@jadne.sama: جاتني رساله من جواله بعد ما كنت ضايعه أدورها بكل ذره بالبيت (جنان تعالي هنا**** *****) قريت من هنا انجنيت من هناك طلعت ركض اللي اعرفه المكان وبس غيره مو مستوعبه وصلت ودخلت لقيت دكتور مع الاستقبال فيه شبه مرعب فيها قلت سلام عليكم قال وعليكم السلام قلت فيه وحده اسمها اماني العنزي هنا؟ قال الدكتور لي امري أنا خالها قلت خالها؟ قال ايه نعم وانا اللي خليتها ترسل لك تجين بكلمك بموضوع يخصها رحنا بممر النور فيه خافت مريح للعين وما يزعج الناس واسع مليان غرف ومكاتب ولفتني غرفه (*** كهربائي) دخلت مكتب الدكتور والهوا نقي وبارد حبتين ألوانه ضايقتني مدري وش السبب جلست وبدا الكلام بيننا وتوصلنا لتشخيص مو هين أبدا رحت لها الغرفه لقيتها تضحك وتناظر جهه معينه ولفت علي وقالت هاي ماما قلت اهلا مين اللي جالس ؟ رجعت لفت وجلست ساكته ورجعت تلف علي وقالت تختفي زي كل مره قلت مصدقتك يا روحي ليه ما اصدقك! طيب تعالي شوفي هالورقه قالت وشو قلت ارسمي شكلٍ المستشفى ورسمت مبنى كبير مكسر وغامق عكس حقيقه المستشفى تماما قلت طيب شفتي مكتب خالو ؟ قالت ايه ألوانه مو حلوه وقامت تتمشى وتتكلم علي وتسولف وقالت لي كل شي من أ إلى ي قلت طيب السياره يوم سقتيها كانت حلوه قالت ايه بس الشارع خايس مو زي العاده قلت طيب اجلسي الحين يا ماما جلست قدامي ودخل خالها ومعه ورقه بيضا ثانيه وقال روح خالو ارسمي شكل امك قالت يع خلاص كل شوي ارسم قلت عشاني! تبين وكوكيز؟ يلا ارسمي تعجبت وقامت وهي تضحك وباست خدي انصدمت خالها موجود! جلست ترسم شكل امها بتفصيل ممل كأنها جالسه تشوفها قدامها (بطبيعه العقل البشري لا يحفظ الملامح جيدا والنسب حقته ف لا ماحاله تنسى بس هي لا) "انتهى البارت عارفه قصير العوض بكرا" #wlw #🏳️‍🌈 #lesbian #fyp #story

J.
J.
Open In TikTok:
Region: SA
Thursday 18 June 2026 15:53:44 GMT
11998
209
4
13

Music

Download

Comments

amani.altamimi
ملك || 𐙚Malk :
كملي بليز
2026-07-03 15:29:12
3
sosy2026
☆ :
اولل كملي
2026-06-18 17:56:41
2
user3178061259771
user3178061259771 :
كملي
2026-06-21 01:24:15
1
To see more videos from user @jadne.sama, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

🌼নুরের আয়াত🌼 পর্ব:০৪ নুর নিলা বলে চিৎকার করতে থাকে। নিলা তখন অফিসের ক্যান্টিনে বসে কফি খাচ্ছিলো। নুরের গলার আওয়াজ পেয়েই নিলার হাত থেকে কফির মগটা পড়ে যায়। নিলা তাড়াতাড়ি দৌড় দিয়ে নুরের কেবিনে যায়। নিলা ভয় পেয়ে  বলতে থাকে- নিলাঃ [ভয় পেয়ে] জি! স্যার!  নুরঃ [রেগে গিয়ে] উফফ নিলা!  তোমায় কতবার বলবো আমায় স্যার বলবে না।  নিলাঃ [মনে মনে] এই রকম হ্যান্ডসাম লুক দেখে তো স্যারই বলতে ইচ্ছে করবে।  নুরঃ কি ব্যাপার চুপ হয়ে গেলে কেনো?  নিলাঃ সরি, স্যার। আসলে আপনাকে স্যার বলেই অভ্যাস হয়ে গেছে।  নুরঃ উফফ! ঠিক আছে যেইটা তোমার ভালো লাগে বলো। কিন্তু এখন এইটা বলো এই ফাইলের কাজ গুলো কম্পিলিট হয় নি কেনো?  নিলাঃ স্যার!  আসলে কাল একটু মা বাবাকে দেখতে গিয়েছিলাম। বাবার শরীরটা ভালো নেই তো এই জন্য।  নুরঃ ওহ আচ্ছা। এখন আংকেল ভালো আছে?  নিলাঃ হ্যা এখন ভালো আছে।  নুরঃ আচ্ছা তো আমাদের আজকে একটা মিটিং হওয়ার কথা না!  নিলাঃ হ্যা স্যার। নুরঃ তো ক্লাইন্টরা আসছে?   নিলাঃ না স্যার। এখনো তো আসে নি।  নুরঃ কি বলছো! হঠাৎ নুরের ফোনটা বেজে উঠে। নুর ফোন হাতে নিয়ে দেখে ওর বাবা ফোন করেছে। নুর ফোনটা হাতে নিয়ে রিসিভ করে আর বলে- নুরঃ হ্যা বাবা বলো।  নুরের বাবাঃ শোনো, যে ক্লাইন্ট আসার কথা আছে তারা এয়ারপোর্টে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।  নুরঃ আমার জন্য কেনো? নুরের বাবাঃ ২ জন ক্লাইন্ট আসছে তাদের মধ্যে একজন আমার বন্ধু। আমি ওকে বলেছি তুমিই ওকে আনতে যাবে। আশা করি তুমি আমার কথার অমান্য করবে না।  নুরঃ হুম বাবা আমি তোমার কথার অমান্য কখনোই করবো না। আমি এখনি যাচ্ছি এয়ারপোর্টে।  নুর যতক্ষন ফোনে কথা বলছে নিলা নুরকে হা করে তাকিয়ে দেখছে। নিলা মনে মনে বলে- নিলাঃ [মনে মনে] ইশ! কবে যে আমি আমার মনের কথা উনাকে জানাবো। কবে যে বলবো উনাকে আমি ভালোবাসি। আমিও যে উনার মতোই একজন। উফফ! উনার ঠোট!  আমায় পাগল করে দিবে।  নুর ওর বাবার সাথে কথা বলতে বলতে বেশ কয়েকবার লক্ষ্য করে নিলা ওর দিকে পলকহীনভাবে তাকিয়ে আছে। নুর ওর বাবার সাথে কথা বলা শেষ করে দাঁড়িয়ে পড়ে তারপর ফোনটা প্যান্টের পকেটে ঢুকিয়ে নিলাকে বলে- নুরঃ নিলা, আমায় এখনি বের হতে হবে। এয়ারপোর্টে যেতে হবে।  নিলা এখনো নিজের ঘোরের মধ্যেই আছে। নুর কি বলছে কিছুই শুনছে না। নুর দেখে নিলা এখনো ওর দিকে অমনভাবেই তাকিয়ে আছে। নুর নিলার সামনে দাঁড়ায় তারপর নিলার কাধ ঝাকিয়ে বলে- নুরঃ নিলা!!!  নিলা নিজের ঘোর থেকে বের হয়ে আসে। নিলা বলে উঠে- নিলাঃ জি স্যার!  নুরঃ কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলে!  দিনের বেলাতেও জেগে জেগে স্বপ্ন দেখো নাকি?  নিলাঃ সরি স্যার।  নুরঃ আচ্ছা। আমি এয়ারপোর্টে যাচ্ছি ক্লাইন্টদের রিসিভ করতে তুমি অফিসটা একটু দেখো।  নিলাঃ আপনাকে কেনো যেতে হবে স্যার ড্রাইভারকে পাঠিয়ে দিলে হয় না!   নুরঃ না হবে না। বাবার আদেশ আমাকে যেতে হবে।  নিলাঃ [মন খারাপ করে] আচ্ছা স্যার।  নুর আর এক সেকেন্ড ও দেরি না করে নিজের কেবিন থেকে বের হয়। নিলা মন খারাপ করেই নুরের কেবিন গোছাতে শুরু করে।  নুর অফিস থেকে বের হয়ে গাড়ি নিয়ে এয়ারপোর্টের দিকে রওনা দেয়।  এইদিকে' সানজানা নিজের অফিসের কেবিনে বসে কাজ করছিলো। এমন সময় সানজানার ফোনে একটা কল আসে। সানজানা ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখে একটা আননোন নাম্বার থেকে ফোন এসেছে। সানজানা ফোনটা হাতে নেয়। রিসিভ করে আর বলে- সানজানাঃ হ্যালো!  কে বলছেন?  ফোনের ওপাশ থেকে একটি মেয়ের গলা শোনা যায়। মেয়েটি বলে- মেয়েটিঃ সাঞ্জু আপি!!! আমি আয়াত!   মেয়েটির নাম শোনার পরই সানজানা নিজের চেয়ার থেকে উঠে পড়ে আর অনেকটা খুশি হয়ে বলে- সানজানাঃ [খুশি হয়ে] আতু!! তুই!! এতদিন পর!!  আয়াতঃ হ্যা আমি। ভুলে গেছিস আমায় !   সানজানাঃ তুই আমায় ভুলে গেছিস আতু! যাই হোক এইটা তো বাংলাদেশের নাম্বার!  বাংলাদেশের নাম্বার তোর কাছে মানে!   আয়াতঃ সাঞ্জু আপি! আমি বাংলাদেশে আসছি রে। এয়ারপোর্টে আছি।  সানজানাঃ [অবাক হয়ে] কিহ!!! তুই বাংলাদেশে আসছিস আর আমায় এখন জানাচ্ছিস!  আমি এখনি আসছি তোকে রিসিভ করতে।  আয়াতঃ আচ্ছা আয়। তাড়াতাড়ি আসিস। বাসায় গিয়ে সব বলবো তোকে।  সানজানাঃ আচ্ছা।  [আসুন আমাদের নায়িকার পরিচয় জেনে নেই। আয়াত হলো আমাদের গল্পের নায়িকা। পুরো নাম আরাবী আয়াত। বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে। আয়াত লন্ডনে বড় হয়েছে। আর সেইখানেই পড়াশোনা করেছে। আয়াত হলো সানজানার মামাতো বোন।] [ধিরে ধিরে অনেক কিছুই জানবেন আপাতত গল্পে ফেরা যাক]  সানজানা ফোনটা কেটে দিয়ে টেবিলে থাকা ফাইল গুলো গুছিয়ে ব্যাগ হাতে নিয়ে যখনি বের হতে যাবে তখনি সানজানার PA  নিলয় সানজানার কেবিনের দরজায় নক করে। নিলয়ঃ May i come in mam? সানজানাঃ আরে নিলয়। আসো।  নিলয়ঃ ম্যাম আমাদের মিটিংএর সব কিছু রেডি হয়ে গেছে। ক্লাইন্ট ও আসছে।  সানজানাঃ ওহো!  মনেই ছিলো না!  মিটিং আছে তো। আচ্ছা মিটিংটা কাল করলে হবে না?  #চলবে #নূরের_আয়াত #izel🌈  #izel._.0 #lesbian  #lesbianlover🌈
🌼নুরের আয়াত🌼 পর্ব:০৪ নুর নিলা বলে চিৎকার করতে থাকে। নিলা তখন অফিসের ক্যান্টিনে বসে কফি খাচ্ছিলো। নুরের গলার আওয়াজ পেয়েই নিলার হাত থেকে কফির মগটা পড়ে যায়। নিলা তাড়াতাড়ি দৌড় দিয়ে নুরের কেবিনে যায়। নিলা ভয় পেয়ে বলতে থাকে- নিলাঃ [ভয় পেয়ে] জি! স্যার! নুরঃ [রেগে গিয়ে] উফফ নিলা! তোমায় কতবার বলবো আমায় স্যার বলবে না। নিলাঃ [মনে মনে] এই রকম হ্যান্ডসাম লুক দেখে তো স্যারই বলতে ইচ্ছে করবে। নুরঃ কি ব্যাপার চুপ হয়ে গেলে কেনো? নিলাঃ সরি, স্যার। আসলে আপনাকে স্যার বলেই অভ্যাস হয়ে গেছে। নুরঃ উফফ! ঠিক আছে যেইটা তোমার ভালো লাগে বলো। কিন্তু এখন এইটা বলো এই ফাইলের কাজ গুলো কম্পিলিট হয় নি কেনো? নিলাঃ স্যার! আসলে কাল একটু মা বাবাকে দেখতে গিয়েছিলাম। বাবার শরীরটা ভালো নেই তো এই জন্য। নুরঃ ওহ আচ্ছা। এখন আংকেল ভালো আছে? নিলাঃ হ্যা এখন ভালো আছে। নুরঃ আচ্ছা তো আমাদের আজকে একটা মিটিং হওয়ার কথা না! নিলাঃ হ্যা স্যার। নুরঃ তো ক্লাইন্টরা আসছে? নিলাঃ না স্যার। এখনো তো আসে নি। নুরঃ কি বলছো! হঠাৎ নুরের ফোনটা বেজে উঠে। নুর ফোন হাতে নিয়ে দেখে ওর বাবা ফোন করেছে। নুর ফোনটা হাতে নিয়ে রিসিভ করে আর বলে- নুরঃ হ্যা বাবা বলো। নুরের বাবাঃ শোনো, যে ক্লাইন্ট আসার কথা আছে তারা এয়ারপোর্টে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। নুরঃ আমার জন্য কেনো? নুরের বাবাঃ ২ জন ক্লাইন্ট আসছে তাদের মধ্যে একজন আমার বন্ধু। আমি ওকে বলেছি তুমিই ওকে আনতে যাবে। আশা করি তুমি আমার কথার অমান্য করবে না। নুরঃ হুম বাবা আমি তোমার কথার অমান্য কখনোই করবো না। আমি এখনি যাচ্ছি এয়ারপোর্টে। নুর যতক্ষন ফোনে কথা বলছে নিলা নুরকে হা করে তাকিয়ে দেখছে। নিলা মনে মনে বলে- নিলাঃ [মনে মনে] ইশ! কবে যে আমি আমার মনের কথা উনাকে জানাবো। কবে যে বলবো উনাকে আমি ভালোবাসি। আমিও যে উনার মতোই একজন। উফফ! উনার ঠোট! আমায় পাগল করে দিবে। নুর ওর বাবার সাথে কথা বলতে বলতে বেশ কয়েকবার লক্ষ্য করে নিলা ওর দিকে পলকহীনভাবে তাকিয়ে আছে। নুর ওর বাবার সাথে কথা বলা শেষ করে দাঁড়িয়ে পড়ে তারপর ফোনটা প্যান্টের পকেটে ঢুকিয়ে নিলাকে বলে- নুরঃ নিলা, আমায় এখনি বের হতে হবে। এয়ারপোর্টে যেতে হবে। নিলা এখনো নিজের ঘোরের মধ্যেই আছে। নুর কি বলছে কিছুই শুনছে না। নুর দেখে নিলা এখনো ওর দিকে অমনভাবেই তাকিয়ে আছে। নুর নিলার সামনে দাঁড়ায় তারপর নিলার কাধ ঝাকিয়ে বলে- নুরঃ নিলা!!! নিলা নিজের ঘোর থেকে বের হয়ে আসে। নিলা বলে উঠে- নিলাঃ জি স্যার! নুরঃ কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলে! দিনের বেলাতেও জেগে জেগে স্বপ্ন দেখো নাকি? নিলাঃ সরি স্যার। নুরঃ আচ্ছা। আমি এয়ারপোর্টে যাচ্ছি ক্লাইন্টদের রিসিভ করতে তুমি অফিসটা একটু দেখো। নিলাঃ আপনাকে কেনো যেতে হবে স্যার ড্রাইভারকে পাঠিয়ে দিলে হয় না! নুরঃ না হবে না। বাবার আদেশ আমাকে যেতে হবে। নিলাঃ [মন খারাপ করে] আচ্ছা স্যার। নুর আর এক সেকেন্ড ও দেরি না করে নিজের কেবিন থেকে বের হয়। নিলা মন খারাপ করেই নুরের কেবিন গোছাতে শুরু করে। নুর অফিস থেকে বের হয়ে গাড়ি নিয়ে এয়ারপোর্টের দিকে রওনা দেয়। এইদিকে' সানজানা নিজের অফিসের কেবিনে বসে কাজ করছিলো। এমন সময় সানজানার ফোনে একটা কল আসে। সানজানা ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখে একটা আননোন নাম্বার থেকে ফোন এসেছে। সানজানা ফোনটা হাতে নেয়। রিসিভ করে আর বলে- সানজানাঃ হ্যালো! কে বলছেন? ফোনের ওপাশ থেকে একটি মেয়ের গলা শোনা যায়। মেয়েটি বলে- মেয়েটিঃ সাঞ্জু আপি!!! আমি আয়াত! মেয়েটির নাম শোনার পরই সানজানা নিজের চেয়ার থেকে উঠে পড়ে আর অনেকটা খুশি হয়ে বলে- সানজানাঃ [খুশি হয়ে] আতু!! তুই!! এতদিন পর!! আয়াতঃ হ্যা আমি। ভুলে গেছিস আমায় ! সানজানাঃ তুই আমায় ভুলে গেছিস আতু! যাই হোক এইটা তো বাংলাদেশের নাম্বার! বাংলাদেশের নাম্বার তোর কাছে মানে! আয়াতঃ সাঞ্জু আপি! আমি বাংলাদেশে আসছি রে। এয়ারপোর্টে আছি। সানজানাঃ [অবাক হয়ে] কিহ!!! তুই বাংলাদেশে আসছিস আর আমায় এখন জানাচ্ছিস! আমি এখনি আসছি তোকে রিসিভ করতে। আয়াতঃ আচ্ছা আয়। তাড়াতাড়ি আসিস। বাসায় গিয়ে সব বলবো তোকে। সানজানাঃ আচ্ছা। [আসুন আমাদের নায়িকার পরিচয় জেনে নেই। আয়াত হলো আমাদের গল্পের নায়িকা। পুরো নাম আরাবী আয়াত। বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে। আয়াত লন্ডনে বড় হয়েছে। আর সেইখানেই পড়াশোনা করেছে। আয়াত হলো সানজানার মামাতো বোন।] [ধিরে ধিরে অনেক কিছুই জানবেন আপাতত গল্পে ফেরা যাক] সানজানা ফোনটা কেটে দিয়ে টেবিলে থাকা ফাইল গুলো গুছিয়ে ব্যাগ হাতে নিয়ে যখনি বের হতে যাবে তখনি সানজানার PA নিলয় সানজানার কেবিনের দরজায় নক করে। নিলয়ঃ May i come in mam? সানজানাঃ আরে নিলয়। আসো। নিলয়ঃ ম্যাম আমাদের মিটিংএর সব কিছু রেডি হয়ে গেছে। ক্লাইন্ট ও আসছে। সানজানাঃ ওহো! মনেই ছিলো না! মিটিং আছে তো। আচ্ছা মিটিংটা কাল করলে হবে না? #চলবে #নূরের_আয়াত #izel🌈 #izel._.0 #lesbian #lesbianlover🌈

About