@mommyfebb_: My fave tea!!! ✨🌱 #paragisbychefaybs #chefaybsparagis Disclaimer: Sharing my personal experience only. with regular use, healthy lifestyle, consult your health care professional.

mommyfebb_
mommyfebb_
Open In TikTok:
Region: PH
Thursday 25 June 2026 12:57:24 GMT
893
5
1
1

Music

Download

Comments

ebyang303
Momma Eve 2.0💜 :
🥰🥰🥰
2026-06-27 13:16:47
0
To see more videos from user @mommyfebb_, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos


"ত&ল"পেটে কি খুব বেশি ব্য&থা হচ্ছে?" জাংকুকের এই প্রশ্নটি শুনে YN যন্ত্রণার মাঝেও চমকে উঠলো। লজ্জায়, অপমানে আর আভিজাত্যের দম্ভের শেষ সম্বলটুকু আঁকড়ে ধরে সে মুখটা অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিলো। তীব্র বেদনায় তার কণ্ঠরোধ হয়ে আসছিলো। তবুও নিজের অহংকার বজায় রাখতে সে অবজ্ঞার সুরে বলে উঠলো "আমার যা ইচ্ছে হোক! আমার ভালো-মন্দ দিয়ে আপনার কী আসে যায়?" YN-এর রূঢ় আচরণেও জাংকুকের মুখাবয়বে কোনো ক্ষোভের প্রকাশ ঘটল না। জাংকুক বিছানার পাশে রাখা পানির গ্লাসটার দিকে হাত বাড়িয়ে নিয়ে শান্ত কণ্ঠে বললো "দুঃখিত YN! আপনার যা ইচ্ছে হোক, তা আমি চেয়ে চেয়ে দেখতে পারি না। আপনি আমার কাছে আপনার বাবার দেওয়া এক পবিত্র আমানত। তার চেয়েও বড় সত্য—আপনি আমার বিবাহিতা স্ত্রী। এই সত্যটা আপনি মনেপ্রাণে মানলেও সত্যি, আর না মানলেও সত্যি। আমাদের মধ্যকার এই বৈবাহিক দূরত্ব আল্লাহর দেওয়া পবিত্র বন্ধনকে তো আর মিথ্যে প্রমাণ করে দিতে পারে না।" জাংকুকের মুখে এরকম কথা শুনে YN-এর সমস্ত যুক্তি আর অহংকার যেন এক নিমেষে স্তব্ধ হয়ে গেলো। সে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইল এই সরল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষটির দিকে। জাংকুক আর কোনো বাকবিতণ্ডায় জড়ালো না। সে উঠে ঘর থেকে বের হয়ে গেলো। কিছুক্ষণ পর সে রান্নাঘর থেকে একটা পাত্রে হালকা গরম পানি আর পরিষ্কার সুতি কাপড় নিয়ে পুনরায় ঘরে প্রবেশ করলো। বিছানার এক কোণে বসে সে বললো "কাপড়টা দিয়ে ত"ল"পেটে গরম সেঁক দেন। আশা করি ভালো লাগবে।" YN বেশ খানিকটা অবাক হলো। YN ভেবেছিল, জাংকুক হয়তো তাঁর এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তার স্প**র্শ পাওয়ার চেষ্টা করবে, পু*রু"ষালি অধিকার খাটানোর মেকি বাহানায় তার সা**ন্নিধ্যে আসবে। কিন্তু জাংকুক তা করলো না। তার এই আচরণে কোনো কামনার লেশ ছিল না, ছিল না কোনো হীন উদ্দেশ্য; ছিল কেবল এক সুগভীর সম্মান আর দায়িত্ববোধ। YN-এর চোখের অশ্রু যেন আরও তীব্র বেগে প্রবাহিত হতে লাগল। সে কাঁপতে কাঁপতে নিজের হাতে উষ্ণ কাপড়টি তলপে*টের ওপর চে"পে ধরতেই এক পরম আরামদায়ক অনুভূতি তার শরীরে ছড়িয়ে পড়লো। কিন্তু তার চেয়েও বড় প্রশান্তি ছড়ালো তার মনে। এই পুরুষটি তো তবে সেই কাঙ্ক্ষিত পুরুষ, যার কাল্পনিক রূপ সে নিজের শৈশব-কৈশোরের স্বপ্নজুড়ে এঁকেছিল—যে তাকে বিপদে আগলে রাখবে, যার পৌরুষে থাকবে এক দুর্ভেদ্য আত্মমর্যাদা আর নারীর প্রতি পরম শ্রদ্ধা। অথচ কী নির্মম এই ভাগ্য! এই আদর্শ পুরুষটির হাতে কোনো বিত্ত-বৈভব নেই, নেই কোনো সুউচ্চ প্রাসাদের জৌলুস। সে একজন অতি সাধারণ মাছ চাষী ও খামারি—যার জীবিকা আবর্তিত হয় বেশ কষ্টে।আভিজাত্যের যে মেকি সোনার শিকল YN নিজের পায়ে জড়িয়ে রেখেছে, সেই শিকল তাকে এই পরম প্রাপ্তিকে মনেপ্রাণে আপন করে নিতে বাধা দিচ্ছে। জাংকুকের এই রিক্ততা, এই চরম দারিদ্র্যই YN-কে তার অর্ধাঙ্গিনী হতে দিচ্ছে না। YN এর সেঁক দেওয়া শেষ হলে জাংকুক আলমারি থেকে একটা ব্য"থানাশক বড়ি বের করে YN-এর ওষ্ঠাধরের কাছে ধরলো এবং পানির গ্লাসটি বাড়িয়ে দিয়ে নিস্পৃহ কণ্ঠে আওড়ালো "ঔষধটা খেয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর ব্যথাটা কমে আসবে।" YN কাঁপতে কাঁপতে ঔষধটা মুখে দিয়ে পানিটুকু গিলে নিলো। জাংকুক শূন্য গ্লাসটি টেবিলের ওপর রেখে YN-এর গা"য়ের চাদরটি টেনে তার গলা পর্যন্ত সুন্দর করে ঢেকে দিলো। YN তখনো অশ্রুসজল চোখে অপলক দৃষ্টিতে জাংকুকের দিকে চেয়ে রইলো। পরদিন--জাংকুক প্রতিদিনের মতোই খুব ভোরেই ঘুম থেকে উঠে পড়লো। মেঝের ওপর বিছানো মাদুরটি পরিপাটি করে গুছিয়ে রেখে সে একবার বিছানার দিকে চাইলো। YN তখনো গভীর ঘুমে মগ্ন; ঔষধের প্রভাবে এবং ত"ল"পেটের যন্ত্রণা উপশম হওয়ায় তার মুখমণ্ডলে এখন প্রশান্তি বয়ে যাচ্ছে। জাংকুক নিঃশব্দে ঘর থেকে বের হয়ে কুয়ার কাছে গিয়ে মেসওয়াক করে মুখমণ্ডল ধুয়ে নিলো। তারপর রান্নাঘরে গেলো। নিজের হাতে ভাত রান্না করলো।বাড়ির অন্যদের জন্য আলু ভর্তা, ডাল আর YN এর জন্য ডিম ভুনা রেঁধে ঢাকা দিয়ে রাখলো। এরপর মাকে ডেকে বিদায় জানিয়ে কাঁধে গামছা আর হাতে কাস্তে নিয়ে সে খামারের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলো। বেলা ১২টায় YN-এর ঘুম ভাঙলো। সে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালো। রাতের তলপেটের ব্যথাটা অনেকটাই কমে এসেছে। ঘরের বাইরে আসতেই জোহরা বেগম সস্নেহে তাকে ডেকে বললেন "শ"রীরটা এখন কেমন ঠেকতাছে? বাজান বললো তোমার শ"রীরটা ভালো না। ভোরে উইঠাই তোমার লাইগা ভাত আর ডিম ভুনা রাইন্ধা গেছে। আজকের সকাল আর দুপুরডা মোটা চালের ভাত খাও। বাজান খামার থেইকা আসার সময় তোমার লাইগা চিকন চাল নিয়া আসবো‌।" YN চুপচাপ জোহরা বেগমের সব কথা শুনলো। বিনিময়ে কোনো প্রতি উত্তর সে করলো না। খাওয়াদাওয়া শেষে নিজের মনের অস্থিরতা কাটাতে YN দীর্ঘ সময় পর আজ বাড়ির আঙিনায় এসে দাঁড়ালো। বাহিরে তখন বেশ কিছুটা জোরেই ঝড়ো হাওয়া বইছে। যা YN এর অশান্ত মনকে বেশ অনেকটা শান্ত করে ফেললো। . . চলবে..! ✿─হৃদয়জুড়ে প্রেয়সী─✿ (Part:14) #fyppppppppppppppppppppppp #foryou #afruxfictionworld #jkff #viral

About