@kirodori: kdrama : weak hero class 2 | n3tfl1x mvr4h 0n b1o!⭐️ _____________________________ #weakheroclass2 #kdramaedit #fyp #fypシ゚viral #drakor

kirodori 🍵🍓
kirodori 🍵🍓
Open In TikTok:
Region: ID
Sunday 28 June 2026 12:06:57 GMT
2216
144
0
23

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @kirodori, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Part - 88। দুই_পৃথিবী 🕊️ কালো মার্সিডিজ গাড়িটা থামলো Boys Town আশ্রমের গেটের সামনে। প্রথমে Tae নেমে দাড়িয়ে Yn কে নামতে সাহায্য করলো। চুলগুলো খোপা করে রেখেছিল Yn। Tae হাত বাড়িয়ে খোপার ব্যান্ড খুলে ফেলল। বিছিয়ে পড়লো পা সমান চুলগুলো। Yn চমকে পিছনে ফিরে চাইলো। Tae ঝুঁকে সে বলল,  Tae: তোমার চুলগুলো বড্ড জ্বালাচ্ছিল আমার, মেলে দিয়েছি এখন আর জ্বালাবে না।  Yn ফিক করে হেসে ফেললো। Tae নিজের চোখ দিয়ে কেড়ে নিলো নেই হাসি। Yn এগিয়ে গেলো ধীর পায়ে। একজন দারোয়ান গেট খুলে দিতেই বাচ্চাদের হাসির শব্দ ভেসে এলো। আশ্রমের সামনের জায়গায় একজোট হয়ে খেলছে সব বাচ্চারা। Yn চোখ ভরে দেখলো বাচ্চাদের। কান পেতে শুনলো বাচ্চাদের প্রাণবন্ত হাসির শব্দ।  Tae এগিয়ে এসে পকেটে হাত গুজে পাশে দাঁড়িয়ে রইলো। চোখের ইশারা করতেই একজন গার্ড এগিয়ে যেয়ে গাড়ির ভিতর থেকে চকলেটের বড়সড় বক্স বের করলো। পরপর দুইজন গার্ড এসে চকলেট দেখাতেই বাচ্চারা সবাই হৈ হৈ করতে করতে দৌঁড়ে এলো। একে একে সবার হাতে চকলেট তুলে দাওয়া হলো। Yn এগিয়ে গেলো। শাড়ির আঁচল কোমরে পেঁচিয়ে নিজে চকলেট দিতে লাগলো সব বাচ্চাদের।  বাচ্চারা একে একে ঘিরে ধরলো Yn কে। কিছু ছোট ছোট বাচ্চা জড়িয়ে ধরলো Yn এর পা। Yn হাটু গেড়ে বসে সবাইকে দুই হাতে আগলে ধরলো। মুহুর্তেই মিশে একাকার হয়ে গেলো যেনো। একজন বাচ্চা মুখ বাড়িয়ে চুমু খেলো Yn এর গালে। Yn খিলখিল করে হেসে বাচ্চাটাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলো।  সবশেষে শুরু হলো খেলার প্রতিযোগিতা। বিদেশি বাচ্চা হওয়ায় বাঙালিদের কোনো খেলাই তারা চেনে না। Yn সবাইকে মিনিটের মাথায় বুঝিয়ে দিলো কানামাছি খেলাটা। একজন বাচ্চার চোখ বেঁধে তাকে ধরতে বলা হলো সবাইকে।  Yn ইতিমধ্যে মেতে উঠেছে বাচ্চাদের সঙ্গে। নিজের দুঃখ কষ্ট, চাপা যন্ত্রণা সব যেনো নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়ে এসেছে। খিলখিল করে হাসছে, আবার দৌড়ে খেলছে। শাড়ি নিয়েও ভালোই দৌড়চ্ছে মেয়েটা।  এক কোণে দাড়িয়ে প্রতিটা মুহূর্ত গিলে নিচ্ছে Tae। চোখ ভরে দেখছে হাস্যোজ্জ্বল Yn কে। এই চঞ্চল Yn কে দেখেই তো সে প্রেমে পড়েছি। পড়েছিল এক অনন্ত মায়ায়। সবশেষে সেই মায়া তাকে ধ্বংসের নিকট টেনে ধরলো। তাতে কি? ভুলতে পেরেছে কখন এই অষ্টাদশী কন্যাকে? নাকি ভুলতে চেয়েছে কোনোদিন? চাওয়ার সামর্থ্য আছে নাকি! শেষে Yn এর চোখ বাধা হলো ওড়না দিয়ে। এইবার সবাইকে ধরবে Yn। বাচ্চারা সবাই সরে গেলো পিছনের দিকে। Yn হাত বাড়িয়ে অন্ধের মত খুঁজতে লাগলো সবাইকে। কাউকে না পেয়ে একপা একপা করে এগোতে লাগলো সামনের দিকে। হাতের নাগালে কাউকে পেয়ে আচমকা জড়িয়ে ধরলো। এক হাতে ধরে রেখে চোখের বাঁধন খুলে দিতেই মুখ হা হয়ে গেলো।  সে কাকে জড়িয়ে ধরেছে? Tae কে? Yn চোখ বড় বড় করে ঢোক গিললো। অতিরিক্ত কাছে থাকায় Tae এর তীব্র পারফিউমের ঘ্রাণ নাকে এসে বারি খাচ্ছে। তীব্র গ্রানে ঘোরে ডুবে গেলো Yn। আপনা আপনি মুখ এগিয়ে নিয়ে Tae এর বুকের সঙ্গে চেপে ধরলো। শুষে নিতে থাকলো সব সুভাস! Tae এর শরীর শিউরে উঠছে। তার শরীরের প্রতিটা লোম বীর সৈনিকের মত দাড়িয়ে পড়েছে। শক্তপোক্ত ধাঁচের মানুষটা হকচকিয়ে গেছে আজ। কারোর হঠাৎ কাছে আশার ভার যেনো পোহাতে পারছে না। শরীর থেমে গেছে। শ্বাস প্রশ্বাস ঘন হয়ে আসছে।  Yn আরেকটু মিশে যেতে চাইলে বাহু টেনে ধরলো Tae। Yn কে সোজা করে দার করিয়ে কয়েকবার ঝাঁকালো। Tae শ্বাস নিচ্ছে ঘন ঘন। দেখেই বুঝা যাচ্ছে আবারো শ্বাস কষ্ট শুরু হয়েছে। ফর্সা মুখ লাল হয়ে গেছে ইতোমধ্যে।  Yn এর ঘোর কাটলো। ছিটকে সরে গেলো। Tae হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, Tae: কাছে এসোনা। ভুল কিছু ঘটে যেতে পারে যা তুমি পোহাতে পারবে না। আমি একবার নাগালে পেলে তুমি অসুস্থ হয়ে পড়বে। আমার কাছে ঘেষো না প্লিজ। আমি চাইনা তোমায় কষ্ট দিয়ে নিজের চাহিদা পূরণ করতে। চাইনা আমার পক্ষ থেকে তুমি কষ্ট পাও! Yn লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেললো। Tae শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করতে করতে Yn এর হাত চেপে ধরে এগিয়ে গেলো গাড়ির দিকে। Yn কে সিটে বসিয়ে দ্রুত সে বসলো ড্রাইভিং সিটে। গাড়ির ড্রায়ার হাতড়ে পানি খুঁজলো। পানির বোতল পেয়ে দ্রুত পুরোটা শেষ করে ফেললো। তবুও যেন পারছে না শ্বাস নিতে।  Yn তড়িঘড়ি করে এগিয়ে গেলো। এসি ওন করে Tae এর ঘামে ভেজা মুখ শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছে দিতে লাগলো। Tae পূর্ণ নজরে চাইলো Yn এর দিকে। তাচ্ছিল্য হেসে বলল, Tae: আমার একটাই আফসোস ছিল, আমি মরলেও আমার জন্য কেউ কদবে না। তুমি এসে সেই আফসোস টাও গুচিয়ে দিয়েছো। এখন মরলেও স্বার্থক, কারণ কাদার জন্য আমার বউ আছে! .. 200+cp lnk  #foryoupage #fyp #Rimjem7
Part - 88। দুই_পৃথিবী 🕊️ কালো মার্সিডিজ গাড়িটা থামলো Boys Town আশ্রমের গেটের সামনে। প্রথমে Tae নেমে দাড়িয়ে Yn কে নামতে সাহায্য করলো। চুলগুলো খোপা করে রেখেছিল Yn। Tae হাত বাড়িয়ে খোপার ব্যান্ড খুলে ফেলল। বিছিয়ে পড়লো পা সমান চুলগুলো। Yn চমকে পিছনে ফিরে চাইলো। Tae ঝুঁকে সে বলল, Tae: তোমার চুলগুলো বড্ড জ্বালাচ্ছিল আমার, মেলে দিয়েছি এখন আর জ্বালাবে না। Yn ফিক করে হেসে ফেললো। Tae নিজের চোখ দিয়ে কেড়ে নিলো নেই হাসি। Yn এগিয়ে গেলো ধীর পায়ে। একজন দারোয়ান গেট খুলে দিতেই বাচ্চাদের হাসির শব্দ ভেসে এলো। আশ্রমের সামনের জায়গায় একজোট হয়ে খেলছে সব বাচ্চারা। Yn চোখ ভরে দেখলো বাচ্চাদের। কান পেতে শুনলো বাচ্চাদের প্রাণবন্ত হাসির শব্দ। Tae এগিয়ে এসে পকেটে হাত গুজে পাশে দাঁড়িয়ে রইলো। চোখের ইশারা করতেই একজন গার্ড এগিয়ে যেয়ে গাড়ির ভিতর থেকে চকলেটের বড়সড় বক্স বের করলো। পরপর দুইজন গার্ড এসে চকলেট দেখাতেই বাচ্চারা সবাই হৈ হৈ করতে করতে দৌঁড়ে এলো। একে একে সবার হাতে চকলেট তুলে দাওয়া হলো। Yn এগিয়ে গেলো। শাড়ির আঁচল কোমরে পেঁচিয়ে নিজে চকলেট দিতে লাগলো সব বাচ্চাদের। বাচ্চারা একে একে ঘিরে ধরলো Yn কে। কিছু ছোট ছোট বাচ্চা জড়িয়ে ধরলো Yn এর পা। Yn হাটু গেড়ে বসে সবাইকে দুই হাতে আগলে ধরলো। মুহুর্তেই মিশে একাকার হয়ে গেলো যেনো। একজন বাচ্চা মুখ বাড়িয়ে চুমু খেলো Yn এর গালে। Yn খিলখিল করে হেসে বাচ্চাটাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলো। সবশেষে শুরু হলো খেলার প্রতিযোগিতা। বিদেশি বাচ্চা হওয়ায় বাঙালিদের কোনো খেলাই তারা চেনে না। Yn সবাইকে মিনিটের মাথায় বুঝিয়ে দিলো কানামাছি খেলাটা। একজন বাচ্চার চোখ বেঁধে তাকে ধরতে বলা হলো সবাইকে। Yn ইতিমধ্যে মেতে উঠেছে বাচ্চাদের সঙ্গে। নিজের দুঃখ কষ্ট, চাপা যন্ত্রণা সব যেনো নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়ে এসেছে। খিলখিল করে হাসছে, আবার দৌড়ে খেলছে। শাড়ি নিয়েও ভালোই দৌড়চ্ছে মেয়েটা। এক কোণে দাড়িয়ে প্রতিটা মুহূর্ত গিলে নিচ্ছে Tae। চোখ ভরে দেখছে হাস্যোজ্জ্বল Yn কে। এই চঞ্চল Yn কে দেখেই তো সে প্রেমে পড়েছি। পড়েছিল এক অনন্ত মায়ায়। সবশেষে সেই মায়া তাকে ধ্বংসের নিকট টেনে ধরলো। তাতে কি? ভুলতে পেরেছে কখন এই অষ্টাদশী কন্যাকে? নাকি ভুলতে চেয়েছে কোনোদিন? চাওয়ার সামর্থ্য আছে নাকি! শেষে Yn এর চোখ বাধা হলো ওড়না দিয়ে। এইবার সবাইকে ধরবে Yn। বাচ্চারা সবাই সরে গেলো পিছনের দিকে। Yn হাত বাড়িয়ে অন্ধের মত খুঁজতে লাগলো সবাইকে। কাউকে না পেয়ে একপা একপা করে এগোতে লাগলো সামনের দিকে। হাতের নাগালে কাউকে পেয়ে আচমকা জড়িয়ে ধরলো। এক হাতে ধরে রেখে চোখের বাঁধন খুলে দিতেই মুখ হা হয়ে গেলো। সে কাকে জড়িয়ে ধরেছে? Tae কে? Yn চোখ বড় বড় করে ঢোক গিললো। অতিরিক্ত কাছে থাকায় Tae এর তীব্র পারফিউমের ঘ্রাণ নাকে এসে বারি খাচ্ছে। তীব্র গ্রানে ঘোরে ডুবে গেলো Yn। আপনা আপনি মুখ এগিয়ে নিয়ে Tae এর বুকের সঙ্গে চেপে ধরলো। শুষে নিতে থাকলো সব সুভাস! Tae এর শরীর শিউরে উঠছে। তার শরীরের প্রতিটা লোম বীর সৈনিকের মত দাড়িয়ে পড়েছে। শক্তপোক্ত ধাঁচের মানুষটা হকচকিয়ে গেছে আজ। কারোর হঠাৎ কাছে আশার ভার যেনো পোহাতে পারছে না। শরীর থেমে গেছে। শ্বাস প্রশ্বাস ঘন হয়ে আসছে। Yn আরেকটু মিশে যেতে চাইলে বাহু টেনে ধরলো Tae। Yn কে সোজা করে দার করিয়ে কয়েকবার ঝাঁকালো। Tae শ্বাস নিচ্ছে ঘন ঘন। দেখেই বুঝা যাচ্ছে আবারো শ্বাস কষ্ট শুরু হয়েছে। ফর্সা মুখ লাল হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। Yn এর ঘোর কাটলো। ছিটকে সরে গেলো। Tae হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, Tae: কাছে এসোনা। ভুল কিছু ঘটে যেতে পারে যা তুমি পোহাতে পারবে না। আমি একবার নাগালে পেলে তুমি অসুস্থ হয়ে পড়বে। আমার কাছে ঘেষো না প্লিজ। আমি চাইনা তোমায় কষ্ট দিয়ে নিজের চাহিদা পূরণ করতে। চাইনা আমার পক্ষ থেকে তুমি কষ্ট পাও! Yn লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেললো। Tae শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করতে করতে Yn এর হাত চেপে ধরে এগিয়ে গেলো গাড়ির দিকে। Yn কে সিটে বসিয়ে দ্রুত সে বসলো ড্রাইভিং সিটে। গাড়ির ড্রায়ার হাতড়ে পানি খুঁজলো। পানির বোতল পেয়ে দ্রুত পুরোটা শেষ করে ফেললো। তবুও যেন পারছে না শ্বাস নিতে। Yn তড়িঘড়ি করে এগিয়ে গেলো। এসি ওন করে Tae এর ঘামে ভেজা মুখ শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছে দিতে লাগলো। Tae পূর্ণ নজরে চাইলো Yn এর দিকে। তাচ্ছিল্য হেসে বলল, Tae: আমার একটাই আফসোস ছিল, আমি মরলেও আমার জন্য কেউ কদবে না। তুমি এসে সেই আফসোস টাও গুচিয়ে দিয়েছো। এখন মরলেও স্বার্থক, কারণ কাদার জন্য আমার বউ আছে! .. 200+cp lnk #foryoupage #fyp #Rimjem7

About