@realidad_contadax1: TODOS TENEMOS UN GUIA ESPIRITUAL #rodrigo #MEDIUM #relatos #guia #vidapasada

Realidad Contada
Realidad Contada
Open In TikTok:
Region: DO
Monday 29 June 2026 20:35:18 GMT
3720
154
2
9

Music

Download

Comments

fernando_karamazov
Fernando Karamazov :
déjala hablar we
2026-06-30 19:59:55
1
mely13338
Mely💐 :
Lo creo .
2026-07-01 00:35:56
0
To see more videos from user @realidad_contadax1, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বাবা মা চেয়েছিল সন্তানের লাশ দেশে না পাঠিয়ে, মালিক লাশ পাঠানোর খরচ বাবদ ৬ লাখ টাকা যেন বাবা মার কাছে পাঠিয়ে দিক কিন্তু লাশের স্ত্রী সেই স্বপ্ন পুরন  হতে দেয়নি।   স্ত্রী বরাবরই বলে এসেছে, কোটি টাকা না দিয়ে হলেও লাশ দেশে পাঠাতে হবে,  আমরা তার মুখখানি শেষ বারের মতো দেখতে চাই, শেষ বারের মতো আমার স্বামীকে স্পর্শ করতে চাই। যেহেতু বিদেশে স্বামীর অনুপস্থিতেতে স্বামীর বিষয়ে স্ত্রীর সিদ্ধান্তকেই বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়, অতএব কফিল ফাইনালি স্ত্রীর সিদ্ধান্তকেই মেনে নিতে বাধ্য হয়ে লাশ দেশে পাঠিয়েছে। আর মা লাশের  টাকার লোভ ও শোকে  লাশ বাড়ি পৌছাবার পরে লাশের গায়ে লাথি মারছে, যা সত্যিই মর্মান্তিক। উক্ত বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ঃ-  ১.প্রবাসীদের প্রতি পরিবারের সিমপ্যাথি শুধু টাকার জন্যেই, যা দেখে অনেক প্রবাসী আবেগে আপ্লূত হয়।  ২.এমন জীবন সঙ্গিনী পেয়ে প্রবাসী পুরুষটি মরে গিয়েও তার জীবন সার্থক। এমন স্ত্রী পাওয়া আসলেই অনেক বড় ভাগ্যের ব্যপার। ৩.জৈনিক প্রবাসী লাশ হয়ে দেশে ফিরে প্রমান করেছে, তিনি শুধু টাকা কামানোর এটিএম ম্যাশিন ছিল, সেই ম্যাশিনের মৃত্যুর পরে তার আর কোন মুল্য বাবা মায়ের কাছে নেই।  ব্যাক্তি জীবনে আমরা অনেকেই মা-বাবা ও স্ত্রী উভয় সম্পর্ককে যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারি না।কখনো কেউ স্ত্রীকে প্রাধান্য দিয়ে মা-বাবাকে তুচ্ছ করে থাকি আবার অনেকে মা-বাবাকে অনেক বেশী প্রাধান্য দিয়ে স্ত্রী'র সাথে চাকরানীর মত আচরন করি।যা কোনভাবেই কাম্য নয়।এখানে একটা ভারসাম্যর নীতি থাকা দরকার, পিতা-মাতার স্থানে পিতা-মাতা এবং স্ত্রী স্থানে স্ত্রী।প্রতিটা সম্পর্কের রসায়ন যেমন আলাদা তেমনি দ্বায়িত্ববোধ ভালোবাসা স্নেহ-মমতা শ্রদ্ধাবোধও ভিন্ন। আমাদের সমাজে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে ছেলে বিয়ে করানোর পর অনেক 'মা' ছেলের বউ'কে আক্ষরিক অর্থ সতীনের মত ট্রিট করে।ছেলের বউয়ের যেকোন কিছুতে তাদের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ কাজ করে, যার কারনে উঠতে বসতে দোষ ধরাই যেন একমাত্র কাজ।অথচ চিন্তা করেনা যে ছেলের বউয়ের সাথে আচরণ ছেলের জীবনেও প্রভাব ফেলে, তাকে মানসিকভাবে যন্ত্রনা বা ঝামেলার মধ্যে ফেলে।তার পারিবারিক সম্পর্ক ভারসাম্য রাখতে কষ্ট হয়, সে হয়তো মা-বাবাকে খুঁশি রাখতে স্ত্রীর উপর অন্যায় আচরন করে আর তাতে পিতামাতা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে যে তাদের ছেলে এখনো তাদের হাতের মুঠোয় আছে।অথচ ভিতরে-ভিতরে ছেলের সংসার জীবন নানান সংকটে ঘেরা যা নিজেকে দহন করে কেউকে বলা যায় না। মানুষ মাত্র'ই স্বার্ধপর।এই ঘটনা আমাদের চোঁখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে অর্থ এই সকল অনর্থের মূ্ল।আর জীবন মানেই ট্রাজেডি। আহারে জীবন! আহা জিবন! জলে ভাসা পদ্ম যেমন! রিয়াজ-হাসান  কবিতায় গল্প বলা মানুষ_
বাবা মা চেয়েছিল সন্তানের লাশ দেশে না পাঠিয়ে, মালিক লাশ পাঠানোর খরচ বাবদ ৬ লাখ টাকা যেন বাবা মার কাছে পাঠিয়ে দিক কিন্তু লাশের স্ত্রী সেই স্বপ্ন পুরন হতে দেয়নি। স্ত্রী বরাবরই বলে এসেছে, কোটি টাকা না দিয়ে হলেও লাশ দেশে পাঠাতে হবে, আমরা তার মুখখানি শেষ বারের মতো দেখতে চাই, শেষ বারের মতো আমার স্বামীকে স্পর্শ করতে চাই। যেহেতু বিদেশে স্বামীর অনুপস্থিতেতে স্বামীর বিষয়ে স্ত্রীর সিদ্ধান্তকেই বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়, অতএব কফিল ফাইনালি স্ত্রীর সিদ্ধান্তকেই মেনে নিতে বাধ্য হয়ে লাশ দেশে পাঠিয়েছে। আর মা লাশের টাকার লোভ ও শোকে লাশ বাড়ি পৌছাবার পরে লাশের গায়ে লাথি মারছে, যা সত্যিই মর্মান্তিক। উক্ত বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ঃ- ১.প্রবাসীদের প্রতি পরিবারের সিমপ্যাথি শুধু টাকার জন্যেই, যা দেখে অনেক প্রবাসী আবেগে আপ্লূত হয়। ২.এমন জীবন সঙ্গিনী পেয়ে প্রবাসী পুরুষটি মরে গিয়েও তার জীবন সার্থক। এমন স্ত্রী পাওয়া আসলেই অনেক বড় ভাগ্যের ব্যপার। ৩.জৈনিক প্রবাসী লাশ হয়ে দেশে ফিরে প্রমান করেছে, তিনি শুধু টাকা কামানোর এটিএম ম্যাশিন ছিল, সেই ম্যাশিনের মৃত্যুর পরে তার আর কোন মুল্য বাবা মায়ের কাছে নেই। ব্যাক্তি জীবনে আমরা অনেকেই মা-বাবা ও স্ত্রী উভয় সম্পর্ককে যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারি না।কখনো কেউ স্ত্রীকে প্রাধান্য দিয়ে মা-বাবাকে তুচ্ছ করে থাকি আবার অনেকে মা-বাবাকে অনেক বেশী প্রাধান্য দিয়ে স্ত্রী'র সাথে চাকরানীর মত আচরন করি।যা কোনভাবেই কাম্য নয়।এখানে একটা ভারসাম্যর নীতি থাকা দরকার, পিতা-মাতার স্থানে পিতা-মাতা এবং স্ত্রী স্থানে স্ত্রী।প্রতিটা সম্পর্কের রসায়ন যেমন আলাদা তেমনি দ্বায়িত্ববোধ ভালোবাসা স্নেহ-মমতা শ্রদ্ধাবোধও ভিন্ন। আমাদের সমাজে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে ছেলে বিয়ে করানোর পর অনেক 'মা' ছেলের বউ'কে আক্ষরিক অর্থ সতীনের মত ট্রিট করে।ছেলের বউয়ের যেকোন কিছুতে তাদের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ কাজ করে, যার কারনে উঠতে বসতে দোষ ধরাই যেন একমাত্র কাজ।অথচ চিন্তা করেনা যে ছেলের বউয়ের সাথে আচরণ ছেলের জীবনেও প্রভাব ফেলে, তাকে মানসিকভাবে যন্ত্রনা বা ঝামেলার মধ্যে ফেলে।তার পারিবারিক সম্পর্ক ভারসাম্য রাখতে কষ্ট হয়, সে হয়তো মা-বাবাকে খুঁশি রাখতে স্ত্রীর উপর অন্যায় আচরন করে আর তাতে পিতামাতা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে যে তাদের ছেলে এখনো তাদের হাতের মুঠোয় আছে।অথচ ভিতরে-ভিতরে ছেলের সংসার জীবন নানান সংকটে ঘেরা যা নিজেকে দহন করে কেউকে বলা যায় না। মানুষ মাত্র'ই স্বার্ধপর।এই ঘটনা আমাদের চোঁখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে অর্থ এই সকল অনর্থের মূ্ল।আর জীবন মানেই ট্রাজেডি। আহারে জীবন! আহা জিবন! জলে ভাসা পদ্ম যেমন! রিয়াজ-হাসান কবিতায় গল্প বলা মানুষ_

About