@guerra.wealth: Two retirees start with the same $500,000 retirement portfolio. Same age. Similar lifestyle. Both worked hard, saved diligently, and did many things right. Fast forward 20 years. One retiree has about $270,000 remaining. The other has about $405,000 remaining. What made the difference? Not always investment returns. Sometimes, one of the biggest factors in retirement planning is not what you earn. It is what you keep. Taxes can quietly reduce retirement income year after year. Without a proactive retirement tax strategy, withdrawals, income planning, and account structure may have a major impact on how long your money lasts. The better retirement question is not just: “How much do I have saved?” It is: “How much will I actually get to keep?” If you are retired or within 10 years of retirement, now is the time to understand how taxes could impact your retirement income. This content is for informational and educational purposes only and should not be considered personalized financial advice. Always consult with a qualified fiduciary advisor before making any financial decisions.

Guerra Wealth Advisors
Guerra Wealth Advisors
Open In TikTok:
Region: US
Monday 22 June 2026 21:44:19 GMT
0
0
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @guerra.wealth, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আমাদের সমাজে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে —স্ত্রী মারা গেলে দেনমোহর (মোহরানা)  আর দিতে হয় না।  অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে এটি একটি মারাত্মক ভুল।  দেনমোহর হলো স্ত্রীর প্রাপ্য অধিকার (হক), যা স্বামীর উপর ফরজ দায় হিসেবে থাকে। 📖 আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা নারীদেরকে তাদের মোহর   স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদান কর।” — (সূরা আন-নিসা: ৪)  তাই স্ত্রী দুনিয়া থেকে চলে গেলেও তার এই হক কখনো নষ্ট হয় না।  বরং এটি স্বামীর উপর ঋণ হিসেবে থেকে যায়,  যা অবশ্যই আদায় করতে হবে।  স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দেনমোহরের হুকুম কী? স্ত্রী ইন্তেকাল করলে তার রেখে যাওয়া সম্পদ শরীয়ত অনুযায়ী বণ্টন করা হয়। এই বণ্টনের আগে কিছু ধাপ রয়েছে— ১- প্রথমে দাফন-কাফনের খরচ। ২- এরপর তার উপর থাকা সকল ঋণ পরিশোধ। ৩-  তারপর ওসিয়ত (যদি থাকে) বাস্তবায়ন। ৪-  সবশেষে অবশিষ্ট সম্পদ ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টন। এখানে দেনমোহরও একটি ঋণ,  যা দ্বিতীয় ধাপেই পরিশোধ করতে হবে। কার কাছে দেনমোহর পরিশোধ করা হবে? স্ত্রী যেহেতু আর জীবিত নেই, তাই তার প্রাপ্য দেনমোহর তার ওয়ারিসদের (উত্তরাধিকারীদের) মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। যেমন— 👶 সন্তান থাকলে সন্তানদের 👵 পিতা-মাতা জীবিত থাকলে তাদের 👤 স্বামী নিজেও একজন ওয়ারিস অর্থাৎ, দেনমোহরের টাকা ওয়ারিসদের মাঝে  শরীয়তের নিয়মে বণ্টন হবে। গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্বামী নিজেও স্ত্রীর সম্পদের ওয়ারিস। তাই স্বামী যখন দেনমোহর পরিশোধ করবে,  তখন সেই সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে আবার কিছু অংশ স্বামীর কাছেই ফিরে আসতে পারে। 👉 কিন্তু মনে রাখতে হবে— ❗ প্রথমে দেনমোহর পরিশোধ করা ফরজ,       এরপরই মিরাস বণ্টন হবে।  ঋণ আদায়ে অবহেলা কতটা ভয়াবহ?  রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মুমিনের আত্মা তার ঋণের কারণে ঝুলন্ত থাকে, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়।” — (তিরমিযি) ফলো করো- জান্নাতি জীবন  ক্যাপশনটি পড়া শেষ হলে  সওয়াবের আশায় ক্যাপশনটি শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিও..  চিন্তা করুন! একজন মুমিনের আত্মাও ঋণের কারণে আটকে থাকতে পারে—তাহলে দেনমোহরের মতো গুরুত্বপূর্ণ হক অবহেলা করা কত বড় বিপদ! আমাদের করণীয়— ✔ দ্রুত দেনমোহর পরিশোধ করা ✔ স্ত্রীর হক আদায় করে নিজেকে দায়মুক্ত করা ✔ পরকালের জবাবদিহিতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল হক  যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমীন। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করুন,  যেন অন্যরাও সচেতন হতে পারে। 👉ফলো করো -🌿জান্নাতি জীবন🌿 আরও ইসলামিক কনটেন্টের জন্য। #sad #জান্নাতি_জীবন🌺 #Love #1millionviews #bangladeshtiktok  * বন্ধু ও পরিবারকে শেয়ার করো – হতে পারে তুমি অজান্তেই তাদের সাহায্য করে দিচ্ছো।আমাদের সমাজে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে —স্ত্রী মারা গেলে দেনমোহর (মোহরানা)  আর দিতে হয় না।  অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে এটি একটি মারাত্মক ভুল।  দেনমোহর হলো স্ত্রীর প্রাপ্য অধিকার (হক), যা স্বামীর উপর ফরজ দায় হিসেবে থাকে। 📖 আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা নারীদেরকে তাদের মোহর   স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদান কর।” — (সূরা আন-নিসা: ৪)  তাই স্ত্রী দুনিয়া থেকে চলে গেলেও তার এই হক কখনো নষ্ট হয় না।  বরং এটি স্বামীর উপর ঋণ হিসেবে থেকে যায়,  যা অবশ্যই আদায় করতে হবে।  স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দেনমোহরের হুকুম কী? স্ত্রী ইন্তেকাল করলে তার রেখে যাওয়া সম্পদ শরীয়ত অনুযায়ী বণ্টন করা হয়। এই বণ্টনের আগে কিছু ধাপ রয়েছে— ১- প্রথমে দাফন-কাফনের খরচ। ২- এরপর তার উপর থাকা সকল ঋণ পরিশোধ। ৩-  তারপর ওসিয়ত (যদি থাকে) বাস্তবায়ন। ৪-  সবশেষে অবশিষ্ট সম্পদ ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টন। এখানে দেনমোহরও একটি ঋণ,  যা দ্বিতীয় ধাপেই পরিশোধ করতে হবে। কার কাছে দেনমোহর পরিশোধ করা হবে? স্ত্রী যেহেতু আর জীবিত নেই, তাই তার প্রাপ্য দেনমোহর তার ওয়ারিসদের (উত্তরাধিকারীদের) মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। যেমন— 👶 সন্তান থাকলে সন্তানদের 👵 পিতা-মাতা জীবিত থাকলে তাদের 👤 স্বামী নিজেও একজন ওয়ারিস অর্থাৎ, দেনমোহরের টাকা ওয়ারিসদের মাঝে  শরীয়তের নিয়মে বণ্টন হবে। গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্বামী নিজেও স্ত্রীর সম্পদের ওয়ারিস। তাই স্বামী যখন দেনমোহর পরিশোধ করবে,  তখন সেই সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে আবার কিছু অংশ স্বামীর কাছেই ফিরে আসতে পারে। 👉 কিন্তু মনে রাখতে হবে— ❗ প্রথমে দেনমোহর পরিশোধ করা ফরজ,       এরপরই মিরাস বণ্টন হবে।  ঋণ আদায়ে অবহেলা কতটা ভয়াবহ?  রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মুমিনের আত্মা তার ঋণের কারণে ঝুলন্ত থাকে, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়।” — (তিরমিযি)  চিন্তা করুন! একজন মুমিনের আত্মাও ঋণের কারণে আটকে থাকতে পারে—তাহলে দেনমোহরের মতো গুরুত্বপূর্ণ হক অবহেলা করা কত বড় বিপদ! আমাদের করণীয়— ✔ দ্রুত দেনমোহর পরিশোধ করা ✔ স্ত্রীর হক আদায় করে নিজেকে দায়মুক্ত করা ✔ পরকালের জবাবদিহিতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল হক  যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমীন। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করুন,  যেন অন্যরাও সচেতন হতে পারে।
আমাদের সমাজে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে —স্ত্রী মারা গেলে দেনমোহর (মোহরানা) আর দিতে হয় না। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে এটি একটি মারাত্মক ভুল। দেনমোহর হলো স্ত্রীর প্রাপ্য অধিকার (হক), যা স্বামীর উপর ফরজ দায় হিসেবে থাকে। 📖 আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা নারীদেরকে তাদের মোহর স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদান কর।” — (সূরা আন-নিসা: ৪) তাই স্ত্রী দুনিয়া থেকে চলে গেলেও তার এই হক কখনো নষ্ট হয় না। বরং এটি স্বামীর উপর ঋণ হিসেবে থেকে যায়, যা অবশ্যই আদায় করতে হবে। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দেনমোহরের হুকুম কী? স্ত্রী ইন্তেকাল করলে তার রেখে যাওয়া সম্পদ শরীয়ত অনুযায়ী বণ্টন করা হয়। এই বণ্টনের আগে কিছু ধাপ রয়েছে— ১- প্রথমে দাফন-কাফনের খরচ। ২- এরপর তার উপর থাকা সকল ঋণ পরিশোধ। ৩- তারপর ওসিয়ত (যদি থাকে) বাস্তবায়ন। ৪- সবশেষে অবশিষ্ট সম্পদ ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টন। এখানে দেনমোহরও একটি ঋণ, যা দ্বিতীয় ধাপেই পরিশোধ করতে হবে। কার কাছে দেনমোহর পরিশোধ করা হবে? স্ত্রী যেহেতু আর জীবিত নেই, তাই তার প্রাপ্য দেনমোহর তার ওয়ারিসদের (উত্তরাধিকারীদের) মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। যেমন— 👶 সন্তান থাকলে সন্তানদের 👵 পিতা-মাতা জীবিত থাকলে তাদের 👤 স্বামী নিজেও একজন ওয়ারিস অর্থাৎ, দেনমোহরের টাকা ওয়ারিসদের মাঝে শরীয়তের নিয়মে বণ্টন হবে। গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্বামী নিজেও স্ত্রীর সম্পদের ওয়ারিস। তাই স্বামী যখন দেনমোহর পরিশোধ করবে, তখন সেই সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে আবার কিছু অংশ স্বামীর কাছেই ফিরে আসতে পারে। 👉 কিন্তু মনে রাখতে হবে— ❗ প্রথমে দেনমোহর পরিশোধ করা ফরজ, এরপরই মিরাস বণ্টন হবে। ঋণ আদায়ে অবহেলা কতটা ভয়াবহ? রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মুমিনের আত্মা তার ঋণের কারণে ঝুলন্ত থাকে, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়।” — (তিরমিযি) ফলো করো- জান্নাতি জীবন ক্যাপশনটি পড়া শেষ হলে সওয়াবের আশায় ক্যাপশনটি শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিও.. চিন্তা করুন! একজন মুমিনের আত্মাও ঋণের কারণে আটকে থাকতে পারে—তাহলে দেনমোহরের মতো গুরুত্বপূর্ণ হক অবহেলা করা কত বড় বিপদ! আমাদের করণীয়— ✔ দ্রুত দেনমোহর পরিশোধ করা ✔ স্ত্রীর হক আদায় করে নিজেকে দায়মুক্ত করা ✔ পরকালের জবাবদিহিতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল হক যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমীন। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করুন, যেন অন্যরাও সচেতন হতে পারে। 👉ফলো করো -🌿জান্নাতি জীবন🌿 আরও ইসলামিক কনটেন্টের জন্য। #sad #জান্নাতি_জীবন🌺 #Love #1millionviews #bangladeshtiktok * বন্ধু ও পরিবারকে শেয়ার করো – হতে পারে তুমি অজান্তেই তাদের সাহায্য করে দিচ্ছো।আমাদের সমাজে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে —স্ত্রী মারা গেলে দেনমোহর (মোহরানা) আর দিতে হয় না। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে এটি একটি মারাত্মক ভুল। দেনমোহর হলো স্ত্রীর প্রাপ্য অধিকার (হক), যা স্বামীর উপর ফরজ দায় হিসেবে থাকে। 📖 আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা নারীদেরকে তাদের মোহর স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদান কর।” — (সূরা আন-নিসা: ৪) তাই স্ত্রী দুনিয়া থেকে চলে গেলেও তার এই হক কখনো নষ্ট হয় না। বরং এটি স্বামীর উপর ঋণ হিসেবে থেকে যায়, যা অবশ্যই আদায় করতে হবে। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দেনমোহরের হুকুম কী? স্ত্রী ইন্তেকাল করলে তার রেখে যাওয়া সম্পদ শরীয়ত অনুযায়ী বণ্টন করা হয়। এই বণ্টনের আগে কিছু ধাপ রয়েছে— ১- প্রথমে দাফন-কাফনের খরচ। ২- এরপর তার উপর থাকা সকল ঋণ পরিশোধ। ৩- তারপর ওসিয়ত (যদি থাকে) বাস্তবায়ন। ৪- সবশেষে অবশিষ্ট সম্পদ ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টন। এখানে দেনমোহরও একটি ঋণ, যা দ্বিতীয় ধাপেই পরিশোধ করতে হবে। কার কাছে দেনমোহর পরিশোধ করা হবে? স্ত্রী যেহেতু আর জীবিত নেই, তাই তার প্রাপ্য দেনমোহর তার ওয়ারিসদের (উত্তরাধিকারীদের) মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। যেমন— 👶 সন্তান থাকলে সন্তানদের 👵 পিতা-মাতা জীবিত থাকলে তাদের 👤 স্বামী নিজেও একজন ওয়ারিস অর্থাৎ, দেনমোহরের টাকা ওয়ারিসদের মাঝে শরীয়তের নিয়মে বণ্টন হবে। গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্বামী নিজেও স্ত্রীর সম্পদের ওয়ারিস। তাই স্বামী যখন দেনমোহর পরিশোধ করবে, তখন সেই সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে আবার কিছু অংশ স্বামীর কাছেই ফিরে আসতে পারে। 👉 কিন্তু মনে রাখতে হবে— ❗ প্রথমে দেনমোহর পরিশোধ করা ফরজ, এরপরই মিরাস বণ্টন হবে। ঋণ আদায়ে অবহেলা কতটা ভয়াবহ? রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মুমিনের আত্মা তার ঋণের কারণে ঝুলন্ত থাকে, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়।” — (তিরমিযি) চিন্তা করুন! একজন মুমিনের আত্মাও ঋণের কারণে আটকে থাকতে পারে—তাহলে দেনমোহরের মতো গুরুত্বপূর্ণ হক অবহেলা করা কত বড় বিপদ! আমাদের করণীয়— ✔ দ্রুত দেনমোহর পরিশোধ করা ✔ স্ত্রীর হক আদায় করে নিজেকে দায়মুক্ত করা ✔ পরকালের জবাবদিহিতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল হক যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমীন। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করুন, যেন অন্যরাও সচেতন হতে পারে।

About