@mchemwa.the.great: bado dawasco itakata dunia nzima

mchemwa the great
mchemwa the great
Open In TikTok:
Region: TZ
Sunday 28 June 2026 08:50:38 GMT
209
23
0
2

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @mchemwa.the.great, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ফুটবলের কাছে একটা মানুষের কিই বা চাওয়া থাকতে পারে? ন্যাশনাল টিমের হয়ে শেষ ম্যাচে আজকে গোলপোস্ট জড়িয়ে কাঁদছিলো ওচোয়া। নিজের দেশের হয়ে যেখান থেকে শুরু করেছিলো ঠিক সেখানেই যেনো শেষটা হলো ওচোয়ার। ২০০৪ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সে আজতেকা স্টেডিয়ামে প্রোফেশনাল ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল মেমো ওচোয়ার। সেই গোলপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে শুরু হয়েছিল এক স্বপ্নের যাত্রা। ২০২৬ সালে, প্রায় ৪১ বছর বয়সে, একই আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ খেলতে নেমে হয়তো নিজের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটিও খেলে ফেললেন তিনি। অবিশ্বাস্য ব্যাপার হলো, অভিষেক আর বিদায়ের মাঝখানে বদলায়নি সেই গোলপোস্টও। যেন যেখানে গল্পের শুরু, সেখানেই শেষ অধ্যায়। আজ চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন না ওচোয়া। মেক্সিকো তখন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে ফেলেছে। গ্যালারিতে তখন একটাই ধ্বনি, “ওচোয়া! ওচোয়া!” ৭৭ মিনিটে যখন তাকে মাঠে নামানো হলো, পুরো আজতেকা যেন দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানাল একজন কিংবদন্তিকে। শুধু মেক্সিকান সমর্থকরাই নন, চেক রিপাবলিকের বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়রাও ওয়ার্ম আপ থামিয়ে হাততালি দিতে শুরু করেছিলেন। মাত্র কয়েক মিনিট খেলেও নিজের ছাপ রেখে গেছেন তিনি। তার একটি দারুণ পাস থেকেই তৈরি হয়েছিল মেক্সিকোর তৃতীয় গোলের আক্রমণ। মেক্সিকোর বিশ্বকাপ মানেই ওচোয়ার গল্প। ২০১৪ সালে ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই অবিশ্বাস্য ৬ সেভ, ২০১৮ সালে জার্মানির বিপক্ষে ৯ সেভ করে ঐতিহাসিক জয়, আর সব মিলিয়ে ছয়টি বিশ্বকাপের অংশ হওয়া। এমন ক্যারিয়ার খুব কম ফুটবলারই গড়তে পারেন। শেষ বাঁশি বাজতেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছিলেন আজতেকার ঘাসে। পাশে পরিবার, সতীর্থরা, আর চারপাশে হাজারো মানুষের ভালোবাসা। ওই অশ্রু ছিল না বিদায়ের কষ্টের। ওই অশ্রু ছিল এমন একজনের, যে জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ করেছে। নিজের দেশে, নিজের স্টেডিয়ামে, বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। বিশ্বকাপ ফুটবল আপনাকে সবসময় মনে রাখবে ওচোয়া। থ্যাংক ইউ।
ফুটবলের কাছে একটা মানুষের কিই বা চাওয়া থাকতে পারে? ন্যাশনাল টিমের হয়ে শেষ ম্যাচে আজকে গোলপোস্ট জড়িয়ে কাঁদছিলো ওচোয়া। নিজের দেশের হয়ে যেখান থেকে শুরু করেছিলো ঠিক সেখানেই যেনো শেষটা হলো ওচোয়ার। ২০০৪ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সে আজতেকা স্টেডিয়ামে প্রোফেশনাল ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল মেমো ওচোয়ার। সেই গোলপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে শুরু হয়েছিল এক স্বপ্নের যাত্রা। ২০২৬ সালে, প্রায় ৪১ বছর বয়সে, একই আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ খেলতে নেমে হয়তো নিজের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটিও খেলে ফেললেন তিনি। অবিশ্বাস্য ব্যাপার হলো, অভিষেক আর বিদায়ের মাঝখানে বদলায়নি সেই গোলপোস্টও। যেন যেখানে গল্পের শুরু, সেখানেই শেষ অধ্যায়। আজ চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন না ওচোয়া। মেক্সিকো তখন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে ফেলেছে। গ্যালারিতে তখন একটাই ধ্বনি, “ওচোয়া! ওচোয়া!” ৭৭ মিনিটে যখন তাকে মাঠে নামানো হলো, পুরো আজতেকা যেন দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানাল একজন কিংবদন্তিকে। শুধু মেক্সিকান সমর্থকরাই নন, চেক রিপাবলিকের বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়রাও ওয়ার্ম আপ থামিয়ে হাততালি দিতে শুরু করেছিলেন। মাত্র কয়েক মিনিট খেলেও নিজের ছাপ রেখে গেছেন তিনি। তার একটি দারুণ পাস থেকেই তৈরি হয়েছিল মেক্সিকোর তৃতীয় গোলের আক্রমণ। মেক্সিকোর বিশ্বকাপ মানেই ওচোয়ার গল্প। ২০১৪ সালে ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই অবিশ্বাস্য ৬ সেভ, ২০১৮ সালে জার্মানির বিপক্ষে ৯ সেভ করে ঐতিহাসিক জয়, আর সব মিলিয়ে ছয়টি বিশ্বকাপের অংশ হওয়া। এমন ক্যারিয়ার খুব কম ফুটবলারই গড়তে পারেন। শেষ বাঁশি বাজতেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছিলেন আজতেকার ঘাসে। পাশে পরিবার, সতীর্থরা, আর চারপাশে হাজারো মানুষের ভালোবাসা। ওই অশ্রু ছিল না বিদায়ের কষ্টের। ওই অশ্রু ছিল এমন একজনের, যে জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ করেছে। নিজের দেশে, নিজের স্টেডিয়ামে, বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। বিশ্বকাপ ফুটবল আপনাকে সবসময় মনে রাখবে ওচোয়া। থ্যাংক ইউ।

About