Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@kael11110:
El kai
Open In TikTok:
Region: ID
Thursday 18 June 2026 13:59:08 GMT
190
1
0
0
Music
Download
No Watermark .mp4 (
0MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
0MB
)
Watermark .mp4 (
0MB
)
Music .mp3
Comments
There are no more comments for this video.
To see more videos from user @kael11110, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
The most beautiful dog in the mirror at the moment. #dog #goldenretriever
мгм #щитпост#щп#защитныйпост#лишнийвес#rge
WSTER WS-610 Vintage Rolls-Royce Bluetooth Speaker #tiktokshopblackfriday #tiktokshopcybermonday #giftidea #bocina #bluetoothspeaker #audio
পাকিস্তানিরা তাকে ডাকতো পাপা টাইগার! তার নাম শুনলে ত্রাস সৃষ্টি হতো পাকিস্তানি ক্যান্টনমেন্টে। তিনি ছিলেন তিনটি দেশের সেনাবাহিনীর অফিসার। ১৯৪২ সালে তৎকালীন বৃটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ মেজর ছিলেন তিনি। মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি হয়েছিলেন একটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক। একটি দেশের স্বাধীনতার পথে মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, একটি দেশকে স্বাধীনতা এনে দেয়ার রণাঙ্গনের অন্যতম মহারথী। তিনি মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। ১৯১৮ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর এই বীরের জন্ম হয়। তাঁর বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জ থানায়। যার নাম এখন ওসমানী নগর। ১৯৩৪ সালে সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় তিনি পুরো ভারতবর্ষে প্রথম হয়েছিলেন। এই দারুণ ফলাফলের জন্য ব্রিটিশ সরকার ওসমানীকে প্রাইওটোরিয়া পুরস্কার দেয়। ১৯৩৮ সালে তৎকালীন সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৩৯ সালে রয়্যাল আর্মড ফোর্সে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়ে দেরাদুনে ব্রিটিশ-ভারতীয় মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৪০ সালে যোগ দিলেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কমিশনড অফিসার হিসেবে। ১৯৪২ সালে মেজর পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন ওসমানী। ১৯৪২ সালে ওসমানী ছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ পদোন্নতি পাওয়া মেজর। ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর দেশবিভাগের পর ওসমানী যোগ দেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে। এসময় তার পদমর্যাদা ছিল লেফটেন্যান্ট কর্নেল। ১৯৫১ সালে তিনি যখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক তখন তার হাতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল চট্টগ্রাম সেনানিবাস। ১৯৬৭ সালে সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে অবসর নেন তিনি। ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকায় ছিলেন তিনি। পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে বছর চারেক আগে অবসর নেওয়া ওসমানীর সামরিক দক্ষতা ও দূরদর্শিতা সম্পর্কে পাকিস্তান সরকার অবগত ছিল। তাই ওই রাতেই ওসমানীকে হত্যার চেষ্টায় হন্যে হয়ে খোঁজে পাকবাহিনীর এক কমান্ডো। কিন্তু একেবারেই ভাগ্যগুণে অনেকটা অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যান ওসমানী। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার, ওসমানীকে করা হয় মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি। এম এ জি ওসমানীর নির্দেশনা অনুযায়ী সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে এক একজন সেনাবাহিনীর অফিসারকে নিয়োগ দেয়া হয়। বিভিন্ন সেক্টর ও বাহিনীর মাঝে সমন্বয় করা, রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ রাখা, অস্ত্রের যোগান নিশ্চিত করা, গেরিলা বাহিনীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা- প্রভৃতি কাজ সাফল্যের সাথে পালন করেন ওসমানী। ব্রিটিশ গণতন্ত্রকে মডেল হিসেবে মনে করতেন ওসমানী। রাজনৈতিক শঠতা, কপটতার ধারেকাছেও তার অবস্থান ছিল না। চিরকুমার ও ছিলেন ওসমানী। শেষ জীবনে মেঝেতে চাদর বিছিয়ে ঘুমাতেন। নিজের সব সম্পত্তি মৃত্যুর আগেই বিলিয়ে দিয়েছেন ট্রাস্টের মাধ্যমে, যেন তা মানুষের কাজে লাগে। আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর জন্মদিন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য নেতৃত্ব ও বীরত্বগাথা জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। জন্মদিনে এই মহান সেনানায়কের বিনম্র শ্রদ্ধা। ------------------ নিউক্লিয়াস
Cứu quá nửa còn tận 4 máy vẫn thắng 4 🤯#identityv #identity5 #edit #identityvgame #highlight
3 bé này có nhận mở tài khoản doanh nghiệp và tài khoản cá nhân ạ, anh/chị ủng hộ bọn em nha 🥰 #MBBank #xuhuong #viral #fyp #creatorsearchinsights
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy