@cenub_grup: Danışdırmaram Amma Kömək edərəm 😔 #tiktio #trend #kesfet #dunya #tiktok

Murad Abbasov
Murad Abbasov
Open In TikTok:
Region: AZ
Tuesday 23 June 2026 08:50:47 GMT
35490
1889
180
93

Music

Download

Comments

leya_m26
ⓁⓔⓨⓐⓂ :
Mende elə bir urey varki tez pis oluram ve kömək edərdim əlimdən gəldiyi qədər 🥺
2026-06-23 19:19:25
16
ehval_ruhuyye
Elvin. İbrahimli🎙️🎙️🎙️ :
Musiqidən danışan yox dur
2026-06-27 05:13:30
2
meliss.kuskunww.com
MELİSS009 :
Beli ederem👍🥰
2026-06-23 09:07:46
17
aysuaysu007
Aysu :
allaha.xatir.edrrdim
2026-06-26 05:28:26
6
_ureyim___
.ürəyim.💔. :
HƏ. ÇÜNKİ O MƏNİM SEVDİYIMDİ MƏN ONUN YOX😒
2026-06-29 13:17:26
4
ayka1710091989
Ayka 17 :
SAGLIGILA BAGLI OLSA EDERDIM AMMA BASQA HEC NEDE ETMEZDIM
2026-06-24 06:09:40
9
tenha__qadin_1984
Yarali urek :
Mende bir vaxlar möhtaçeydim ona kömeyini ğördümü heç vaxt 😔😔😔
2026-06-23 15:59:33
12
m.minamina
heyat hekayem :
bir omur boyu hallaliq vermerem komek nedi ona kinim soymaz 😔
2026-06-26 04:39:44
7
ilhame.eliyeva18
totu :
elbetde saatin ferqi olmaz herzaman komeyine catdiraram ozumu
2026-06-23 21:28:57
12
mnasz.hyat.022
mənasız həyat 022 :
baxır nəyə kömək etmək lazımdı insanlıq naminə hə amma sevgi naminə yox
2026-06-24 04:24:12
4
rahimqurbanov8
Bine Savxoz :
Oldu amma istedim kömək edim soyumuş ureyim imkan vermədi.
2026-06-28 06:58:37
3
ulvizulfiqarli
ulvizulfiqarli515 :
her kes bir cumle yazb etmerem ve ya qelbmi qiran birsn neden edm...ama dodaqda deylen sozlerdi ya nece urekden geleni dusunesen..axi sevdiyndi.. ya idi..eminem ki her kes qirilsada seven insan sevdyni darda qoymaz ..allah her kese bele bir heyatin qarsilamag nesib etmesn..
2026-06-24 18:09:45
3
babaw_75
BABAŞ. KLARNET. MASALLI. :
Bəh bəh maşallah
2026-06-23 09:35:17
2
davud.ehmedov6
Davud Ehmedov :
Hə.
2026-06-24 03:50:19
1
ramilseferov2
Ramil Seferov :
hec bir vaxt
2026-06-25 20:16:31
1
cemiyyetahmedov
Cemiyyetahmedov :
Bəli. Çox illər kecməsədə köməyinə çatardım.
2026-06-25 21:26:39
1
habil.57_57
HABİL 5757 :
mende ona çox ehtiyacım olub hec gelibmiiki😔😔
2026-06-24 03:33:29
1
user40070849091133
244 :
Хе
2026-06-24 07:08:01
1
rafet.rasimoglu
Rafet.Rasimoğlu.Official :
can abim balsanda bal❤️🤝🥰
2026-06-23 09:33:42
3
cavid_934
cavid_93 :
heç vaxt elemerem ölene kimi heç vaxt baqişlamaram Allaha aciq getmesin Allah onu baqişlasada men onu heçvaxt baqişlamiyacam
2026-06-27 19:43:41
1
ehtiram_33
SƏNİ YAZDlM ŞAİRLERİN SƏTRİNƏ :
heç vaxt olada bilməz and olsun ALLAHA
2026-06-23 18:23:10
2
by_cenab_aksin
❤️CƏNAB AKŞİN❤️ :
Bəli Çünkü köməyi onun özünə görə yox Allaha görə edərəm
2026-06-26 17:02:17
3
hesen2100
Hesen 4444 :
Super qardaş 👍👍👍👍
2026-06-23 09:08:18
2
usta_qerib
usda qərib masalli :
dogru desəm ,mən etmərəm,mənim qəlbim uşaq oyuncagi deyil
2026-06-23 18:28:11
4
aliye.s.oo
aliye.s.oo :
Xeyir etməzdim niye suval yaranır ki edməzdim vaxtıyla menimde ona cox etyacım varidi ele seyler var ki sevsən belə bagşlamaq olmur vllah kim nece başa düşür düşsün bu menim fkrimdi
2026-06-25 13:33:39
2
To see more videos from user @cenub_grup, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সিফাত! রায়পুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের পড়াশোনার পাশাপাশি মাত্র ৮ হাজার টাকা বেতনে একটা  চাকরি করে। সিফাতদের বাড়ি কুমিল্লায়। কিন্তু  প্রায় এক দশক আগে বাবার সাথে লক্ষ্মীপুরে চলে এসেছিলো।   বাবা কামাল হোসেন ছিলেন হকার। হাড়ি-পাতিল ফেরি করে বেড়াতেন।  ২০১৯ সালের এক বৃষ্টিভেজা দিনে ফেরি করতে গিয়েই অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পর্শে মা* যান কামাল হোসেন।  এরপর  মা শাহিনুর বেগম একা হাতে সন্তানদের আগলে রাখেন। বাবার অভাব বুঝতে না দিয়ে বড় করতে থাকেন সায়মা, ইকরা, সিফাত আর ছোট্ট শিফাকে। ২৫ জুন সিফাত বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন কাজের উদ্দেশ্যে। তখনো সে জানতো না, এটাই তার মায়ের হাতের শেষ খাবার খাওয়া বা বোনদের শেষবারের মতো দেখা। তার যাওয়ার পরই  ওই বাড়িতে হাজির হয় অন্তর মজুমদার। পেশায় ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা এই অন্তর কিন্তু ওই বাড়িরই সাবেক ভাড়াটিয়া ছিলো। প্রায় ৭-৮ মাস আগে সে বাসা ছেড়ে চলে যায়। ​সকাল সকাল অন্তরকে ওই বাড়িতে ঢুকতে দেখে খটকা লেগেছিলো পাশের বাসার রাণী নামের এক প্রতিবেশীর। তিনি ডেকে জিজ্ঞেসও করেছিলেন,
সিফাত! রায়পুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের পড়াশোনার পাশাপাশি মাত্র ৮ হাজার টাকা বেতনে একটা চাকরি করে। সিফাতদের বাড়ি কুমিল্লায়। কিন্তু প্রায় এক দশক আগে বাবার সাথে লক্ষ্মীপুরে চলে এসেছিলো। বাবা কামাল হোসেন ছিলেন হকার। হাড়ি-পাতিল ফেরি করে বেড়াতেন। ২০১৯ সালের এক বৃষ্টিভেজা দিনে ফেরি করতে গিয়েই অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পর্শে মা* যান কামাল হোসেন। এরপর মা শাহিনুর বেগম একা হাতে সন্তানদের আগলে রাখেন। বাবার অভাব বুঝতে না দিয়ে বড় করতে থাকেন সায়মা, ইকরা, সিফাত আর ছোট্ট শিফাকে। ২৫ জুন সিফাত বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন কাজের উদ্দেশ্যে। তখনো সে জানতো না, এটাই তার মায়ের হাতের শেষ খাবার খাওয়া বা বোনদের শেষবারের মতো দেখা। তার যাওয়ার পরই ওই বাড়িতে হাজির হয় অন্তর মজুমদার। পেশায় ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা এই অন্তর কিন্তু ওই বাড়িরই সাবেক ভাড়াটিয়া ছিলো। প্রায় ৭-৮ মাস আগে সে বাসা ছেড়ে চলে যায়। ​সকাল সকাল অন্তরকে ওই বাড়িতে ঢুকতে দেখে খটকা লেগেছিলো পাশের বাসার রাণী নামের এক প্রতিবেশীর। তিনি ডেকে জিজ্ঞেসও করেছিলেন, "কী ব্যাপার অন্তর? এত সকালে এখানে কী?" ​অন্তর মুখে হাসি ঝুলিয়ে জবাব দেয়, "আরে দিদি, ঘরের পানির পাইপটা নষ্ট হয়ে গেছে, ওটাই ঠিক করতে আসছি।" ​ব্যস! এই পানির পাইপ ঠিক করার ছুতোটাই ছিলো মূলত একটা ট্র্যাপ। ভেতরে তখন মা শাহিনুর আর তিন বোন একলা। রাণী নামের ওই প্রতিবেশী কিন্তু অন্তরের মুখের কথা পুরোপুরি বিশ্বাস করেন নি। তিনি বুদ্ধি করে চুপিচুপি বাইরে থেকে ভেতরের কলাপসিবল গেটটা লক করে দেন এবং আশপাশের লোকজনকে ডাকতে ছোটেন। আর ঠিক এই সময়টুকুর মধ্যেই ভেতরে যা ঘটে গেল, তা কোনো সুস্থ মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না। ভেতরে ঢুকেই অন্তর একে একে কো*****তে থাকে মা শাহিনুর, বড় বোন সায়মা, মেজো বোন ইকরা আর ছোট্ট শিফাকে। ঘরজুড়ে তখন র***এর বন্যা, গো* ঙা*; নির আওয়াজ। ওই কলাপসিবল গেটটা লক না থাকলে হয়তো খু** অন্তর কাজ শেষে চুপচাপ পালিয়ে যেতে পারত। কিন্তু রাণী গেট আটকে দেওয়ায় সে ঘরের ভিতরে আটকে পড়ে। ​ততক্ষণে এলাকার লোক জড়ো হয়ে গেছে। গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই সবার চোখ চড়কগাছ! চারদিকে চারটি নি' থ' র দে// হ, আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে পি' শা' চ অন্তর। উত্তেজিত জনতা আর নিজেদের ধরে রাখতে পারেনি। গণপি* টু* নি* তে ঘটনাস্থলেই আধ ম** করে ফেলে সেই ঘাতককে। ​খবর পেয়ে যখন সিফাত বাড়ি ফিরলেন, তখন তার সাজানো সংসারে লা** কা** ঘরের নিস্তব্ধতা। যেখানে বোনদের হাসির আওয়াজ থাকার কথা, সেখানে এখন পুলিশের আনাগোনা আর প্রতিবেশীদের কান্নার রোল। ​"আমার মা, বোনদের কী অপরাধ ছিলো? কেন ওদের এভাবে শেষ করে দেওয়া হলো? এই দুনিয়ায় তো এখন আমার আর কেউ নেই... ও মা গো রে! তুমি কই গেলা!! কি হলো তোমার!!" ​হাউমাউ করে কেঁদে ওঠা সিফাতের এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো ক্ষমতা হয়তো কারোর নেই। কোথাও এখন তার আপন বলতে কোনো ছায়া অবশিষ্ট নেই।🙂 ​পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, খু** অন্তর আগে এখানে থাকায় পূর্বপরিচিত ছিলো, সেই সুযোগেই সে ভেতরে ঢোকে। তবে এই হ****কাণ্ডের পেছনের আসল রহস্য কী, তা এখনো পুরোপুরি কুয়াশাচ্ছন্ন। ​পৃথিবীতে সবচেয়ে একা মানুষ এখন এই ছোট্ট সিফাত! আহ জীবন! 🙂 #fifaworldcup #1millionviews #foryoupage #Tiktok #foryou

About