@mineworlds0103: ชิดซ้ายเลยเพ่ @thomas #tthomastc #โทมัสธีร์ทัศน์ #โทมัสก้อง #thomaskong

mineworlds
mineworlds
Open In TikTok:
Region: TH
Tuesday 30 June 2026 17:34:41 GMT
6186
1537
8
107

Music

Download

Comments

snowballpovver
나잼 :
THE HILLS THOMAS ON MY TL AGAIN
2026-07-01 10:41:05
0
myymemelo
myymemelo :
หล่อมากกกกก
2026-07-01 12:43:31
0
babykongjirogreen
น้องเขว :
สุดดดดด❤️‍🔥❤️‍🔥
2026-07-01 07:39:26
0
To see more videos from user @mineworlds0103, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#প্রনয়ের_অমল_কাব্য🌷🌷  পার্ট ১ ভার্সিটির গেইটের বাইরে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত ইরফান। আশেপাশে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকে বলে, 'হ্যাঁ, পাশে দশ তলা বিল্ডিং।' মাইরা মিলার হাত ধরে ভার্সিটির গেইটের ভেতরে প্রবেশ করতে নেয়, তার আগেই ইরফানের কথাটা কানে আসতেই একটু দুষ্টুমি করতে আওয়াজ করে বলে ওঠে, 'কু'ত্তা তোর ডার্লিং।' মাইরার কথাটি শুনতে পেয়ে ইরফান কানে ফোন ধরে রাখা অবস্থায় পিছু ফিরে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকায়। মাইরা পিছু ফিরলে ইরফানকে দেখে চোখ বড় বড় করে তাকায়। আয়হায়, এটা তো তার ভার্সিটির প্রফেসর ইরফান নেওয়াজ। বেচারি ভ'য়ে মিলার হাত ছেড়ে সামনের দিকে দৌড় দেয়, ভার্সিটির গেইটের সামনে হঠাৎ মুখ থুবড়ে পড়ে। মিলা হতভম্ব হয়ে যায়। দ্রুতপায়ে মাইরার মাথার কাছে বসে বলে, 'এ্যাই মাইরা, পড়লি কেমনে?' মাইরার চোখমুখ কোঁচকালো। ইশ! বাচ্চাকালে এভাবে পড়েছিল। এতো বড় হয়ে আবার পড়লো। মিলার কথা শুনে রে'গে তাকায় মিলার দিকে। এর সামনেই পড়লো আর এ বলছে পড়লি কেমনে? কিছু বলতে গিয়েও বলল না ইরফান তাদের থেকে একটু দূরে, এজন্য। ধুলোমাখা মাঠ থেকে মাইরা উঠতে গিয়ে বোরখার সাথে পা বেঁধে গিয়ে আবারও ঠাস করে পড়ে যায়। ইরফান রে'গে কল কেটে দিয়েছে। এগিয়ে এসে মাইরার পাশে দাঁড়িয়েছে। চোখমুখ শক্ত করে মাইরার দিকে চেয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে, 'স্টুপিড গার্ল।' মাইরা ইরফানের বলা স্টুপিড গার্ল শুনে নিয়েছে। মনে মনে মুখ ভেঙায়। আশেপাশে অনেকে বাঁকা চোখে তাকিয়ে আছে, বেচারি যেমন ল'জ্জা পেয়েছে, তেমনি রা'গ লাগছে। ডানপাশে কালো জুতো পায়ে দু'টো পা দেখে বুঝল ইরফান এখানেই দাঁড়িয়ে আছে। মাইরার কাঁদতে ইচ্ছে করছে। এই স্যার তাকে আজ কি কাঁচা-ই খেয়ে নিবে। মাইরা ঢোক গিলে কোনোরকমে মাঠ থেকে উঠে কোনোদিকে না তাকিয়ে দৌড় লাগায়। ইরফান তাকে ধরতে পারলে আস্ত রাখবে কি-না সন্দেহ! বেচারি ভ'য়ে শেষ। এদিকে মিলা হতভম্ব হয়ে চেয়ে আছে। বেচারি মাইরাকে টেনে তুলবে বলে নিচু হয়ে বসেছিল। এদিকে এই মাইরা একা একাই পালিয়েছে। ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়িয়ে ইরফানের দিকে তাকালো মিলা। ইরফান চোখমুখ শক্ত করে মাইরার গমনের দিকে চেয়ে আছে। মেয়েটি কই যে দৌড়ে গিয়ে লুকিয়েছে। দাঁত কিড়মিড় করে বলে, 'স্টুপিড গার্ল, ডিজগাস্টিং!' কথাটা বলে বড় বড় পা ফেলে অফিস-রুমের দিকে যায়। মিলা ঢোক গিলল। এ্যাই মাইরাকে তার-ই থা'প'ড়া'তে ইচ্ছে করছে। সামনের দিকে যেতে যেতে বলে, 'মাইরার বাচ্চা!' মাইরা ইরফানের আড়ালে এসে দাঁড়িয়েছিল। বেশ কিছুক্ষণ হাঁপায়। কালো বোরখা পুরো সাদা হয়ে গিয়েছে। অনেকে মিটমিট করে হাসছে। মাইরা সেকেন্ড ইয়ারের একটি ছেলেকে হাসতে দেখে বলে, 'ভাইয়া, একদম হাসবেন না। আপনি না সিনিয়র? জানেন না, জুনিয়রদের স্নেহ করতে হয়?' ছেলেটি থতমত খেয়ে তাকায়। মুখ স্বাভাবিক করে নেয়। মিলা মাইরার বাহুতে ধাক্কা দিয়ে রে'গে বলে, 'এ্যাই বে'য়া'দ'ব, আমাকে রেখে চলে আসলি কেন?' মাইরা দাঁতে কেলিয়ে বলে, 'নিজে বাঁচলে তারপর বাপের নাম নিব।' মিলা দু'হাত কোমরে দিয়ে মাইরার দিকে রে'গে তাকায়। মাইরা এক হাতে মিলাকে জড়িয়ে বলে, 'তোকে কিছু বলবে না। যা বলার সব তো আমাকেই বলবে ময়না। অকাম তো আমি করেছি।' বলতে বলতে মাইরা তার পেটে হাত বুলায়। মিলা ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে, 'কিরে ব্যাথা পেয়েছিস?' মাইরা রে'গে বলে, 'না, আরাম পেয়েছি।' মিলা ইনোসেন্ট মুখ করে বলে, 'আমি কি করলাম? আমাকে রা'গ দেখাস ক্যান?' মাইরা কাঁদোকাঁদো মুখ করে বলে, 'তুই বললি না কেন ওটা আমাদের স্যার? আমাকে এখন কি করবে কে জানে? কিছু না করেই কত শাস্তি পাওয়া লাগে। আর আজ ভুলভাল বলে ফেলেছি। আমি শেষ দোস্ত!' মিলা মুখ বাঁকিয়ে বলে, 'ভালোই হইছে। মুখটা বন্ধ রাখতে পারিস না, এবার মজা বোঝ।' 'মুখ তো কথা বলার জন্য-ই। বন্ধ রাখবো কেন? আজব!' 'তাহলে এখন ইরফান স্যারের কাছে গিয়ে বল, মুখ তো কথা বলার জন্যই, এইজন্যই আমি আমার মুখ দিয়েকুত্তাকে আপনার ডার্লিং বানিয়ে দিয়েছি।' মাইরা ডান হাত পেটে রেখে বলে, 'এমন করিস না থাক, বাড়ি যাই। প্রথম ক্লাস টাই ইরফাইন্না স্যারের। আমাকে আস্ত রাখবে না ভাই।' মিলা মাইরার হাত ধরে বলে, 'আমিও যাচ্ছি। একা একা কে ক্লাস করবে?' মাইরা হাসলো। একদম মনের মতো একখান বান্ধবী তার এইটা। ডানহাতে বোরখা ঝেড়ে মিলা আর মাইরা এগিয়ে যায়। তখন-ই শুদ্ধ তাদের দু'জনের সামনে দাঁড়িয়ে গম্ভীর গলায় বলে, 'তোমরা দু'জন সেই বিচ্ছু না?' মাইরা সাথে সাথে বলে, 'না ভাইয়া। আমরা মানুষ।' মাইরার কথা বলার ধরনে শুদ্ধ হেসে ফেলল। সে স্টুডেন্টদের সামনে এটলিস্ট গম্ভীর হওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু বেচারা তার স্বভাব থেকে বেরোতে পারে না। তবুও চেষ্টা করে। X
#প্রনয়ের_অমল_কাব্য🌷🌷 পার্ট ১ ভার্সিটির গেইটের বাইরে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত ইরফান। আশেপাশে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকে বলে, 'হ্যাঁ, পাশে দশ তলা বিল্ডিং।' মাইরা মিলার হাত ধরে ভার্সিটির গেইটের ভেতরে প্রবেশ করতে নেয়, তার আগেই ইরফানের কথাটা কানে আসতেই একটু দুষ্টুমি করতে আওয়াজ করে বলে ওঠে, 'কু'ত্তা তোর ডার্লিং।' মাইরার কথাটি শুনতে পেয়ে ইরফান কানে ফোন ধরে রাখা অবস্থায় পিছু ফিরে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকায়। মাইরা পিছু ফিরলে ইরফানকে দেখে চোখ বড় বড় করে তাকায়। আয়হায়, এটা তো তার ভার্সিটির প্রফেসর ইরফান নেওয়াজ। বেচারি ভ'য়ে মিলার হাত ছেড়ে সামনের দিকে দৌড় দেয়, ভার্সিটির গেইটের সামনে হঠাৎ মুখ থুবড়ে পড়ে। মিলা হতভম্ব হয়ে যায়। দ্রুতপায়ে মাইরার মাথার কাছে বসে বলে, 'এ্যাই মাইরা, পড়লি কেমনে?' মাইরার চোখমুখ কোঁচকালো। ইশ! বাচ্চাকালে এভাবে পড়েছিল। এতো বড় হয়ে আবার পড়লো। মিলার কথা শুনে রে'গে তাকায় মিলার দিকে। এর সামনেই পড়লো আর এ বলছে পড়লি কেমনে? কিছু বলতে গিয়েও বলল না ইরফান তাদের থেকে একটু দূরে, এজন্য। ধুলোমাখা মাঠ থেকে মাইরা উঠতে গিয়ে বোরখার সাথে পা বেঁধে গিয়ে আবারও ঠাস করে পড়ে যায়। ইরফান রে'গে কল কেটে দিয়েছে। এগিয়ে এসে মাইরার পাশে দাঁড়িয়েছে। চোখমুখ শক্ত করে মাইরার দিকে চেয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে, 'স্টুপিড গার্ল।' মাইরা ইরফানের বলা স্টুপিড গার্ল শুনে নিয়েছে। মনে মনে মুখ ভেঙায়। আশেপাশে অনেকে বাঁকা চোখে তাকিয়ে আছে, বেচারি যেমন ল'জ্জা পেয়েছে, তেমনি রা'গ লাগছে। ডানপাশে কালো জুতো পায়ে দু'টো পা দেখে বুঝল ইরফান এখানেই দাঁড়িয়ে আছে। মাইরার কাঁদতে ইচ্ছে করছে। এই স্যার তাকে আজ কি কাঁচা-ই খেয়ে নিবে। মাইরা ঢোক গিলে কোনোরকমে মাঠ থেকে উঠে কোনোদিকে না তাকিয়ে দৌড় লাগায়। ইরফান তাকে ধরতে পারলে আস্ত রাখবে কি-না সন্দেহ! বেচারি ভ'য়ে শেষ। এদিকে মিলা হতভম্ব হয়ে চেয়ে আছে। বেচারি মাইরাকে টেনে তুলবে বলে নিচু হয়ে বসেছিল। এদিকে এই মাইরা একা একাই পালিয়েছে। ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়িয়ে ইরফানের দিকে তাকালো মিলা। ইরফান চোখমুখ শক্ত করে মাইরার গমনের দিকে চেয়ে আছে। মেয়েটি কই যে দৌড়ে গিয়ে লুকিয়েছে। দাঁত কিড়মিড় করে বলে, 'স্টুপিড গার্ল, ডিজগাস্টিং!' কথাটা বলে বড় বড় পা ফেলে অফিস-রুমের দিকে যায়। মিলা ঢোক গিলল। এ্যাই মাইরাকে তার-ই থা'প'ড়া'তে ইচ্ছে করছে। সামনের দিকে যেতে যেতে বলে, 'মাইরার বাচ্চা!' মাইরা ইরফানের আড়ালে এসে দাঁড়িয়েছিল। বেশ কিছুক্ষণ হাঁপায়। কালো বোরখা পুরো সাদা হয়ে গিয়েছে। অনেকে মিটমিট করে হাসছে। মাইরা সেকেন্ড ইয়ারের একটি ছেলেকে হাসতে দেখে বলে, 'ভাইয়া, একদম হাসবেন না। আপনি না সিনিয়র? জানেন না, জুনিয়রদের স্নেহ করতে হয়?' ছেলেটি থতমত খেয়ে তাকায়। মুখ স্বাভাবিক করে নেয়। মিলা মাইরার বাহুতে ধাক্কা দিয়ে রে'গে বলে, 'এ্যাই বে'য়া'দ'ব, আমাকে রেখে চলে আসলি কেন?' মাইরা দাঁতে কেলিয়ে বলে, 'নিজে বাঁচলে তারপর বাপের নাম নিব।' মিলা দু'হাত কোমরে দিয়ে মাইরার দিকে রে'গে তাকায়। মাইরা এক হাতে মিলাকে জড়িয়ে বলে, 'তোকে কিছু বলবে না। যা বলার সব তো আমাকেই বলবে ময়না। অকাম তো আমি করেছি।' বলতে বলতে মাইরা তার পেটে হাত বুলায়। মিলা ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে, 'কিরে ব্যাথা পেয়েছিস?' মাইরা রে'গে বলে, 'না, আরাম পেয়েছি।' মিলা ইনোসেন্ট মুখ করে বলে, 'আমি কি করলাম? আমাকে রা'গ দেখাস ক্যান?' মাইরা কাঁদোকাঁদো মুখ করে বলে, 'তুই বললি না কেন ওটা আমাদের স্যার? আমাকে এখন কি করবে কে জানে? কিছু না করেই কত শাস্তি পাওয়া লাগে। আর আজ ভুলভাল বলে ফেলেছি। আমি শেষ দোস্ত!' মিলা মুখ বাঁকিয়ে বলে, 'ভালোই হইছে। মুখটা বন্ধ রাখতে পারিস না, এবার মজা বোঝ।' 'মুখ তো কথা বলার জন্য-ই। বন্ধ রাখবো কেন? আজব!' 'তাহলে এখন ইরফান স্যারের কাছে গিয়ে বল, মুখ তো কথা বলার জন্যই, এইজন্যই আমি আমার মুখ দিয়েকুত্তাকে আপনার ডার্লিং বানিয়ে দিয়েছি।' মাইরা ডান হাত পেটে রেখে বলে, 'এমন করিস না থাক, বাড়ি যাই। প্রথম ক্লাস টাই ইরফাইন্না স্যারের। আমাকে আস্ত রাখবে না ভাই।' মিলা মাইরার হাত ধরে বলে, 'আমিও যাচ্ছি। একা একা কে ক্লাস করবে?' মাইরা হাসলো। একদম মনের মতো একখান বান্ধবী তার এইটা। ডানহাতে বোরখা ঝেড়ে মিলা আর মাইরা এগিয়ে যায়। তখন-ই শুদ্ধ তাদের দু'জনের সামনে দাঁড়িয়ে গম্ভীর গলায় বলে, 'তোমরা দু'জন সেই বিচ্ছু না?' মাইরা সাথে সাথে বলে, 'না ভাইয়া। আমরা মানুষ।' মাইরার কথা বলার ধরনে শুদ্ধ হেসে ফেলল। সে স্টুডেন্টদের সামনে এটলিস্ট গম্ভীর হওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু বেচারা তার স্বভাব থেকে বেরোতে পারে না। তবুও চেষ্টা করে। X

About