এখানে একটু সংশোধন করা দরকার। হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ নিজে জবর-যের-পেশ আবিষ্কার করেননি।
তার সময়ে কুরআনের লেখা ও পাঠে ভুল কমানোর জন্য নুকতা ও স্বরচিহ্নের ব্যবস্থা আরও উন্নত ও ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হয়। ঐতিহাসিক বর্ণনায় তাঁর নির্দেশে নাসর ইবনু আসিম (রহ.) ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়ামার (রহ.)-কে এ কাজে নিযুক্ত করার কথা পাওয়া যায়।
আর বর্তমান জবর-যের-পেশের চিহ্নগুলোকে সুসংগঠিত করার কৃতিত্ব সাধারণত খলীল ইবনু আহমদ (রহ.)-এর দিকে দেওয়া হয়।
অর্থাৎ সহজভাবে: হাজ্জাজ → কুরআনের লিখন/চিহ্ন ব্যবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা
খলীল ইবনু আহমদ → বর্তমান স্বরচিহ্নের (জবর-যের-পেশ) রূপ প্রবর্তন/বিন্যাস।