@keppihevostalli_nadinav: Uważajcie!! * * * * #dog #khtnadinav #fyp #hobbyhorse #skolimki

☀️🌺𝕍𝕚𝕧𝕠 🌺☀️
☀️🌺𝕍𝕚𝕧𝕠 🌺☀️
Open In TikTok:
Region: PL
Tuesday 30 June 2026 20:21:47 GMT
1658726
163130
638
82020

Music

Download

Comments

x.y.z791
🌽🌽 :
nie spodziewałam się tego
2026-06-30 20:49:27
27777
ola_a1406
Ola.a :
Już się bałam, że usłyszę: Temppperaturaaa
2026-07-01 06:57:20
6395
siwy17pl
mati :
2020 ahhh tiktok
2026-07-02 23:54:03
0
xwidmox
☠WIDMO☠ :
myślałem że się porzyga
2026-07-01 19:24:10
1222
nieidealny_york
⊹˚⚽︎ 𝙺𝚒𝚔𝚞𝚜𝚒𝚊🎾 :
-hej, co masz dziś na obiad? -parówki skolima
2026-06-30 23:06:34
1813
kordan.officiall
Kordan :
Czas trwania efektu skolima?
2026-07-01 16:36:39
243
user_named_diana
Diana_lbn🧸🍓💋💞 :
przestraszylam sie
2026-07-01 09:31:49
158
keppihovestali._sherxy
🥭𝓢𝓱𝓮𝓻𝔁𝔂🥭 :
UWAGA BO BEDA SPIEWAC XDD
2026-06-30 20:23:37
376
d4wid.goral
d4wid_górol :
myślałem ze żygnie
2026-07-01 09:29:36
128
chomczur1
✞︎✧GDbebol✧✞︎ :
mój zaśpiewał tempreratura
2026-07-01 05:23:16
95
agulsenik1
agata :
Marta mowi w prawdziwym zyciu
2026-07-01 08:33:11
268
marlenka0303
marlenka0303 :
odkąd ludzie zaczęli jeść skokolimki mam wrażenie że się zwiększyła temperatura
2026-07-01 09:09:04
13
eliza.c_.eq
elyz🐀💍 :
Fiji idol
2026-07-01 05:53:46
1
jestem_gejem.ok02
♧ Nikolai Gogol ♤ :
myslalam ze temperatura bedzie
2026-07-01 09:32:24
78
hanix955
rare.hors3.h@nia🫪 :
jaki jumpsker
2026-06-30 20:54:57
73
martix6359
𝓜𝓪𝓻𝓽𝔂𝓷𝓴𝓪💗 :
Dzieki
2026-06-30 23:10:45
1766
To see more videos from user @keppihevostalli_nadinav, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটা একদল বৃদ্ধ লোক একটা বাড়িতে ঢুকল, আর এক সপ্তাহ পর তারা দৌড়ে বের হলো!কোনো ওষুধ ছাড়া, কোনো সার্জারি ছাড়া। জাস্ট ব্রেইনের একটা ছোট্ট সুইচ অন করে। কীভাবে? ঘটনাটা ১৯৭৯ সালের। হার্ভার্ডের এক তুখোড় সাইকোলজিস্ট, ডক্টর এলেন ল্যাঙ্গার একটা পাগলামি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি চেয়েছিলেন টাইম ট্রাভেল করতে, কিন্তু কোনো মেশিন ছাড়া। তিনি বেছে নিলেন ৮০ বছরের কাছাকাছি বয়সের আটজন বৃদ্ধ মানুষকে। এদের অবস্থা এমন ছিল যে, কেউ লাঠি ছাড়া হাঁটতে পারতেন না, কারো হাত কাঁপত, কারো চোখে ছানি, আবার কেউ বা নিজের নামটাও ঠিকমতো মনে রাখতে পারতেন না। তাদের ছেলেমেয়েরা ভেবেছিল, বাবাকে বুঝি কোনো নার্সিং হোমে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু তারা জানত না, তাদের বাবাদের পাঠানো হচ্ছে ১৯৫৯ সালে! না, কোনো জাদুর দুনিয়া না। ডক্টর ল্যাঙ্গার বোস্টনের এক পুরনো মনাস্ট্রি বা আশ্রমকে পুরোপুরি সাজিয়েছিলেন ১৯৫৯ সালের স্টাইলে। সেখানে ১৯৭৯ সালের কোনো নামগন্ধও ছিল না। টিভি ছিল সাদাকালো, সেখানে চলতো ১৯৫৯ সালের নিউজ, এড সুলিভানের শো। রেডিওতে বাজত সেই সময়ের গান। ম্যাগাজিন, পত্রিকা—সব ২০ বছর আগের। গল্পের প্রথম টুইস্টটা এখানেই। ওই আটজন বৃদ্ধ যখন সেখানে পৌঁছালেন, তারা ভেবেছিলেন কেউ এসে তাদের ব্যাগপত্র টেনে রুমে দিয়ে আসবে, যেমনটা তাদের বাসায় হয়। কিন্তু ডক্টর ল্যাঙ্গার কঠোরভাবে বলে দিলেন,
লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটা একদল বৃদ্ধ লোক একটা বাড়িতে ঢুকল, আর এক সপ্তাহ পর তারা দৌড়ে বের হলো!কোনো ওষুধ ছাড়া, কোনো সার্জারি ছাড়া। জাস্ট ব্রেইনের একটা ছোট্ট সুইচ অন করে। কীভাবে? ঘটনাটা ১৯৭৯ সালের। হার্ভার্ডের এক তুখোড় সাইকোলজিস্ট, ডক্টর এলেন ল্যাঙ্গার একটা পাগলামি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি চেয়েছিলেন টাইম ট্রাভেল করতে, কিন্তু কোনো মেশিন ছাড়া। তিনি বেছে নিলেন ৮০ বছরের কাছাকাছি বয়সের আটজন বৃদ্ধ মানুষকে। এদের অবস্থা এমন ছিল যে, কেউ লাঠি ছাড়া হাঁটতে পারতেন না, কারো হাত কাঁপত, কারো চোখে ছানি, আবার কেউ বা নিজের নামটাও ঠিকমতো মনে রাখতে পারতেন না। তাদের ছেলেমেয়েরা ভেবেছিল, বাবাকে বুঝি কোনো নার্সিং হোমে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু তারা জানত না, তাদের বাবাদের পাঠানো হচ্ছে ১৯৫৯ সালে! না, কোনো জাদুর দুনিয়া না। ডক্টর ল্যাঙ্গার বোস্টনের এক পুরনো মনাস্ট্রি বা আশ্রমকে পুরোপুরি সাজিয়েছিলেন ১৯৫৯ সালের স্টাইলে। সেখানে ১৯৭৯ সালের কোনো নামগন্ধও ছিল না। টিভি ছিল সাদাকালো, সেখানে চলতো ১৯৫৯ সালের নিউজ, এড সুলিভানের শো। রেডিওতে বাজত সেই সময়ের গান। ম্যাগাজিন, পত্রিকা—সব ২০ বছর আগের। গল্পের প্রথম টুইস্টটা এখানেই। ওই আটজন বৃদ্ধ যখন সেখানে পৌঁছালেন, তারা ভেবেছিলেন কেউ এসে তাদের ব্যাগপত্র টেনে রুমে দিয়ে আসবে, যেমনটা তাদের বাসায় হয়। কিন্তু ডক্টর ল্যাঙ্গার কঠোরভাবে বলে দিলেন, "এখানে কেউ আপনাদের সাহায্য করবে না। নিজেদের ব্যাগ নিজেদেরই নিতে হবে।" তারা রেগে গেলেন, গজগজ করলেন। কিন্তু উপায় না দেখে, ধুঁকতে ধুঁকতে নিজেদের ভারী সুটকেস নিয়ে দোতলায় উঠলেন। আর ঠিক তখনই তাদের ব্রেইনে প্রথম সিগন্যালটা গেল—"আমি অক্ষম নই, আমি পারি।" শর্ত ছিল একটাই—এই এক সপ্তাহ তাদের অভিনয় করতে হবে যে এখন সালটা ১৯৫৯। তারা "অতীত কাল" বা পাস্ট টেন্সে কথা বলতে পারবেন না। বলতে হবে প্রেজেন্ট টেন্সে। যেমন- "প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার এখন কী করছেন?" বা "ক্যাস্ত্রো হাভানায় কী করছে?" তাদের আলোচনা করতে হবে ওই সময়ের রাজনীতি, খেলা আর সিনেমা নিয়ে, যেন তারা এখন ওখানেই আছেন। তাদের বয়স তখন যা ছিল- অর্থাৎ ৫৫ বা ৬০- তাদের ঠিক সেই এনার্জি নিয়ে কথা বলতে হবে। প্রথম দুই দিন তারা খুব স্ট্রাগল করলেন। কিন্তু তৃতীয় দিন থেকে এক অদ্ভুত ম্যাজিক শুরু হলো। যে লোকটা বাতের ব্যথায় সোজা হয়ে বসতে পারতেন না, তিনি ডাইনিং টেবিলে সোজা হয়ে বসে তর্ক করছেন পলিটিক্স নিয়ে। যিনি কানে কম শুনতেন, তিনি রেডিওর ভলিউম কমিয়ে গান শুনছেন। পরিবেশটা তাদের বাধ্য করছিল বিশ্বাস করতে যে তারা বুড়ো নন, তারা এখনো মিডল-এজড শক্তিশালী পুরুষ। সবচেয়ে বড় শকটা এল সপ্তাহের শেষ দিনে। ডক্টর ল্যাঙ্গার আশ্রমের সামনের মাঠে একটা দৃশ্য দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। যে বৃদ্ধরা এক সপ্তাহ আগে বাস থেকে নামার সময় অন্যের সাহায্য খুঁজছিলেন, তারা এখন মাঠে 'টাচ ফুটবল' খেলছেন! হ্যাঁ, ফুটবল! তাদের দৌড়াদৌড়ি দেখে মনে হচ্ছিল তাদের বয়স সত্যি সত্যি ২০ বছর কমে গেছে। এক্সপেরিমেন্ট শেষে যখন তাদের ফিজিক্যাল টেস্ট করা হলো, ডাক্তাররা রিপোর্ট দেখে থ হয়ে গেলেন। তাদের হাতের গ্রিপের জোর বেড়ে গেছে, জয়েন্টের নমনীয়তা বেড়েছে, এমনকি দৃষ্টিশক্তি আর শ্রবণশক্তিও ইম্প্রুভ করেছে! চশমা ছাড়াই তারা ছোট লেখা পড়তে পারছিলেন। আইকিউ টেস্টে তাদের স্কোর বেড়ে গিয়েছিল। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং টুইস্টটা হলো, তাদের আগের আর পরের ছবি যখন অপরিচিত লোকদের দেখানো হলো (যারা এই এক্সপেরিমেন্ট সম্পর্কে জানত না), তারা ছবি দেখে বলল, "পরের ছবিগুলোতে তো এদের অনেক ইয়াং লাগছে!" মানে শুধু ফিলিংস না, তাদের চেহারার বলিরেখাও কমে গিয়েছিল। বায়োলজিক্যালি তাদের বয়স রিভার্স করেছিল! ডক্টর এলেন ল্যাঙ্গার প্রমাণ করলেন, আমরা যখনই নিজেদের বলি—"আমার বয়স হয়ে গেছে, আমাকে দিয়ে আর হবে না"—তখন আমাদের শরীরও সেটা মেনে নেয় এবং শাটডাউন হতে শুরু করে। আমাদের সমাজ আমাদের শেখায় যে বুড়ো হওয়া মানেই অসুস্থ হওয়া, আর আমরা সেই স্ক্রিপ্টটাই ফলো করি। কিন্তু যখনই ওই বৃদ্ধদের পরিবেশ বদলে দেওয়া হলো এবং তাদের বিশ্বাস করানো হলো যে তারা এখনো ইয়াং, তাদের শরীরও সেই অনুযায়ী রেসপন্স করল। একে বলে "Mind-Body Connection" বা প্লাসিবো ইফেক্টের বাপ! সো ব্রাদার, আপনি এখনই হয়তো মাঝেমধ্যে বলেন, "ভাল্লাগে না, টায়ার্ড লাগে, আমাকে দিয়ে হবে না।" চিন্তা করুন, ৮০ বছরের বৃদ্ধরা যদি শুধু মাইন্ডসেট চেঞ্জ করে লাঠি ফেলে ফুটবল খেলতে পারেন, তবে আপনি কী না করতে পারেন! আপনার সীমাবদ্ধতা আপনার শরীরে না, ওটা আপনার মাথায়। আপনি যখনই ভাবেন আপনি দুর্বল, আপনি দুর্বল। আর যখন ভাবেন আপনি সুপারহিরো, আপনার ব্রেইন শরীরকে সেই সিগন্যালই পাঠায়। ফোনটা রেখে এবার নিজেকে আয়নায় দেখুন আর বলুন, "আমিই বস, আমার এনার্জির কোনো লিমিট নেই।" বিশ্বাস করুন, আপনার শরীর সেই কথা শুনতে বাধ্য। শুরু করে দিন, পৃথিবী আপনার অপেক্ষায়! #fyp #creatorsearchinsight #foryoupage

About