@sora____09: 全員のクランプ見れるのがホントに最高すぎるよねって✨️ @THE RAMPAGE OFFICIAL #rampage #ランペ #hardhit

唯愛🐺.⋆♱
唯愛🐺.⋆♱
Open In TikTok:
Region: JP
Monday 22 June 2026 14:48:39 GMT
12744
887
5
10

Music

Download

Comments

user4464167203717
りゅうま :
RAMPAGE川村壱馬ラップめっちゃカッコイイ😊💕
2026-06-23 00:52:11
4
mamimami0203
user2145854245720 :
RAMPAGEカッコイイ
2026-09-02 09:44:58
0
hokuto03065
🐷吉野北人の嫁←🐷💛 :
あー懐かしい💕
2026-06-26 08:52:38
2
To see more videos from user @sora____09, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বাঁধন রূপের অধিকারী লেখিকা সুমি- চৌধুরী  পর্ব 130 তার মুখ চেপে ধরেও হাসি দমানো যাচ্ছে না। সে দ্রুত রুমে চলে আসে। দরজাটা আটকে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে একাই খিলখিল করে হেসে বলে।
বাঁধন রূপের অধিকারী লেখিকা সুমি- চৌধুরী পর্ব 130 তার মুখ চেপে ধরেও হাসি দমানো যাচ্ছে না। সে দ্রুত রুমে চলে আসে। দরজাটা আটকে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে একাই খিলখিল করে হেসে বলে। " ভালো হয়েছে, খুব ভালো হয়েছে। ফ্লার্টবাজদের সাথে এমনই হওয়া উচিত। ইস, কী যে আনন্দ লাগছে আমার। খুশির চোটে বৃষ্টি নিজের অজান্তেই ঘরের মাঝখানে কোমর দুলিয়ে নাচতে শুরু করে দেয়। হাততালি দিয়ে নাচতে নাচতে মুখে আওড়াতে থাকে। " হেই বাবা, মার হাবা, খাঁচা বাবা, দে লাড়া চিনি ছাড়া! ও ভাল্লে ভাল্লে, এত আনন্দ কই রাখবো আমি! পাগলের মতো নাচতে নাচতে হঠাৎ এক জায়গায় এসে থমকে যায় বৃষ্টি। তার মুখের চওড়া হাসিটা নিমিষেই গায়েব হয়ে যায়। নিজের বুকেই হাত রেখে একটু অবাক হয়ে বলে। " এক মিনিট। আমার এত আনন্দ লাগছে কেন? ওই হিটলারকে অন্য একটা মেয়ের সাথে দেখেছি বলে? আরে, এতে আমার কী। সে ফ্লার্টবাজ হোক বা চিটার হোক, তাতে আমার কী আসে যায়। তার এসব ভাবনার মাঝেই বিছানায় শুয়ে থাকা রূপার জ্ঞান ফেরে। সেও আকাশের এই ভয়াবহ এক্সিডেন্টের খবরটা শুনে ভীষণ কষ্ট পায়। এক তীব্র বুক চাপা কষ্ট আর ব্যাকুলতা ভেতরটা কুঁড়েকুঁড়ে খেতে থাকে তার। রাত অনেক বেশি হয়ে যাওয়ায় তারা কেউ হসপিটালে যাওয়ার সাহস পায় না। বাড়ির বড়দের কাউকেই এই রাতে হসপিটালে নিয়ে যাওয়ার কথা বললে তারা সকালের কথা বলে থামিয়ে দেয়। সারাটা রাত দুই মেয়ের কাটে চরম ছটফটানি আর এক অদ্ভুত অস্থিরতায়। ```````` পরের দিন কলেজ ছুটির পর রুপা আর বৃষ্টি তড়িঘড়ি করে আকাশকে দেখার জন্য হসপিটালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। হসপিটালে পৌঁছাতেই চারপাশের চড়া ফিনাইল আর স্যাভলনের গন্ধ দম আটকে দেয়। বুক টিপটিপ করা এক অজানা আতঙ্ক আর জড়তা নিয়ে দু'জন মাথা নিচু করে আকাশের কেবিনে প্রবেশ করে। পা রাখতেই দুই বান্ধবীর এক সাথে যেন হৃদপিন্ড কেঁপে ওঠে, হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে আসে এক নিমিষে। বেডে শুয়ে আছে নিস্তেজ আকাশ, তার বাম হাতে সাদা ব্যান্ডেজ, বাম পায়ে মোটা ব্যান্ডেজ করে একটু উঁচিয়ে রাখা হয়েছে। ঠিক বেডের পাশে রাখা কাঠের চেয়ারটায় বসে আছে বাঁধন। কেবিনের মৃদু আলোয় তাকে দেখে রূপার চোখ দুটো এক অদ্ভুত মোহে থমকে যায়, চোখের পলক ফেলতে ভুলে যায় মেয়েটি। পুরুষের ফর্সা, চওড়া শরীরে লেপ্টে আছে কুচকুচে কালো শার্ট। আদিম গম্ভীরতা মেখে থাকা সেই শার্টের হাতা দুটো নিখুঁতভাবে ভাঁজ করে কনুই পর্যন্ত গোটানো। নিচে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তার পেশিবহুল, শক্তিশালী সুগঠিত হাত ও পুরুষালি রগগুলো। পরনে ধবধবে সাদা জিন্সের প্যান্ট, বাম হাতে জ্বলজ্বল করছে একটি দামী ব্র্যান্ডের কালো ঘড়ি, পায়ে সাদা স্নিকার্স জুতো। এই প্রথম রূপা বাঁধনকে এমন রুক্ষ কালো শার্টে দেখল। তাকে একাধারে ভয়ঙ্কর ডমিনেটিং, রাজকীয়, এক চরম আগ্রাসী পুরুষ অবয়বে কাঁপন ধরানো দেখাচ্ছে। বাঁধন অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে, গম্ভীর মুখে আকাশের সাথে নিচু স্বরে কোনো একটা জরুরি বিষয়ে কথা বলছে। নিজেদের মগ্নতায় আকাশ কিংবা বাঁধন কেউই খেয়াল করেনি দরজায় এসে দাঁড়ানো রূপা আর বৃষ্টিকে। ঠিক তখনি বাঁধনের তীক্ষ্ণ নজর পড়ে রূপা আর বৃষ্টির দিকে। দু'জনকে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে চোয়াল শক্ত হয়ে ওঠে তার। দাঁতে দাঁত চেপে হাড়- কাঁপানো নিরেট কন্ঠে বলে। " ইডিয়ট! কারো কেবিনে ঢোকার আগে পারমিশন নিতে হয়, সেই ম্যানার্সটুকুও কি নেই? এসেছিস ভালো কথা, তা এভাবে চোরের মতো দাঁড়িয়ে আছিস কেন? বাঁধনের রুক্ষ কন্ঠের ধমকে রূপা আর বৃষ্টি দু'জনেই কেঁপে ওঠে। কেবিনের থমথমে নীরবতা ভেঙে এবার আকাশের নজর পড়ে তাদের ওপর। আকাশের তপ্ত চোখ জোড়া স্থির হয়ে যায় মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকা বৃষ্টির দিকে। বুকের ভেতর তীব্র আক্ষেপ আর ক্ষোভ চাড়া দিয়ে ওঠে তার। হায়রে মেয়ে, এই একটা মেয়ের জন্য আজ তাকে হাত-পা ভেঙে হসপিটালের বিছানায় পড়ে থাকতে হচ্ছে। নিজের ভেতরের অস্থিরতা চেপে আকাশ রূপার দিকে তাকিয়ে শুষ্ক, ক্লান্ত কন্ঠে বলল। " ভেতরে আয়। রূপা আর বৃষ্টি দু'জনেই চুপচাপ ভেতরে আসে। রূপা আকাশের বেডের কাছে এগিয়ে যায়, মৃদু, আশঙ্কাজনক কন্ঠে বলে। " আকাশ ভাইয়া, এখন কেমন আছো তুমি? এক বুক হতাশা নিয়ে আড়চোখে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে তীব্র উপহাস মেশানো ভাঙা কন্ঠে উত্তর দেয় আকাশ। " দেখতেই তো পাচ্ছিস কেমন আছি। হাত-পা ভেঙে একদম অচল হয়ে বেডে পড়ে আছি। আকাশের উপহাস মেশানো কথাগুলো কানে আসতেই বৃষ্টির ঠোঁটের কোণে তীব্র হাসির রেখা ফুটে ওঠে। থমথমে, গম্ভীর পরিবেশেও তার প্রচন্ড হাসি পাচ্ছে। কামড় দিয়ে শক্ত করে ঠোঁট চেপে ধরে সে, যেন কোনোভাবেই ভেতরের হাসির শব্দ বাইরে বেরিয়ে না আসে। ঠিক এই মূহুর্তেই কেবিনের ভারী দরজা ঠেলে প্রবেশ করেন মাঝবয়সী গম্ভীর চেহারার ডাক্তার। নিঃশব্দ পায়ে এগিয়ে এসে তিনি আকাশের চারপাশের রিপোর্টগুলো খুঁটিয়ে দেখেন। অতঃপর স্টেথোস্কোপ দিয়ে আকাশকে ভালো করে পরীক্ষা করে, কোনো রকম আবেগ ছাড়াই শান্ত, পেশাদার কন্ঠে বলেন। চলবে...

About