@md.karagar.908: ২৮ অক্টোবর ২০২৩। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার-২। আমাদের পাশের ওয়ার্ডেই ছিলেন এই প্রিয় দুই ব্যতি আমিরে জামায়াতের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো, রফিকুল ইস মাদানীরও দেখা পেলাম, তারপর ঢাকা উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন ভাই সহ কত বড় বড় নেতার সঙ্গে একই বিল্ডিংয়ে ছিলাম! তবে মনের মধ্য যে সারাক্ষণ হাহাকার করত—আহ! যদি মামুনুল হক-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারতাম! যদি আমির হামজা-র সঙ্গে দেখা হতো! যদি তরা আমাদের “ঢাকা কাশিমপুর কেন্দ্রীয়কারাগার-২" যদি২ নং-এ থাকতেন! এই আবেগ... এই অনুভূতিগুলো বাইরের মানুষ কখনোই বুঝবে না। কারাগারে একবার সাক্ষাৎ করা আর বাইরে ১০০বার সাক্ষাৎ করা-আমার মনে হয় সমান হবে না। এই আবেগগুলো। একমাত্র কারাগারের মানুষ গুলোই বুঝতেপারবে। তবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্মৃতিগুলোর একটি ছিল-আমি কারাগারের খাবার খেতে পারতাম না। আর আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এবং ঢাকা উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন ভাই আমাকে মজা করে 'স্বাস্থ্যমন্ত্রী' উপাধি দিয়েছিলেন। পরে পুরো জেলখানায় সবাই আমাকে এই নামেই ডাকত। এটা ছিল জীবনের সেরা একটি বিষয়। (মাঝে যাঝে মনে হয়, কারাগারের সিসিটিভির ফুটেজগুলো যদি স্মৃতি হিসেবে একবার পেতাম.! মাঝে যাঝে স্মৃতিময় মুহূর্তগুলো হাত দিয়ে ক্যামেরা বানিয়ে সবার সাথে ছবি তোলার অভিনয় করতাম।) #bangladesh🇧🇩 #ত্যাগের_প্রেরণা #বাংলাদেশজামায়াতেইসলামী