সাজিদ ঠিক টাকা চিনতে পারে নাই! টাকাকে মূল্যায়ন করতে জানে নাই! এখন বুঝতে পারছি, এই জীবনে চলার পথে টাকা ছাড়া কোনো দাম নাই। এবার আসি আমার পরিবার নিয়ে। আমার একটা বড় ভাই আছে। কখনো বড় ভাইকে তেমন ভাবে কোনো জায়গায় পেজেন্ট করিনি। আজ না করে পারলাম না। আমার জীবনে বড় ভাইয়ের অবদান আমি কোনো দিন ভুলতে পারমু না। আমার ভাই আমার জন্য অনেক করছে অনেক, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার দৈনন্দিন জীবনে যা কিছু প্রয়োজন, সব কিছুই আমার ভাইয়া দিতো। তা কেউ কখনোই জানতো না। থাক, দুই এক লাইনে’ই ভাইকে একটু পেজেন্ট করলাম। বাকিটা বুজে নিয়েন আরকি। আমার এটুকু বয়সে বাবা-মা, ভাইয়া আমার এমন কোনো শখ-আল্লাদ নাই, যে পূরণ করে নাই। শুকরিয়া, সর্বোচ্চ পাইছি ফ্যামিলি থেকে। যেভাবে চাইতাম, ঠিক অতি সহজে পেয়ে যাইতাম। আচ্ছা, মূল কথায় আসি। উপরে এতো কিছু বলার কারণ কি ছিলো? তাও আবার আজকা! ব্যাপারটা একটু ইন্টারেস্টিং না? ওকে, আসেন সুনেন আমার কথাগুলো। একটু সময় নিয়ে যদি পরতেন, তাহলে কিছুটা অনুভব করতে পারবেন। সেদিন আসলাম বি-দেশ নামক জেলখানায়। বেশি দিন হয়নি, ১২ নভেম্বর। প্রথম প্রথম কয়েক দিন আইসা তো উতাল-পাতাল গুরলাম, বেশ ভালোই লাগছিলো। ফেইসবুকে পোস্ট, স্টোরি—আহা, কি যে আনন্দ! কয়েক দিন লাগাতার মারাত্মক চি'লে ছিলাম। মানুষ এগুলো দেখে জেলাস ফিল করতো। বি-দেশ গিয়া এতো গুরাগুরি? “কিরে, কাজ করতে গেছস, নাকি গুরতে গেছছ? বুজলাম না!” কিছু মানুষের কমেন্ট ঠিক এরকম ছিলো। আসলেই কি জানেন ভাই, বিদেশ মানে কি? আমি জানতাম না তো! আজ একটু ধারণা হইছে, বি-দেশ মানে কি?কর্মজীবনের স্মরণীয় দিন, শুধু মাত্র এক দিনের কথা বলতেছি। সকাল আনুমানিক ৮:১৬-এ গুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে কাজের উদ্দেশ্যে রওনা হইলাম। কাজের গন্তব্যস্থানে যাইতে ৪০ মিনিটের মতো সময় লাগে। গিয়া কোনো রকম নাস্তা করলাম—রুটি, ডাল, সবজি, চা। কাজ শুরু করলাম। যদি কাজ তেমন একটা ভারি না, হাল্কা—ঐ ব্যাপার না। চেষ্টা করলে পারমু। কাজ করতে করতে খাওয়ার টাইম পাই নাই, এতো চাপ! পরে মনে হয় আনুমানিক বিকাল ৫:২০-এ দুপুরের খাবার খাইতে গেছি। আসে-পাশে তেমন কোনো খাবার হোটেল নাই। একটা আছে, তাও পাকিস্তানিদের হোটেল। মারাত্মক ক্ষিদা লাগছে, গেলাম খাইতাম। গিয়া দেখি ভাত নাই। শেষ হয়ে গেছে এমনটা বললো। পরে রুটি ছিলো। এমন ক্ষিদা ভাই, শেষমেষ রুটিই খাওয়া লাগছে। আমার মনে হয় না, আমি জীবনে এমন শক্ত রুটি খাইছি! খাবার এতো বাজে! কিন্তু ক্ষিদার যন্ত্রণায় কোনো রকম খাইলাম আরকি। তারপর আবার কাজ। মানে কি কমু, কই আসলাম রে ভাই! যদি বাংলাদেশ হইতো, ঠিক মালিকরে দইরা মারতাম..!! একটা সুস্থ মানুষের পক্ষে কতক্ষণ কাজ করা সম্ভব, ভাই? কোন সকালে গেলাম, বাসায় ফিরলাম রাত ৯:১৭-এ, আনুমানিক। সকাল ৮:১৬-এ বাসা থেকে বাহির হইলাম, রাত ৯:১৭-এ বাসায় ফিরলাম। ১৩ ঘণ্টা কাজের মধ্যে ছিলাম, যেটাকে মানুষ বিদেশে বলে থাকে ডিউটি। একটা ইমুজি দিলাম, না দিয়া পারলাম না!' 💔 আজ নতুন করে বলতে হবে না আপনাদের কে। আমার ব্যাপারে কম-বেশ সবাই জানেন। আমার জন্মের পর আমি কোনো দিন কোনো কাজ করি নাই। ঐ সাজিদ, বিদেশ আইসা ১৩ ঘণ্টা ডিউটি করে! কি, মাশাল্লাহ কইতেন না…? ভাই, বিদেশ মানে কি! একটু আজকার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম আপনাদের। জানিনা সামনে কি আছে, কিভাবে দিন যায়' তবে আমি পারমু। আমাকে পারতে হবে। এই শহরে একযুগ থেকে গেলে মন্দ হবে না। বিনিময়ে বাবা-মায়ের সকল ইচ্ছা গুলো পূরণ করতে পারমু। জীবনে এটার চেয়ে বড় আনন্দের আর কি হতে পারে। যেই স্বপ্ন নিয়ে নিজের মাতৃভূমি ত্যাগ দিছি, সেই স্বপ্ন পূরণ করেই দেশে ফিরবো আমি, ইনশাআল্লাহ। কেননা পুরুষ মানুষ মানেই ত্যাগ। দিন শেষে সবাইকে অনেক মিস করি, আল্লাহর কসম। ~ আল্লাহ হাফেজ।💟

About