@kimly.waifu: Cảnh đẹp, Waifu xinh, nhưng có ai để ý thấy 'bóng người' nhỏ xíu ở phía xa không | #songlyrics #animeedit #gfx #waifu #kimurii

ੈ✩‧₊˚ 𝓚𝓲𝓶𝓾𝓻𝓲𝓲 ˚₊‧✩ੈ☘️
ੈ✩‧₊˚ 𝓚𝓲𝓶𝓾𝓻𝓲𝓲 ˚₊‧✩ੈ☘️
Open In TikTok:
Region: VN
Sunday 28 June 2026 11:40:06 GMT
6526
584
57
173

Music

Download

Comments

toi.la.ha.duc.liem
️ :
thua siêu nhân đỏ🤫
2026-06-29 06:59:08
3
lphng6651
❓ :
2026-06-29 08:16:19
1
hmtucuto14
(*ᴗ͈ˬᴗ͈)ꕤɱɿՈҺ_੮ú*.゚ :
2026-06-29 07:55:29
1
lanhomai2k1
૮₍ ˃ ⤙ ˂ ₎ა Lạnh~ôm~aiᰔᩚ :
2026-06-29 07:27:42
1
witetoxicne
bảo k11 :
hay
2026-06-29 07:17:36
1
danien.2010
ZEISS | 🎶 :
chắc tốn nhiều hiệu ứng pro lắm
2026-06-29 01:46:53
1
vn.nguyn.ph.giao
🎶Yamaderalock,,🎼🎶 :
giùm rồi mà nhìn cũng ko rõ nữa
2026-06-28 11:50:09
1
25091989gt
Dat chu che :
2026-06-29 09:04:49
1
beibei055
LUFFY_WIBU :
bắt đầu thik coi clip bn r đó 🥰
2026-06-28 16:45:18
1
khng.bit3536
lốp xe xịn nhất :
2026-06-29 06:21:36
1
am910.com
AM910 con chim cơ bắp :
:0
2026-06-29 04:50:31
1
To see more videos from user @kimly.waifu, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

রাগী বস,,,, রোমান্টিক হাসবেন্ড,,,  part: 121 tae mom: সারা দিন কোথায় চিলে?? বাসার কথা একবারও মনে হয়নি?? সবাই তোমার জন্য চিন্তা করছে।।  tae: বাসায় আমার দম বন্ধ হয়ে আসে মা। আমি নিশ্বাস নিতে পারি না। জানো মা আমার অনেক কষ্ট হয়।  বলেই উপরে চলে গেলো tae। ছেলের এমন করুন অবস্থা দেখে tae এর মায়ের চোখ ছলছল করছে। চোখের পলক ফেললেই পানি গড়িয়ে পড়বে। Tae এর মা tae এর ফ্রেন্ডদের আসতে বললো।  তারা বলছে আমরা থাকতে আপনার চিন্তা করা লাগবে না আন্টি। একটু অপেক্ষা করুন আমরা সবাই চলে আসছি। তারপরে দেখবো tae কিভাবে মন খারাপ করে থাকে।  tae এর দরজা উপর এক প্রকার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। tae বিরক্ত হয়ে এসে দরজা খুলে দেয়ে রেগে কিছু বলতে যাবে। তার আগেই jimin বুকে ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে করতে বললো।  jimin: কিরে শালা শুনলাম তুই নাকি ছ্যাঁকা খাইছিস?? তাহলে একটা ব্রেক-আফ পাটি দিবি না।  tae চোখ বড় বড় করে jimin এর দিকে তাকিয়ে আছে।  tae: আমাকে জ্বালাস না তো। একা থাকতে দে।  jimin: আমরা থাকতে তুই শান্তিতে থাকবি?? এটাও আশা করিস tae?? শালাকে ধর! ওর একা থাকা বের করছি। পছা পানিতে নিয়ে গিয়ে ডুবিয়ে রেখে আসবো।  সবাই মিলে tae কে নিয়ে সুইমিং পুলে'র কাছে গেলো। সবাই গোল হয়ে tae গিরে ধরে বসে আছে। সব মিলে একটা গান ধরলো।  tae: প্লিজ তোরা গান বলিস না। যতটুকু বেঁচে আছি'। তোদের গান শুনলে এখনি হয়তো মরে যাবো।  jimin: তাহলে তুই একটা মিষ্টি মধুর গান ধর। এই Suga তোর গিটারটা tae এর হাতে দে। suga & tae এর হাতে গিটার দিলে tae সুর তুলে গান গাইতে শুরু করলো।  jimin: ধুর শালা রমন মরা গান গাইছিস কেনো? আমরা কি ছ্যাঁকা খাইছি নাকি?? যে দুঃখের গান শুনবো। tae & jimin কে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিলো। পরিবেশটা একদম নিস্তব্ধ হয়ে গেলো। সবার মাঝে পিনপিনে নিরবতা চলছে। tae এর আওয়াজ যতটুকু শুনা যাচ্ছে। tae এর কান্না দেখে jimin ও কান্না করে দিলো। ওদের কান্না দেখে suga আর j-hope ওদের জড়িয়ে ধরে চিৎকার করতে লাগলো। suga আর j-hope এর কান্না দেখে দুজনেই হেঁসে দিলো।  tae: সত্যি আমি অনেক ভাগ্যবান। তোদের মত বন্ধু পেয়েছি। যাদের কোনো কারণ ছাড়াই জড়িয়ধরে কান্না করা যায়। যাদের জীবনে Suho এর মত বিশ্বাস ঘাতক বন্ধু আছে। ঠিক তেমনি jimin, suga, j-hope ও আছে।  jimin: হয়েছে শালা আর গলাতে হবে না। এখন বল Suho এর সাথে কি হয়েছিলো?? দু'জন Girlfriend boyfriend এর মত চিলি। সারা দিন এক সাথে থাকতি। নিজে না খেয়ে অন্যাকে খাইয়ে দিতি। একজন আরেক জনকে না দেখলে পাগল হয়ে যেতি। কি এমন হলো শুনি। এতো গভীর ফ্রেন্ডশিপ নষ্ট করে ফেললি।  tae: Suho কে আমি নিজের ভাই মনে করতাম। কোনোদিন আলাদা চোখে দেখিনি। তারপরে Nancy এর সাথে আমার রিলেশন হলো। আমরা তিনজন সবসময় এক সাথে আড্ডা দিতাম। আস্তে আস্তে Suho কেমন যেনো পরিবর্তন হয়ে যেতে লাগলো।  আমি বুঝতাম তবু-ও সব কিছু জেনে চুপ করে থাকতাম। কিছু বললে ও যদি কষ্ট পায়। আচ্ছা Nancy না হয় দু-দিনের মেয়ে চিলো। কিন্তু Suho এর সাথে তো আমার ১৩ বছরের ফ্রেন্ডশিপ ছিলো'। ও আমার সাথে বেইমানি করতে পারলো কিভাবে??  jimin: কি করছিলো ও?? tae: তাহলে শুন Suho এর সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। ও কষ্ট পেয়েছে বলে। আমি ওর রাগ ভাঙানোর জন্য ওর বাসার উদ্দেশ্যে যাই। গিয়ে আমি যা দেখতে পাই।  তা দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না রে। আমি Nancy আর Suho কে আপত্তিকর অবস্তায় পেয়েছিলাম।  সেইদিন আমার পৃথিবীর সকল ভালোবাসার প্রতি বিশ্বাস উঠে গিয়েছিলো। আমি Nancy এর জন্য কষ্ট পাইনি রে। তবে খারাপ লেগেছিলো। কিন্তু যার জন্য কষ্ট পেয়েছি সে হলো Suho। আমাদের ১৩ বছরের ফ্রেন্ডশিপ ছিলো। ও কিভাবে পারলো আমার সাথে এতো বড় বেইমানি করতে?? ও Nancy কে ভালোবাসে আমাকে বলতে পারতো। বিনাবাক্য আমি Nancy কে দিয়ে দিতাম।  তারপরে কতদিন ওর সাথে দেখা হয় না। কথা হয় না।  আড্ডা দেওয়া হয় না। ঘুরা হয়না। সব মিলিয়ে আমার দম বন্ধ হয়ে আসার অবস্থা। ওর চিন্তায় আমি এক প্রকার In depression এ চলে গিয়েছিলাম। নিজেকে ঘর বন্দী করে ফেলছিলাম।  না-ও দিয়ে দিয়েছি পরের পার্ট।।😗😗 #fypシ゚viral🖤tiktok☆♡🦋myvideo #ff_lover #viraltiktok #viralvideo #foryou @TikTok 이벤트 공식 계정
রাগী বস,,,, রোমান্টিক হাসবেন্ড,,, part: 121 tae mom: সারা দিন কোথায় চিলে?? বাসার কথা একবারও মনে হয়নি?? সবাই তোমার জন্য চিন্তা করছে।। tae: বাসায় আমার দম বন্ধ হয়ে আসে মা। আমি নিশ্বাস নিতে পারি না। জানো মা আমার অনেক কষ্ট হয়। বলেই উপরে চলে গেলো tae। ছেলের এমন করুন অবস্থা দেখে tae এর মায়ের চোখ ছলছল করছে। চোখের পলক ফেললেই পানি গড়িয়ে পড়বে। Tae এর মা tae এর ফ্রেন্ডদের আসতে বললো। তারা বলছে আমরা থাকতে আপনার চিন্তা করা লাগবে না আন্টি। একটু অপেক্ষা করুন আমরা সবাই চলে আসছি। তারপরে দেখবো tae কিভাবে মন খারাপ করে থাকে। tae এর দরজা উপর এক প্রকার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। tae বিরক্ত হয়ে এসে দরজা খুলে দেয়ে রেগে কিছু বলতে যাবে। তার আগেই jimin বুকে ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে করতে বললো। jimin: কিরে শালা শুনলাম তুই নাকি ছ্যাঁকা খাইছিস?? তাহলে একটা ব্রেক-আফ পাটি দিবি না। tae চোখ বড় বড় করে jimin এর দিকে তাকিয়ে আছে। tae: আমাকে জ্বালাস না তো। একা থাকতে দে। jimin: আমরা থাকতে তুই শান্তিতে থাকবি?? এটাও আশা করিস tae?? শালাকে ধর! ওর একা থাকা বের করছি। পছা পানিতে নিয়ে গিয়ে ডুবিয়ে রেখে আসবো। সবাই মিলে tae কে নিয়ে সুইমিং পুলে'র কাছে গেলো। সবাই গোল হয়ে tae গিরে ধরে বসে আছে। সব মিলে একটা গান ধরলো। tae: প্লিজ তোরা গান বলিস না। যতটুকু বেঁচে আছি'। তোদের গান শুনলে এখনি হয়তো মরে যাবো। jimin: তাহলে তুই একটা মিষ্টি মধুর গান ধর। এই Suga তোর গিটারটা tae এর হাতে দে। suga & tae এর হাতে গিটার দিলে tae সুর তুলে গান গাইতে শুরু করলো। jimin: ধুর শালা রমন মরা গান গাইছিস কেনো? আমরা কি ছ্যাঁকা খাইছি নাকি?? যে দুঃখের গান শুনবো। tae & jimin কে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিলো। পরিবেশটা একদম নিস্তব্ধ হয়ে গেলো। সবার মাঝে পিনপিনে নিরবতা চলছে। tae এর আওয়াজ যতটুকু শুনা যাচ্ছে। tae এর কান্না দেখে jimin ও কান্না করে দিলো। ওদের কান্না দেখে suga আর j-hope ওদের জড়িয়ে ধরে চিৎকার করতে লাগলো। suga আর j-hope এর কান্না দেখে দুজনেই হেঁসে দিলো। tae: সত্যি আমি অনেক ভাগ্যবান। তোদের মত বন্ধু পেয়েছি। যাদের কোনো কারণ ছাড়াই জড়িয়ধরে কান্না করা যায়। যাদের জীবনে Suho এর মত বিশ্বাস ঘাতক বন্ধু আছে। ঠিক তেমনি jimin, suga, j-hope ও আছে। jimin: হয়েছে শালা আর গলাতে হবে না। এখন বল Suho এর সাথে কি হয়েছিলো?? দু'জন Girlfriend boyfriend এর মত চিলি। সারা দিন এক সাথে থাকতি। নিজে না খেয়ে অন্যাকে খাইয়ে দিতি। একজন আরেক জনকে না দেখলে পাগল হয়ে যেতি। কি এমন হলো শুনি। এতো গভীর ফ্রেন্ডশিপ নষ্ট করে ফেললি। tae: Suho কে আমি নিজের ভাই মনে করতাম। কোনোদিন আলাদা চোখে দেখিনি। তারপরে Nancy এর সাথে আমার রিলেশন হলো। আমরা তিনজন সবসময় এক সাথে আড্ডা দিতাম। আস্তে আস্তে Suho কেমন যেনো পরিবর্তন হয়ে যেতে লাগলো। আমি বুঝতাম তবু-ও সব কিছু জেনে চুপ করে থাকতাম। কিছু বললে ও যদি কষ্ট পায়। আচ্ছা Nancy না হয় দু-দিনের মেয়ে চিলো। কিন্তু Suho এর সাথে তো আমার ১৩ বছরের ফ্রেন্ডশিপ ছিলো'। ও আমার সাথে বেইমানি করতে পারলো কিভাবে?? jimin: কি করছিলো ও?? tae: তাহলে শুন Suho এর সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। ও কষ্ট পেয়েছে বলে। আমি ওর রাগ ভাঙানোর জন্য ওর বাসার উদ্দেশ্যে যাই। গিয়ে আমি যা দেখতে পাই। তা দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না রে। আমি Nancy আর Suho কে আপত্তিকর অবস্তায় পেয়েছিলাম। সেইদিন আমার পৃথিবীর সকল ভালোবাসার প্রতি বিশ্বাস উঠে গিয়েছিলো। আমি Nancy এর জন্য কষ্ট পাইনি রে। তবে খারাপ লেগেছিলো। কিন্তু যার জন্য কষ্ট পেয়েছি সে হলো Suho। আমাদের ১৩ বছরের ফ্রেন্ডশিপ ছিলো। ও কিভাবে পারলো আমার সাথে এতো বড় বেইমানি করতে?? ও Nancy কে ভালোবাসে আমাকে বলতে পারতো। বিনাবাক্য আমি Nancy কে দিয়ে দিতাম। তারপরে কতদিন ওর সাথে দেখা হয় না। কথা হয় না। আড্ডা দেওয়া হয় না। ঘুরা হয়না। সব মিলিয়ে আমার দম বন্ধ হয়ে আসার অবস্থা। ওর চিন্তায় আমি এক প্রকার In depression এ চলে গিয়েছিলাম। নিজেকে ঘর বন্দী করে ফেলছিলাম। না-ও দিয়ে দিয়েছি পরের পার্ট।।😗😗 #fypシ゚viral🖤tiktok☆♡🦋myvideo #ff_lover #viraltiktok #viralvideo #foryou @TikTok 이벤트 공식 계정

About