জীবনের গল্প লিখতে বসেছিলাম এক নির্জন সন্ধ্যায়, যখন মন ভেসে যাচ্ছিল স্মৃতির স্রোতে। প্রথমে কলম হাতে নিয়ে শুরু করলাম আমাদের জীবনের নানা দুঃখগাথা লিখতে। প্রতিটি শব্দ যেন হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসছে—প্রিয়জনের বিদায়, কঠিন পথ চলার লড়াই, স্বপ্ন ভাঙা মুহূর্তগুলো। শব্দের সঙ্গে সঙ্গে কাগজেও জমা হচ্ছিল চোখের পানি, যেন প্রতিটি আঁচড়ই সাক্ষী সেই না বলা কষ্টগুলোর।
কিন্তু সেই দুঃখ গাথা শেষ করে যখন সুখের গল্প শুরু করতে গেলাম, এক অদ্ভুত বাঁধায় আটকে গেল কলমের পথচলা। কলমের কালি যেন ফুরিয়ে এসেছে, কাগজের ওপর আর কোনো কালির ধারা টানতে পারছি না। তখন মনে হল, জীবন যেন এমনই—যেখানে দুঃখ কখনো শেষ হয় না, আর সুখের গল্পে বারবার কোনো না কোনো বাধা এসে দাঁড়ায়। এই লেখার যাত্রাই যেন জীবনের এক অনন্ত প্রতিফলন, যেখানে দুঃখ আর সুখের ছন্দমিল খুঁজতে গিয়ে বারবার আটকে পড়তে হয়। তবু, থেমে না থেকে, নতুন কালি এনে আবার শুরু করি সুখের নতুন অধ্যায় লেখার।