@hoaithu_96_review: - Sự kết hợp mới lạ 😋😋 #banhmisaygion #banhmicaramel #banhmicaramelmuoibien #anvat #vairalvideo

Hoài Thu
Hoài Thu
Open In TikTok:
Region: VN
Sunday 28 June 2026 10:02:16 GMT
975
5
3
1

Music

Download

Comments

bobaby_shop
Mẹ Bo đang cố gắng :
Ngon lắm luon
2026-06-28 10:19:20
0
changgne68
Changg Nè🪴 :
Giòn rụm luôn
2026-06-28 12:36:46
0
dollyiureview
Dolly ˚.🎀༘⋆ :
Ăn ngon cuốn lắm nhaa
2026-06-28 10:11:39
0
To see more videos from user @hoaithu_96_review, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

যার হাতের লেখা জড়িয়ে আছে কাবার গায়ে মক্কার মসজিদুল হারামে তখন কুরআনের হালকা বসত। ছোট্ট একটা ছেলে প্রতিদিন আসত, বসত, পড়ত। মাত্র ৯ মাসে পুরো কুরআন মুখস্থ করে ফেলল সে। নাম তার মুখতার আলাম। পুরো নাম — মুখতার আলাম মুফিজুর রহমান মুহাম্মদ ইসমাইল শকদার। নামটা শুনলেই বোঝা যায়, শেকড় বাংলাদেশে। কিন্তু জন্ম ও বেড়ে ওঠা মক্কায়। মক্কাই তাকে গড়েছে, আর সে মক্কার সেবায় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। কিন্তু মুখতারের গল্প শুধু হিফজেই থামেনি। একদিন মসজিদের একজন সঙ্গী তাকে বলল,
যার হাতের লেখা জড়িয়ে আছে কাবার গায়ে মক্কার মসজিদুল হারামে তখন কুরআনের হালকা বসত। ছোট্ট একটা ছেলে প্রতিদিন আসত, বসত, পড়ত। মাত্র ৯ মাসে পুরো কুরআন মুখস্থ করে ফেলল সে। নাম তার মুখতার আলাম। পুরো নাম — মুখতার আলাম মুফিজুর রহমান মুহাম্মদ ইসমাইল শকদার। নামটা শুনলেই বোঝা যায়, শেকড় বাংলাদেশে। কিন্তু জন্ম ও বেড়ে ওঠা মক্কায়। মক্কাই তাকে গড়েছে, আর সে মক্কার সেবায় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। কিন্তু মুখতারের গল্প শুধু হিফজেই থামেনি। একদিন মসজিদের একজন সঙ্গী তাকে বলল, "ভাই, এখানে তো ক্যালিগ্রাফিরও হালকা হয়। কুরআনে তুমি এত ভালো, হয়তো লেখাতেও ভালো হবে।" কথাটা মাথায় ঢুকে গেল মুখতারের। সেদিন থেকে শুরু হলো আরেক সাধনা। মসজিদুল হারামে টানা ২০ বছরেরও বেশি সময় ক্যালিগ্রাফি শিখলেন ও শেখালেন। তারপর উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেন আর্ট এডুকেশন বিভাগে, সেখান থেকে গ্র্যাজুয়েশন। এরপর আরবি ক্যালিগ্রাফিতে মাস্টার্স। পাঁচ বছর সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়ালেন। সাধনা রঙ দেখাতে শুরু করল। তুরস্কে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক আরবি ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতায় প্রথমবার অংশ নিয়েই পুরস্কার জিতলেন। এরপর একের পর এক আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁর নাম উঠতে লাগল। তারপর এলো সেই দিন। জেদ্দার একজন বিখ্যাত খোশনবিশ একদিন বললেন, "তোমার মতো হাত নষ্ট করো না, কাবার কিসওয়া ফ্যাক্টরিতে আবেদন করো।" মুখতার বললেন, "কিন্তু আমি কাউকে চিনি না, পথও জানি না।" ওই ওস্তাদই পথ দেখালেন। নিজের কাজের নমুনা নিয়ে গেলেন মুখতার। কর্তৃপক্ষ দেখেই মুগ্ধ হলো। পরীক্ষা দিলেন, পাস করলেন, নিয়োগ হয়ে গেল। সেটা ছিল ১৪২৩ হিজরি। সেদিন থেকে আজও তাঁর হাতের লেখা প্রতি বছর কাবার গায়ে জড়িয়ে যায়। এই মানুষকে মক্কার খোশনবিশদের শায়েখ বলা হয়। ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের সাধনা। তাঁর হাতে তৈরি হয়েছেন এমন অসংখ্য শিষ্য, যারা আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এত কিছুর পর এলো সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি। বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে সৌদি নাগরিকত্ব দান করলেন। মুখতার আলাম বললেন, "এটা আল্লাহর ফজল। এর মধ্যে আমার কোনো কৃতিত্ব নেই। আমার চেয়ে ভালো খোশনবিশ অনেক আছেন। কিন্তু এটা আল্লাহ আমার উপর করুণা করেছেন। আর সবচেয়ে বড় কারণ — আমার বাবা-মার দোয়া।" তবে একটা কথা অনেকেই জানেন না — গিলাফে প্রতি বছর নতুন করে লেখা হয় না। একবার লেখা হলে সেটা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা থাকে, ছাঁচ বানানো হয়, সেখান থেকেই প্রিন্ট হয়। শুধু কোনো পরিবর্তন দরকার হলে তখন নতুন করে লেখা হয়। আর এই গিলাফ বানাতে লাগে ৬৭০ কেজি বিশুদ্ধ কালো রেশম, ইতালি থেকে আনা। ১২০ কেজি খাঁটি সোনা। ১০০ কেজি রুপা। ৪৭টি কাপড়ের টুকরো, প্রতিটি ৯৮ সেন্টিমিটার চওড়া। খরচ প্রতি বছর ২২ থেকে ২৫ মিলিয়ন রিয়াল। এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে দামি পোশাক। আর সেই পোশাকের গায়ে যার হাতের লেখা — সে একদিন নিজেই ভাবেনি এই দিন আসবে। #ইসলামিক #কাবা #প্রবাসি #মক্কা #মদিনা

About