@a_t_727: #creatorsearchinsights #fyp #fyp #foryou #tiktok

{<<<<<<<<<A Tr >>>>>>>>>}
{<<<<<<<<>>>>>>>>}
Open In TikTok:
Region: MM
Saturday 20 June 2026 09:10:05 GMT
93370
10620
28
1990

Music

Download

Comments

saw.see62
Saw :
မေ့ချင်ယောင်ဆောင်နေတာပါတကယ်တမ်းသူ့ကို့တစ်နေ့မှမေ့မရဘူးအချိန်တိုင်းလွမ်းပါတယ်
2026-07-30 16:41:16
2
nay.yi.zaw2
Nay Yi Zaw :
တကယ်ကြီး😁
2026-07-05 03:23:02
0
kyar.lay132
Kyar Lay😝 :
သူသယအက်လိူလေးပြောလာခဲ့ရင်🥺🥺🥺
2026-07-01 13:38:04
1
rengi922
💐ကုလားလေး🤪 :
@စားချင်လို့"🌚 သူမှာ ကကောင်းလေနက်လေး🥺
2026-07-12 03:00:24
2
zzh1135
ZU KI :
@LoaPN
2026-09-12 09:13:03
1
thaep358
နောက်ပိတ်ဆုးလူ🫥🙂‍↔️ :
@k👣 ဘယ်သိပ့မလဲ
2026-10-04 07:23:14
0
.mochi2471
𝙼ɪκᴏ✰✔︎ :
@:•ᴋᴀᴋᴀsʜɪ•シ ™
2026-09-26 20:23:02
0
chit.mone556
P :
@A
2026-09-26 11:01:05
0
su.lay.456
🇯🇵 スス❤️ Loon🌷🌷pondphuwin❤️ :
🥰🥰🥰
2026-09-02 18:43:14
0
sususant4
🅰︎🅽︎🅶︎🅴︎🅻︎🅰︎ :
🥺🥺🥺
2026-06-23 08:17:49
0
uaungthumyo2
Su⚡ :
@🧀
2026-09-02 14:20:57
0
jawne56
Jn :
🥺🥺🥺
2026-09-01 09:05:49
0
user6531531353383
မေမေသားလေး :
🥰🥰🥰
2026-08-29 01:48:30
0
phone.pone4
✿(◕ ‿ ◕)✿ 𝓝𝓪𝓭𝓲 ✿(◕ ‿ ◕)✿ :
🥰🥰🥰
2026-08-16 04:42:43
0
larrat80
Larrat👿👿 :
🥺🥺
2026-07-26 14:45:25
0
nay.yi.zaw2
Nay Yi Zaw :
😂😂😂
2026-07-05 03:23:09
0
miseim27
N-NS🧸 :
🤣
2026-09-12 15:56:04
0
mg_phyo09
𝐏 :
@𝑻
2026-10-05 13:54:52
1
ahguganam0
Pot Ka🩵 :
😥😥😥
2026-06-20 16:51:00
0
shein.hte.zaw
ပိုင်ကြီး 🏐🥇 :
@Ei🧊
2026-10-07 15:05:06
1
To see more videos from user @a_t_727, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos


"তিন মাস? নব্বইটা দিন? যে বাড়িতে আমার এক একটা মুহূর্তে আমার নিশ্বাস নিতে দম আটকে আসে, যেখানে প্রতিটা মুহূর্ত আমার কাছে এক একটা যুগের মতো কাটে, সেখানে আমাকে আরও তিন-তিনটে মাস বন্দি থাকতে বলছো? তুমি তো আমার বাবা, তুমিও কি শেষ পর্যন্ত এই লোকল&জ্জা আর সমাজের ভয়ে আমাকে ওই জৌলুসহীন অন্ধকূপের দিকেই ঠেলে দিলে?" মিরাজ শেখ মেয়ের এই আকুল আর্তনাদে ক্ষণকাল চোখ বুজে রইলেন। তাঁর পিতৃসুলভ হৃদয়ও মোচড় দিয়ে উঠল, কিন্তু তিনি জানতেন, এই মুহূর্তে কঠোর না হলে মেয়ের ভবিষ্যৎ চিরতরে অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যাবে। তিনি স্নেহার্দ্র কণ্ঠে বললেন, "আমি তোকে কোনো অন্ধকূপে ঠেলে দিচ্ছি না, মা। সমাজ আর লোকলজ্জার ভয় এর চেয়ে বেশি তোর ভালোর জন্যই করছি। তুই রাজপ্রাসাদে থেকে মানুষের বাহ্যিক রূপটাই শুধু দেখেছিস, ভেতরের খাঁটি মানুষটা চেনার সুযোগ পাসনি। একটু ধৈর্য্য ধর মা। আমি তোর বাবা হয়ে বলছি, তুই ঠকবি না।" YN দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করলো। টপটপ করে চোখ বেঁয়ে পানি পড়তে লাগলো তাঁর। ওরণা দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে সিঁড়ি দিয়ে নিজের ঘরে চলে গেলো YN। এদিকে রুবিনা বেগম তড়িঘড়ি করে রান্নাঘরে প্রবেশ করলেন এবং মেয়ে-জামাইয়ের জন্য অত্যন্ত যত্ন সহকারে পোলাও, রোস্ট, বিভিন্ন পদের মাছসহ রাজকীয় সব খাবারের আয়োজন করতে লাগলেন। দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষ হওয়ার পর জাংকুককে ড্রয়িংরুমের একটি সুসজ্জিত সোফায় বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া হলো। YN নিজের কক্ষে গিয়ে জানালার ধারে উদাসীন হয়ে বসে রইলো। ঠিক তখনই শেখ ভিলার সদর তোরণে একটি বিলাসবহুল গাড়ির হর্ন শোনা গেল। গ্রামের অত্যন্ত প্রতাপশালী, উচ্চবিত্ত, ধনী ও অহংকারী ব্যক্তি শরাফত চৌধুরী এবং তাঁর একমাত্র বিলাসবহুল জীবনযাপনে অভ্যস্ত পুত্র আসিফ চৌধুরী ড্রয়িংরুমে প্রবেশ করলেন। ব্যবসায়িক সুবাদে মিরাজ শেখের সাথে শরাফত চৌধুরীর সখ্যতা ছিলো। মিরাজ শেখ তাঁদের দেখে সৌজন্যবশত সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন আর বললেন, "আরে শরাফত ভাই! আসিফ! তোমরা এই সময়ে? এসো, বসো।" YN ততক্ষণে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামলো। শরাফত চৌধুরী ও আসিফ সোফায় বসতেই তাঁদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি গিয়ে পড়লো ঘরের এক কোণে শান্ত ও নিস্পৃহ ভঙ্গিতে বসে থাকা জাংকুকের ওপর। তাঁকে দেখেই শরাফত চৌধুরী মুহূর্তেই সবকিছু আঁচ করতে পারলেন। তিনি কুটিল এক হাস্যে মিরাজ শেখের দিকে তাকিয়ে বললেন "মিরাজ সাহেব, ইনিই বুঝি আপনার সেই পরম ভাগ্যবান জামাতা? বিয়ের খবর তো আগেই কানে এসেছিল, আজ সচক্ষে দেখলাম।" জাংকুক বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে স্থির দৃষ্টিতে শরাফত চৌধুরীর দিকে চাইলো। শরাফত চৌধুরী তখন সোফায় হেলান দিয়ে অত্যন্ত তাচ্ছিল্যের সুরে বলতে লাগলেন, "মিরাজ ভাই,,আমার ছেলে আসিফ বিলেত থেকে পড়াশোনা করে এসেছে। আমাদের এত ধন-সম্পত্তি, আভিজাত্য। আমার ছেলের সাথে আপনার একমাত্র মেয়ের বিয়ের জন্য কতবার আপনার দ্বারে আবদার নিয়ে এলাম, কিন্তু আপনি আমার আবদারটা রাখলেন না। তা এখন যে এই গরীবের হাতে নিজের একমাত্র মেয়েকে তুলে দিলেন, এতে কি আপনার একটুও খারাপ লাগছে না? একটা মাছ চাষির কাছে নিজের রাজকন্যাকে সঁপে দিতে আপনার বু&কটা একটুও কাঁপলো না?" এই চরম ও নির্মম অপমানে ড্রয়িংরুমের বাতাস যেন মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে গেল। সিঁড়ির কোণে দাঁড়িয়ে YN এই বি&ষাক্ত বাক্যগুলো স্পষ্ট শুনতে পেলো। শরাফত চৌধুরীর এই কুৎসিত ও নীচ বাক্যবাণ তীরের মতো গিয়ে বিঁ&ধল জাংকুকের বু&কে। একজন আত্মমর্যাদাশীল ও কঠোর পরিশ্রমী পুরুষ হিসেবে এই প্রকাশ্য উপহাস তার সুদৃঢ় অন্তরকে প্রচণ্ড পরিমাণে ব্যথিত ও ক্ষতবিক্ষত করে তুললো। আসিফ তার বাবার চুরুটের ধোঁয়া ছড়ানোর ভঙ্গি দেখে আরও আশকারা পেয়ে গেলো। সে সোফায় পা নাচাতে নাচাতে জাংকুকের আপাদমস্তক অবজ্ঞার দৃষ্টিতে মেপে নিয়ে তাচ্ছিল্যের সুরে বললো "বাবা, তুমি একে মাছ চাষি বলছ কেনো? বলো গেঁয়ো ছোটলোক! মিরাজ আঙ্কেল, আপনার রুচির তারিফ করতে হয়। ছোটবেলায় শুনতাম রূপকথার রাজকন্যারা নাকি ব্যাঙকুমারকে রাজপুত্র বানাতো, তা আপনি কি ভেবেছেন এই গেঁয়ো আপনার মেয়েকে পেয়ে রাতারাতি জাতে উঠে যাবে? ওর পরনের কাপড়টা দেখুন, এরকম পোশাক তো আমাদের বাড়ির চাকররাও পড়ে না।" শরাফত চৌধুরী পুত্রের এই নিচ মন মানসিকতার আচরণে বাধা দেওয়া তো দূর, বরং মনে মনে বেশ তৃপ্তি বোধ করছিলেন। ড্রয়িংরুমের নীরবতা ভেঙে বজ্রকণ্ঠে গর্জে উঠলেন মিরাজ শেখ। তিনি সোফা ছেড়ে বিদ্যুৎবেগে উঠে দাঁড়ালেন। তাঁর মুখমণ্ডল রাগে আরক্তিম হয়ে উঠেছিল, চোখের দৃষ্টিতে যেন অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ঝরছিল। তিনি টেবিলের ওপর হাত চাপড়ে কিছুটা চেঁচিয়ে বললেন "শরাফত ভাই,,অনেক হয়েছে! মুখ সামলে কথা বলুন!" শরাফত চৌধুরী ও আসিফ চৌধুরী মিরাজ শেখের এই আকস্মিক ও রূঢ় ভাবমূর্তি দেখে মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে গেলেন। মিরাজ শেখ শরাফত চৌধুরীর উদ্দেশ্যে রাগী কণ্ঠে শুধালেন___ . . চলবে..! মন্তব্য? ✿─হৃদয়জুড়ে প্রেয়সী─✿ (Part:8) #jkff #fyppppppppppppppppppppppp #afruxfictionworld #viral #foryou

About