@__xyouroo: pasukan pengintai | #aot | open req #anime ❗ cr : @onlykaaheree . . #AttackOnTitan #levi #arminarlert #mikasa #eren #sasha #hangezoe #erwinsmith #jean #mike #animeedit #trend #fyp

𝐗𝐲𝐨𝐮𝐫𝐨𝐨⚡
𝐗𝐲𝐨𝐮𝐫𝐨𝐨⚡
Open In TikTok:
Region: ID
Monday 29 June 2026 22:18:17 GMT
136848
29796
310
2946

Music

Download

Comments

d4rk3vil1
Rey kata Kaiser pulang :
Ada levi ada rey🤤
2026-07-01 02:21:08
525
ull.an4
ulan istri eren 🕊️ :
fyp gw mendadak banyak aot tandanya apa
2026-06-30 12:34:03
442
sendy172012
￴ ￴ ￴ ￴ ￴ ￴ ￴ ￴ ￴ ￴ ￴ ￴￴ ￴ ￴ :
Mikasa terlalu di besar besarkan
2026-06-30 07:41:14
94
user55581996760836
vincent :
hange
2026-08-19 19:56:25
5
nueniky
Nue 纽 :
Mikasa terlalu di besar besar kan
2026-08-09 21:18:06
13
hayyhay17
blu.berriess_🫐 :
yg karbit pasti ngiranya itu logo aot😂
2026-08-04 02:08:33
37
vilzet2
𝟏𝟒𝟑 𝐕¡𝐥𝐳𝐞𝐭` 𝐀 :
connie gk dianggap Mulu, pdhl bertahan ampe akhir😹
2026-07-01 10:32:33
79
mikasya_
syalaa_次郎♡ :
MINGGIR SEMUA EREN DAN ARMIN ITU MY FINESHYT 💐
2026-07-01 01:22:43
8
teen_yger
𝔗𝔥𝔢.𝔦𝔯𝔬𝔫𝔤𝔦𝔯𝔩🍒 :
Eren my love
2026-07-02 01:27:20
5
usr_fnny
⃟ :
mntep semua njrr😋
2026-06-30 07:27:37
6
aliaa_ackerman
aliaa :
barudak pengintai ni boss😛
2026-06-30 11:33:34
13
syx_85
syx_89 :
ada suami aku
2026-07-18 15:08:24
3
eren._yegadesu
𐙚⋆°🐱🍀⋆ᥫ᭡ :
rey mana nih rey, ada lepi
2026-06-30 13:41:44
8
hai12345678910hehe
my dad pooped in his pants :
MANA CONNIE?
2026-08-12 04:49:02
4
irmaa_sunda
𝙄𝙧𝙢𝙖𝙖𝙖 :
anime pertama guehh
2026-07-01 13:45:28
7
ggi.satria2
🥷🏻 :
bagi adek adek yg blm tau silahkan nonton yaa.kalau kami yg udh alumni cuma nungguin s5😁
2026-07-20 12:30:00
9
orang.rendom66
orang rendom :
eren, Levi, Armin milik aku ya 🤭😋
2026-07-01 11:11:04
11
eremika053
─ミカサ Mikasa. :
2026-06-30 07:17:49
7
xiou_shi0
𝙉𝙖𝙗𝙞𝙚𝙡🇮🇩🇨🇳 :
reiner manaa
2026-08-24 02:33:24
0
akumaudiakembali0
nisa_prettyy👅😛 :
𝑒ℎ 𝑏𝑢𝑘𝑎𝑛 𝑛𝑦𝑎 𝐴𝑟𝑚𝑖𝑛 𝑐𝑒𝑤𝑒𝑘 𝑦𝑎?
2026-08-27 16:40:56
0
risleq.wibu
LEQ• :
izin simpan video lu jj nya tu lohh, 10000000000000000000000000000000000000000 / 10
2026-07-29 15:14:33
4
gakutukangtidur
Nátsuki seba :
ver sakadays
2026-07-25 23:57:49
2
ck_pogih
CK_pogih :
eren yeager
2026-08-25 02:11:19
0
idontknowwhoiam6
shkir :
ganteng dan cantik akuh
2026-07-02 12:55:04
3
meilie2906
celiee⋆.𐙚 ̊ :
parah Connie gada
2026-08-11 05:10:57
1
To see more videos from user @__xyouroo, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ভালোবাসার ছোঁয়া  ঠিক তখনই রাহুলের চোখ পড়ল তার ওপর। অনন্যাকে দেখে রাহুলের চোখ দুটো বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল। রাহুল: ও মা! এত কিউট মেয়েটা জুস নিয়ে এসেছে! কিরে ইরফান, তুই না বললি তোর কোনো বোন নেই? তাহলে এই মেয়েটা কে? ইরফান রাগী চোখে রাহুলের দিকে তাকাল। ইরফান: এটা আমাদের বাসার কাজের মেয়ে। কথাটা শুনে রাহুল যেন আকাশ থেকে পড়ল! রাহুল: কীইই! তোরা এত সুন্দর একটা কিউট বার্বি ডলকে দিয়ে কাজ করাস? না, না, ইরফান! তুই এটা একদমই ঠিক করিস না! তারপর রাহুল অনন্যার দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে জিজ্ঞেস করল— রাহুল: এই যে, তোমার নাম কী? অনন্যা একটু ইতস্তত করে রাহুলের দিকে তাকাল। অনন্যা: অনন্যা। ইরফান এবার রাগী চোখে অনন্যার দিকে তাকাল। ইরফানের মনের কথা: ওকে কি কথা বলতে বলেছি আমি? নিজে থেকেই কথা বলা শুরু করে দিয়েছে! দাঁড়া, তোর কপালে আজ দুঃখ আছে! কিন্তু রাহুলের সেদিকে কোনো খেয়ালই নেই। সে ততক্ষণে উঠে দাঁড়িয়ে অনন্যার হাত থেকে শরবতের ট্রেটা নিয়ে পাশের টেবিলের ওপর রেখে দিয়েছে। রাহুল: হাই, আমি রাহুল! কথাটা বলে সে বন্ধুত্ব করার জন্য অনন্যার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল। অনন্যা কিছুটা ইতস্তত করলেও শেষ পর্যন্ত রাহুলের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করল। অনন্যা: আমি অনন্যা। রাহুল: ইস! আমার একদম ভালো লাগল না! অনন্যা অবাক হয়ে তাকাল। অনন্যা: কী ভালো লাগল না? রাহুল: তুমি এখানে কাজ করো, এটা আমার ভালো লাগল না। এত সুন্দর একটা মেয়ে কাজ করবে কেন? তোমার তো রাজা-রানির মতো থাকার কথা! অনন্যা এবার মুখটা একটু নিচু করে মৃদু স্বরে বলল— অনন্যা: কারণ আমার বাবা-মা নেই। কথাটা শুনে রাহুলের মুখের হাসি মুহূর্তেই মিলিয়ে গেল। রাহুল: কী! বাবা-মা নেই বলে তোমাকে কাজ করতে হবে? এটা কেমন কথা? তোমারও তো ভালোভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে! তারপর রাহুল হঠাৎ আবেগের বশে বলে উঠল— রাহুল: তুমি তো আমার বউ হবে! তোমাকে আমি রাজা-রানির মতো করে রাখব! এত সুন্দর একটা মেয়েকে কেউ কাজ করায় নাকি? কথাটা বলেই সে ইরফানের দিকে তাকিয়ে আবারও বলে উঠল— রাহুল: ইরফানটা না, ওর আসলে ব্রেইন হাঁটুতে! এজন্যই ওরকম করে! রাহুলের কথা শেষ হওয়ার আগেই ইরফান ধমকে উঠল। ইরফান: স্টপ! স্টপ! তার গলার আওয়াজে পুরো ড্রয়িংরুম কেঁপে উঠল। ইনায়া চমকে ইরফানের দিকে তাকাল। রাহুল ভ্রু কুঁচকে বন্ধুর দিকে তাকিয়ে রইল, আর অনন্যা ভয়ে একেবারে চুপ হয়ে গেল। ইরফান: কী শুরু করেছিস তোরা? এখানে কি প্রেমপ্রীতি চলছে নাকি? আজব! তারপর সে অনন্যার দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে বলল— ইরফান: এই অনন্যা, যা! ভেতরে যা! তোকে যেন আর আমার আশপাশে দেখতে না পাই! অনন্যা ভয়ে মাথা নিচু করে ফেলল। রাহুল এবার আর চুপ থাকতে পারল না। রাহুল: এই! তুই মেয়েটাকে বকছিস কেন? আমি ওর সঙ্গে শুধু কথা বলছি! তাতে তোর সমস্যা কোথায়? ইরফান: বেশি কথা বলিস না! রাহুল: বেশি কথা বলব না মানে? তুই ইনায়ার সঙ্গে ঢলাঢলি করছিস, কর! আর আমি একটা মেয়ের সঙ্গে কথা বললেই তোর সমস্যা? এদিকে আবার চোখ দিচ্ছিস, বেয়াদব ছেলে! রাহুলের কথা শুনে ইরফানের মুখ আরও গম্ভীর হয়ে উঠল। ইরফান: রাহুল! রাহুল: কী? সত্যি কথা বললেই গায়ে লাগে? পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই অনন্যা ভয়ে ভয়ে রাহুলের দিকে তাকিয়ে বলল— অনন্যা: আমি আসি, ভাইয়া। রাহুল সঙ্গে সঙ্গে বুকের ওপর হাত রেখে নাটকীয় ভঙ্গিতে বলে উঠল— রাহুল: ভাইয়া বলো না, প্লিজ! কথাটা একদম বুকে এসে লাগল! রাহুলের এমন কাণ্ড দেখে অনন্যার মুখে অজান্তেই একটা মুচকি হাসি ফুটে উঠল। সে আর কোনো কথা না বলে ট্রেটা টেবিলে রেখে সেখান থেকে চলে গেল। অনন্যার সেই মিষ্টি হাসি দেখে রাহুলও মুচকি হাসল। আর ঠিক তখনই ইরফানের রাগ যেন আরও বেড়ে গেল! ### ইরফানের রাগের কারণ কী? অনন্যা চলে যেতেই ইরফান রাহুলের দিকে ঘুরে তাকাল। ইরফান: ওর থেকে দূরে থাকবি! রাহুল অবাক হয়ে বন্ধুর দিকে তাকাল। রাহুল: কেন? কী হয়েছে ওর? ইরফান: আমি যা বলছি, তাই করবি! আর জুস দিয়ে গেছে না? জুসটা গিল, চুপ করে! রাহুল: আরে, তুই এমন করছিস কেন? মেয়েটার সঙ্গে একটু ভালোভাবে কথা বললাম, তাতেই তোর এত জ্বলে কেন? ইরফান কোনো উত্তর দিল না। তার চোয়াল শক্ত হয়ে আছে, চোখেমুখে স্পষ্ট বিরক্তি। সে একবার ইনায়ার দিকে তাকাল, তারপর রাহুলের দিকে। ইরফান: তোদের দুজনের জন্য আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে! কথাটা বলেই সে দ্রুত উঠে দাঁড়াল। তারপর রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে নিজের ঘরের দিকে হাঁটা দিল। সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার আগেই সে চিৎকার করে বলে উঠল— ইরফান: অনন্যা! আমার রুমে আয়, এক কাপ কফি নিয়ে! কথাটা বলেই সে নিজের ঘরে চলে গেল। এদিকে রাহুল বন্ধুর চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রহস্যময় হাসি দিল। রাহুলের মনের কথা: হুমম! ব্যাপারটা কী? মেয়েটার সঙ্গে কথা বললেই ইরফানের এত রাগ হয় কেন? শুধু বাসার কাজের মেয়ে হলে তো এমন করার কথা না! নাকি বন্ধুবর, তোর মনের ভেতরে অন্য কোনো কাহিনি চলছে? রাহুলের ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল। অন্যদিকে, নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল ইরফান।
ভালোবাসার ছোঁয়া ঠিক তখনই রাহুলের চোখ পড়ল তার ওপর। অনন্যাকে দেখে রাহুলের চোখ দুটো বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল। রাহুল: ও মা! এত কিউট মেয়েটা জুস নিয়ে এসেছে! কিরে ইরফান, তুই না বললি তোর কোনো বোন নেই? তাহলে এই মেয়েটা কে? ইরফান রাগী চোখে রাহুলের দিকে তাকাল। ইরফান: এটা আমাদের বাসার কাজের মেয়ে। কথাটা শুনে রাহুল যেন আকাশ থেকে পড়ল! রাহুল: কীইই! তোরা এত সুন্দর একটা কিউট বার্বি ডলকে দিয়ে কাজ করাস? না, না, ইরফান! তুই এটা একদমই ঠিক করিস না! তারপর রাহুল অনন্যার দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে জিজ্ঞেস করল— রাহুল: এই যে, তোমার নাম কী? অনন্যা একটু ইতস্তত করে রাহুলের দিকে তাকাল। অনন্যা: অনন্যা। ইরফান এবার রাগী চোখে অনন্যার দিকে তাকাল। ইরফানের মনের কথা: ওকে কি কথা বলতে বলেছি আমি? নিজে থেকেই কথা বলা শুরু করে দিয়েছে! দাঁড়া, তোর কপালে আজ দুঃখ আছে! কিন্তু রাহুলের সেদিকে কোনো খেয়ালই নেই। সে ততক্ষণে উঠে দাঁড়িয়ে অনন্যার হাত থেকে শরবতের ট্রেটা নিয়ে পাশের টেবিলের ওপর রেখে দিয়েছে। রাহুল: হাই, আমি রাহুল! কথাটা বলে সে বন্ধুত্ব করার জন্য অনন্যার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল। অনন্যা কিছুটা ইতস্তত করলেও শেষ পর্যন্ত রাহুলের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করল। অনন্যা: আমি অনন্যা। রাহুল: ইস! আমার একদম ভালো লাগল না! অনন্যা অবাক হয়ে তাকাল। অনন্যা: কী ভালো লাগল না? রাহুল: তুমি এখানে কাজ করো, এটা আমার ভালো লাগল না। এত সুন্দর একটা মেয়ে কাজ করবে কেন? তোমার তো রাজা-রানির মতো থাকার কথা! অনন্যা এবার মুখটা একটু নিচু করে মৃদু স্বরে বলল— অনন্যা: কারণ আমার বাবা-মা নেই। কথাটা শুনে রাহুলের মুখের হাসি মুহূর্তেই মিলিয়ে গেল। রাহুল: কী! বাবা-মা নেই বলে তোমাকে কাজ করতে হবে? এটা কেমন কথা? তোমারও তো ভালোভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে! তারপর রাহুল হঠাৎ আবেগের বশে বলে উঠল— রাহুল: তুমি তো আমার বউ হবে! তোমাকে আমি রাজা-রানির মতো করে রাখব! এত সুন্দর একটা মেয়েকে কেউ কাজ করায় নাকি? কথাটা বলেই সে ইরফানের দিকে তাকিয়ে আবারও বলে উঠল— রাহুল: ইরফানটা না, ওর আসলে ব্রেইন হাঁটুতে! এজন্যই ওরকম করে! রাহুলের কথা শেষ হওয়ার আগেই ইরফান ধমকে উঠল। ইরফান: স্টপ! স্টপ! তার গলার আওয়াজে পুরো ড্রয়িংরুম কেঁপে উঠল। ইনায়া চমকে ইরফানের দিকে তাকাল। রাহুল ভ্রু কুঁচকে বন্ধুর দিকে তাকিয়ে রইল, আর অনন্যা ভয়ে একেবারে চুপ হয়ে গেল। ইরফান: কী শুরু করেছিস তোরা? এখানে কি প্রেমপ্রীতি চলছে নাকি? আজব! তারপর সে অনন্যার দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে বলল— ইরফান: এই অনন্যা, যা! ভেতরে যা! তোকে যেন আর আমার আশপাশে দেখতে না পাই! অনন্যা ভয়ে মাথা নিচু করে ফেলল। রাহুল এবার আর চুপ থাকতে পারল না। রাহুল: এই! তুই মেয়েটাকে বকছিস কেন? আমি ওর সঙ্গে শুধু কথা বলছি! তাতে তোর সমস্যা কোথায়? ইরফান: বেশি কথা বলিস না! রাহুল: বেশি কথা বলব না মানে? তুই ইনায়ার সঙ্গে ঢলাঢলি করছিস, কর! আর আমি একটা মেয়ের সঙ্গে কথা বললেই তোর সমস্যা? এদিকে আবার চোখ দিচ্ছিস, বেয়াদব ছেলে! রাহুলের কথা শুনে ইরফানের মুখ আরও গম্ভীর হয়ে উঠল। ইরফান: রাহুল! রাহুল: কী? সত্যি কথা বললেই গায়ে লাগে? পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই অনন্যা ভয়ে ভয়ে রাহুলের দিকে তাকিয়ে বলল— অনন্যা: আমি আসি, ভাইয়া। রাহুল সঙ্গে সঙ্গে বুকের ওপর হাত রেখে নাটকীয় ভঙ্গিতে বলে উঠল— রাহুল: ভাইয়া বলো না, প্লিজ! কথাটা একদম বুকে এসে লাগল! রাহুলের এমন কাণ্ড দেখে অনন্যার মুখে অজান্তেই একটা মুচকি হাসি ফুটে উঠল। সে আর কোনো কথা না বলে ট্রেটা টেবিলে রেখে সেখান থেকে চলে গেল। অনন্যার সেই মিষ্টি হাসি দেখে রাহুলও মুচকি হাসল। আর ঠিক তখনই ইরফানের রাগ যেন আরও বেড়ে গেল! ### ইরফানের রাগের কারণ কী? অনন্যা চলে যেতেই ইরফান রাহুলের দিকে ঘুরে তাকাল। ইরফান: ওর থেকে দূরে থাকবি! রাহুল অবাক হয়ে বন্ধুর দিকে তাকাল। রাহুল: কেন? কী হয়েছে ওর? ইরফান: আমি যা বলছি, তাই করবি! আর জুস দিয়ে গেছে না? জুসটা গিল, চুপ করে! রাহুল: আরে, তুই এমন করছিস কেন? মেয়েটার সঙ্গে একটু ভালোভাবে কথা বললাম, তাতেই তোর এত জ্বলে কেন? ইরফান কোনো উত্তর দিল না। তার চোয়াল শক্ত হয়ে আছে, চোখেমুখে স্পষ্ট বিরক্তি। সে একবার ইনায়ার দিকে তাকাল, তারপর রাহুলের দিকে। ইরফান: তোদের দুজনের জন্য আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে! কথাটা বলেই সে দ্রুত উঠে দাঁড়াল। তারপর রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে নিজের ঘরের দিকে হাঁটা দিল। সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার আগেই সে চিৎকার করে বলে উঠল— ইরফান: অনন্যা! আমার রুমে আয়, এক কাপ কফি নিয়ে! কথাটা বলেই সে নিজের ঘরে চলে গেল। এদিকে রাহুল বন্ধুর চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রহস্যময় হাসি দিল। রাহুলের মনের কথা: হুমম! ব্যাপারটা কী? মেয়েটার সঙ্গে কথা বললেই ইরফানের এত রাগ হয় কেন? শুধু বাসার কাজের মেয়ে হলে তো এমন করার কথা না! নাকি বন্ধুবর, তোর মনের ভেতরে অন্য কোনো কাহিনি চলছে? রাহুলের ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল। অন্যদিকে, নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল ইরফান।

About