@asa.360.wardrobe: NECK BEAUTY DEVICE ⬇️বিস্তারিত কার্যকারিতা ১.❤️ লাল আলো (Red Light Mode) — অ্যান্টি-এজিং ও কোলাজেন বুস্টিং কাজ: এটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে কোলাজেন (Collagen) উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। উপকারিতা: গলার ও মুখের চামড়া ঝুলে যাওয়া রোধ করে, ফাইন লাইনস বা বলিরেখা দূর করে এবং ত্বককে ভেতর থেকে টানটান ও তরুণ রাখতে সাহায্য করে। ২.💙 নীল আলো (Blue Light Mode) — ব্রণ ও অয়েল কন্ট্রোল কাজ: এটি ত্বকের উপরিভাগের একনে বা ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। উপকারিতা: অতিরিক্ত সিবাম বা তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে, পোরস (লোমকূপ) ছোট করতে সাহায্য করে এবং নতুন করে ব্রণ হওয়া বন্ধ করে। ৩. 💚সবুজ আলো (Green Light Mode) — স্কিন সুদিং ও পিগমেন্টেশন কাজ: এটি ত্বকের মেলানিন উৎপাদন সামঞ্জস্যপূর্ণ করে এবং ক্লান্ত ত্বককে শান্ত (Soothe) করে। উপকারিতা: ত্বকের কালো দাগ, পিগমেন্টেশন বা সানবার্ন কমায় এবং স্কিন টোন উজ্জ্বল ও সমান করতে সাহায্য করে। ৪.💜 বেগুনী আলো (Purple Light Mode) — টক্সিন রিমুভাল ও লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ কাজ: এটি ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং সেলুলার অক্সিজেন বাড়াতে সাহায্য করে। উপকারিতা: ত্বক থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে, মুখের ফোলাভাব (Puffiness) কমায় এবং ত্বককে ভেতর থেকে পুনরুজ্জীবিত করে। ৫. 💛হলুদ আলো (Yellow Light Mode) — রেডনেস ও সেন্সিটিভিটি রিডাকশন কাজ: এটি ত্বকের লোহিত রক্তকণিকার উদ্দীপনা বাড়ায় এবং কোষের কার্যক্ষমতা উন্নত করে। উপকারিতা: ত্বকের লালচে ভাব (Redness), অ্যালার্জি বা সেন্সিটিভিটি কমায় এবং ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। ৬. 🩵সায়ান বা হালকা নীল আলো (Cyan Light Mode) — মেটাবলিজম ও স্কিন টেক্সচার ইমপ্রুভমেন্ট কাজ: এটি ত্বকের কোষের শক্তি বাড়ায় এবং মেটাবলিজম উন্নত করতে সাহায্য করে। উপকারিতা: খসখসে বা রুক্ষ ত্বককে মসৃণ করে, ত্বকের ক্লান্তি দূর করে এবং স্কিন টেক্সচারকে গ্লোয়িং করে তোলে। ৭. 🤍সাদা আলো (White/Laser Light Mode) — ডিপ টিস্যু রিনিউয়াল ও স্কিন টাইটনিং কাজ: এটি ত্বকের একদম গভীর স্তর পর্যন্ত পৌঁছে কোষের কার্যক্ষমতাকে সচল করে। উপকারিতা: ঝুলে পড়া ত্বককে গভীরভাবে টাইট বা টানটান করে, স্ট্রেচ মার্ক ও গভীর দাগ হালকা করতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। #Extraordinary #musthave #PremiumQuality #foryoutiktok

ASA 360 Wardrobe
ASA 360 Wardrobe
Open In TikTok:
Region: BD
Wednesday 17 June 2026 23:16:21 GMT
31
4
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @asa.360.wardrobe, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আমার নয় মাসের প্রেগন্যান্সির জার্নিটা যত বেশি সুন্দর ছিল, ঠিক ততটাই কুৎসিত ছিল আমার সি-সেকশনের অভিজ্ঞতা। ১২ ঘন্টা  পেইন সহ্য করে শেষমেষ সি সেকশন। আমাকে এক আপু বলেছিল যে সিজারের পর অনেক কষ্ট হয়, কিন্তু আমি ভাবছিলাম—এত কষ্টের হলে লক্ষ কোটি আপুরা সিজারে কিভাবে বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে! সিজার করা সব নারীদেরই তো দেখি দিব্যি নরমাল, সুস্থ জীবন যাপন করছে। তার মানে তেমন কোনো কষ্ট নাই এই সিজারে। কিন্তু হায়! কী দেখলাম, কী ফিল করলাম। সিজার করার সময়ে অ্যানেস্থেশিয়া দিল, এরপর থেকেই শুরু হলো আমার যুদ্ধ। ভয়ে কান্না করছিলাম, এই অবস্থাতেই দম আটকে  আসছিল, বুকে অনেক বেশি চাপ ফিল করছিলাম। বাবু বের হলো, আমি শুধু বলছিলাম, “আপু আমার বাচ্চাটার সব ঠিক আছে তো?” বাবুকে আমার কাছে নিয়ে আসা হলো। ওকে দেখে প্রথম যা বললাম, “আল্লাহ, ও তো আমার  মতো হয়েছে!” বাবা সবসময় বলত আমার মত হবে।  এর মধ্যে শুরু হলো আমার কাপুনি। পুরো শরীর জুড়ে কাপুনি—আমি কোনোভাবেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছিলাম না। এরপর ওটি শেষ হলো, আমাকে রাখা হলো পোস্ট-অপারেটিভে ২৪ ঘণ্টার জন্য। কিন্তু সেখানেও আমি অনেকক্ষণ কাঁপছিলাম। অনেক পানি পিপাসা পেয়েছিল আমার। আর একটু পর পর বলছিলাম আমাকে বাথ্যার  ইঞ্জেকশন দেন এত বাথ্যা।  এই পর্যন্ত তো কিছুই না—অ্যানেস্থেশিয়ার নাম্বনেস কাটার পর বুঝলাম আসল কষ্টটা কী। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো, এই যন্ত্রণার কথা কোনোদিন ভুলবো না। ব্যথার ভয়াবহতা দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। আমি কান্না করছিলাম আর ভাবছিলাম যে আমি হয়তো আর কখনোই বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াতে পারবো না। পোস্ট-অপারেটিভেই আমার বাবুকে আমার কাছে নিয়ে আসা হলো দুধ খাওয়ানোর জন্য। কিন্তু আমার পেট কাটা আর শরীরের যন্ত্রণা নিয়ে কিছুই করতে পারছিলাম না। ওই মুহূর্তে ছেলের চেহারা দেখে ডিটারমাইন্ড হলাম—আমাকে যেভাবেই হোক সুস্থ হতে হবে। সিজারের পর প্রথম উঠে দাঁড়ানো যেন শরীরের উপর কেয়ামত নেমে আসা। দুনিয়া ঘুরছিল প্রথম হাঁটা, ক্যাথেটার খোলা, প্রথম ইউরিন পাস, প্রথম বাওয়েল মুভমেন্ট—এই সবকিছু করতেই মনে হয়েছে শরীরের উপর গজব নেমে এসেছে। এই কষ্টের বর্ণনা আমি দিতে পারবো না।  তবে এই সব কিছুর পরও আমি আমার ছেলেটাকে দেখি আর ভাবি—আমি ওর মা। আর এর চেয়ে শান্তির আর কী হতে পারে! এই কষ্টেই আসল সুখ। আর এই যে এতোক্ষন আমার যত কষ্টের কথা বললাম , এই কষ্টগুলো প্রতিটা মেয়েই ফেস করে মা হওয়ার সময়। এরকম একটা সন্তানের জন্য আমরা দুনিয়ার সব নারীরা এমন কষ্ট সহ্য করি। ব্যাপারটা কত অসাধারণ, না? আচ্ছা, আমরা মেয়েরা এত শক্তি কোথা থেকে পাই? আমরা মেয়েরা যে কতটা স্ট্রং—এটা আমরা নিজেরাও অনেকে জানি না। #viralvideo #foryou #pregnant #foryoupage
আমার নয় মাসের প্রেগন্যান্সির জার্নিটা যত বেশি সুন্দর ছিল, ঠিক ততটাই কুৎসিত ছিল আমার সি-সেকশনের অভিজ্ঞতা। ১২ ঘন্টা পেইন সহ্য করে শেষমেষ সি সেকশন। আমাকে এক আপু বলেছিল যে সিজারের পর অনেক কষ্ট হয়, কিন্তু আমি ভাবছিলাম—এত কষ্টের হলে লক্ষ কোটি আপুরা সিজারে কিভাবে বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে! সিজার করা সব নারীদেরই তো দেখি দিব্যি নরমাল, সুস্থ জীবন যাপন করছে। তার মানে তেমন কোনো কষ্ট নাই এই সিজারে। কিন্তু হায়! কী দেখলাম, কী ফিল করলাম। সিজার করার সময়ে অ্যানেস্থেশিয়া দিল, এরপর থেকেই শুরু হলো আমার যুদ্ধ। ভয়ে কান্না করছিলাম, এই অবস্থাতেই দম আটকে আসছিল, বুকে অনেক বেশি চাপ ফিল করছিলাম। বাবু বের হলো, আমি শুধু বলছিলাম, “আপু আমার বাচ্চাটার সব ঠিক আছে তো?” বাবুকে আমার কাছে নিয়ে আসা হলো। ওকে দেখে প্রথম যা বললাম, “আল্লাহ, ও তো আমার মতো হয়েছে!” বাবা সবসময় বলত আমার মত হবে। এর মধ্যে শুরু হলো আমার কাপুনি। পুরো শরীর জুড়ে কাপুনি—আমি কোনোভাবেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছিলাম না। এরপর ওটি শেষ হলো, আমাকে রাখা হলো পোস্ট-অপারেটিভে ২৪ ঘণ্টার জন্য। কিন্তু সেখানেও আমি অনেকক্ষণ কাঁপছিলাম। অনেক পানি পিপাসা পেয়েছিল আমার। আর একটু পর পর বলছিলাম আমাকে বাথ্যার ইঞ্জেকশন দেন এত বাথ্যা। এই পর্যন্ত তো কিছুই না—অ্যানেস্থেশিয়ার নাম্বনেস কাটার পর বুঝলাম আসল কষ্টটা কী। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো, এই যন্ত্রণার কথা কোনোদিন ভুলবো না। ব্যথার ভয়াবহতা দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। আমি কান্না করছিলাম আর ভাবছিলাম যে আমি হয়তো আর কখনোই বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াতে পারবো না। পোস্ট-অপারেটিভেই আমার বাবুকে আমার কাছে নিয়ে আসা হলো দুধ খাওয়ানোর জন্য। কিন্তু আমার পেট কাটা আর শরীরের যন্ত্রণা নিয়ে কিছুই করতে পারছিলাম না। ওই মুহূর্তে ছেলের চেহারা দেখে ডিটারমাইন্ড হলাম—আমাকে যেভাবেই হোক সুস্থ হতে হবে। সিজারের পর প্রথম উঠে দাঁড়ানো যেন শরীরের উপর কেয়ামত নেমে আসা। দুনিয়া ঘুরছিল প্রথম হাঁটা, ক্যাথেটার খোলা, প্রথম ইউরিন পাস, প্রথম বাওয়েল মুভমেন্ট—এই সবকিছু করতেই মনে হয়েছে শরীরের উপর গজব নেমে এসেছে। এই কষ্টের বর্ণনা আমি দিতে পারবো না। তবে এই সব কিছুর পরও আমি আমার ছেলেটাকে দেখি আর ভাবি—আমি ওর মা। আর এর চেয়ে শান্তির আর কী হতে পারে! এই কষ্টেই আসল সুখ। আর এই যে এতোক্ষন আমার যত কষ্টের কথা বললাম , এই কষ্টগুলো প্রতিটা মেয়েই ফেস করে মা হওয়ার সময়। এরকম একটা সন্তানের জন্য আমরা দুনিয়ার সব নারীরা এমন কষ্ট সহ্য করি। ব্যাপারটা কত অসাধারণ, না? আচ্ছা, আমরা মেয়েরা এত শক্তি কোথা থেকে পাই? আমরা মেয়েরা যে কতটা স্ট্রং—এটা আমরা নিজেরাও অনেকে জানি না। #viralvideo #foryou #pregnant #foryoupage

About